কক্সবাজার- অনুভূতির সতেজতায় আনন্দ ভ্রমণ (পর্ব-৯)
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমি আমার মতো করে ভালো আছি এবং ভালো থাকার চেষ্টা করছি। যদিও সবটা সব সময় প্রকাশ করা যায় না কিন্তু তবুও অনুভূতির কিয়দাংশ মাঝে মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করি। ঐ যে আমার বাংলা ব্লগ একটা পরিবারের মতো আর পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে কিছু শেয়ার করলে মনটা একটু হালকা হয়। কাছে কেউ না থাকলেও সব সময়ই তো পাশে থাকেন আপনারা, এটাই বা কম কিসে? পারস্পরিক সুন্দর একটা সম্পর্ক নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আমার বাংলা ব্লগ পরিবার, আশা করছি এই যাত্রা অব্যাহত থাকবে অনন্ত কালের জন্য।
যাইহোক, আজকে পুনরায় কক্সবাজার- অনুভূতির সতেজতায় আনন্দ ভ্রমণ নিয়ে লিখবো। ইতিপূর্বে আটটি পর্ব শেয়ার করা হয়েছিলো আজকে শেয়ার করবো ৯ম পর্ব। দুপুরে রুম হতে বাহির হয়ে খাবারের হোটেল খুঁজতে লাগলাম আমরা। আসলে অফ সিজন থাকায় হোটেল পাড়া একদমই ফাঁকা ছিলো, সড়কগুলো যেমন ফাঁকা ছিলো হোটেলের ভিতরের অবস্থাও তার চেয়ে খারাপ ছিলো। দূর হতে সুমন ভাই যখন বললেন এই রেস্তোরাঁর কথা উনি বলেছিলেন। তখন আমরা সবাই বললাম ঠিক আছে তাহলে ভিতরে যাই, খাবারের স্বাদটা আমরাও কিছুটা নেই হি হি হি।
দুপুরে তাদের একটা প্যাকেজ থাকে দশ আইটেম এর, সেটার স্বাদ নাকি দারুণ। যেহেতু সুমন ভাই এর আগেও এখানে খেয়েছেন সেহেতু আমরা সুমন ভাইয়ের উপর ভরসা রেখে ভেতরে ঢুকে পরলাম। ভেতরের ডেকোরেশনটা সত্যি দারুণ ছিলো, আর যেহেতু একদমই ফাঁকা ছিলো সেহেতু পুরো ডেকোরেশনটা সহজেই দেখা যাচ্ছিলো। মাত্র দুই একজন কাস্টমার ছিলো তখন ভেতরে। আমরা একটা পাশে গিয়ে বসলাম, তারপর খাবারের অর্ডার দেয়া হলো সেই বিশেষ প্যাকেজ, মানে দশ আইটেম। এছাড়াও লইট্টা মাছের ঝোল তরকারি অর্ডার করা হয়েছিলো। অবশ্য তারা বাড়তি আইটেম হিসেবে বরই আচার দিয়েছিলেন এক বাটি।
সাধারণ আইটেমগুলো বরাবরের মতোই আমার ভীষণ প্রিয়, কারন বড় মাছ কিংবা গোস্ত এসব আমার খুব একটা পছন্দ না। আমি সব সময়ই ভর্তা, শাক কিংবা সবজি দিয়ে খেতে পছন্দ করি। তবে লাইট্টা মাছের প্রতি আমার কিছুটা লোভ আছে। যেহেতু আমার বাড়ি সামুদ্রিক এলাকায় সেহেতু সামুদ্রিক মাছের স্বাদের বিষয়টি আমার বেশ জানা আছে। আর সেই ক্ষেত্রে তাজা লইট্টা মাছের স্বাদটা দারুণ। তাই লইট্টা মাছের ঝোল তরকারির অর্ডার করা হয়েছিলো কিন্তু মাছের সাইজটা খুবই ছোট ছিলো, বুঝলাম তারা কিভাবে বুঝলো যে আমার ছোট মাছ বেশী পছন্দ হা হা হা।
বেশ দারুণ হয়েছিলো দুপুরের খাবারটা, খেয়ে আর হাঁটতে ইচ্ছে করছিলো না। আমার ইচ্ছে ছিলো হোটেলে গিয়ে একটা ঘুম দিবো কিন্তু সবাই মত দিলেন বিচে গিয়ে চেয়ার ভাড়া করে সেখানেই বিশ্রাম নিবো। এই আইডিয়াটিও ভালো ছিলো, তাই সবাই মিলে খাওয়া শেষে বিচের দিকে হাঁটা শুরু করলাম। তখন কিন্তু বেশ গরম এবং রোদ্র উজ্জ্বল পরিবেশ ছিলো। কিন্তু সমুদ্রের পাড়ে যে পরিমান বাতাস থাকে তাতে রোদের উষ্ণতা খুব একটা বুঝা যায় না। তাই ভরা পেটে সমুদ্রের বাতাসের সাথে বেশ ভালোভাবেই বিশ্রামটা সারা যাবে। পরের পর্বে ইনশাআল্লাহ বিচের বিকালের দৃশ্যগুলো শেয়ার করবো।
তারিখঃ মে ২৫, ২০২৪ইং।
লোকেশনঃ কক্সবাজার।
ক্যামেরাঃ রেডমি-৯ স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।
|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||


>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনার কক্সবাজার ভ্রমণ সিরিজ দারুন চলছে ভাই। এই পর্বে আপনার খাওয়া দাওয়ার ব্যাখ্যা ভীষণ ভালো লাগলো। ছবিগুলিও খুব সুন্দর হয়েছে হোটেলের। তবে খেয়েদেয়ে বিচে গিয়ে চেয়ার ভাড়া করে বসার বুদ্ধিটি সবথেকে ভালো। দুপুরবেলা সমুদ্রের ধারে গিয়ে বসতে খুব ভালো লাগে। আমিও কক্সবাজার গিয়ে বিচে চেয়ার ভাড়া করে অনেকক্ষণ বসে ছিলাম।
লইট্টা মাছ আমারও খুব পছন্দ। এটা ঠিক যে ভর্তা এবং শাক সবজি দিয়ে তৃপ্তি সহকারে ভাত খাওয়া যায়। খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো দেখেই বুঝা যাচ্ছে,আপনারা একেবারে তৃপ্তি সহকারে লাঞ্চ করেছিলেন। যাইহোক পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম ভাই।