অসহায় মানুষের গল্প ১ম পর্ব
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করেছি আজকের পোস্ট।
অসহায় মানুষের গল্প
বরাবরের মতো আজও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে আজ এসেছি একটা নতুন একটা গল্প নিয়ে। গল্প মানে আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া সকল ঘটনা। আসলে আমাদের সমাজ এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা সহজে মেনে নেওয়া যায় না। তবে আমাদের আর কিছু করার থাকে না। এমনি এক গল্প নিয়ে এসেছি আপনাদের মাঝে। আসলে এক পরিবারের এক জন্ খারাপ হলে, যে সবাই খারাপ হবে এটা আসলে ঠিক নেই। আর একজনের দ্বায় ভার অন্যরা কেন ভোগ করবে।তবে আমাদের সমাজ এটাই বেশি দেখা যায়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার থাকে না। এমনি এক ঘটনা ঘটেছে আমাদের পাশের এক চাচার সাথে। তাহলে চলুন শুরু করি আজকের পোস্ট।
আমার চাচার নাম আবুল মিয়া। সে ছোট বেলা থেকে অনেক কর্মঠ। তবে তার ব্যবহার তেমন ভালো ছিল না। কিন্তু তার ছেলেমেয়েরা বেশ ভালো হয়েছে।তবে তাদের মেয়ে ছেলে বড় হয়েছে। দুজন বিয়ে ও করেছে । এখন তার ছোট মেয়ে বিয়ে দেওয়ার বয়স হয়েছে। তবে মেয়েটা পড়াশোনা করে ভালো ছেলে বিয়ে করতে আসে কিন্তু বাবার ব্যবহার শোনে অনেকে পিঁছে চলে যায়।এদিকে চাচার বয়স হয়েছে কিন্তু মেয়েকে বিয়ে না দিতে পারলে ঝামেলা। তবে মনের মত ছেলে খুঁজে পাচ্ছে না চাচা।যদিও চাচা এখন অনেক ভালো হয়েছে।
তবে মেয়েকে বিয়ে দিতে গিয়ে চাচা একেবারে অসহায়। আসলে আগের ছেলেমেয়ে গুলো বেশ ভালো বিয়ে দিয়েছে। কিন্তু এখন একটা নিয়ে ঝামেলা। যাইহোক হঠাৎ মেয়ের বিয়ে ঠিক হলো।সম্পূর্ণ ভাবে বিয়ে হয়ে গেল। তারপর চাচা যেন হাফ ছেড়ে বাঁচল।এভাবে কিছু দিন যাবার পরে একদিন চাচা অসুস্থ হয়ে পড়ল।যদিও চাচি বাঁচা আছে। তবে চাচা সারাজীবন সংসারের জন্য খেটে এখন ক্লান্ত। তবে চাচি চাচাকে তেমন দেখাশোনা করে না।আসলে চাচি সব সময় থাকে ছোট মেয়ের বাসায়।
এদিকে চাচা এতটা অসুস্থ যেন বিছনা থেকে একা নামতে পারে না। কিন্তু বাড়ির কোন লোক এর সেই দিকে খেয়াল নেই। কিছু দিনের মধ্যে চাচা আবার একটু আগের থেকে সুস্থ হয়ে উঠল।তখন চাচার এক নাতনি আছে চাচা তার সকল সম্পত্তি তার নামে লিখে দেবে।আসলে চাচা অসুস্থ হলে একমাত্র সেই পাশে ছিল চাচার। আর এ কথা শোনে সবাই চাচার কাছে ক্ষমা চাইতে লাগল।[চলবে]
| প্রলয়োজনীয় | উপকরণ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | redmi note 12 |
| লোকেসন | ফরিদপুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি।
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1932470092354535496?t=L07TWpeagzl69tg3iOassQ&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1932472373665804656?t=HMzXWhMMzagrnjA13noGTw&s=19
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1932383580082368806?t=MWkjiQbnlYrp3GF79i2xBQ&s=19