দেখতে দেখতে এক মাস কেটে গেল। মনে হচ্ছিল যেন এইতো সেদিন আঙ্কেল এবং আন্টিকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি করেছেন। যাইহোক আঙ্কেলের টেস্ট রিপোর্ট ভালো এসেছে এবং ডক্টর ভালো খবর দিয়েছেন জেনে সত্যি ভালো লাগলো। ডাক্তার দেখানো শেষে বেশ কেনাকাটাও হয়েছে। সব মিলিয়ে ভালো লাগলো। আসলে বাবা মায়ের হাসিমাখা মুখ সন্তানের খুবই বড় প্রাপ্তি।