RE: শক্তিগড়ের একটি মন্দিরের ভিতর থেকে সংগৃহিত কিছু ফটো
যাইহোক ওইসময় মানে প্রায় ৯ টার দিকে বেরিয়ে পড়েছিলাম গাড়িতে করে এবং কলকাতার থেকে বেশ কিছুটা দূরে গিয়ে হাইওয়েতে আমরা অন্য রোড ধরে যাওয়ার চিন্তা করলাম যাতে অল্প সময়ে পৌঁছানো যায় কিন্তু রং রোডে ঢুকে গিয়েছিলাম। পরে আবার আমরা লোকেশন অন করে গাড়ি ঘুরিয়ে অবশেষে সঠিক পথে রওনা দিয়েছিলাম
দাদা আজকে আপনার পোস্টটি পড়ে আমার খুবই ভাল লাগল। আপনারা দুই বন্ধু মিলে শক্তিগড়ে ভ্রমণ করেছেন জেনে ভালো লাগলো।আসলে শক্তিগড়ে আপনাদোর ভ্রমণের উদ্দেশ্য ছিল ল্যাংচা খাওয়া। আসলে ল্যাংচা খেতে খুবই মজাদার ও সুস্বাদু লাগে। বিশেষ করে আপনারা সকাল আট টায় যাওয়ার কথা ঠিক করেন, কিন্তু ঘুম থেকে দেরি হওয়ার কারণে নয়টার দিকে রওনা দিলেন। আসলে বহু দূরে যাওয়া রাস্তা তাই বাইকে না যাওয়াটাই ভালো হয়েছে।আপনারা গাড়ি ধরে গেলেন। তবে নয়টার দিকে রওনা দিয়েছিলেন, কিন্তু ভুল রাস্তায় ঢুকার কারণে একটু দেরি হয়ে গেল। যাই হোক আপনি একটা দিকে সেখানে পৌঁছালে। আসলে যাওয়ার পথে গ্রামের সুন্দর অপরূপ দৃশ্য গুলো উপভোগ করতে পেরেছেন, এটা জেনে খুবই ভালো লাগলো। কারণ গ্রামের দৃশ্য গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে। আসলেই গ্রামের সবুজ শ্যামল ফসলের মাঠ ও খেলার মাঠ গুলো দেখে ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যায়। যাই হোক আপনারা সেখানে পৌঁছালেন যে উদ্দেশ্যে আপনাদের ভ্রমণ ছিল সেটা সার্থক হয়েছে জেনে ভালো লাগলো।কারণ অনেক কষ্ট করে এসেছেন।আসলে যে উদ্দেশ্যে আমরা কোথাও রওনা দেই যদি সে উদ্দেশ্যটা সফল হয়, তাহলে কষ্ট আর কষ্ট মনে হয় না। আপনাদের এই ভ্রমণ যেযে উদ্দেশ্যে ছিল সেটা সার্থক হয়েছে। তিনি খুবই ভালো লাগলো। আপনি মন্দিরের খুবই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন। সত্যিই আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। খুবই ভালো লাগলো। আপনার ফটোগ্রাফি প্রত্যেকটা ভালো লেগেছে এবং ভ্রমণকাহিনী আমার খুবই ভালো লেগেছে। সুস্থভাবে বাড়িতে ফিরেছেন সেটা জেনে খুবই ভালো লাগলো। আসলে ভ্রমণ পথে সুস্থভাবে বাড়ি পৌঁছানো খুবি গুরুত্বপূর্ণ। আপনার ভ্রমণ অনেক সুন্দর হয়েছে,খুবই ভাল লাগল এবং আপনার সুস্থতা কামনা করছি💗🌺🌹💗