আবোল-তাবোল জীবনের গল্প [ মূর্খতার আবরণ ]
হ্যালো বন্ধুরা,
আবোল-তালোব জীবনের গল্প নিয়ে আবার হাজির হলাম আজ। আমাদের সমাজে আমরা কিছু ক্লাস পাশ করতে পারলেই নিজেদেরকে শিক্ষিত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে দেই। আসলেই কি কিছু ক্লাস পাশ করলেই মানুষ শিক্ষিত হয়ে যায়, অথবা কয়েকটি ক্লাসের সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে পারলেই শিক্ষিত হওয়ার বা বলার যোগ্যতা অর্জন করে ফেলি? আসলে আমি বলতে চাচ্ছি মূর্খতা কি কয়েকটি ক্লাস পাশ করলেই এড়িয়ে যাওয়া যায়?
তার আগে আমি মূর্খতা নিয়ে কয়েকটি শব্দ ভাগ করে নিতে চাই কারন আমি নিজেও অনেক ক্ষেত্রে এখনো মূর্খতার পরিচয় দিয়ে থাকি তাই সকল ক্ষেত্রে নিজেকে শিক্ষিত বলার সাহস দেখাতে পারি না বা ভয় পাই। দেখুন মূর্খতার শাব্দিক অর্থ হয়তো আমরা সবাই জানি কিন্তু ব্যাপক অর্থ কয়জন জানি বা সেটা নিয়ে চিন্তা করি? মূর্খতার একটি অর্থ হলো জ্ঞানহীনতা বা বোকামি করা। এখন হয়তো আপনি কিছু ক্লাস পাশ করেছেন সত্য কিন্তু আপনার বহু কাজ দ্বারা যদি আপনি জ্ঞানহীনতার পরিচয় দেন কিংবা বোকামি করতে থাকেন তাহলে আপনাকে কিভাবে শিক্ষিত বলি বা শিক্ষিত হিসেবে বিবেচনা করতে পারি?
এই প্রশ্নের উত্তরটি বলতে পারলেই সব সমস্যার সমাধান হয়তো এই পোষ্টে চলে আসবে। কারন আমরা প্রত্যেকে নানাভাবে নিজেদের শিক্ষিত হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করি কিন্তু নানাভাবে আবার নিজেদের জ্ঞানহীন হিসেবে উপস্থাপন করি, এখন বিষয়টি দ্বিমুখী হয়ে গেলো না? আসলে আমি আবোল-তাবোল জীবনের গল্পের মাঝে নানা বিষয় উপস্থাপন করার চেষ্টা করি এবং আমাদের বিবেকগুলোকে একটু নাড়া দেয়ার চেষ্টা করি। কারন আমাদের বিবেক অনেকটা বরফের মতো হয়ে গেছে, ভেতরের সব কিছু জমে স্থির হয়ে গেছে, তাই বিবেকহীনভাবে কিছু কিংবা বোকামি করতে আমাদের গায়ে লাগে না।
একটু পরিস্কার করে বলছি, কয়েকদিন পূর্বে নৌ ভ্রমনে গিয়েছিলাম আমরা স্কুলের সহপাঠীরা মিলে। সাভাবিকভাবেেই কিছু হালকা খাবার নেয়া হয়েছিলো নৌকায় কারন নৌ ভ্রমনের সময় হালকা খাবার এবং তার সাথে গান শুনতে বেশ ভালো লাগে। সচরাচর আমরা সবাই এই কাজটা করে থাকি সাথে থাকে জমজমাট আড্ডা। সবার হাতে চিপস এর প্যাকেট চিলো তাতে পেপসি, একটা ব্যাগ সম্মুখে দিয়ে আমার পাশে যে ছিলো তাকে বললাম প্যাকেট অথবা খালি বোতলটি সেখানে রাখতে। সে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে বললো ধুর ব্যাটা নদীতে ফেললে ভেসে কই চলে যাবে! স্বাভাবিক কারণে উত্তরটি আমাকে হতাশ করেছিলো। যদিও সবাই একই রকম ছিল না, বাকিরা ঠিকই সেখানে রেখেছিলো।
এই এই সহপাঠীকে আমি কি বলবো সে অশিক্ষিত, মোটেও না। কারন আমি সহ সে নামকরা একটি স্কুলে পড়েছিলাম এবং বেশ সুমানের সাথে পাশ করতে সক্ষম হয়েছিলাম। কিন্তু তার আচরণ এবং কার্যাবলী মোটেও তা প্রদর্শন করে নাই বরং সে যেটা করলো সেটাকে আমরা মূর্খতা বলতে পারি কিংবা বলতে বাধ্য হচ্ছি। চিপস এর প্যাকেট কিংবা খালি বোতলটি হয়তো ভেসে ভেসে বহুদূর পর্যন্ত চলে যাবে কিন্তু আদতে এটা নদীর পানি কিংবা নদীতে বসবাসকারী প্রাণী সমূহের বিশাল ক্ষতি করবে। আমাদের এই ধরনের মূর্খতা কিংবা জ্ঞানহীন আচরণের কারনেই আমাদের চারপাশের পরিবেশের এই করুণ অবস্থা।
প্রসঙ্গেক্রমে একটি ঘটনা বলি, স্কুল জীবনে এটা শুনেছিলাম, বাংলাদেশের কোন একটি নৌ রুটে একজন জাপানিজ পর্যটক ভ্রমণ করছিলেন। লঞ্চে বসে উনি একটি কমলা খেলেন এবং কমলার খোসাগুলোকে নিজের ব্যাগের পকেটে রাখলেন, তো তার সাথে থাকা গাইড বললেন এগুলো আমার হাতে দিন আমি সময় মতো ফেলে দিবো, উনি উত্তরে বলেছিলেন যদি তুমি ভুল করে নদীতে ফেলে দাও তাহলে তা নদীর পানি দূষিত করবে এবং তার জন্য দায়ী থাকবো আমি। তারচেয়ে ভালো এগুলো আমার ব্যাগের ভিতর থাকুক এবং আমি মনে করে সঠিক স্থানে ফেলে দিবো। এই ছিল উনাদের ভাবনা আর আমাদের ভাবনার মাঝে পার্থক্য। যার কারনে আজ তারা জাপানি আর আমরা বাঙালি।
আমরা মাথা উঁচু করে শিক্ষিত হওয়ার দাবী করি কিন্তু কাজের মাধ্যমে মূর্খতা প্রমান করি। প্রতিটি ক্ষেত্রে এবং কাজে আমরা জ্ঞানহীনতার পরিচয় বহন করে যাই আর তারা যারা সত্যিকার অর্থে শিক্ষিত এবং বিবেকবান তারা প্রতিটি বিষয় সুক্ষ্মভাবে চিন্তা করে এবং সঠিক কাজটি সঠিকভাবে করার চেষ্টা করেন। যার কারনে তারা এবং তাদের পরিবেশ উন্নত আর আমরা এবং আমাদের পরিবেশ দূষিত। আসুন একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করি এবং আমাদের কাজগুলোকে মূর্খতার অভিশাপ হতে মুক্ত করি। পরিবর্তনটা নিজেকে দিয়ে শুরু করি, অন্তত মূর্খতার নিদর্শন যেন না থাকে।
ফটোগ্রাফি লোকেশনঃ মোহনপুর টু নারায়নগঞ্জ নৌ পথ।
তারিখঃ জানুয়ারী ২১, ২০২২ইং।
ডিভাইস: Redmi 9, Xiaomi স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।
|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||



হাফিজ ভাই, শুধু আপনার বন্ধু না আরো এমন হাজার হাজার মানুষ আছে তারা শিক্ষিত ঠিকই কিন্তু মূর্খতার পরিচয় বহন করে তাদের কাজের মাধ্যমে। আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষের মনমানুষিকতাই এই রকম। তারা দেশ পরিবেশের কথা ভাবে না শুধু নিজের স্বার্থ নিয়ে ব্যাস্ত। দিনশেষে আমাদের যে এই পরিবেশেই বাস করতে হয় এটাই তারা ভুলে যায়।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ অসাধারণ একটি বিষয় নিয়ে লিখার জন্য। আসলে আমাদের সবাইকে এই সব বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। আপনার গল্পের জাপানিজ পর্যটকের মতো নিজেকে সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
ভাইয়া আপনি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন শুধুমাত্র ২/৪ কাগজ অর্জন করলেই শিক্ষিত হওয়া যায়। তবে আমি বলবো সুশিক্ষিত হওয়া যায়না। সুশিক্ষিত হতে হলে অন্তরের শুদ্ধতা লাগে বিবেকের জাগরণ লাগে। কোনটা ভুল কোনটা ঠিক কোনটা ক্ষতিকর কন্ঠ লাভবান এগুলো বোঝার মত মন মানসিকতা লাগে।। এই নদীতে চিপসের প্যাকেট বলেন প্লাস্টিকের বোতল বলেন যেগুলো ফেলি এগুলো কোন শিক্ষিত মানুষের কাজ নয় তারা একটু যদি বিবেক থাকতো আমি যে কাজটা করছি তাতে জলজ প্রাণীদের কতটুকু ক্ষতি হয় ,আর তাদের ক্ষতি হলে তার প্রভাব আমাদের উপর পড়ে ।আবার এটুকু চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা তাদের থাকলেও হয়তোবা লোপ পেয়েছে। এইযে দুই-একজন করে করে হাজারো মানুষ তাদের উচ্ছিষ্ট ময়লা নদীতে ফেলছে তাতে যে পরিমান প্রভাব পরে তা কল্পনার বাহিরে। আপনি সুন্দর একটি বিষয় আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন আশা করি এইসব মানুষদের বিবেক বোধ জাগ্রত হবে।
আপনি ঠিক বলেছেন একদম, সঠিক মানসিকতার তৈরী ছাড়া শিক্ষিত হওয়া যায় না। ধন্যবাদ
আমি সব সময় ঠিকই বলি🤪
Congratulations, your post has been upvoted by @dsc-r2cornell, which is the curating account for @R2cornell's Discord Community.
ভাইয়া আপনি একদম বাস্তব কথা বলেছেন। আমরা মাথা উঁচু করে নিজেকে শিক্ষিত দাবি করি। কিন্তু আসলে আমাদের কাজে কর্মে মূর্খতার প্রমাণ দেই। আসলে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা মানুষকে প্রকৃত শিক্ষিত করতে অনেক সময় ব্যর্থ হয়। প্রকৃত শিক্ষা লুকিয়ে রয়েছে মানুষের কর্মের মাঝে। কর্মই মানুষের যোগ্যতাকে প্রমাণ করে। আমাদের সমাজে এমন অনেক লোক রয়েছে যারা শিক্ষিত হওয়া সত্বেও মূর্খতার আবরণ তাদেরকে ঢেকে রেখেছে। অনেক শিক্ষনীয় একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন আপনি। ভাইয়া আপনি আপনার এই লেখার মাঝে শিক্ষণীয় বিষয়গুলো সুন্দর করে তুলে ধরেছেন। আমাদেরকে প্রকৃত শিক্ষিত হতে হবে। ভাইয়া আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
সেটাই ভাই, ক্লাস কিংবা সার্টিফিকেটের মাধ্যমে নিজেদের শিক্ষিত দাবী করতে পারি কিন্তু প্রকৃতপক্ষে শিক্ষিত তারাই যাদের কর্মগুলো সঠিক হয়ে থাকে। ধন্যবাদ
মূর্খতার আবরণ আমাদের বিবেককে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে। আজকাল মূর্খতার আবরণের কারণেই বিবেক বরফের মতো জমে গেছে। আমাদের বিবেক বরফের মতো জমে গেছে বলেই হাস্যকর বোকামি এগুলো করতে আমাদের বিবেকে বাধেনা। আমরা প্রতিনিয়তই দৈনন্দিন কার্যকলাপে মূর্খতার পরিচয় দেই। আসলে আমরা নিজেকে মূর্খ রূপে দেখতে বেশি পছন্দ করি। এটা আমাদের স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা যদি আমাদের স্বভাব পরিবর্তন না করতে পারি তাহলে সারা জীবন এই মূর্খতার আবরণে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে হবে। উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হলে যেমন প্রকৃত শিক্ষিত হওয়া যায় না তেমনি বোকামি গুলোকে প্রাধান্য দিলেন মূর্খতার আবরণ থেকে নিজেকে বের করা যায় না। আমরা যদি নিজেদেরকে শিক্ষিত বলে দাবী করি তাহলে শুধুমাত্র নিজের কথা ভাবলেই হবেনা সকলের কথা ভাবতে হবে এবং আমার দ্বারা যেন কোনো ক্ষতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। অনেক সুন্দর কিছু কথা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া। ভাইয়া আপনার লেখা আবোল তাবোল জীবনের গল্প গুলোর মাঝে গুরুত্বপূর্ণ কথা গুলো লুকিয়ে রয়েছে। যেই কথাগুলো আমাদেরকে মূর্খতার আবরণ থেকে বের হতে সাহায্য করবে।
সত্যি আমাদের দৈনন্দিন কার্যাবলী দেখলে মাঝে মাঝে খুবই হতাশ লাগে এবং নিজেকে বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করি। কবে যে আমাদের সঠিক বোধদয় ঘটবে!
হাফিজ ভাই এই জন্যই আপনার লেখা গুলো পড়তে এত ভালো লাগে। আপনার প্রতিটি লেখাতেই কিছু শিক্ষামূলক ব্যাপার থাকে। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করি আমার নিজের কিছু বন্ধু আছে যাদের মধ্যে এই গুণটি আমি বহু বছর যাবৎ লক্ষ্য করছি। জাপানি ভদ্রলোকের মত ওরাও খালি পানির বোতল, চিপসের প্যাকেট অথবা পচনশীল দ্রব্য গুলো সব সময় নিজের সাথে বহন করে নিয়ে আসে উপযুক্ত স্থানে ফেলার আগ পর্যন্ত। হয়তো এ ধরনের মানুষের সংখ্যা 1% এরও কম কিন্তু যদি এই সংখ্যাটা অর্ধেক ও হতো তাহলেই হয়তো বদলে যেত আমাদের বাংলাদেশ। আশাকরি আপনি, আমি করতে করতে এক সময় আমাদের দেশের মানুষগুলোও পরিবর্তিত হবে।
হ্যা, সংখ্যা একটু বাড়ানো গেলে হয়তো আমাদের পরিবেশটা আরো সুন্দর এবং উন্নত হতো। তবুও আমরা আশা রাখি পরিবর্তন একদিন আসবে। ধন্যবাদ
আপনি ঠিকই বলেছেন ভাইয়া আমরা যদি আমাদের বিবেককে প্রশ্ন করে যে কোন কাজ করি তাহলে হয়তো এরকম কাজ কখনই আমাদের দ্বারা সম্ভব হবে না করা। ওই যে আপনি বললেন আমাদের বিবেক বরফ হয়ে গেছে এটা একবারে সত্যি। আমরা চাইনা এ বরফ থেকে বেরিয়ে আসি, আমরা চাই বরফ বরফ এর জায়গায় থাক আর আমরা আমাদের মূর্খতার পরিচয় দিয়ে যায়। এটা আমাদের আসলে কারোরই করা উচিত না। আমি মনে করি আমাদের সকলের বিবেক জাগ্রত করে যদি আমরা সব রকম কাজ করি তাহলে আমাদের দ্বারা কোন মূর্খতার কাজ করা সম্ভব হবে না। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বিবেক জাগ্রত করার বিষয় নিয়ে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
আপনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করেছেন ভাইয়া।প্রথমে যেকোনো স্থানের জন্য প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।আর নদীর ক্ষেত্রে তো দ্বিগুণ প্রভাব ফেলে,তবে এটি সত্য যে আমরা বাঙালিরা খুবই অসচেতনতার পরিচয় দিই অনেক ক্ষেত্রে।যেটি মোটেও কাম্য নয়, আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে।সার্টিফিকেট থাকলেও মন থেকে শিক্ষিত হওয়া যায় না।জাপানিজদের মানসিকতা উন্নত বলেই তারা শিক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন।আপনার উদাহরণটিও খুব ভালো ছিল, ধন্যবাদ ভাইয়া।
কথাটি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে, আপনার পোষ্টের মাধ্যমে নিজের কিছু অতীতের কথা মনে পড়ছে।
আমি যখন কোন কিছু খাই তার প্যাকেটটা হাতে নিয়ে ঘুরি আশপাশে কোনো ডাস্টবিন খুঁজতে থাকি সেটা যত দূরেই হোক। বন্ধুমহলে কয়েকজন আছে যারা রাস্তার মধ্যেই গুলো ফেলে দেয় এবং আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করে। আমি তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করি, কিন্তু সেই রূপ ফল আমি কখনো পাইনি। তাই লোকে হাসুক তাতে আমার কিছু যায় আসে না, ডাস্টবিন দিয়েছে আমি সেটি ব্যবহার করে যাব।
আপনার আবোল তাবোল গল্পের সিরিজের ভক্ত হয়ে গেলাম।
সুন্দর একটি বিষয় আলোচনা করেছেন। নাইন টেনের যখন ছিলাম তখন মোতাহের হোসেন চৌধুরীর লেখা একটি গল্প পড়েছিলাম আপনার আজকের এই গল্পটি পড়ে মোতাহের হোসেন চৌধুরীর এই গল্পটির কথা মনে পড়ল। শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব শব্দ দুটি যেমন একসূত্রে গাঁথা তেমনই এর বিশাল একটি নিহিতার্থ আছে। অন্যথায় আপনার আলোচিত বিষয়টা হচ্ছে শিক্ষা এবং সার্টিফিকেট অর্জন এক জিনিস নয়। ৪ ক্লাসের সার্টিফিকেট থাকলেই শুধু শিক্ষিত হওয়া যায়না। শিক্ষা গ্রহণ করতে হয় ছোটবেলা থেকেই। পরিবার সমাজ থেকে মূল শিক্ষাটি গ্রহণ করা উচিত কিন্তু সে শিক্ষাটি আমরা যুগ উপযোগী ভাবে পাইনা। সমাজের সবার মাঝে অনীহা কাজ করে সে অনীহা টি ছোট থেকেই একটি বৃক্ষের সে করার মতো আমাদের হৃদয়ে সে করতে বসে থাকে এই জন্য আমরা শিক্ষিত হয়েও মূর্খ হয়ে সমাজে চলাফেরা করি যা বড় লজ্জাজনক আমাদের জন্য। যাইহোক আপনার গল্পটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো মনে হলো আমার জ্ঞানের দীনতার এক ধাপ পূরণ করতে পারলাম।