ভ্রমণঃ নাটোরের গ্রীন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণ পর্ব-২
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের মাঝে পুনরায় আরও একটা নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। অপমান করতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে এজন্য মাঝে মাঝেই আমি দীর্ঘ জায়গা ভ্রমন করি আর সেই জায়গার ভ্রমণ কাহিনী গুলো আপনাদের মাঝে আমি পোস্ট আকারে শেয়ার করার চেষ্টা করি। বেশ কিছুদিন হয়ে গিয়েছে আপনাদের মাঝে তেমন কোন ভ্রমণ কাহিনী শেয়ার করা হয় না এজন্য আসবে চিন্তা করলাম যে আপনাদের মাঝে একটা ভ্রমণের গল্প শেয়ার করা যেতে পারে। এই পোস্টটি আমি গতকাল রাতে শেয়ার করতে চেয়েছিলাম কিন্তু কখন যে ঘুমিয়ে গিয়েছে মনে নাই। আসলে কালকে অনেক ক্লান্ত ছিলাম তাই কখন ঘুমিয়ে গিয়েছি মনে করতে পারিনা। এই ভ্রমণ কাহিনীর প্রথম পর্ব আমি আপনাদের মাঝে কয়েক মাস আগে শেয়ার করেছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে দ্বিতীয় পর্ব শেয়ার করার জন্য হাজির হলাম।
আমি যে জায়গাটাই ভ্রমণে গিয়েছিলাম জায়গাটা দেখে হয়তো আপনারা অনেকেই বুঝতে পেরেছেন এটা কোন জায়গা এটা নাটোরের ড্রিম ভ্যালি পার্ক। নামের সাথে জায়গাটির অনেকটাই মিল রয়েছে। অনেক সুন্দর এবং সাজানো গোছানো একটা জায়গা এটা। দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করার জন্য এটাকে খুবই সুন্দর ভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশের মাধ্যমে সাজানো হয়েছে। প্রাকৃতিক পরিবেশের মাধ্যমে এটা সাজানোর প্রধান কারণ হচ্ছে দর্শনা ফিরা যেন এটাকে দেখে প্রথমে আকৃষ্ট হয়ে যায়।
পার্কের মধ্যে প্রবেশ করার পরে সেখানে আমরা অনেকগুলো সুন্দর সুন্দর কাজ দেখতে পেলাম প্রথমে আমি মনে করেছিলাম যে হয়তোবা এগুলো আর্টিফিশিয়াল। পরে আমি ভালোভাবে লক্ষ্য করতে দেখতে পেলাম যে এগুলো আর্টিফিশিয়াল কোন গাছ নয় এগুলো সত্যিকারের গাছ। এই গাছগুলোতে অনেক সুন্দর ভাবে যত্ন করে রেখে দেয়া হয়েছে যার কারণে এমনটা দেখা যাচ্ছে। আপনারা যদি একটু ভালোভাবে গাছগুলো লক্ষ্য করেন তাহলে এই গাছের সৌন্দর্য খুব সহজেই আপনারা উপলব্ধি করতে পারবেন। একটা গাছ যে এত সুন্দর ভাবে আকৃতিতে ধারণ করে রেখে দেওয়া যায় সেটা এই জায়গাতে না গেলে দেখা সম্ভব হবে না।
আমি লক্ষ্য করে দেখলাম যে এই গাছের পাশে মানুষেরা দাঁড়িয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি ধারণ করছে। মানুষেরা এই গাছ থেকে মুগ্ধ হচ্ছে এবং এই গাছের সৌন্দর্য উপভোগ করার চেষ্টা করছে। এই গাছের পাশে খুবই সুন্দর একটা দিঘী তৈরি করা হয়েছে। দিঘির আকৃতি টা অনেক বড় করে তৈরি করা হয়েছে। যেহেতু এটা একটা দিঘী তৈরি করা হয়েছে আর সেই দীঘির মধ্যে অনেকগুলো রাইড রাখা হয়েছে যেগুলো তে চলে মানুষ সুন্দর সময় অনুভব করতে পারে।
নাটোরের গ্রীন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণের পর্বগুলো আপনাদের মাঝে আমি পরবর্তী সময়ে মাঝে পোস্ট আকারে শেয়ার করব। আজকের মত এ পর্যন্তই পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে হাজির হবে নতুন কোন একটা পোস্ট এর মধ্যে দিয়ে।
| শ্রেণী | গ্রিন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণ |
|---|---|
| ক্যামেরা | রিয়েলমি সি ২৫ এস ৪৮ মেগাপিক্সেল |
| পোস্ট তৈরি | @mostafezur001 |
| লোকেশন | নাটোর |
| W3W | https://w3w.co/detestable.shimmy.concussion |
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Posted using SteemPro Mobile
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আমরা ইতিমধ্যে আপনার মাধ্যমে নাটোরের গ্রীন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণের প্রথম পর্ব টি দেখতে পেরেছি। আজকে আপনি আমাদের মাঝে নাটোরের গ্রীন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণের দ্বিতীয় পর্ব শেয়ার করেছেন। আজকে আপনি নাটোরের গ্রীন ভ্যালি পার্কের বেশ কিছু সুন্দর সুন্দর জায়গা আমাদের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
গ্রিন ভ্যালি পার্ক দেখতে আসলেই অনেক সুন্দর।
মামা আপনি আজকে আমাদের মাঝে খুবই চমৎকারভাবে শেয়ার করেছেন নাটোরের গ্রীন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণের দ্বিতীয় পর্ব। আপনার শেয়ার করা পোস্ট পড়ে সত্যি আমার কাছে বেশ ভালো লাগলো। আপনারা আপনাদের স্কুলের ছেলে-মেয়েদের সাথে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন জানতে পেরে বেশ ভালো লাগলো। আসলে এরকম সুন্দর মুহূর্তে সময় কাটাতে প্রত্যেকটা মানুষের কাছে বেশ ভালো লাগে। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আশা করি পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে আরো পোস্ট শেয়ার করব এই ভ্রমণের।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া গাছের মাধ্যমে যে এত সুন্দর ভাবে সাজিয়ে কিছু উপস্থাপন করা যায় তা আগে আমার জানা ছিল না। গাছের এই সুন্দর দৃশ্য গুলো দেখতে বেশ ভালই লাগে। আপনি খুবই চমৎকার একটি জায়গা ভ্রমণ করতে গিয়েছেন।সেই সাথে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা গুলো দারুন ভাবে উপস্থাপনা করেছেন।আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আমিও দারুন কিছু দৃশ্যের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারলাম। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আসলে সাজানো গোছানো একটা জায়গা এটা তাইতো আপনাদের মাঝে ভালোভাবে শেয়ার করতে পারলাম।
আপনার পোষ্টের মাধ্যমে আবারো নাটোরের গ্রিন ভ্যালি পার্কের কিছু ফটোগ্রাফি দেখতে পেরে আমার তো ভীষণ ভালো লাগলো। সত্যি ই এই পার্ক টি সুন্দর। আমার তো আজকের ফটোগ্রাফি গুলোর মধ্যে সবথেকে বেশি মনে পড়ে গেল গাছ কেটে সুন্দর ডিজাইন করার ওই দৃশ্যটা। আপনার পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
দিনটাতে আমরা আসলেই অনেক বেশি মজা করেছিলাম।
সিরাজগঞ্জ থেকে নাটোরের গ্রীন ভ্যালি পার্ক অনেক কাছে হওয়ার সত্বেও এখন পর্যন্ত এই পার্কে যাওয়া হয়নি। তবে মানুষের মুখে শুনেছি এই পার্ক নাকি অনেক সুন্দর।আজকেও আপনার পোস্ট দেখে মনে হচ্ছে আসলে গ্রিন ভ্যালি পার্ক অনেক সুন্দর। এখানে আমার একবার আমার যাওয়া উচিত।আপনাদের সুন্দর একটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
তাহলে দেরি করিয়েন না ভাই তাড়াতাড়ি একদিন ঘুরে আসুন।
আপনার এই নাটোরের গ্রীন ভ্যালি পার্ক ভ্রমণের প্রথম পর্বটা যদিও দেখা হয়নি তবে আজকের দ্বিতীয় পর্ব টা দেখে বেশ ভালো লাগলো। পার্ক টা ভীষণ সুন্দর। পার্কের এই পরিবেশ বেশ দারুন। পার্কের মনোরম দৃশ্যগুলো আপনার পোস্টের মাধ্যমে দেখে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া মুহূর্ত গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
পরবর্তী পর্বে আপনি এই পর্বে আরো অনেক কিছু দেখতে পারবেন।
ভাই আপনি আজকে শেয়ার করেছেন নাটোরের গ্রীন ভ্যালি পার্কের খুব সুন্দর একটি পর্ব। গত বছরে আপনারা আপনাদের স্কুল থেকে এখানে গিয়েছিলেন। সত্যি ভাইয়া এই গ্রিন ভ্যালি পার্ক জানি অনেক সুন্দর। কিন্তু যাওয়া হয়নি। তবে আপনার পোষ্টের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি আলোকচিত্র দেখে আরো ভালো লাগলো। আশা করছি একদিন সেখানে ভ্রমণ করতে যাব। ধন্যবাদ ভাই শেয়ার করার জন্য।
স্কুল থেকে যাবার কারণে ছাত্রছাত্রীরা অনেক মজা পেয়েছিল।
নাটোরের এরকম অসাধারণ একটি পার্কের সৌন্দর্য আপনার কাছ থেকে দেখে একেবারেই মুগ্ধ হয়ে গেলাম৷ যেভাবে আপনি আজকে এই পর্বের মধ্যে খুব সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফির মাধ্যমে সব কিছু ফুটিয়ে তুলেছেন৷ একইসাথে খুব সুন্দর বর্ণনাও করেছেন৷ ধন্যবাদ এই সুন্দর পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য৷
আসলে এই জায়গাটা অনেক সুন্দর তাই তো সকলেই এটা দেখে মুগ্ধ হয়ে যায়।