যারা একা থাকতে বেশি পছন্দ করে, যারা অন্ধকার বেশি পছন্দ করে, তাদের নিজস্ব দুনিয়াটা বেশি সাজানো-গোছানো হয়, বেশি স্পষ্ট হয়।
ভাইয়া আপনার মত আমার কল্পনাতেও আমার নিজস্ব একটি পৃথিবী রয়েছে। যেখানে আমার মনে জমা কষ্টগুলো ও সুখের মুহূর্তগুলো সুন্দর করে সাজানো গোছানো রয়েছে। যে কষ্টগুলোর ভাগিদার কেউ হতে পারে না। আমার সেই কষ্টের পৃথিবী শুধুমাত্র আমার নিজের। সেই কাল্পনিক পৃথিবীতে শুধুমাত্র আমার বিচরণ রয়েছে। যেগুলো হয়তো কাউকে বলে বোঝানো যায় না। হয়তো সেখানে ক্ষণিকের জন্য সুখের মুহূর্তগুলো মনে পড়ে যায়। যেগুলো শুধুমাত্র ক্ষণিকের। সেই সুখের মুহূর্তগুলো কষ্টের চার দেয়ালের মাঝে আবার হারিয়ে যায়। আমরা আমাদের কল্পনার রাজ্যে অনেকদূর হারিয়ে যাই। মাঝে মাঝে যখন সেই কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে যাই তখন নিজের মস্তিষ্ক পুরোপুরি সেখানে চলে যায়। কেন জানি কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে গিয়ে সেখান থেকে অনেক বেশি গভীরে চলে যাই। হয়তো আমার ক্ষেত্রে সেটি হয় অন্য কারো ক্ষেত্রে নাও হতে পারে। যখন বাস্তবে ফিরে আসি তখন কাল্পনিক সেই পৃথিবীর সেই সাজানো গোছানো মুহূর্তগুলো খুঁজতে থাকি। কেন জানি তখন আমার মনের মধ্যে গেঁথে যায় সেই স্মৃতিগুলো। তখন কল্পনা ও বাস্তবকে গুলিয়ে ফেলি। তখন আর বাস্তবকে ভাললাগেনা কল্পনাকে ভালো লাগে। আপনার এই লিখাটি পড়ে আমার খুবই ভালো লাগলো ভাইয়া। হয়তো আমাদের চিন্তাধারাগুলো অনেকটা আলাদা কিন্তু কল্পনার রাজ্য গুলো যে যার মতো করে আমরা সাজিয়ে নিয়েছি। যেখানে এই পৃথিবীর অন্য কোন মানুষের অস্তিত্ব নেই। শুধুই নিজের এবং নিজস্ব কিছু অনুভূতি গুলো রয়েছে।