খুবই অর্থবহ কথা বলেছেন ভাইয়া। আপনার কথাগুলোর সাথে আমি একদম সহমত পোষণ করছি। যাকে কেন্দ্র করে মজা পাওয়া যায়, তার মনের অবস্থা জানতে পারলে আমরা হয়তো কখনোই সেই বিষয় নিয়ে মজা করতে পারতাম না। এইতো সেদিন আমার মেয়েকে নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম, তখন বারান্দায় পড়ে থাকা পানিতে একজন স্কুল ছাত্রী হঠাৎ করেই পিছলে পড়ে যায়। যার কারনে সেখানে থাকা সমস্ত ছাত্রী খুব জোরে জোরে হেসে উঠেছিল। কিন্তু ছাত্রীটি এতটাই জোরে পড়েছে যে, পড়ে গিয়ে তার হাতের হার ফেটে গিয়েছে। এখন সে হাত প্লাস্টার করে গলায় ঝুলিয়ে রাখে। অথচ যখন সেদিন ছাত্রীটি পড়ে গিয়ে এতটাই ব্যথা পেয়েছিল, তখন কিন্তু বাকি ছাত্রীরা তার কথা বিন্দুমাত্র চিন্তা না করেই অট্টহাসি হেসেছিল। এরকম মর্মান্তিক ঘটনাতেও আমরা অনেকেই আছি মজা পেয়ে থাকি। সত্যিই ভাই আমাদের সকলেরই উচিত ভিকটিমের ভেতরে লুকানো যন্ত্রণাকে উপলব্ধি করা। তাহলে হয়তো মুখ দিয়ে আর হাসি বের হবে না।
মানুষ হওয়া জরুরি। আপনার ঘটনাটা শুনে খুব ব্যথিত হলাম।