"ঝিলের পাড়ে কিছুটা সময় কাটানো"
নমস্কার
ঝিলের পাড়ে কিছুটা সময় কাটানো:
বন্ধুরা, অনেকেই জানেন আমি বর্তমানে বর্ধমান ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত আছি।আর সেটাও বর্ধমান ইউনিভার্সিটির মেইন ক্যাম্পাসে ,যেটি গোলাপবাগে অবস্থিত।আমি আপনাদেরকে বর্ধমান ইউনিভার্সিটির কিছু অংশ দেখিয়েছিলাম আগের দিনগুলিতে, যেটা বর্ধমানের রাজবাড়ী নামেও পরিচিত।যদিও বাড়ি থেকে ইউনিভার্সিটি গিয়ে প্রতিটি ক্লাস করতে হয় তাই সেভাবে ঘোরাঘুরি করা হয়নি।সেই যে সকালে বের হয়ে ট্রেন,টোটো করে গিয়ে সাড়ে দশটা থেকে ক্লাস করতে বসে যাওয়া তারপর চারটের সময় ছুটি।মাঝে অবশ্য একটু টিফিনের সময় পাওয়া যায়।
অনেকে সব ক্লাস না করেই চলে যায়,কিন্তু আমি যখনই ইউনিভার্সিটিতে যাই চেষ্টা করি প্রতিটি ক্লাসে যুক্ত থাকতে।কারন একদিন বাড়ি থেকে বের হলেই 150 টাকা খরচ হয়ে যায়।তাই আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেক কিছুই ভেবে চলতে হয়।যাইহোক চারটের সময় বের হয়ে আর ঘোরাঘুরির ইচ্ছা থাকে না শুধু তখন সাড়ে চারটার ট্রেন ধরার চিন্তা মাথায় আসে।কেননা একটি ট্রেন মিস হয়ে গেলেই এক ঘন্টা বসে থাকতে হবে।তার উপর আবার বাড়ি ফিরতেই সন্ধ্যা হয়ে যায়।যাইহোক পরশুদিন একটি ক্লাস অফ ছিল তাই আমার কিছু বন্ধু ঝিলের পাড়ে চলে গিয়েছিল।
আমি ও আমার আরেকজন বন্ধু খাওয়া দাওয়া শেষে তাদের কাছে যাবো বলে হাওয়া মহলের সামনে গেলাম।কারন এই হাওয়া মহলকেও অনেকে ঝিল বলে আর ঘাটে অনেকে বসেও থাকে।কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখলাম তারা নেই আমরা ফোন করে জেনে নিতেই বললো,বড় ঝিলের পাড়ে।যে ঝিলটি বিরাট বড় এরিয়া নিয়ে রয়েছে, মাঝে একটুখানি সরোবরের মতো আর চারিদিকে ধাপে ধাপে সিঁড়ি রয়েছে।ঝিলের চারিপাশে যাদের যেখানে খুশি বসে রয়েছে।ঝিলের জলটি একেবারেই স্বচ্ছ আর চারিপাশে রয়েছে নানা বিল্ডিং।এই ঝিলটি লাইব্রেরি বিল্ডিং এর ঠিক সামনে আবার ম্যাথেমেটিক্স ক্লাসের ঠিক সামনে।
ম্যাথেমেটিক্স ক্লাসের সামনে কয়েকজন মেয়ে আবার ব্যাডমিন্টন খেলা করছিলো।শীতের সময় এগুলো খেলতে দারুণ মজার, ছোটবেলায় আমিও খেলতাম।যাইহোক অনেকে বসে রোদ পোহাচ্ছে লাইব্রেরীর সামনে গাছের নিচে পাকা জায়গায়।
তো ঝিলের পাড়ে গিয়ে দেখলাম বসে বসে গল্প করছে আমার বন্ধুরা।আমরাও বেশ কিছুক্ষণ থেকে ট্রেন ধরবো বলে চলে আসলাম।একটি বন্ধু তো লাইব্রেরী যাবে বলে বায়না ধরলো কিন্তু সময় বড্ড কম তাই আর যাওয়া হলো না।তবে এই ঝিলের পাড়েরও আলাদা ইতিহাস রয়েছে।যেটা আমার অজানা তবে জেনে অবশ্যই আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করবো পরে কখনো।যাইহোক আজ এই পর্যন্তই।।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | জেনারেল রাইটিং |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|
টুইটার লিংক
টাস্ক প্রুফ:
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ঝিলের পাড়ে কাটানো বেশ কিছু সুন্দর সময় আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। এই মুহূর্তটা অনেক সুন্দর ছিল আপু। এরকম মুহূর্তাগুলো খুব ভালো লাগে। আর আমি তো অনেক পছন্দ করি এভাবে বাহিরে মাঝেমধ্যে ঘুরাঘুরি করতে।
আপনার ঘোরাঘুরি করার পোষ্টগুলি দেখি তো আমি ভাইয়া, ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মতামতের জন্য।
এই ঝিলের পাড় দেখছি অনেক বেশি সুন্দর। আর আমার কাছে এই ঝিলের পাড়ের দৃশ্য অনেক ভালো লেগেছে। এরকম জায়গা গুলোতে গেলে খুব ভালো সময় কাটানো অবশ্যই সম্ভব। জায়গাটার সৌন্দর্য আমাকে অনেক বেশি মুগ্ধ করেছে।
ঠিক বলেছেন আপু,এই জায়গাগুলি খুবই মনোরম।ধন্যবাদ আপনাকে।।
আজ আপনি অনেক সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন আমাদের মাঝে। ঝিলের পাড়ে খুব সুন্দর একটি মুহূর্ত উপভোগ করেছেন আপু। ঝিলের পাড়টা দেখতে খুবই সুন্দর। পরিবেশটা একদম মনো মুগ্ধকর। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আসলেই মনমুগ্ধকর পরিবেশ ছিল তবে ঝিলে কোনো পদ্মফুল ছিল না, ধন্যবাদ আপু।
আপনার পোস্টটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো। এতগুলো টাকা খরচ করে ইউনিভার্সিটিতে যান পড়ালেখা করার জন্য এবং প্রত্যেকটি ক্লাসে আপনি উপস্থিত থাকার চেষ্টা করেন শুনে অনেক ভালো লাগলো আপু।ঝিলের পার এত সুন্দর একটি জায়গা দেখে চোখ জুড়িয়ে গেল। এই মুহূর্তগুলো সত্যিই দারুণ।পরিবেশটা অসাধারণ। অনেক ধন্যবাদ আপু দারুন একটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আসলেই আপু বাড়ি থেকে বের হলেই খরচ, যেটা আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্ষেত্রে অনেকটাই বেশি।তবে ঝিলের পাড়ের পরিবেশ খুবই সুন্দর ছিল,ধন্যবাদ আপনাকে।