ভ্রমণঃ বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক দ্বিতীয় পর্ব
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের মাঝে পুনরায় আরও একটা নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। সব সময় আমি আপনাদের মাঝে নতুন নতুন পোস্ট শেয়ার করে থাকি সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য আর কেউ তেমনি একটা পোস্ট শেয়ার করার জন্য হাজির হয়েছি। বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে আর সেই ভ্রমণ কাহিনী গুলোই আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করি। আজকে ও আমি আপনাদের মাঝে তেমনি একটা ভ্রমণ কাহিনী শেয়ার করার জন্য হাজির হয়েছি। ইতিমধ্যেই আমি এই ভ্রমণ কাহিনীর একটা পর্ব আপনাদের মাঝে আগেই শেয়ার করে ফেলেছি আজকে আমি এই ভ্রমণ কাহিনী দ্বিতীয় পর্ব শেয়ার করার জন্য হাজির হলাম। আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই ভ্রমণ কাহিনীটা অত্যন্ত ভালো লাগবে।
এই ভ্রমণ কাহিনীর প্রথম পর্বে আমি আপনাদের মাঝে অনেকগুলো জিনিস দেখানোর চেষ্টা করেছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে চিড়িয়াখানার মধ্যে ভ্রমণ করে কিছু মুহূর্ত শেয়ার করব। যশোরের এই পার্কের মধ্যেই একটা সুন্দর চিড়িয়াখানা রয়েছে আজ সেই চিড়িয়াখানার মধ্যেই আমরা অনেক ধরনের প্রাণী দেখতে পেয়েছি সেগুলোর ফটোগ্রাফি ধারণ করেছি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখতে পেলাম খুবই সুন্দর একটা ময়ূর।
চিড়িয়াখানার মধ্যে প্রবেশ করার পরে একটা জিনিস দেখে আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে সেটা হচ্ছে ছোট্ট একটা বানরের ছানা। আমরা সকলেই লক্ষ্য করে দেখলাম চিড়িয়াখানার মধ্য থেকে একটা বানরের ছানা বাইরে বের হয়ে এসেছে। আর সেই ছানাটা দৌড়ে মানুষের কাছে চলে আসতে আর মানুষ ভয় পেয়ে দৌড়াতে শুরু করছে। যদিও বিষয়টা অনেকটাই ভয়ের বিষয় তারপরেও আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে এটা অনেক বেশি মজাদার লেগেছে।
এরপরে আমরা কিছুদূর যেতেই লক্ষ্য করে দেখলাম খাঁচার মধ্যে কিছু ভিন্ন প্রজাতির মুরগি সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। মুরগির কথা মনে করতেই আপনারা হয়তোবা অনেকেই মনে করতে পারেন যে এগুলো হয়তোবা সাধারণ মুরগির। আসলে এগুলো যদি সাধারণ মুরগি হতো তাহলে এভাবে কোনভাবেই তাকে সংরক্ষণ করার প্রয়োজন হতো না।
এরপরে একটু দূরে যেতেই আমি লক্ষ্য করলাম খুবই বড় আকৃতির একটা চিলকে চিড়িয়াখানার এই খাঁচার মধ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছে। যাইহোক এখানে আমি আরো অনেক প্রাণী দেখেছিলাম সেগুলো আপনাদের মাঝে একটা পোস্টের মাধ্যমে কোনভাবেই শেয়ার করা সম্ভব নয় তাই আজকে আমি সবগুলো শেয়ার করলাম না। পরবর্তী দিনে আমি সেই সকল বিষয়গুলোকে আপনাদের মাঝে পোস্ট আকারে শেয়ার করব আপনারা তাহলে দেখতে পারবেন যশোরের এই পার্কের চিড়িয়াখানার মধ্যে কোন কোন ধরনের পশু এবং পাখি রয়েছে। আজকে আর আমি আপনাদের মাঝে বেশি কিছু শেয়ার করছি না আজকের মত এ পর্যন্তই পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব নতুন কোন একটা পোষ্টের মধ্য দিয়ে।
| শ্রেণী | বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক ভ্রমণ |
|---|---|
| ক্যামেরা | রিয়েলমি সি ২৫ এস ৪৮ মেগাপিক্সেল |
| পোস্ট তৈরি | @mostafezur001 |
| লোকেশন | নাটোর |
| W3W | https://w3w.co/flat.installs.unsettled |
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Posted using SteemPro Mobile Posted using SteemMobile
https://x.com/mostafezurr001/status/1934863544656519451?t=vI9zWp_aq2n_EHekU_h1rg&s=19
https://x.com/mostafezurr001/status/1934864014271762607?t=xOBIEJXvAeHMsluj_VLZuA&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্কে ঘোরাঘুরি করার খুবই সুন্দর একটি মুহূর্ত শেয়ার করেছেন আপনি৷ যেভাবে আপনি আজকের এই সুন্দর পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন তা পড়ে খুব ভালোই লাগছে। একই সাথে এখানে এর দ্বিতীয় পর্ব শেয়ার করার মধ্য দিয়ে এখানে আপনি যেভাবে সবকিছু খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তেমনি এখানে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে৷