"বিভিন্ন স্টাইলে হনুমানের ফটোগ্রাফি"
নমস্কার
বিভিন্ন স্টাইলে হনুমানের ফটোগ্রাফি:
ফটোগ্রাফি করাটাও একটি আর্ট।প্রথমত ফটোগ্রাফি করাটা পছন্দসই না হলেও এখন বেশ ভালো লাগে আমার ফটোগ্রাফি করতে।ততটা পারদর্শী না হলেও ফটোগ্রাফির প্রতি আলাদা একটা টান কিন্তু কাজ করেই থাকে আমার।তাছাড়া চেষ্টা করছি প্রতিনিয়ত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য।তাইতো যখনই সুন্দর কিছু চোখে পড়ে তখনই ছুটে যাই প্রকৃতির কাছে ফটোগ্রাফি করতে।তাই আজ শেয়ার করবো-"বিভিন্ন স্টাইলে হনুমানের ফটোগ্রাফি"।আশা করি ফটোগ্রাফিগুলো ভালো লাগবে আপনাদের সকলের কাছে।যাইহোক তো আর কথা না বাড়িয়ে চলুন ফটোগ্রাফিগুলি দেখে নেওয়া যাক----
বন্ধুরা, অনেকেই জানেন আমি বেশ কিছুদিন ধরে ব্যস্ত সময় পার করছি।আর তার কারণ হচ্ছে এম.এ তে ভর্তি হওয়া।আর আমি অবশ্য আমাদের বর্ধমান ইউনিভার্সিটির মেইন ক্যাম্পাসে ভর্তি হয়েও গিয়েছি।যেটা বিরাট বড় এরিয়া নিয়ে গঠিত ,হয়তো একদিনে কখনোই শেষ করা যাবে না।তার উপরে ভিতরে ঢুকলে আমি নিজেই হারিয়ে যাবো।
আমাদের অক্টোবর মাসের 3 তারিখে ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন ছিল।প্রথমত মনে একটা ভয় কাজ করছিল যে কতটা দূর হবে!নতুন জায়গা কেমন হবে সেটা নিয়ে।যাইহোক ইউনিভার্সিটি এর গ্রূপে জয়েন হয়েই দেখলাম আন্টিরাগিং এর জন্য দুই কপি প্রিন্টআউট পেজ বের করতে হবে।তাই দুপুর বেলা বের হলাম ফটোকপির দোকানে দাদার সাইকেলে।
যাওয়ার মাঝপথে এক দাদাদের বাড়ির গাছের ডালে বসে থাকতে দেখলাম এই হনুমানকে।তারপর বিভিন্ন স্টাইলে ছবি তুলে ফেললাম।সত্যিই এটা দেখে মনে হচ্ছিলো কোনো বডি বিল্ডার বসে আছে।তার উপরে হনুমানটি একেক সময় একেক রকম পোজ দিচ্ছিলো তাই ছবি তুলতেও ভালো লাগছিলো।আসলে একবার তো হনুমান আমার দিকে তাকিয়ে দাঁত বের করে ভেংচি কাটলো।
হনুমান হচ্ছে বানরের একটি প্রজাতি।বিভিন্ন গবেষণায় জানা গেছে ,আমাদের পূর্ব পুরুষেরা নাকি এই বানর জাতির অন্তর্ভুক্ত ছিল।অর্থাৎ বিবর্তনের ফলে বানর জাতি মনুষ্য জাতিতে পরিণত হয়।আর সেটা হতে দীর্ঘ অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে।এই হনুমানকে দেখলে কিন্তু সেটা বেশ আন্দাজ করা যায়।হনুমানটি বেশ পরিচ্ছন্ন ছিল, এই সময় হনুমানকে গ্রামে আসতে বেশি দেখা যায়।
কারন এরা শিম পাতা ও শিম খেতে খুবই ভালোবাসে।মাঝে মাঝেই রাতে আমাদের ঘরের চালে বানর দৌড়ানির শব্দও শোনা যায়।বানরের কীর্তি দেখার পর সোজা চলে গেলাম ফটোকপির দোকানে।তারপর পেজ দুটি বের করে নিলাম তাতে একটিতে বাবার সিগনেচার লাগবে তাই এটা এতটা জরুরি পরের দিনের জন্য।
যাইহোক এখন যেহেতু প্রায় বৃষ্টির দেখা পাওয়া যায়।সেদিনও এর ব্যতিক্রম হয়নি, গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হয়েই যাচ্ছিলো।বাড়ি ফিরেই এমন সুন্দর খিচুড়ির ঘ্রাণ পেলাম ।গরম গরম খিচুড়ি খেতে দারুণ মজার বৃষ্টির দিনে।তার উপরে সঙ্গে পটল ভাজিও ছিল।খিচুড়ি খেতে আমি খুবই পছন্দ করি।এই খিচুড়িটি একপাকে রান্না করা হয়েছিলো তাই খেতেও দারুণ মজাদার ছিল।
এখানে আরেকটি তরকারি রান্না করা হয়েছিল।যেটা ঝিঙে দিয়ে কৈ মাছ ঝোল রেসিপি।এইসময় ছোট ছোট মাছ খালে-বিলে খুবই পাওয়া যায়।আর ছোট মাছ শরীরের জন্য খুবই উপকারী।এগুলো খেতেও ভীষণ-ই টেস্টি হয়ে থাকে।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইস | redmi note 10 pro max এবং poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান,পালসিট |
| আমার পরিচয় |
|---|
টুইটার লিংক
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Thanks.
বেশ ভালো লাগলো আপু আপনার আজকের এই বানরের প্রজাতি হনুমানের সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখে। বিভিন্ন স্টাইল থেকে ফটো ধারণ করেছেন। তবে আমার সঠিক জানা নেই বানর হনুমান থেকে মানুষ হয়েছে কিনা নাকি মানুষটাকে বানর হনুমান হয়েছে। তবে যাই হোক ফটোগুলো দেখে ভালো লাগলো, পাশাপাশি রেসিপি ফটো দেখে ভালো লাগলো। সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপু,জীববিজ্ঞানের বইয়ে বিবর্তন সম্পর্কে পড়লে এটা সম্পর্কে দারুণ ধারণা পাওয়া যায়।আসলে আমাদের অর্থাৎ মানুষের পূর্বপুরুষেরা বানর ছিল।কিন্তু আধুনিক সভ্যতার যুগে এগুলো কেউ বিশ্বাস করতে চায়না, ধন্যবাদ আপনাকে ।
নতুন জীবনে পদার্পন করার জন্য অভিনন্দন আপু। আশাকরি আপনি ভালোভাবে আপনার শিক্ষাটা সম্পন্ন করতে পারবেন। হনুমান টা বেশ সুন্দর লাগছে তো। চমৎকার করেছেন হনুমান এর ফটোগ্রাফি টা। পাশাপাশি অন্য ফটোগ্রাফি গুলো ভালো ছিল।
চেষ্টা করছি ভাইয়া শিক্ষাটি সম্পন্ন করার জন্য, ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে আজকের পোস্টটি দেখে আমার একটু অবাক লাগছে। কেননা হনুমানের ছবি দেখতে দেখতে যে পরবর্তীতে খাওয়ার দাবারের ছবি দেখব সেটি কখনো ভাবিনি। যাইহোক হনুমানটি কিন্তু ভালো স্টাইল করে ছবি তোলার জন্য পোজ দিচ্ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটা পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
শুধু ছবি দেখলে কি হবে দাদা,খাওয়া দাওয়া আগে।ধন্যবাদ আপনাকেও সুন্দর মতামতের জন্য।
আপনি তো দেখছি দারুণভাবে হনুমানের ফটোগ্রাফি করেছেন আপু। এইসব প্রাণীদের ফটোগ্রাফি দেখতে খুবই ভালো লাগে। সেই সাথে মজাদার দুইটি রেসিপির ফটোগ্রাফি তুলে ধরেছেন। যে ছবিগুলো দেখে খুবই লোভ লেগে গেল। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আসলেই প্রাণীদের দেখতে আমারও বেশ ভালো লাগে,
ধন্যবাদ আপু।
হনুমানের ফটোগ্রাফি করেছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো। এই ধরনের দৃশ্যগুলো সচরাচর আমাদের এদিকে দেখাই যায় না। চমৎকার ভাবে ফটোগ্রাফি করে আমাদের সবার মাঝে শেয়ার করেছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আমাদের এখানে কম-বেশি ভালোই হনুমান ও বানরের দেখা পাওয়া যায় ভাইয়া, ধন্যবাদ আপনাকে।
হনুমানের ফটোগ্রাফি গুলো সত্যিই চমৎকার হয়েছে। দারুন পোজ দিয়ে বসে আছে। বডি বিল্ডার দারুন নাম দিয়েছেন ।বেশ ভাল লাগল আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ।আর বৃষ্টির দিনে খিচুড়ি অন্যরকম স্বাদের হয়ে থাকে। ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু,হনুমানটি পোজ দিতে দিতে অবশ্য আবার দাঁত বের করে ভেংচিও দিয়েছিলো কিন্তু সেটা ক্যামেরাবন্দি করতে পারিনি।ধন্যবাদ আপনাকেও।
আমিও একদিন পেয়ারা গাছে বসেছিল হনুমানের ফটোগ্রাফি করেছিলাম আপনার এই হনুমানের ফটোগ্রাফি দেখে সেই দিনের কথা মনে পড়ে গেল। তবে আপনি বেশ চমৎকারভাবে ফটোগ্রাফি করেছেন দেখে বেশ ভালো লাগলো ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
পেয়ারা গাছে বানর,আপনার অনুভূতি জেনে ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপনাকে।
বিভিন্ন স্টাইলে হনুমানের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বেশ ভালো লাগলো।খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ ছিল। প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি অনেক লোভনীয় ছিল। অনেক ধন্যবাদ দিদি পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ।
ধন্যবাদ আপু,আপনার চমৎকার প্রশংসাভরা মন্তব্যের জন্য।