বিষাক্ত বাজার।
হ্যালো বন্ধুরা।
আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই অনেক ভালো আছেন। আসলে আমরা সবসময়ই তো ভালো থাকতেই চাই কিন্তু আশেপাশের অসাধু ব্যবসায়ীদের জন্য আমাদের সবসময় ভালো থাকা হয়ে ওঠে না। এখন সময়টা এমন হয়েছে যে প্রত্যেকটা জিনিসের মধ্যেই ভেজাল। প্রিজারভেটিভ দিয়ে দীর্ঘক্ষণ সংরক্ষণ বা দ্রুত ফলমূল পাকিয়ে ফেলানোর জন্য কার্বাইড এর ব্যবহার এখন অনিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে।
বাজার মনিটরিং করা যেখানে কর্তৃপক্ষের গুরুতর দায়িত্ব সেখানে অবহেলা নাকি কোন উচ্চ মহলের তৎপরতায় এটা সবসময় থেমে যায় সেটা আমাদের সাধারণ মানুষের বোধগম্য নয়। সরকার চাইলেই এটি খুব সহজেই কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এমন নয় যে এটি আসলেই অসম্ভব ব্যাপার। উন্নত দেশগুলোতে খাবারের এ সকল বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানোর ব্যাপারটি এতটাই গুরুত্ব সহকারে দেখে যা কাউকে হত্যা করার শামিল। আরে এটা তো আসলেও তাই।
বিষাক্ত কেমিক্যালযুক্ত খাবার খেয়ে প্রতিনিয়ত আমরা কঠিন রোগবালাইয়ের দিকে ঝুকে পড়ছি। একটা সাধারণ মানুষ বাজার থেকে কিছু কিনে খাবে তার তো অত হিসেব-নিকাশ করে কিনে খাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা সরকারকে ট্যাক্স দিচ্ছি, এটা সরকারের নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব। সাধারণ জনগণের এই ক্ষতির দায়ভার অবশ্যই সরকারকে নিতে হবে। যারা খাদ্যদ্রব্যে কোন কেমিক্যাল মিশিয়ে অতিরিক্ত মুনাফা লাভার চেষ্টা করে তাদেরকেই যদি আপনি ধরেন আর তাদেরকেই ওই জিনিসটা খেতে বলেন তারা কখনোই খাবে না কারণ তার বিষাক্ততা সম্পর্কে সে খুব ভালোভাবে অবগত। কিন্তু সে অর্থের লোভে সহসাই এগুলো অন্যান্য মানুষদের খাওয়াচ্ছে।
বাজারে আপনারা দেখবেন ইদানিং অনেক বড় বড় সাইজের ড্রাগন ফল উঠেছে। একটা ভিডিওতে দেখলাম এগুলো নাকি বিষাক্ত এক ধরনের কেমিক্যাল স্প্রে দিয়ে বড় করানো হয়। প্রকৃতপক্ষে একটা ড্রাগন ফল সম্পূর্ণ লাল রংয়ের হয়ে থাকে আর ছোট আকৃতির হয়। কিন্তু এগুলো এক একটা ৫০০ গ্রাম বা তার চেয়ে বেশি ওজনের। এগুলোর এক সাইড সবুজ হয়ে থাকে আরেক সাইড লাল বর্ণের হয়ে থাকে। আর বেশি বয়স্ক গুলো অনেকটা হলুদ হয়ে যায়। এগুলো কেনা থেকে বিরত থাকবেন। এগুলো সবই বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে সাইজে বড় করা ড্রাগন ফল।
চিন্তা করে দেখুন একটি ফল যেটা মানুষ সহজে হাতের কাছে পাচ্ছে আর পরিবারকে ভালোবেসে খাওয়াচ্ছে। সেখানেও যদি এরকম বিষাক্ততার ছোঁয়া থাকে তাহলে মানুষ কোথায় যাবে? আজকে বাজারে কলা কিনতে গিয়েছিলাম। সবরি কলা পাওয়া যাচ্ছে না কয়েকদিন ধরে। আজ একটা দোকানে পেলাম, তা একটা কলা মুখে দিয়ে বুঝতে পারলাম এই কলাটা খুব আগেভাগেই কেটে এনে পাকিয়ে বিক্রি করতেছে। সম্পূর্ণ পেকে গেছে দেখা যাচ্ছে কিন্তু খেলে একদম কস কস লাগতেছিল। অর্থাৎ খুব অল্প বয়স থাকতেই পেরে আনছে আর অতি মুনাফা লোভের চিন্তায় এই টাইমে কেমিক্যাল দিয়ে পাকিয়ে এনে সেটা বাজারে বিক্রি করতেছে। যাই হোক আমি পরে ওই কলা আর কিনি নি।
কবে বন্ধ হবে এগুলো জানিনা। যারা বাজারে এ সকল গুরু দায়িত্বে নিয়োজিত কিন্তু দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে এগুলো চোখে দেখেনা, সৃষ্টিকর্তা তাদের সঠিক বুঝ দান করুন। আজ আমি এখানেই বিদায় নিচ্ছি। দেখা হবে পরবর্তী কোন পোস্টে ইনশা আল্লাহ। আল্লাহ হাফেজ।
image source & credit: copyright & royalty free PIXABAY
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
সত্যি বিষয়টা বর্তমানে এমন হয়ে দাড়িয়েছে যে আমরা টাকা দিয়ে বিষাক্ত জিনিস কিনে আনছি। আমি আগে জানতাম যে ব্যবসা সবথেকে ভালো একটি পেশা। কিন্তু বর্তমান ব্যবসায় যে পরিস্থিতি দেখছি এতে মনে হয় না এঁদের মতো ব্যবসায়ীদের উপার্জন করা টাকা হালাল হচ্ছে। সব মিলিয়ে দেখা যায় এরা নিজেদের ক্ষতি করছে আবার জনগণেরও ক্ষতি করছে। সত্যি সরকারের উচিত এই বিষয়ে কোন একটা পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেন সবাই ফ্রেশ কিছু খেতে পারি। তা না হলে দেখা যাবে একসময় চারিদিকে রোগবালয় অনেক বেড়ে যাবে। যাইহোক ধন্যবাদ আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আমাদের মাঝে আলোচনা করার জন্য।
আমার তো মনে হয় আমরা ইদানিং যা খাচ্ছি সবই বিষাক্ত। মাঝে মাঝে ভাবি যারা এসব ফরমালিন যুক্ত করে ফল বিক্রি করে তাদের পরিবার কি এসব ফল খায় না? আর তাদের ভিতরে কি একটু মায়া দয়া নেই? সত্যি ভাই এখন কিন্তু অধিকাংশ ফল খাওয়ারই অযোগ্য। আর এ দায় অবশ্যই সরকারকে নিতে হবে।
সত্যি ই ভাইয়া বিষাক্ত বাজার।আগে কেউ অসুস্থ হলে খাবার খেতে না পারলে ফল কেটে খাওয়ানো হতো শক্তি পাবে বলে।আর সেই ফল এখন কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হচ্ছে। বড় করা হচ্ছে।সত্যি ই খুব কষ্টের কথা।কিছুদিন আগে থেকে ড্রাগন ফল পথের মাঝে খুব দেখতে পাচ্ছি।আর দাম ও কম। আর এতে আমার কিছুটা সন্দেহ ও হয়েছিল। যদিও আমি দাম কম হওয়াতেও নেই নি।এই বিষয়ে আসলে সচেতনতা খুব দরকার।সুন্দর একটি বিষয়ে পোস্ট শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে ভাই কি বলবো আমরা এমন এক দেশে আছি, যেখানে দুর্নীতি এবং মানুষ মানুষকে মেরে ফেলার ব্যবস্থা করতেও কারো মনে বাধেনা। ফলমূল শাক সবজি কোথায় নেই বিষক্রিয়া। সব জায়গাতে বিষক্রিয়া মিশানো হচ্ছে। যার ফলে অন্যান্য দেশের চাইতে বাংলাদেশের মানুষজন স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বেশি পড়ছে।এই যে আপনি ড্রাগন ফলের কথা বললেন, আমি তো এটা মোটেও জানতাম না যে স্প্রে দিয়ে ড্রাগন ফলকে বড় করা হয়। আমি বাঁচ্চার জন্য মাঝে মাঝে দু একটা করে ড্রাগন ফল আনি। তবে আমি আবার ছোট গুলো দেখেই আনি। কিন্তু এটা জানতাম না যে ড্রাগন ফল স্প্রে দিয়ে বড় করা হয়। আজকে আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। মূলত বাইরের কান্ট্রিগুলোতে ফলমূল অনেক তরতাজা হয়ে থাকে। আমরা যখন সুপার মার্কেট থেকে ফল কিনতে যেতাম, তখন ফল কিনে এনে খেতে অন্যরকম ভালো লাগতো। কিন্তু আমাদের দেশে ফল খেতে ইচ্ছে করে না বিষক্রিয়ার কারণে ।যাই হোক বাস্তবে কিছু কথা তুলে ধরলেন। সত্যি বলতে সরকার চাইলে খুব সহজে এগুলো সসমাধান করতে পারে। কিন্তু উপর মহলের লোকের জন্য আসলে একটা জায়গাতে গিয়ে থেমে যাচ্ছে। যাইহোক সবকিছু যাতে ঠিক হয়, আর যারা বিষক্রিয়া প্রয়োগ করছে তাদেরকেও যাতে আল্লাহ হেদায়েত করে।
বাজার থেকে ফল ঠ্যাকায় না পরলে কিনি না ভাই। এই অসাধু ব্যবসায়ীদের জন্যই! ফল মানেই এখন ক্যামিকেল! ওইসব বিষাক্ত ক্যামিকেল খাওয়ার চেয়ে ফল না খাওয়াই বেশি ভালো! খুবই অবাক লাগে, এরা কেমন মানুষ যারা কয়টা টাকার জন্য খাবারে বিষ মিশায়! 😥
ওদের ফ্যামিলির মানুষদের কিন্তু ওগুলো খাওয়ায় না। আবার পরিবেশ এখন এমন যে ওরা যেগুলো খায় সেগুলোতে অন্য কেউ না কেউ বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশিয়েছে।
আপনার পোস্টটি পড়ে ভীষণ ভালো লাগলো ভাইয়া।আসলেই আমরা দিন দিন বিষাক্ত খাবার খাচ্ছি যেটা আমাদের জন্য হুমকিস্বরূপ।আর আমরা ট্যাক্স দিই এজন্য এই বিষয়গুলো সরকারের দায়িত্ব বাজারের অবস্থা ঠিক করার কিন্তু।সেটা আর সেভাবে হচ্ছে কই।ভালো লাগলো অনেক পোস্টটি।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ভাই ছোটবেলায় দেখতাম কতো মানুষ রাস্তা দিয়ে হেঁটে হেঁটে কলা,আপেল,কমলা খেতো, তার মানে ফলের দোকান থেকে ফল কিনেই খেয়ে ফেলতো দু'একটা। কিন্তু এসব এখন দেখাই যায় না। কারণ সবাই জানে যে কেমিক্যালযুক্ত থাকে। বর্তমানে ঘরে ঘরে বড় বড় ধরনের অসুখ-বিসুখে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। সবকিছুই হচ্ছে ভেজাল খাদ্যের জন্য। কিন্তু আমাদের দেশের কর্তা ব্যক্তিবর্গরা এসব নিয়ে মাথা ঘামান না। তারা চাইলেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সরকারকে আমরা ট্যাক্স দেই ঠিকই, কিন্তু তার বিনিময়ে আমরা কি পাই? প্রতিটি সেক্টরে দুর্নীতি আর দুর্নীতি। সরকারি কোনো কাজ করাতে গেলে আগেই ঘুষের টাকা রেডি করে পকেটে রেখে দিতে হয়। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাইয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। যেটা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করে থাকি। বাজারে কোন জিনিষটা ক্যামিক্যাল ছাড়া আছে বলেন। আমাদের সরকার তো ব্যস্ত থাকে তার গদি বাচঁতে। আর একটা হাফ লেডিস বানিজ্য মন্ত্রী দিসে সে বলে জনগন নাকি বাজার নিয়ন্ত্রন করবে। প্রত্যেকটা জিনিষে ভেজাল,উচ্চ দাম,সিন্ডিকেটের কবলে। কেউ কিছু বলছে না। আমরা জানি পাঁচ থেকে ছয়টা ড্রাগন এক কেজি হয়। আর তারা ক্যামিক্যাল ব্যবহার করে দুইটি দিয়েই এক কেজি বানিয়ে ফেলেছে। এগুলো খেলে কি অবস্থা হবে একবার চিন্তা করা যায়...। আমাদের চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। ধন্যবাদ।