প্রকৃতির সান্নিধ্যে- মিনি চিড়িয়াখানা (পর্ব-১০)

in আমার বাংলা ব্লগ15 hours ago

হ্যালো বন্ধুরা,

কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। প্রকৃতির উষ্ণতা ছাপিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তেজনায় দারুণ চঞ্চলতা নিয়ে সব কিছু উপভোগ করার চেষ্টা করছেন। অবশ্যই সেটা করতে হবে, কারণ বাঙালি জাতি মানেই উৎসব মুখর জাতি, চাই সেটা নিজেদের উৎসব হোক কিংবা ভিন্ন কারো তাতে কিছু আসে যায় না বরং সেটাকে উপভোগ করাই আমাদের মুখ্য উদ্দেশ্য। বাড়ি হতে শুরু করে অফিস সর্বত্র এখন এই একই আলোচনা, কার পছন্দের দল কতটা ভালো করলো কিংবা খারাপ করলো।

মিউল (5).jpg

যাইহোক, মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসছি। আজকে পুনরায় প্রকৃতির সান্নিধ্য নিয়ে লিখবো। অবশ্য ইতিপূর্বে এই ধারাবাহিকের নবম পর্ব শেয়ার করেছি। আমার ক্ষেত্রে বরাবরই এমনটা ঘটে থাকে, শুরুর দিকে ধারাবাহিক পর্বগুলোর গতি ঠিক থাকে কিন্তু তারপর কেমন জানি খেই হারিয়ে ফেলি এবং ধারাবাহিকভাবে আর প্রকাশ করতে পারি না। ছেলে-মেয়েকে ছোট সেই ট্রেনে আনন্দ দিয়ে সেখান হতে চলে আসি। কারণ আরো অনেক কিছু দেখার বাকি আছে। একটু সামনের মোড়েই চোখে পড়লো ঘোড়ার মতো কিছু, সংখ্যায় অনেকগুলো ছিলো।

মিউল (2).jpg

মিউল (3).jpg

দূর হতে ঘোরার মতো কিছু মনে হলেও আদতে এগুলো ঘোরা না। তবে হ্যা দেখতে একদম হুবহু ঘোরার মতো। সম্মুখে গিয়ে যখন পাশে থাকা সাইটবোর্ডটা পড়লাম, তখন অবশ্য ভাবনাটা ভুল প্রমানীত হয়েছিলো। আমার ধারণা হয়েছিলো ঘোড়া না হলে গাধা জাতীয় কিছু একটা হবে। আসলে এগুলোর নাম হলো মিউল, সেখানে প্রাপ্তিস্থান লেখা ছিলো ভারত। সেই হিসেবে এগুলো আমাদের পরিচিত হওয়ার কথা ছিলো।

মিউল (4).jpg

মিউল (6).jpg

আমি এর আগেও এমন কিছু দেখেছি বলে মনে পরছে না, হতে পারে দেখেছি কিন্তু নাম মনে রাখি নাই। বিস্তারিত দেখে জানতে পারলাম এগুলো ঘোড়া ও গাধার সংকর জাত, সুতরাং বুঝতেই পারছেন বিষয়টি। মুখটা ঘোড়ার মতো দেখতে হলেও শরীরের বাকি অংশগুলো কিন্তু মোটেও ঘোড়ার মতো ছিলো না। বিস্তারিত পড়েই আমি বুঝতে পারলাম শরীরের বাকি অংশটুকু গাধার মতোই হয়েছে হি হি হি। তবে এগুলো ঘোড়ার মতোই শক্তিশালী প্রাণী।

মিউল (1).jpg

এটাই হলো আসল কথা, চিড়িয়াখানা জাতীয় কোথায় গেলে নতুন কিছু দেখার সুযোগ যেমন পাওয়া যায় ঠিক তেমনি পুরনো কিছু নতুনভাবে দেখে স্মরণ শক্তিটা ঢালাই করে নেয়ারও সুযোগ পাওয়া যায়। সুন্দর প্রকৃতির সাথে এমন সুন্দর কিছু দেখার কারণে সেদিনের ভ্রমণটা সত্যি আমার জন্য বেশ ভালো ছিলো।

তারিখঃ মার্চ ২৬, ২০২৬ইং।
লোকেশনঃ সাভার, ঢাকা।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।

ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah

break .png
Leader Banner-Final.pngbreak .png

আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

break .png

Banner.png

Sort:  

Love the way you've captured the joy of watching the train with your kids in the photo, it's a beautiful moment to cherish. I'm sure your little ones will always remember this special experience with them. 📸🚂

Coin Marketplace

STEEM 0.05
TRX 0.32
JST 0.078
BTC 66565.95
ETH 1814.66
USDT 1.00
SBD 0.42