রেসিপিঃ লাউয়ের খোসা ভর্তা
"হ্যালো",
সবাইকে আমার নতুন একটি রেসিপি ব্লগে স্বাগতম। আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি নতুন একটি রেসিপি সেটি হচ্ছে লাউয়ের খোসা ভর্তা। লাউ আমাদের শরিরের জন্য খুবই উপকারী। তেমনি লাউ শাকও উপকারী।তাহলে লাউয়ের খোসা বাদ যাবে কেনো।তবে যে খাওয়া যায় এটা আমি জানতাম না। বিয়ের পর প্রথম শাশুড়ি মায়ের কাছে থেকে এই লাউয়ের খোসা বিভিন্নভাবে রান্না করতে শিখেছি। কিছুদিন আগে আমি লাউয়ের খোসা ছোট মাছ দিয়ে রান্না করে সেই রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম। তাই ভাবলাম আজ লাউয়ের খোসার অন্য একটা রেসিপি আজকে শেয়ার করি।
তো বন্ধুরা চলুন রেসিপি টি শুরু করা যাক।
| উপকরনসমূহঃ |
|---|
| লাউয়ের খোসা |
| পেঁয়াজ কুচি |
| রসুনের কোয়া |
| কাঁচা মরিচ |
| হলুদ গুঁড়া |
| গোটা জিরা |
| লবণ |
| তেল |
ধাপ-১
প্রথমে লাউয়ের খোসা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ধুয়ে নিয়েছি।
ধাপ-২
এরপর রান্নার জন্য চুলায় একটি কড়াই বসিয়ে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে তেল গরম হয়ে গেলে কিছু গোটা জিরা ফোড়ন দিয়েছি।
ধাপ-৩
এবার কেটে ধুয়ে রাখা লাউয়ের খোসা দিয়েছি।তারপর দিয়েছি পেঁয়াজ, রসুন এবং কাঁচামরিচ। তারপর কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে ভেজে নিয়েছি।
ধাপ-৪
কিছুক্ষণ ভেজে নেওয়ার পর দিয়েছি হলুদ গুঁড়া এবং পরিমাণ মতো লবণ।
ধাপ-৫
এ পর্যায়ে নেড়েচেড়ে ভেজে নিতে হবে যতক্ষণ না সেদ্ধ ততক্ষণ।
ধাপ-৬
সব উপকরণ ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে গেলে সময় নিয়ে মিডিয়াম আঁচে লাল লাল করে ভেজে নিতে হবে।
ধাপ-৭
ভাজা হয়ে গেলে আমি একটি কাঠের শিল বা নোড়া দিয়ে ফ্রাইপ্যানেই ভর্তা বানিয়ে নিয়েছি। আমি বেশির ভাগ সময়ে এভাবেই ভর্তা বানিয়ে থাকি।যাইহোক এভাবেই তৈরি হয়ে গেলো আমার মজাদার লাউয়ের খোসা ভর্তা।
বন্ধুরা কেমন লেগেছে আমার রেসিপিটা।আশা করছি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে।ভালো লাগলে অবশ্যই আপনাদের সুন্দর মতামতের মাধ্যমে আমাকে জানাবেন। আর এই ভর্তা যারা খেয়েছেন তারা জানেন কতোটা সুস্বাদু আর যারা কখনো খান নি তারা একবার বানিয়ে খেয়ে দেখবেন। আমার বিশ্বাস আপনারা এটা পছন্দ করবেন।
আপনি একদম সত্য কথা বলেছেন লাউ যদি আমরা অনেক রকম ভাবেই খেতে পারি তাহলে লাউ এর খোসা কেন খেতে পারবো না। যদিও আপনি এই রেসিপিটি আপনার শাশুড়ি মায়ের কাছ থেকে শিখেছেন এটা জেনে খুবই ভালো লাগলো। সত্যি বলতে আপনার মত করে এরকম ভাবে কখনো লাউয়ের খোসা এভাবে কখনো হত্যা করে খাওয়া হয়নি। ধন্যবাদ আপনাকে মজাদার একটি লাউয়ের খোসা ভর্তার রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
এভাবে একবার ভর্তা বানিয়ে খেয়ে দেখবেন ভাইয়া আমার বিশ্বাস আপনার পছন্দ হবে। যাই হোক ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন লাউয়ের খোসা ভর্তা রেসিপি তৈরি করে। আপনার তৈরি রেসিপি একদম ইউনিক একটি রেসিপি। আসলে এই রেসিপি খেয়েছি অনেক আগে কিন্তু এখন আর খাওয়া হয় না। তবে রসুন ভাজি করে দিলে খেতে বেশ ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর পদ্ধতিতে রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
এটা আসলেই কিছুটা ব্যতিক্রম ছিল এবং আমার শাশুড়ির কাছ থেকে শিখেছিলাম, খেতেও বেশ ভালই মজা, আপনার সাবলীল মন্তব্যের জন্য।
লাউয়ের খোসার যে ভর্তা করা যায় সেটা আমি আজকেই প্রথম জানতে পারলাম। আর হ্যাঁ এটা ভালো বলেছেন যে লাউ আমাদের শরীরের জন্য বেশি উপকারী লাভের শাক ও আমাদের শরীরের জন্য বেশি উপকারী তাহলে লাউয়ের খোসা আবার বাদ যাবে কেন এটাতেও তো অনেক পুষ্টি আছে। তবে এই রেসিপিগুলো যে আপনি আপনার শাশুড়ি আম্মার কাছ থেকে শিখেছেন যেন ভালো লাগলো। যাইহোক আশা করা যায় এই ভর্তাটা খেতে বেশ সুস্বাদু লাগবে। ধন্যবাদ আপনাকে লাউয়ের খোসা ভর্তা করার এই ইউনিক রেসিপি টা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
জ্বি ভাইয়া এই রেসিপিটা আমি আমার শাশুড়ি মায়ের কাছে শিখেছি। আসলে লাউয়ের খোসা যে খাওয়া যায় এটা আমি কখনোই জানতাম না। যাইহোক লাউয়ের খোসা ভর্তা খেতে খুবই সুস্বাদু হয়। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
এটা নিঃসন্দেহে সুস্বাদু একটি খাবারের রেসিপি।
আমরাও লাউয়ের খোসা ভর্তা খেয়ে থাকি তবে পদ্ধতিটা একটু আলাদা। যাইহোক নতুন কিছু শিখে নিলাম আপনার পোস্টের মাধ্যমে। আপনার রেসিপি উপস্থাপন অনেক সুন্দর ছিল।
নতুন পদ্ধতিতে লাউয়ের খোসা ভর্তা রেসিপি টা চাই ভাইয়া। অবশ্যই একদিন শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।
আপু লাউয়ের খোসা ভর্তা কখনো তৈরি করা হয়নি। তাছাড়া আমার কখনো খাওয়া হয়নি। তবে বেশ ইচ্ছে হয় যে একদিন তৈরি করব। অনেক রেসিপি দেখেছি আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে লাউয়ের খোসার। দেখে তো মনে হয় যে খুবই মজার হবে খেতে। রেসিপি দেখে একদিন তৈরি করে নিতে হবে। অনেক ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
জ্বি আপু এই লাউয়ের খোসা ভর্তাটি খেতে খুবই মজার হয়েছিল। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আসলে আপু লাউয়ের খোসা যে এভাবে ভর্তা করা যায় আমার জানা ছিল না। তবে আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে নিশ্চয়ই অনেক মজা হয়েছিল।আসলে লাউয়ে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন। আপনার রেসিপি দেখে শিখে নিলাম নাম একদিন অবশ্যই তৈরি করব।
এভাবে লাউয়ের খোসা ভর্তা করলে অনেক সুস্বাদু হয় আপু। অবশ্যই একবার বানিয়ে খেয়ে দেখবেন। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
লাউ এমন একটি সবজি যে সব খাওয়া যায়। আগা ডগা,কোসা,লাউ,বিচি সব।আর লাউ এর খোসা দিয়ে ভর্তা মানালে তো কথায় নেই।খুব সুস্বাদু লাগে এই ভর্তা। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর লোভনীয় রেসিপি টি শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন আপুর লাউ এমন একটি সবজি যার সবকিছুই খাওয়া যায়। লাউ আমার যেমন পছন্দ তেমনি লায়ের আগা ডগা খোসা সবকিছুই আমার পছন্দের। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটা মন্তব্যের জন্য।
লাউয়ের খোসা ভর্তার চমৎকার একটি রেসিপি তৈরি করেছেন আপু। লাউয়ের খোসা ভর্তা খেতে ভীষণ ভালো লাগে। আপনার রেসিপিটা দেখেও মনে হচ্ছে ভীষণ সুস্বাদু হয়েছিল। ধাপে ধাপে অনেক সুন্দর ভাবে রেসিপিটা আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ধন্যবাদ আপু।
হ্যাঁ আপু রেসিপি কালার টি দেখতে যেমন সুন্দর হয়েছিল খেতেও বেশ সুস্বাদু হয়েছিল। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।
লাউয়ের খোসা ভর্তা করার দারুন একটা রেসিপি আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। এভাবে আমি কোন সময় লাউয়ের খোসা ভর্তা করে খাইনি তাই আপনার তৈরি করার রেসিপিটা আমার কাছে একটা ইউনিক রেসিপি বলে মনে হয়েছে।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।