বিষাক্ত রজনী।
হ্যালো বন্ধুরা। আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের সাথে আমার খুবই বিরক্তিকর একটা বিষয় নিয়ে কথা বলবো।
গতকাল ঢাকা থেকে বাসায় এসেছি। বাসায় আত্মীয়-স্বজন এসেছে তাই। কিন্তু গত পরশুদিন রাতে আমার মোটেও ঘুম আসতেছিল না। রাত একটা পার হলে আর ঘুম আসতে চায় না। এজন্য একটার আগে যদি ঘুমোতে পারি তাহলে সেই রাতে ভালো একটা ঘুম হয়। এদিকে তার আগেরদিন ডক্টরের কাছে গিয়েছিলাম। আমার এলার্জি প্রবলেম এর জন্য। ডক্টর আগেই ওষুধ দিয়েছিল কিন্তু সেগুলো কাজ করছে না। এটা জানাতে গিয়েছিলাম। এরপর ডক্টর অনেক পাওয়ারফুল কিছু ওষুধ দেয় আর বলেছিল এই ওষুধগুলো খেলে চোখে ঝাপসা দেখা শরীরে ক্লান্তি ভাব আসতে পারে। আর সেই ট্যাবলেটটা প্রথম দিনে সকালে দুটো রাতে দুটো খেতে হবে।
যাইহোক এবার রাতের ঘটনায় ফিরে আসি। রাতে আমার ঘুমোতে ঘুমোতে ফজরের আজান দিয়ে দিল। এরপরে আমি ঘুমোতে পেরেছিলাম। আবার আমার ঘড়িতে অ্যালার্ম দেওয়া ছিল সকাল সাড়ে সাতটায়। কারণ প্ল্যান ছিল দুপুরের দিকে বাসায় যাব। আর তার আগে যত কাজকর্ম আছে সব সারতে হবে। এই জন্য সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠা জরুরি ছিল। প্লান অনুযায়ী সকাল সাড়ে সাতটার পরে ঘুম থেকে উঠে পড়লাম। ঘুম হয়েছিল মাত্র তিন ঘণ্টা। এরপর কম্পিউটারে বসে দ্রুত যা কিছু কাজ ছিল সব কিছুই সেরে ফেললাম। কম্পিউটার থেকে উঠতে বেজে গিয়েছিলো ৯ টা। কম্পিউটার থেকে উঠে সকালের খাবার দাবার খেয়ে ডাক্তারের দেয়া ঔষুধগুলো খেয়ে নিলাম। একটু ভয়ে ছিলাম, এতো পাওয়ারফুল ঔষধ তারপর আবার ২ টা একসাথে, রাতে ঘুম ও হয়নি পর্যাপ্ত।
যাইহোক, আমি ঢাকা থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রউনা দিয়েছিলাম দুপুর ১২ টার দিকে। ভেবেছিলাম বাসে বসে যতটুকু পারি ঘুমিয়ে নিব। কিন্তু কি হলো বুঝলাম না, এত ঘুমের ঘাটতি থাকার পরেও ১ মিনিটের জন্যেও ঘুম অনুভব করিনি। পাটুরিয়াগামী বাসে ফেরিঘাট পর্যন্ত গিয়েছিলাম। এবার ফেরির জন্য আর বেশিক্ষণ দাঁড়াতে হয়নি। ঘাটে যখন পৌঁছেছি তখন একটি ফেরি সবেমাত্র স্টার্ট দিয়েছিল। ওই ফেরিতে উঠে আধাঘন্টার মধ্যেই নদী পার হয়ে গিয়েছিলাম। এরপর এপারের বাস টার্মিনাল থেকে একটি বাসে উঠে পড়ি। আমাদের এদিকের বাসস্ট্যান্ডে এসে পৌঁছতে পৌঁছতে রাত হয়ে গিয়েছিল। আগেই ফোন দিয়ে রেখেছিলাম ছোট ভাইরা এসেছিল নিতে। অনেকদিন পর বাইক হাতে পেয়ে নিজে ড্রাইভ করে বাসা পর্যন্ত এসেছিলাম।
রাতে বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ খেয়ে একটু নিশ্চিন্তে বসে আছি। ঘন্টাখানেক পর থেকে শুরু হল হ্যালুসিনেশন এর অনুভূতি। হাল্কা মাথা ঘোরা, দৃষ্টি অস্পষ্ট, এ্যাবনরমাল কল্পনা। কি যে একটা অস্বস্তি অনুভূতি বলে বুঝানো যাবে না। অনেক ঘুমানোর চেষ্টা করছিলাম কিন্তু ঘুম আসছিলো না। এইরকম অবস্থায় রাত প্রায় ৩ টা পর্যন্ত যেগে কাটিয়েছি। এরপর ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে খেয়াল করলাম হাল্কা রেশ থেকেই গেছে। সকালে আর ওই ঔষধ খাওয়ার সাহস পাইনি। এই রেশ কাটবে তারপর আবার দেখা যাবে। আমি এখন বাসায় চলে এসেছি বিধায় ডক্টরকে জানাতে পারছি না। কিছুদিন পর গিয়ে ডক্টরকে জানাতে হবে। এখন মোটামুটি ভালো লাগছে তবে একেবারে নরমাল লাগছে না। এক কাপ রং চা খাব ভাবছি। এখানেই বিদায় নিচ্ছি আজ। আল্লাহ্ হাফেজ।
image source & credit: copyright & royalty free PIXABAY
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
শরীরের কোন রোগের বাসা বাঁধলে খুবই অস্বস্তিকর একটা অবস্থা। কোন কিছুতেই মন বসতে চায়না। সব সময় মনের ভিতর একটি টেনশন ফিল করি। যাইহোক আপনার সমস্যাটির শত অস্থিরতার ভিতর দিয়ে গেলেও বর্তমানে একটু ভালো লাগছে জেনে খুবই খুশি হলাম। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
Hello friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে এমনিতেই রাতে ঘুম হয় না তারপরে আবার ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে রাখলেতো আর ঘুম আসবে না ।আপনি বাড়িতে আসবেন আপনার এই ওষুধটা আগে থেকে খাওয়া ঠিক হয়নি কারণ জার্নিতে কোন অসুবিধা হতে পারতো যাক ভালই ভালই বাড়িতে পৌঁছে গেছেন, বাড়িতে আসার পরে যা হবার হবে। বাড়িতে এসে আবার ওষুধ খেয়েছেন মনের ভিতর একটা ভয় কাজ করছে যে ওষুধ খেলে এই বুঝি হবে না হলেও মনে হয় যে হয়ে গিয়েছে এটা নিয়ম।
ডাবল ডোজের ঔষধ খেলে অনেক সময় এমনটা হয়। বিশেষ করে এলার্জিজনিত সমস্যার কারণে যদি ঔষধ খাওয়া হয় তখন শরীর খুবই দুর্বল হয়ে পড়ে। আর মাথা ঘুরে। এছাড়া এমনিতেও যদি ঔষধ খাওয়ার পরিমাণ অনেকটা বেশি হয় তাহলেও এই ধরনের সমস্যা হয়। চার দিন থেকে আমিও এই সমস্যায় ভুগছি। যাইহোক ভাইয়া আপনার সুস্থতা কামনা করছি। আর বাসায় যাওয়ার আগে সত্যিই ঘুম আসেনা। নির্ঘুম একটি রাত কাটলে খুবই খারাপ লাগে। সেই রাত খুবই বিষাক্ত মনে হয়। আপনি বাসায় গিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো।
ঔষধের সাইড ইফেক্ট টা একটু বেশিই মনে হচ্ছে। তবে প্রথম কয়েক ডোজে এইরকম সমস্যা হতে পারে। আশাকরি দ্রুতই সুস্থ হয়ে যাবেন।।
ভাইয়া সবথেকে বড় ব্যাপার হচ্ছে রাতের ঘুম, আমরা রাতের ঘুম নষ্ট করে যে কতটা ক্ষতি করছি আমাদের,সেটা এখন বুঝতে পারছিনা। পরে ঠিক সমস্যায় পড়তে হবে। আর তার মধ্যে এত পাওয়ারি ওষুধ খেলে অবশ্যই ভিটামিন জাতীয় খাবার আর ঘুম ঠিক রাখতে হবে। নিজের খেয়াল রাখেন ভাই।
ধন্যবাদ আপু।
ব্যাপারগুলো আমার কাছে স্বাভাবিক ই মনে হয়েছে যেহেতু ডাক্তার আগে থেকেই বলে দিয়েছে।তবে ব্যাপার যতই স্বাভাবিক হোক,আসলে যার সাথে এসব হয় সে ই বুঝে কষ্ট কি।আপনি আপাতত রেস্টের উপরেই থাকেন।
এরকম হ্যালুসলেশন মাথা ঘোরার অনুভূতি আমি কিছুদিন আগেই একবার ফেস করেছিলাম। বেশ কিছুদিন আগে যখন আমার জ্বর এসেছিল। আপনি রেস্ট করেন আশা করি একদম ঠিক হয়ে যাবেন।
রাতে ঘুম না হলে খুব বিরক্ত লাগে তা যে কারণেই হোক না কেন।ঘুম যে কত শান্তির যে রাতে ঘুম আসতে চায় না তখন বোঝা যায়।আপনার শরীরে ডাক্তারের দেয়া ঔষধ সাপোর্ট করছে না।শরীরের প্রতি আরও যত্নবান হবেন। ভাইয়া আপনি যাতে তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক হতে পারেন সেই কামনা করছি
।ভালো থাকবেন।
এর আগেও তো আপনি আপনার অসুস্থতা নিয়ে লিখেছেন ৷ আসলে দাদা এর্লাজি সত্যি একটা ভয়ংকর রোগ ৷ খুব সাধারন হলেও অনেক বিরক্তিকর লাগে ৷ শরীরে অবস্থা খুব খারাপ করে ৷ যা হোক দাদা আপনি ঢাকায় গেছেন ডক্টরের কাছে ওষুধ চেন্স করে দিয়ে হাই পাওয়ার দিয়েছে ৷ আসেলই হাই পাওয়ার ওষুধ খেলে শরীর দুর্বল করে দেয় ৷আর তার জন্য ভাল ভাল খাবার খেতে হবে ৷
সর্বোপরি আপনার সুস্থতা কামনা করছি ৷