রেসিপি : শিম, আলু ও বেগুন দিয়ে রুই মাছের ঝোল // ১০% পেআউট লাজুক খ্যাঁক-কে
নমস্কার,
বেগুনের প্রতি ভালোবাসা আমার নতুন নয়। আগের বেশ কিছু রান্নায় বেগুনের প্রতি আমার প্রেম প্রমাণিত সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে শীত কালে আরো একটা সবজি আমার বেশ পছন্দের, শিম।
বেগুনের সাথে অল্প শিম দিয়ে তরকারি খুব জমে যায়। শিম তরকারিতে যেমন ভালো লাগে তেমনি ঝোলে বা সিদ্ধ খেতেও আমার খুবই ভালো লাগে। ঝোলে বা সিদ্ধ খেলেও শিম ভাজা থেকে আমি দূরত্ব বজায় রাখি তাঁর কারন তেল। শিম ভাজার সময় খুব তেল টেনে নেয় পরে শিম ঠান্ডা হলে ভাজার তেল ছেড়ে দিয়ে অতিরিক্ত তৈলাক্ত হয়ে যায় ফলে খাওয়া যায় না।
শিমের প্রতি ভালোবাসা রেখে আজকে শিম, বেগুন ও আলু দিয়ে আলাদা করে তরকারি না করে মাছের ঝোল রান্না করে ফেললাম। বেশি কথা না বাড়িয়ে সোজা চলে যাবো মূল রান্নায়।
- রুই মাছ
- গোটা জিরে
- হলুদ গুঁড়ো
- জিরে গুঁড়ো
- লঙ্কার গুঁড়ো
- সিম
- বেগুন
- আলু
- তেল
ধাপ ১
- প্রথমেই গ্যাসের ওভেনে একটা কড়াই চাপিয়ে তেল গরম করে নেবো।
ধাপ ২
- তেল গরম হতেই নুন-হলুদ মাখিয়ে রাখা মাছ গুলোকে কড়াইতে দিয়ে ভাজতে শুরু করবো।
ধাপ ৩
- সমস্ত মাছ গুলো ভাজা হয়ে গেলে একটা পাত্রে তুলে রাখবো।
ধাপ ৪
- মাছ ভাজা হয়ে গেলে কড়াইয়ের বাকি তেলে গোটা জিরে ফোড়ন দিয়ে দেবো। তারপর কড়াইতে সিম, বেগুন, আলু, স্বাদমতো নুন ও হলুদ দিয়ে একটা পাত্র দিয়ে ঢেকে দেবো।
ধাপ ৫
- কিছুক্ষন পর পর ঢাকনা তুলে দিয়ে সবজি গুলো ভাজতে থাকবো।
ধাপ ৬
- সবজি ভাজা হয়ে গেলে জিরে গুঁড়ো, লঙ্কার গুঁড়ো ও এক কাপ জল দিয়ে কষতে দিয়ে দেবো।
ধাপ ৭
- সবজি কষে গেলে তিন কাপ জল দিয়ে ঝোল ফুটতে দেবো।
ধাপ ৮
- ঝোল ভালো ভাবে ফুটিয়ে নেবো।
ধাপ ৯
- ঝোল ফুটে গেলে ভাজা মাছ গুলো দিয়ে দেবো।
ধাপ ১০
- মিনিট পনেরো ভালো মতো ঝোল ফুটে যেতেই নুন চেকে নিলাম। অল্প নুন দিয়ে ঝোলটা নামিয়ে দেবো। ব্যাস আমাদের শিম-বেগুন দিয়ে রুই মাছের ঝোল তৈরী তৈরী।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
শীতের দিনে এই একটি সুবিধা। বাজারে প্রচুর সবজি পাওয়া যায়। যেগুলো এমনিতেই খেতে অনেক মজা। এই সবজি গুলি যখন কোন তরকারিতে যোগ করা হয় তখন সেই রান্নাটি আরো মজা হয়ে ওঠে। আপনার মাছ রান্না দেখে মনে হচ্ছে খেতে অনেক ভালো হয়েছে। বেশ জম্পেশ একটা খাওয়া দিয়েছেন মনে হচ্ছে।
দাদা অসাধারণ হয়েছে। রুই মাছ আমার খুবই পছন্দের একটি মাছ। রুই মাছ সবজি দিয়ে রান্না করলে তো খেতে আরো দারুণ লাগে। আপনার রেসিপি টি দেখেই তো আমার জিভে জল চলে এলো। আপনার রেসিপিটির রং দখেই এর স্বাদ আন্দাজ করতে পারছি। খুবই মজার হয়েছে দেখেই বুঝা যাচ্ছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা এতো সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
➡️ মাছের কালার দেখে খুবই ভাল লেগেছে। রান্না করার পর কালারটা সুন্দর হলে দেখতে খুবই ভালো দেখায়। মাছগুলো দেখতে খুবই ভালো লেগেছে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য দাদা
দাদা,বরাবরই আপনার তরকারির কালার অনেক সুন্দর আসে,দেখেই খেতে ইচ্ছে করে।আমি প্রায় বলি আপনার রেসিপির কালারের ব্যাপারে।দাদা মনে হয় কাশ্মীরি লঙ্কা গুড়া দিয়ে থাকেন।ভালো হয়েছে দাদা।
দাদা আপনি অনেক সুন্দর ভাবে রান্না করতে পারেন দেখেই বুঝা যাচ্ছে ,আপনার রান্না হাত অনেক মজাদার। সকাল সকাল দেখে পেটে খুদা লেগে গেল।এখনকার যুগের ছেলেরা যে সব কাজ করতে পারে তার সাক্ষ্য প্রমান।শুভ কামনা রইল
দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুন্দর হয়েছে বেগুন দিয়ে রুই মাছের রেসিপি টি। মাছটি ভেঁজে আরোও সুন্দর হয়েছে রেসিপিটি । ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।,🤩🤩🤩🤩দাদা,রান্না দেখেই তো মনটা ভরে গেল। আপনার এই রান্নার রেসিপিটি অসাধারণ হয়েছে। বেগুন, শীম আর আলু আলাদাভাবে রান্না করে খাওয়া যায়,তাও আপনি আরেকটি বিশেষত্ব দিয়েছেন,মাছ যোগ করে।খুব ভালো লাগলো আপনার এই রেসিপিটি।
দাদা আপনি শিম, আলু ও বেগুন দিয়ে রুই মাছের ঝোল চমৎকার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন দারুন হয়েছে দেখে তো লোভ সামলাতে পারলাম না খেতে ইচ্ছা করছে। অনেক সুন্দর করে উপস্থাপনা করেছেন দেখে আমিও শিখে নিলাম বাসায় তৈরি করবো। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো
ওয়াও দাদা অসাধারণ একটি রেসিপি। রেসিপির কালার দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে দেখেই জিভে জল চলে এসেছে। আপনি খুব সুন্দর ভাবে এবং সহজ করে আমাদের মাঝে আপনার তৈরীকৃত রেসিপিটি শেয়ার করেছেন। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
রুই মাছ খুবই মজার মাছ, আমার ব্যক্তিগত ভাবে রুই খেতে খুবই ভালো লাগে।আমাকে যখন বাজার করতে বলা হয় আমি সর্বপ্রথম রুই মাছ কিনেনি। দাদা প্রতিটা ধাপ আপনি আমাদের সুন্দর করে বুজিয়ে দিছেন।এখন চাইলে আমরাও রান্না করতে পারব।অনেক অনেক ধন্যবাদ মাছের রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।