"আমার বাংলা ব্লগ" প্রতিযোগিতা-৩০|বাঁধাকপি কাতলার ঝাল ভাপা রেসিপি
আসসালামু আলাইকুম/নমস্কার
আমি@monira999। আমি একজন বাংলাদেশী। "আমার বাংলা ব্লগ" মানেই নতুন কিছু। আর নতুন নতুন প্রতিযোগিতার আয়োজন। "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির আয়োজিত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। যদিও ভালো রান্না করতে পারিনা। তবুও এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় শীতকালীন সবজি দিয়ে মজার একটি রেসিপি তৈরি করার চেষ্টা করেছি। আর এই রেসিপির নাম দিয়েছি "বাঁধাকপি কাতলার ঝাল ভাপা"।
বাঁধাকপি কাতলার ঝাল ভাপা রেসিপি:
বাঙালি রান্না মানেই সর্ষের কড়া ঝাঁজ আর মাছের ঝ। আমরা ভোজন রসিক বাঙালি। তাই মজার মজার খাবার খেতে পছন্দ করি। অন্যদিকে মজার মজার খাবার তৈরি করতেও ভালো লাগে। আর যদি হয় আমার বাংলা ব্লগের আয়োজিত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য মজার কোন খাবার তৈরি করা তাহলে আনন্দ আরও বেড়ে যায়। যদিও ভালো রান্না পারিনা। তবে পছন্দের রান্না করতে বেশ ভালোই লাগে। আসলে ছোটবেলা থেকেই লক্ষ্য করছি শীতকাল এলেই সবজি খাওয়ার প্রতি আলাদা রকমের ভালোলাগা তৈরি হতো। শীতের সবজি খাওয়ার মাঝে আলাদা রকমের প্রশান্তি আছে। ছোটবেলায় দেখতাম গ্রামের মানুষ গুলো ক্ষেত থেকে টাটকা সবজি তুলে আনতেন। আর সেই সবজিগুলো খাওয়ার মজা সত্যিই আলাদা ছিল। যখন গ্রামের বাসায় যেতাম তখন সবজি ক্ষেতের দৃশ্যগুলো দেখতে ভালো লাগতো। সারি সারি বাঁধাকপি, ফুলকপি, লাল শাক এগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগতো। তাইতো আজকে আমি শীতকালীন সবজি বাঁধাকপি দিয়ে ভিন্ন ধরনের একটি রেসিপি তৈরি করে শেয়ার করতে যাচ্ছি। বাঁধাকপি আমার খুবই প্রিয় একটি সবজি। অন্যদিকে কাতলা মাছ খেতে পছন্দ করেনা এমন মানুষ খুবই কম আছে। তাই কাতলা মাছের সাথে বাঁধাকপির কম্বিনেশনে মজার একটি রেসিপি তৈরি করার চেষ্টা করেছি। এবার চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে আমি বাঁধাকপি কাতলার ঝাল ভাপা রেসিপি তৈরি করেছি এবং কি কি উপকরণ ব্যবহার করেছি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
| নাম | পরিমান |
|---|---|
| কাতলা মাছ | ৪ পিস |
| বাঁধাকপি | পরিমান মত |
| সরিষা বাটা | ১ চামচ |
| পোস্ত বাটা | ১ চামচ |
| ধনিয়া পাতা | পরিমান মত |
| পেঁয়াজ বাটা | ১ চামচ |
| রসুন বাটা | ১/২ চামচ |
| জিরা বাটা | ১/২ চামচ |
| কাঁচা মরিচ বাটা | ১ চামচ |
| হলুদের গুঁড়া | ১/২ চামচ |
| লবণ | পরিমাণমতো |
| সরিষার তেল | পরিমান মত |
| কাঁচা মরিচ | পরিমান মত |
| লেবুর রস | পরিমান মত |
বাঁধাকপি কাতলার ঝাল ভাপা রেসিপি তৈরির ধাপসমূহ:
ধাপ-১
বাঁধাকপি কাতলার ঝাল ভাপা রেসিপি তৈরি করার জন্য আমি প্রথমেই একটি রাইস কুকারে পানি বসিয়ে দিয়েছি। এবার বাঁধাকপি রান্নার জন্য প্রস্তুত করতে বাঁধাকপির পাতাগুলো খুব সাবধানে ছাড়িয়ে নিয়েছি।
ধাপ-২
বাঁধাকপির পাতাগুলো হালকা ভাবে সেদ্ধ করে নেওয়ার জন্য একটি পাতিলের মধ্যে পানি, হলুদের গুঁড়া ও লবণ দিয়েছি।
এবার বাঁধাকপির পাতাগুলো পানির মধ্যে দিয়ে ডুবিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এরপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে চুলার উপর দিয়েছি সেদ্ধ করার জন্য।
ধাপ-৩
এবার কাতলা মাছগুলো ভাপা তৈরি করার জন্য প্রস্তুত করার চেষ্টা করেছি। এজন্য প্রথমে আমি মাছগুলোর কাটা ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি। এবার এর মধ্যে পরিমাণ অনুযায়ী লবণ দিয়েছি। এরপর পোস্তবাটা দিয়েছি।
ধাপ-৪
এবার পরিমাণ অনুযায়ী সরিষা বাটা দিয়েছি। এরপর হলুদের গুঁড়া দিয়েছি। এবার পেঁয়াজ বাটা, কাঁচা মরিচ বাটা, জিরা বাটা ও রসুন বাটা দিয়েছি।
ধাপ-৫
এবার সবগুলো মসলা একসাথে ভালো করে মিক্স করে নেওয়ার চেষ্টা করেছি এবং মাছগুলো ভালোভাবে মসলার সাথে মাখিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি।
ধাপ-৬
এবার বাঁধাকপির ভেতরের অংশের নরম বাঁধাকপি গুলো ছোট ছোট করে কেটে নিয়েছি। খুব একটা বেশি পরিমাণে নেইনি অল্প করে নিয়েছি। এবার এগুলো মাছের মধ্যে দিয়েছি।
ধাপ-৭
এবার পরিমাণ অনুযায়ী ধনিয়া পাতা দিয়েছি। ধনিয়া পাতা দিলে আলাদা রকমের ফ্লেভার আসে। শীতকালে ধনিয়া পাতা ছাড়া রেসিপি যেন অসম্পূর্ণ। এবার মাছের টেস্ট বাড়ানোর জন্য এবং আলাদা রকমের টক ফ্লেভার আনার জন্য লেবুর রস দিয়েছি।
ধাপ-৮
এবার সরিষার তেল দিয়েছি। এরপর ভালোভাবে মিক্স করে নিয়েছি।
ধাপ-৯
এবার বাঁধাকপি গুলো যখন ভালো ভাবে সেদ্ধ হয়েছে তখন গরম পানি থেকে তুলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিয়েছি। যাতে করে পাতাগুলো ছিড়ে না যায়।
ধাপ-১০
এবার বাঁধাকপির উপর সুন্দর করে সরিষার তেল হাত দিয়ে ব্রাশ করে দিয়েছি। সরিষার তেল একটু বেশি পরিমাণে দিয়েছি যাতে করে ভাপা হওয়ার পর বাঁধাকপি গুলোও খেতে ভালো লাগে।
ধাপ-১১
এবার প্রস্তুত করে রাখা কাতলা মাছগুলো বাঁধাকপির উপর দিয়েছি। এরপর এক টুকরা কাঁচামরিচ দিয়েছি।
ধাপ-১২
এবার সুন্দর ভাবে বাঁধাকপি ভাঁজ করে নিয়েছি ভাপা তৈরির জন্য। পাতা যাতে খুলে না যায় সেজন্য সুতা দিয়ে বেঁধে নিয়েছি।
ধাপ-১৩
এভাবে ধীরে ধীরে আরো কিছু মাছ এবং বাঁধাকপি প্রস্তুত করেছি ভাপা তৈরির জন্য।
ধাপ-১৪
এবার রাইস কুকারের উপরের অংশে এগুলো রেখেছি এবং আগে থেকেই রাইস কুকারে বসিয়ে রাখা গরম পানির ভাবে সিদ্ধ করার জন্য দিয়েছি এবং ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিয়েছি। গরম পানি প্রথমে বসিয়ে এরপর অন্যান্য কিছু প্রস্তুত করলে সুবিধা হয়। তাহলে পানিটা ভালোভাবে গরম হয় এবং ভাপ তৈরি হয়।
ধাপ-১৫
এভাবে বেশ কিছুক্ষণ সময় ভাপানোর পর বাঁধাকপি কাতলার ঝাল ভাপা রেসিপি তৈরি হয়েছে।
শেষ ধাপ
বাঁধাকপি কাতলার ঝাল ভাজা রেসিপি তৈরি হয়ে গেলে এবার পরিবেশন করার জন্য সুতাগুলো খুলে নিয়েছি। এরপর অন্যান্য কিছু কাজ করেছি এবং সবকিছু প্রস্তুত করে নিয়েছি।
উপস্থাপনা:
বাঁধাকপি কাতলার ঝাল ভাপা রেসিপি খেতে দারুণ হয়েছিল। আসলে বাঙালিরা সবসময় নতুন নতুন খাবার খোঁজে। নতুন নতুন খাবার তৈরি করতে যেমন ভালো লাগে তেমনি খেতেও ভালো লাগে। বাঙালিদের ভালোলাগা থেকেই হয়তো ভিন্ন ধরনের খাবার গুলো তৈরি করার আইডিয়া চলে আসে। তেমনি আমিও শীতকালীন সবজি বাঁধাকপি দিয়ে দারুন একটি রেসিপি তৈরি করার চেষ্টা করেছি। বাঁধাকপি শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। এছাড়া শীতের সবজি খেতে যেমন ভালো লাগে তেমনি নতুন রেসিপি তৈরি করতেও ভালো লাগে। আশা করছি আমার তৈরি করা এই রেসিপি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে।
প্রথমে আপনাকে কনটেস্ট ৩০ এর জন্য শুভকামনা জানাই আপু।শীতকালীন সবজির একটি ইউনিক রেসিপি নিয়ে আপনি হাজির হয়েছেন আজকে।ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
শীতকালীন সবজি দিয়ে ইউনিক একটি রেসিপি তৈরি করার চেষ্টা করেছি। খেতে খুবই ভালো হয়েছিল। আপনাকেও ধন্যবাদ আপু সুন্দর করে নিজের মতামত তুলে ধরার জন্য এবং উৎসাহ দেওয়ার জন্য।
প্রতিটা প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে আমি একটি বিষয় উপলব্ধি করতে পেরেছি যারা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে তাদের মধ্য থেকে নিজের ক্রিয়াটিভ চিন্তাভাবনামূলক কর্মকাণ্ড বহিঃপ্রকাশ ঘটে। শীতকালীন সবজি রেসিপি প্রতিযোগিতায় আপনি দারুন একটি রেসিপি করেছেন হয়তো এই ধরনের রেসিপি আমি কখনো দেখিনি আপনি দেখেছেন কিনা জানিনা কাতলা মাছের ঝাল ভাপা রেসিপি সত্যিই অসাধারণ ছিল। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল আপু।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য সবাই নতুন কিছু করার চেষ্টা করে। সবজি দিয়ে হয়তো অনেক কিছুই তৈরি করা যায়। তবে কেন জানি হঠাৎ করে কাতলা মাছের ভাপা রেসিপি তৈরি করতে ইচ্ছে করল। তাই এই মজার রেসিপি তৈরি করে শেয়ার করলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।
প্রথমে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু এই কনটেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন তাই। আপনি খুব সুন্দর ভাবে আজকের এই বাঁধাকপি ও মাসের সমন্বয়ে রান্না কাজ করেছেন। আর এই রান্নাটা এত সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন যা দেখে আমি খুবই মুগ্ধ হয়েছি। বাঁধাকপি আমারও প্রিয় একটি সবজি যদি তা কুচিকুচি করে কেটে ভাজি করে রান্না করে খাওয়া হয়। আপনি এই পোস্টে সমস্ত উপাদান গুলো টেবিল আকারে সাজিয়ে দেখিয়েছেন এবং কিভাবে কখন তার প্রয়োগ ঘটাতে হয় তাও তুলে ধরেছেন। তাই এক কথায় বলতে পারি অল দ্যা বেস্ট।
ভাইয়া আমি চেষ্টা করেছি বাঁধাকপি দিয়ে ভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করার জন্য। আসলে বাঁধাকপির এই রেসিপি খেতে ভীষণ ভালো লাগে। বাঁধাকপি ভাজি আমারও অনেক প্রিয়। তবে এভাবে একদিন কাতলা মাছ দিয়ে বাঁধাকপির এই মজার রেসিপি তৈরি করে খেয়ে দেখতে পারেন।
আপু প্রতিযোগিতায় আপনাকে দেখেতো মুগ্ধ হয়ে গেলাম। এত সুন্দর একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছেন। এবার তো পুরুস্কার আপনার ঘরেই যাবে। আর রেসিপি টি খুবই একটি ইউনিক রেসিপি আপু। এ ধরনের ইউনিক রেসিপি কেবলমাত্র আপনার কাছেই সম্ভব।যা ক্রেয়েটিভিটি আপনার। দুই একটা ঝাল ঝাল বাপ কাতলা পার্সেল করে দেন। একটু টেষ্ট করে দেখি তো। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর করে বাধাকপি দিয়ে কাতলার ঝাল ঝাল বাপা রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ দেখে আপনার ভালো লেগেছে এবং মুগ্ধ হয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। চেষ্টা করেছি নতুন একটি রেসিপি তৈরি করার জন্য। দোয়া করবেন আপু এভাবে যেন কাজ করতে পারি। আরেকদিন তৈরি করলে আপনার জন্য অবশ্যই পার্সেল করে পাঠাবো।
আপনার রেসিপিটির তারিফ করতেই হয় আপু! পুরাই বাঙালিয়ান একটি রেসিপি। কলাপাতার মধ্যে কতো খেয়েছি ছোটবেলায়! বাঁধাকপি আমারি প্রিয় একটি সবজি। কাতলা মাছের কম্বিনেশন এ মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করলেন! একবার ট্রাই করে দেখার দরকার ছিল কিন্তু আপু 😁
বাঙালি রান্নার মাঝে বাঙালিয়ানা ফুটিয়ে তুলতে ভালো লাগে। কলা পাতায় যদিও কখনো খাওয়া হয়নি। কলা পাতায় পরিবেশন করতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। সত্যি ভাইয়া একদিন ট্রাই করে দেখতে পারেন। খেতে ভালো লাগবে।
সত্যিই বলতে আমি শুধু দেখছিলাম মন দিয়ে ৷প্রতিটি ধাপ অনেক ধৈর্য আর মনোযোগ সহকারে দেখলাম ৷ সত্যি আপনি যে অনেক পরিশ্রম করেছেন তা দেখেই বোঝা যায় ৷ আর রেসেপি পোস্ট দেখতে ভালো লাগে ৷ কারন খাবার তো ভালো লাগতেই হবে ৷
সর্বোপরি আপু দারুন একটি ইউনিক রেসিপি শেয়ার করেছেন ৷ জানি না খেতে কতটা সুস্বাদু হয়েছে ৷ তবে দেখে যে জিভে জল এসে যাবে এটা নিশ্চিত ৷
অনেক ভালো লাগলো আপনার নিজ হাতে তরা রেসিপি ৷ বাঁধাকপি কাতলার ঝাল ভাপা রেসিপি৷
আমার তৈরি করা রেসিপি আপনি মনোযোগ দিয়ে দেখেছেন জেনে ভালো লাগলো। আসলে নতুন কিছু তৈরি করতে একটু পরিশ্রম বেশি হয়। আর এই কাজগুলো করতে অনেকটা সময় লাগে। তবুও চেষ্টা করেছি ইউনিক কিছু করার জন্য।
সত্যি বলেছেন আপু বাঙালিরা নতুন নতুন রেসিপি খেতে, যেমন পছন্দ করে তৈরি করতে তেমন ভালো লাগে।আর আমার বাংলা ব্লগ নতুন নতুন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে, সেই কারণে আমরা অনেক নতুন রেসিপি দেখতে পাই।তবে আপু যাইহোক আপনার রেসিপিটি কিন্তু মজার হয়েছে, খেয়ে দেখতে পারলে আরো ভালো হতো হা হা হা।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু ইউনিক একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন আপু বাঙালিরা নতুন নতুন খাবার তৈরি করতে ভালোবাসে। সেই সাথে মজার মজার খাবার খেতেও পছন্দ করে। তাইতো এই ভিন্ন ধরনের আয়োজন আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছি। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু মন্তব্য প্রকাশের জন্য।
প্রথমে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য অনেক অনেক অভিনন্দন আপু। আর প্রতিযোগিতা মানেই নতুন নতুন রেসিপি। আপনি দারুন একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন বাঁধাকপিতে মাছ ভাপা যা দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে। ধন্যবাদ দারুন একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন আপু প্রতিযোগিতা মানেই নতুন কিছু। তাইতো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য বাঁধাকপি ও কাতলা মাছের এই রেসিপি তৈরি করার চেষ্টা করেছি। খেতে দারুণ হয়েছিল। আপনার তৈরি করা রেসিপিও অনেক ভালো হয়েছে আপু।
প্রথমে আপনাকে ধন্যবাদ সুন্দর এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য। আশা করছি এই প্রতিযোগিতার মাঝে নতুন নতুন শীতের সবজি রেসিপির দেখা মিলবে। আপনি খুব সুন্দর করে বাঁধাকপির পাতা দিয়ে কাতলা মাছ ভাপা রান্না করেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আপনাকেও ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্য করার জন্য। আসলে প্রতিযোগিতায় নতুন কিছু তৈরি করার চেষ্টা করেছি। তবে বাঁধাকপি দিয়ে কাতলা মাছের এই ভাপা রেসিপি খেতে কিন্তু দারুণ হয়েছিল। একদিন ট্রাই করে দেখতে পারেন।
বাহ,খুব সুন্দর হয়েছে রেসিপিটি।সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন আপু।বাঁধাকপি পাতায় কখনো আগে ভাপা করে খাওয়া হয়নি।আমার কাছে খুবই লোভনীয় ও ভালো লেগেছে রেসিপিটা।যদিও ধাপ-৬ এবং ধাপ-৭ এর মাঝে একটি চুলসহ আপনার ভুলবশত ছবি তোলা পড়েছে।যাইহোক প্রতিযোগিতায় ভালো ফলাফল অর্জন করুন এই কামনাই করি।ধন্যবাদ আপু।
হয়তো আপু ভুল করে ছবিটি তোলা হয়ে গেছে। যাই হোক এই প্রতিযোগিতায় কোন কিছু অর্জন করতে পারি কিনা জানিনা তবে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পেরেছি এটাই সবচেয়ে বড় কথা। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।