গরমের সুস্থ থাকতে করণীয়।
আজ- ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, গ্রীষ্মকাল
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
লোকালে চললে তো মনে হয় যেন এক অসহ্যকর দুনিয়াতে এসে হাজির হয়েছে । মধ্যবিত্ত শ্রেণি মানুষদের দৈনন্দিন জীবনে চলাফেরা করতে হলে তো অবশ্যই আমাদের লোকালে চড়তে হবে। কিন্তু সত্যি বলতে গ্রীষ্মকালে লোকালে চড়ার এই পরিস্থিতি খুবই খারাপ। ঐদিনও দেখতে পেলাম বাসের মধ্যে একজন গরমে মাথা ঘুরিয়ে পড়ে গেল। পরে অবশ্য সকলে মিলে মাথায় পানি দিয়ে বাতাস করে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করতে পেরেছে । বেচারা মানুষটা যেন খুবই খারাপ লাগছিল। মধ্য বয়সের একজন মানুষ। এই গরম যেন সহ্য করে উঠতে পারেনি তাই বলেই তো এই অবস্থা হয়ে গিয়েছে। যাই হোক এই গরমে সকালে চেষ্টা করবেন স্বাস্থ্য সচেতন থাকার ।
আর এখন চারপাশে এই গরমের কারণে অসুস্থ তাও বেড়ে গিয়েছে অনেক। অনেক মানুষেরই সিজনাল জ্বর সর্দি কাশিতে ভুগছেন। হসপিটালগুলোর সিট যেন খালি নেই অসুস্থ রোগীর কারণে। আসলে আমরা ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারি না যে মানুষ কতটা অসুস্থতাই ভুগছে । একমাত্র হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিক গুলোতে গেলেই বোঝা যাই যে মানুষের অসুস্থতার সংখ্যা কতখানি।
আমরা সকলেই যে যে পরিস্থিতিতে আছি অবশ্যই সে পরিস্থিতি নিয়ে শুকরিয়া আদায় করা উচিত। কেননা এর থেকেও খারাপ পরিস্থিতি হয়তো অনেক মানুষের রয়েছে।
আর এই গরমে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পর্যাপ্ত পানি পান করা। আমাদের অনেকের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার এই অভ্যাসটি যেন নেই। অন্যের কথা কি বা বলব আসলে আমি নিজেও খুব বেশি পানি পান করিনা। যদিও বিষয়টি মোটেও ঠিক নয় তবে চেষ্টা করছি এবার অভ্যাসটি থেকে বেরিয়ে আশা । কথায় আছে পানির অপর নাম জীবন। তাই সুস্থ থাকলে এই গরমে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার কোন বিকল্প নেই। ছোট বড় প্রত্যেকের উচিত নির্দিষ্ট পরিমাণের পানি পান করা। পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি আমাদেরকে সুস্থতা রাখতে যথেষ্ট বড় ভূমিকা পালন করে।
আর এই গরমে চেষ্টা করবেন ভাজাপোড়া তেল জাতীয় খাবারগুলো থেকে যথা সম্ভব নিজেকে ধরে রাখা। এবার জিব্বার খাবার না খেয়ে আমাদের শরীরের খাবার খেতে হবে তবেই আমরা সুস্থ থাকতে পারবো। আমরা যত বেশি সুস্বাদু খাবার খুঁজবো ততোই সেটা আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠবে।
এই যেমন তেল ভাজা খাবারগুলো প্রত্যেকের খুবই প্রিয়। আর এই লোভনীয় খাবার গুলো দেখলে যেন নিজেকে সামলানোটা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। অথচ এই সকল খাবার গুলো আমাদের জন্য কতটা ক্ষতিকর তাতো আমরা নিশ্চয়ই জানি।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
এই তীব্র গরমে মাঝেমধ্যে রাস্তাঘাটে দেখা যায়, অনেক মানুষ হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। পরবর্তীতে ওরস্যালাইন এবং পানি পান করিয়ে কিছুটা স্বাভাবিক করা হয়। আসলে তীব্র গরমের সময় অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত। তাছাড়া বাহিরে বের হলে ছাতা নিয়ে বের হওয়া উচিত। সর্বোপরি খাওয়া দাওয়া বুঝেশুনে করা উচিত। যাইহোক সময়োপযোগী একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
খুব সুন্দরভাবে বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। গরমের এই তীব্রতায় শুধু অসহ্য যন্ত্রণা নয়, এর প্রভাব পড়ছে আমাদের শরীর ও মন দুটোতেই। স্বাস্থ্য সচেতনতা, বিশেষ করে পর্যাপ্ত পানি পান করার গুরুত্ব যে কতটা তা আপনি অত্যন্ত সাবলীলভাবে প্রকাশ করেছেন। গ্রীষ্মের এই সময়টায় নিজেদের যত্ন নেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি আশপাশের মানুষদের প্রতিও সহমর্মিতা দেখানো উচিত।
প্রতিটি মানুষকেই দৈনিক ৮ গ্লাস পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসা। তবে আমরা অনেকেই তা মেনে চলি না। তাই অসুস্থ হয়ে পরি। গরমে সুস্থ থাকতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। সেই সাথে বেশি তেল ও মশলার খাবার পরিহার করতে হবে। এবং ভাজাপোড়া থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে। তবেই এই গরমে আমরা সুস্থ থাকতে পারবো।