রেসিপি : পটলের ডাল দিয়ে শুক্তো
নমস্কার বন্ধুরা,
সবাই কেমন আছেন? আশা করছি ঈশ্বরের কৃপায় আপনারা সকলেই সুস্থ। আজ আপনাদের সামনে আরো একটি নতুন ও মজাদার রেসিপি নিয়ে হাজির হলাম। আজকের রেসিপিটি হলো পটলের ডাল দিয়ে শুক্তো।
শুক্তো মানেই করলা। যেখানে সাধারণত করলা দিয়েই চিরকাল শুক্তো খেয়ে এসেছি সেখানে পটলের ডাল দিয়ে যে শুক্ত করা যায় সেটাই আমার জানা ছিলো না। রোজ নতুন কিছু জানা যায়। আসল কথা, শুক্তর মূল উপাদানের একটি হলো তেঁতো। আর ঠিক সেই জায়গাটিতেই করলা কাজে আসে। ওইদিকে আবার পটলের ডাল স্বাদে তেতো। তাই পটলের ডাল দিয়েই শুক্ত রান্না করা হলো। নতুন কিছু শিখলাম আবার নতুন কিছু খাওয়াও হলো। যাক এসব কথা বাদ দিই, চলুন সোজা রান্নায় যাওয়া যাক।
- পটলের ডাল
- বেগুন
- আলু
- কাঁচ কলা
- পোস্ত বাটা
- বড়ি
- পাঁচ ফোড়ন
- শুকনো লঙ্কা
- হলুদ গুঁড়ো
- নুন
- তেল
ধাপ ১
- কড়াই চাপিয়ে তাতে অল্প তেল গরম করে নিলাম। তেল গরম হয়ে যাওয়ার পর শুকনো লঙ্কা ভেজে নেবো।
ধাপ ২
- শুকনো লঙ্কা ভেজে নেওয়ার পর পাঁচফোড়ন দিয়ে দেবো। তারপর দুটো বড়িও ভেজে নেবো।
ধাপ ৩
- ফোড়ন দেওয়া হয়ে গেলে কেটে রাখা পটলের ডাল, আলু, বেগুন ও কাঁচ কলা কড়াইতে দিয়ে অল্প অল্প ভাজতে শুরু করবো।
ধাপ ৪
- অল্প ভাজা হয়ে গেলে স্বাদমতো নুন ও হাফ চামচ হলুদ দিয়ে সবজি গুলো নাড়াচড়া করে নেবো।
ধাপ ৫
- সবজি গুলো বেশ কিছুক্ষণ ধরে ভালো মত ভেজে নেবো।
ধাপ ৬
- সবজি গুলো ভালোমতো ভেজে হাফ কাপ জল দিয়ে দিলাম সেদ্ধ হওয়ার জন্য।
ধাপ ৭
- জল ফুটে কিছুটা কমে গেলে পোস্ত বাটা ঝোলের মধ্যে দিয়ে দেবো।
ধাপ ৮
- ঝোল ফুটে মাখা মাখা হয়ে গেলেই আমাদের পটলের ডাল দিয়ে শুক্ত তৈরী।
||আমার বাংলা ব্লগ & ডিসকর্ড||
Support @heroism by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী নতুন এবং ইউনিকে একটি রেসিপি মনে হচ্ছে আমার কাছে এরকম ভাবে পটল দিয়ে ডাউল খাওয়া যায় আসলে আমার জানা ছিল না।। আপনার রেসিপিটি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করলাম খেতে মনে হয় ভারী সুস্বাদু হয়েছিল।। এর মধ্যে যদি ইলিশ মাছ অথবা টাকি মাছ দেওয়া যেত তাহলে মনে হয় খেতে আরো বেশি মজা হত।।
ডাল নয়। তরকারি মতন। তেঁতো র মধ্যে মাছ, দুটোই নষ্ট হবে কিন্তু।
পটলের ডাল যে খাওয়া যায় আমি আজ প্রথম জানতে পারলাম দাদা আপনার রেসিপির মাধ্যমে। এটার স্বাদ কিরকম হয় আমি জানিনা, শুক্তো মানেই তো তেতো স্বাদের হয়ে থাকে, করলা হলো শুক্তোর মুল উপাদান। ধন্যবাদ দাদা সুন্দর ও নতুন একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আমিও প্রথম জানলাম ও খেলাম। পলতা পাতা খেয়েছি তবে ডাল প্রথম বার।
দাদা পটলের ডাল দিয়ে যে শুক্তো খাওয়া যায় তা জানা ছিল না আপনার পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম। আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে অনেক মজা হয়েছে
।আপনার রিসিপি দেখে শিখে নিলাম এভাবে একদিন তৈরি করবো।পটলের ডাল দিয়ে শুক্তো রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আমিও প্রথম জানলাম দিদি। মজা আর কি খুব তেঁতো। হাঃ হাঃ।
অসাধারণ দাদা রেসিপি পটলের ডাল দিয়ে শুক্তো রেসিপিটি দেখে বোঝা যাচ্ছে ইউনিক একটি রেসিপি ছিল। প্রতিটি ধাপ অসাধারণ ছিল দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক লোভনীয় হয়েছে।না জানি খেতে কত মজার ছিল ধন্যবাদ দাদা এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ।এই ধরনের রেসিপি কখনো খাওয়া হয়নি। আপনার রেসিপিটি দেখে আমি শিখে নিয়েছি রেসিপি টা পরবর্তীতে তৈরি করে খেতে পারব। শুভকামনা রইল দাদা ভালো থাকবেন।
আমারও তাই মনে হলো, ইউনিক। খেতেও ইউনিক। হাঃ হাঃ।
দাদা আপনি অত্যান্ত ঐতিহ্যের ধারাবাহিক মানুষ। আজকে অনেকে এর নাম জানেনা। খুবই অসাধারণ হয়েছে দাদা নাআপনার পটলের ডাল দিয়ে শুক্তো রেসিপিটি। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আগের দিনের লোক খেতো নাকি অমিতাব বাবু?
আমি ছোটবেলায় নিমন্ত্রণ বাড়িতে একপ্রকার শুক্তো খেতাম সেই শুক্তো তিতো লাগত না। সেই শুক্তো দিয়েই পাতের অর্ধেক ভাত খেয়ে নিতাম। এখনকার সময় যে ধরনের শুক্তো করা হয় তা আর আগের মত লাগে না। তারপরও নতুন নতুন রেসিপি জানতে ভালোই লাগে। দাদা, তোমার শেয়ার করা রেসিপি অনুযায়ী একবার বাড়িতে এমন করে শুক্তো করে দেখব দেখি কেমন টেস্ট লাগে।
তাহলে সেটা মিষ্ট শুক্তো। নইলে তো জীবন শেষ হয়ে যাবে। বাজারে যদি পটলের ডাল খুঁজে পাও তাহলে ট্রাই করতে পারো।
না দাদা, এটা মিষ্টি শুক্তো না ।আমি তোমাকে বলে দিচ্ছি সেভাবে একবার ট্রাই করে দেখো। এই শুক্তো রেসিপির জন্য লাগবে বেগুন, হেলেঞ্চা শাক,বড় বড় মাছের মাথা এবং মাছের তেল যেটা মাছের পেট থেকে পাওয়া যায় আমরা যা ভাজা করে খাই। এইসব উপকরণ দিয়ে একবার শুক্তো করে খেয়ে দেখো তারপর কেমন টেস্ট হয় আমাকে জানিও।
দাদা আপনি যেমন নতুন কিছু শিখেছেন তেমনি আমরাও আপনার কাছ থেকে নতুন কিছু শিখতে পেলাম। শুক্ত কখনো খাওয়া হয়নি তাই কি দিয়ে রান্না করে তাও জানা ছিল না। কিন্তু আপনাদের রেসিপি দেখে জানতে পারলাম আর পটলের ডাল তেতো হয় সেটাও জানা ছিল না। আপনি করলার পরিবর্তে পটলের ডাল দিয়ে রেসিপি তৈরি করেছেন বলেই এত ইউনিক হয়েছে। দাদা খেতে মনে হচ্ছে ভালোই লেগেছিল। ধন্যবাদ দাদা ইউনিক রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
শুক্তো দারুন। আমি বলবো করলা দিয়েই খেয়ে দেখবেন।
পোষ্ট পড়ে মনে কৌতুহল বেড়ে গেল, রান্না দেখেই মনে হচ্ছে খেতে বেশ ভালোই লাগবে। সম্পূন্য নতুন একটা রেসিপি। আশা করি আরো নতুন কিছু আমাদের উপহার দিবেন, ধন্যবাদ দাদা
আমিও নতুন শিখলাম তাই সবার সাথে ভাগ করে নিলাম। স্বাদ, তেঁতো। হাঃ হাঃ।
নতুন কিছু শিখতে আমার খুব ভালো লাগে। এভাবেই দাদা আপনার কাছ থেকে নতুন আরো কিছু শিখার অপেক্ষায় রহিলাম।আপনার জন্য শুভকামনা দাদা।
"পটলের ডাল" নাকি পটল আর ডাল এই কথাটা বোঝার জন্যই আমি টাইটেল তিনবার পড়েছি। জীবনে কোনদিনও শুনিনি পটলের ডাল হয়। যাইহোক দেখে তো বেশ ভালোই মনে হচ্ছে। তুমি যেমন করলা দিয়ে এতদিন শুক্তো খেয়েছো, আমিও তেমনি হেলেঞ্চা শাক দিয়ে শুক্তো খেয়ে এসেছি। তবে তুমি কিন্তু বললে না, শুক্তো খেতে কেমন হয়েছিল।
ডাল - পালার ডাল। টাইটেল রাখা নিয়ে আমিও বেশ কনফিউজড ছিলাম। খিক খিক।
পলতা পাতা খাওনি, সেটারই কান্ড। হেলেঞ্চার শুক্তো খেয়ে আমি শুয়ে পরেছিলাম।
হা হা হা...