নাটক রিভিউ :- " স্কুল গ্যাং সিজন ২ " ( পর্ব ৩ ) ✅
ABB 15 সেপ্টেম্বর বুধবার ✅
বিসমিল্লাহি ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলাইকা ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
আশা করি আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো সুস্থ আছি। আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে নতুন ব্লগ করলাম। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব একটি নাটক রিভিউ। নাটকের নাম হচ্ছে স্কুল গ্যাং সিজন ২ । নাটকটি মূলত পর্ব আকারে করা হয়েছে । বেশি দিন ধরে আমি এই নাটকটি দেখছিলাম। যদি এটা অনেক আগেই বের হয়েছে। তবে যেহেতু এই নাটকটি বেশ কিছুটা পর্ব তৈরি করা হয়েছে, তাই জন্য ভাবলাম আপনাদের মাঝে একটা একটা করে পর্ব শেয়ার করবো। আজকে আমি আপনাদের মাঝে নাটকের ৩য় পর্ব টা শেয়ার করবো। আশা করি রিভিউটা পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।
নাটক সম্পর্কে কিছু তথ্য :-
| নাম | স্কুল গ্যাং সিজন ২ |
|---|---|
| কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা | আর্থিক সজীব। |
| অভিনয়ে | শহিদুল আলম সাচ্চু, আব্দুল্লাহ রানা, তামিম খন্দকার, শায়লা সাথী, সিয়াম মৃধা , আরোহী মিম, মিরাজ খান, আদর আহমেদ , নাজিয়া বর্ষা, সাকিব সিদ্দিকি, অনন্যা ইসলাম, শোয়েব শান্ত , রকি খান, ফারুক আল ফারুকী সহ আরো অনেকে। |
| প্রধান সহকারী পরিচালক | মামুন অর রশিদ |
| সম্পাদনা | সাইদুর রহমান সবুজ |
| মিউজিক | বি এইচ পারভেজ |
কাহিনী সারসংক্ষেপ
গত পর্বের শেষে আমরা দেখেছিলাম মিরাজ, শান্ত, সাকিব তারা লুকিয়ে লুকিয়ে স্কুলে এসে বোর্ডের মধ্যে নাজিয়া আর আদর স্যারের নাম লিখে দেয়। আর এই পর্বের শুরুতেই দেখি তারা আদর স্যারের মার নিয়ে কথা বলছিল। আরোহীর সাথে যা করেছে এটা নিয়ে নাকি আদর স্যার তাদেরকে মারবে, আর এটা তাদেরকে ফারুক জানায়। এরপর তারা যা হওয়ার হবে এটা বলে স্কুল থেকে চলে যায়। এরপর আমরা দেখি তাদের স্কুলের হেড স্যার অর্থাৎ স্কুল গ্যাং এর সাথীর আব্বু যখন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল, তখন সিয়ামের সাথে দেখা হয়। আর সিয়াম যেহেতু ওনার স্টুডেন্ট ছিল, আর তখন তারা এগুলো নিয়ে কথা বলতে থাকে। তারপর তারা চলে যায় সেখান থেকে। সকাল বেলায় তামিমের বন্ধুকে দেখা যায় স্কুলের সামনের রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর তখন তামিম আর আরোহী সেখানে আসে। তামিম আরোহীকে স্কুলে পাঠিয়ে দেয়। আর স্কুল গ্যাং এর ৫ বন্ধুর জন্য তারা সেখানে অপেক্ষা করতে থাকে। আর তখনই ওখান দিয়ে যখন তারা পাঁচজন যাচ্ছিল, তখন তারা ওদেরকে দেখে ভয় পেয়ে যায়।
ওই রাস্তা দিয়ে সেই সময় আদর স্যার ও যাচ্ছিল, আদর স্যারকে তারা একটু সাহস পায়। তারপর তারা সেখান থেকে চলে যায়। আর আদর স্যার তখন তামিমদের সাথে কথা বলে। আর তাদেরকে সেখান থেকে চলে যাওয়ার জন্য বলে। আর তাদেরকে এরকমভাবে স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য ও বারণ করে দেয়। তারপর তারা সেখান থেকে চলে যায়। আর আদর স্যার ও স্কুলে চলে আসে। এরপর হেড স্যারের রুমে আদর স্যার আর আরোহীকে দেখা যায়। হেড স্যার সুন্দরভাবেই আরোহী কে জিজ্ঞেস করছিল কালকে কি হয়েছে। কিন্তু আরোহী কিছুই বলে না। আর এর বিপরীতে সে এটাই বলে যে, সে নিজেই নাকি এটার বিচার করবে। তবুও স্যার সুন্দর ভাবে তাকে আবারো জিজ্ঞেস করে। তারপর স্কুলের মাঠে স্কুল গ্যাং এর পাঁচ বন্ধুকে দেখা যায়। আর তারা প্ল্যান করে, এখন ক্লাস রুমে ঢুকে তারা দরজা বন্ধ করে দিবে। অর্থাৎ আরোহীকে রুমে ঢুকতে দেবে না। আর তাকে এক ঘরে করে দেবে। কারো সাথেই তাকে কথা বলতে এবং মিশতে দেওয়া যাবে না।
এসব প্ল্যান করে তারা ক্লাস রুমে যায় আর দরজা বন্ধ করে দেয়। আর সবাইকে দরজা না খোলার জন্য বলে দেয়। তারপর দরজার আওয়াজ শুনে তারা স্যার আসছে ভেবে দরজা খুলে। কিন্তু দেখে ফারুক আরোহীকে নিয়ে এসেছে। তারপর ফারুক আরোহী কে একটা টেবিলে বসিয়ে দেয়। আর ওদেরকে জিজ্ঞেস করতে থাকে দরজা বন্ধ করে দিয়েছে কেন। এরপর ফারুক সবাইকে বলে যায় আরোহী কে যেন কেউ ডিস্টার্ব না করে। কারণ কেউ ডিস্টার্ব করলে হেড স্যার নিজে এটার বিচার করবে। ফারুক যাওয়ার পর আরোহীর পাশে থাকা এমনকি সামনে পেছনে থাকা মেয়েগুলোকে সাথী এবং নাজিয়া অন্য জায়গায় গিয়ে বসতে বলে। আর তার আশেপাশে কাউকে বসার জন্য বারণ করে। তারপরে আরোহী নিজেকে Queen হিসেবে দাবি করে। আর নিজেই পাওয়ার নিতে থাকে। তারপর ক্লাসে আদর স্যার আসে। আর তখনই আরোহীর ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করে। এরপর আদর স্যার কালকের বিষয়টা জিজ্ঞেস করে তাদেরকে। আর শান্তকে সামনে এনে জিজ্ঞেস করলেও সে রাজি হয় না প্রথমে।
তারপর স্যার তাকে যখন মারতে শুরু করে তখন সে মিরাজ এবং সাকিবের নাম দেয়। এরপর সে আদর স্যারকে সব কিছুই বলে দেয়। একবার আদর স্যার মিরাজ সাকিবকেও সামনে ডেকে নেয়। এরপর কান ধরে সরি বলার জন্য বলে। এরপর মিরাজ সরি বলে। তারপর তাদেরকে গিয়ে বসার জন্য বলে। একবার আদর স্যার অংক করার জন্য বই খুলতে হলে। আর যখনই বোর্ড মুছতে যায়, সবকিছুই মুছা গিয়েছিল কিন্তু আদর স্যার প্লাস নাজিয়া লেখাটা মুছা যায় নিই। আর এটা দেখে সবাই তখন হাসতে থাকে। এরপর কিছুক্ষণ চুপ থেকে শান্তকে বিষয়টা জিজ্ঞেস করে। শান্ত ভয় পেলেও স্বীকার করে না এটা তারা লিখেছে। তারপর দপ্তরি ফারুককে নিয়ে আসা হয়। আর বিষয়টা জিজ্ঞেস করা হয়। কিন্তু সাকিব শান্ত এরা তাকে ভয় দেখাচ্ছিল যেন না বলে। তারপরে ফারুক ও আর স্বীকার করেনি। এরপর ফারুককে লেখাটা মুছার জন্য বলে যেভাবেই হোক না কেন। তারপর সাকিব তো স্যারকে বিষয়টা একটু খুঁচিয়ে জিজ্ঞেস করছিল।এরকম ভাবে স্যার এবং নাজিয়ার নাম লিখেছে, কিন্তু স্যার এটাতে কোনরকম রিয়েক্ট করেনি।
এটা নিয়ে তো সাথী নাজিয়াকে বিভিন্ন কথা বলছিল। আর সাথী এটাও বলছিল হয়তো স্যার নিজেই লিখেছে। আসলে আদর স্যার মনে মনে নাজিয়াকে পছন্দ করে। তাই তিনি মনে মনে খুশি হচ্ছিল বিষয়টা নিয়ে। যদিও তিনি লেখাটা নিজে লেখেন নি। বরং লিখেছিল সাকিব, শান্ত, আর মিরাজ। যেটা কেউই জানে না ফারুক ছাড়া। সাথী এবং নাজিয়াও জানে না। এরপর তো সাকিবের কথা শুনা আদর স্যার লজ্জা পেয়ে সেখান থেকে চলে যায়। তারপরে তামিম এবং তার বন্ধুকে দেখা যায় নদীর সামনে সুন্দর একটা জায়গায় বসে রয়েছে। আর স্কুল গ্যাং এর পাঁচ বন্ধুর বিষয়ে কথা বলতে থাকে। এরপর ওখানে তাদের এক বন্ধু আছে। কোন কিছুর আয়োজন করেছে তারা। আর তামিম এবং তার বন্ধুকেও আসতে বলে। এরপর তামিমের বন্ধু লিস্টে কারো একজনের নাম দেখে। আর তামিমকে বলে হ্যাঁ রয়েছে। কিন্তু কার নাম এটা তখন বলেনি। তারপর সে ওই কাগজটা ছিঁড়ে ফেলে দেয়। আর সিয়ামের ব্যাপারটা বলে সেখানে।
আর সে যখন তার বন্ধুকে বিষয়টা বলে তখন সে বলে সিয়াম ও তোর নাম দেখে এরকম আরেকটা লিস্ট ছিঁড়ে ফেলেছিল। তুইও ওর নাম দেখে ছিঁড়ে ফেলেছিস এরকম হলে কিভাবে হবে। এরপর তাদের ওই বন্ধু তাদেরকে নিজেদের শত্রুতার কথাটা জিজ্ঞেস করে কিন্তু তারা তখন কথাটা বলে না। তারা নাকি আগে কলেজে বেস্ট ফ্রেন্ড ছিল। কিন্তু এখন কি শত্রুতা হয়েছে। এটাই কেউ বুঝতে পারছে না। তারপর তামিমের বন্ধুর ওই ছেলেটাকে বলে একদিন শুনতে পাবি। এরপর স্কুল গ্যাং এর পাঁচ বন্ধুকে দেখা যায় বারান্দায় দাঁড়িয়ে কথা বলতেছে। আর আরোহী কে সরি করার বিষয়টা নিয়ে কথা বলছিল তারা। তারপর তারা মিরাজকে বিভিন্ন রকম কথা বলতে থাকে। আর আরোহীর সাথে ইটিশ-পিটিশ করার জন্য বারণ করে দেয়। তখন মিরাজ এরকম কিছু হবে না বলে সেখান থেকে চলে যায়। তারপর তারা আবারও এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে থাকে। আর তখনই পর্ব টা শেষ হয়ে যায়।
ব্যক্তিগত মতামত
এই নাটকটা কিন্তু আস্তে আস্তে আরো অনেক বেশি সুন্দর হচ্ছে। বিশেষ করে আরোহীর সাথে স্কুল গ্যাং এর পাঁচ বন্ধুর শত্রুতা অনেক বেশি বেড়েই চলতেছে। এই পর্বে তো দারুন একটা মজার কাহিনী ঘটেছে। সেটা হচ্ছে আদর স্যার বোর্ডের মধ্যে ওনার এবং নাজিয়ার নাম দেখে কোনো রকম রিঅ্যাকশন দেখায়নি। বরং তিনি তো মনে মনে অনেক খুশি হচ্ছিলেন বিষয়টা নিয়ে। যদিও কাউকে বুঝতে দিচ্ছিলেন না। তবে স্কুল গ্যাং এর পাঁচ বন্ধু তো বুঝে ফেলেছিল। আর অন্য দিকে এই পর্বে আমরা একটা বিষয় জানতে পেরেছি, সেটা হচ্ছে সিয়াম এবং তামিম কলেজ লাইফে বেস্ট ফ্রেন্ড ছিল। কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো একটা ঝামেলা হওয়াতে এখন তারা অনেক বড় শত্রু হয়ে গিয়েছে একে অপরের। কিন্তু সেই ঘটনাটা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। আশা করছি পরবর্তী পর্বগুলোতে জানতে পারবো। পরবর্তীতে আবার মিরাজের জন্য তার চার বন্ধু অনেক বেশি রেগে গিয়েছে। কারণ মিরাজ আদর স্যারের কথায় আরোহী কে সরি বলেছে। এইজন্য তারা তাকে অনেক বকাবকিও করেছিল। আর মিরাজকে তারা একেবারে বারণ করে দেয় এই মেয়েটার পিছে পিছে যেন না ঘুরে। আর মিরাজও এরকম কিছু হবে না বলে সেখান থেকে চলে যায়। এখন পরবর্তী এপিসোডে কি হবে এটা দেখা যাক। শেষ পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন।
ব্যক্তিগত রেটিং
৯/১০
নাটকের লিংক
নিজেকে নিয়ে কিছু কথা
আমার নাম নুরুল আলম রকি। আমার steemit I'd narocky71। আমি বাংলাদেশী নাগরিক । বাংলাদেশে বসবাস করি। তার সাথে সাথে আমি বিশ্বনাগরিক। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি। বাংলা ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করি। আমি বাংলা ভাষাকে ভালবাসি। আমি ফটোগ্রাফি করতে ও ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে জল রং দিয়ে পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। যখনই আমার সময় এবং হাতে টাকা থাকে তখন ভ্রমণ করতে বেরিয়ে পড়ি। বিশেষ করে আমি ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করি। আমি অনেক বছর আগ থেকে ফটোগ্রাফি করে থাকি। কিন্তু বিশেষ করে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি বেশি করা হয়। বর্তমানে তার সাথে আর্ট করতে অনেক ভালোবাসি। বর্তমানে আমি বেশি সময় কাটাই আর্ট শিখতে। বর্তমানে আমার স্বপ্ন, আমি একজন ভালো ফটোগ্রাফার, ও একজন ভালো আর্টিস্ট হব। ( ফি আমানিল্লাহ)
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
অনেক সুন্দর একটি নাটক রিভিউ করে আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ভাইজান। আপনার চমৎকার এ নাটক রিভিউ করতে দেখে খুবই খুশি হলাম আমি। এক কথায় অসাধারণ একটি নাটক রিভিউ করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। এই নতুন প্রজন্মের নাটকগুলো আমার কাছে বেশ ভালো লাগে।
আপনাদের মাঝে এই নাটকের তৃতীয় পর্ব শেয়ার করতে পেরে আমার কাছে অনেক ভালো লাগছে।
তুমি অনেক সুন্দর করে স্কুল গ্যাং নাটকের রিভিউ আমাদের মাঝে প্রতিনিয়ত শেয়ার করে যাচ্ছ। স্কুল গ্যাং নাটকটা আমার অনেক বেশি পছন্দের। তোমার শেয়ার করা এই নাটকের প্রথম দুইটা পর্বের রিভিউ আমার পড়া হয়েছে। আজকে তৃতীয় পর্বের রিভিউটা পড়ে অসম্ভব ভালো লাগলো। আস্তে আস্তে আরোহীর সাথে স্কুল গ্যাং এর শত্রুতা বেড়ে চলছে দেখছি। মিরাজ মাথা নত করাতে তারা একটু রেগে গিয়েছিল। এখন দেখা যাক পরবর্তীতে কি হতে চলেছে। অপেক্ষায় থাকলাম পরবর্তী পর্বের রিভিউ পড়ার জন্য।
আমি এভাবেই চেষ্টা করবো নাটকটার সবগুলো পর্বের রিভিউ শেয়ার করার জন্য।
স্কুল গ্যাং এর বিভিন্ন খন্ডাংস আমি ইউটিউবে দেখেছি কিন্তু পুরো নাটক কখনোই দেখা হয়নি। আপনার দেওয়া রিভিউ পড়ে বেশ ভালো লাগলো । মনে হয় নাটকটি পর্ব আকারে হলেও বেশ চমৎকার হয়েছে। সময় সুযোগ করে নাটকটি দেখে নেব। ধন্যবাদ ভাইয়া, সুন্দর একটি নাটক শেয়ার করার জন্য।
আসলে নাটকটা অনেক বেশি চমৎকার ছিল। অবশ্যই সময় পেলে নাটকটা দেখবেন।
ভাইয়া আপনি স্কুল গ্যাং সিজন ২ নাটকের পর্ব ৩ শেয়ার করেছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। আমি এই নাটকের সবগুলো পর্ব দেখেছিলাম। আমার কাছে এই নাটকের প্রতিটা পর্বই ভালো লেগেছে। এই নাটকে সবাই খুব সুন্দর অভিনয় করেছে। এখন আবার নতুন করে আপনার রিভিউ পড়ে খুব ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর নাটক রিভিউ দেওয়ার জন্য।
হ্যাঁ এই নাটকে সবাই অনেক সুন্দর অভিনয় করেছে।
স্কুল গ্যাং সিজন টু এর প্রায় সবগুলো পর্ব আমি দেখেছি। আপনি সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করেছেন ভাইয়া। এই ধারাবাহিক নাটক গুলো আমার কাছে বেশ ভালো লাগে দেখতে।
আসলে এরকম ধারাবাহিক নাটক অনেক ভালো লাগে। আর আমার কাছে তো এগুলো অনেক ভালো লাগে।
স্কুল গ্যাং সিজন ২ এখনো দেখা হয়নি। তবে সিজন ওয়ানের কিছু পর্ব আগে দেখেছিলাম ভাইয়া। ওদের দুষ্টু মিষ্টি অভিনয় গুলো আমার কাছে ভালোই লাগে। সময় পেলে দেখার চেষ্টা করবো ভাইয়া।
সিজন দুইও অনেক সুন্দর হয়েছে। অবশ্যই দেখবেন সবগুলো পর্ব।