রেসিপি: বেগুনের চপ তৈরি
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে শনিবার,৩০ মার্চ ২০২৪
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। কেমন আছেন সবাই। আশা করি ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে বেশ ভালো আছি। আবারো আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। এবার আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চলে বেগুনের চপ রেসিপি। সারাদিন রোজায় থাকার পর ইফতারিতে ইচ্ছে করে কিছু ভাজাপোড়া খেতে। যদিও ইফতারিতে আমাদের ভাজাপোড়া খাওয়া উচিত নয় কেননা এতে গ্যাসের সমস্যা হয়। তারপরেও ভাজাপোড়া খেতে খুব ইচ্ছা হয়। তাই আমি চেষ্টা করি প্রতিদিন নতুন নতুন কিছু তৈরি করার। যদিও আমার আজকের তৈরি রেসিপিটা আপনারা অনেকবারই খেয়েছেন। তারপরে ওটা আমার প্রথম শেয়ার করা বেগুনের চপ। শুধু ইফতারিতে নয় বিকেলে নাস্তা হিসেবে রেসিপি টা আমরা ব্যবহার করে থাকি। আর কথা না বাড়িয়ে কিভাবে আমরা রেসিপিটা তৈরি করলাম সেটা শেয়ার করি
প্রয়োজনীয় উপকরণ
| ক্রমিক নম্বর | নাম |
|---|---|
| ১ | বেগুন |
| ২ | মরিচ গুঁড়া |
| ৩ | হলুদ গুঁড়া |
| ৪ | ধনিয়া গুড়া |
| ৫ | লবণ |
| ৬ | তেল |
| ৭ | চালের আটা |
| ৮ | গমের আটা |
| ৯ | রেশমের আটা |
| ১০ | পানি |
ধাপ-১
প্রথমে আমি কিছু বেগুন চিকন চিকন করে গোল গোল করে কেটে নিলাম। এরপর বেগুন গুলো পরিষ্কারভাবে ধুয়ে নিলাম।
ধাপ-২
এরপর কড়াই এর মধ্যে একটুখানি তেল, চা চামচের এক চামচ মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, ধনিয়া গুড়া ও পরিমান মত পানি দিয়ে দিলাম। এরপর সব উপকরণ ভালোভাবে মাখিয়ে সিদ্ধ করে দিলাম বেগুন গুলো।
ধাপ-৩
এরপর একটি পাত্রে এক কাপ রেশন আটা,আধা কাপ চালের আটা ও আধা কাপ গমের আটা একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিলাম।
ধাপ-৪
এরপর পানি দিয়ে সুন্দর একটি ডো তৈরি করে নিলাম। এই ডো টা বেশি শক্ত হবে না আবার বেশি নরম হবে না। আমরা যেভাবে রুটি তৈরি করি তার থেকে একটু বেশি নরম হবে।
ধাপ-৫
ডো তৈরি করা হয়ে গেলে আমি চুলায় একটি কড়া বসিয়ে তার মধ্যে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে দিলাম।
ধাপ-৬
এরপর একটি বেগুন সিদ্ধ নিয়ে ডো এর ভেতর এপাশ ওপাশ করে গরম তেলের মধ্যে বেগুন ছেড়ে দিলাম।
ধাপ-৭
আর এভাবেই আমি সব বেগুন এর চপ তৈরি করলাম। আমার আজকের বেগুনের চপ রেসিপি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে তা অবশ্যই কমেন্টে। আশা করছি বেশ ভালই লাগবে। আজকে এখানে শেষ করছি। পরবর্তীতে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হওয়ার চেষ্টা। সবাই ভালো ও সুস্থ থাকবেন। শুভ কামনা রইল।
আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
ইফতারের সময় আলুর চপ,বেগুনের চপ না হলে যেন হয়ই না।আপনি খুব চমৎকার ভাবে আমাদের মাঝে বেগুনের চপ রেসিপি শেয়ার করেছেন আপু।খুবই ভালো লাগলো আপনার বানানো বেগুনের চপ দেখে।ধন্যবাদ আপু দারুন স্বাদের বেগুনের চপের রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
সুন্দর মতামত প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
ছবি দেখে মনে হচ্ছিলো আলুর চপ🙂।যাই হোক আমার কাছে বেগুনের চপ বেশ ভালো লাগে,আমাদের বাসায় চিকন বেগুন গুলো লম্বা লম্বা করে কেটে বানানো হয়।আপনার বানানো বেগুন দেখে মনে হচ্ছে খেতে বেশ দারুণ হয়েছে।প্রতি টি ধাপ খুব সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ধন্যবাদ
আমি যে বেগুন গুলো দিয়ে চপ তৈরি করেছিলাম সেগুলো গোল গোল বেগুন ছিল আপু।
ইফতারির সাথে বেগুনের চপ আলুর চপ আমার খুবই প্রিয়, আর আমিও প্রতিদিন বেগুনের চপ খেয়ে থাকি। আজকে আপনার চপ তৈরি করা দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগলো। দেখে অনেক মজাদার মনে হচ্ছে।
হুম ভাইয়া অনেক মজা হয়েছিল।
ইফতারির সাথে বেগুনের চপ আলুর চপ আমার খুবই প্রিয়, আর আমিও প্রতিদিন বেগুনের চপ খেয়ে থাকি। আজকে আপনার চপ তৈরি করা দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগলো। দেখে অনেক মজাদার মনে হচ্ছে।
জি ভাইয়া।
কিছুদিন আগে আমিও বেগুনের চপ তৈরি করেছিলাম।আজকে আপনি বেশ সুন্দরভাবে বেগুনের চপ তৈরি করেছেন। ইফতারের সময় বেগুনের চপগুলো খেতে বেশ ভালোই লাগে। মাঝে মাঝে বাজার থেকে কিনে আনি। আপনি বেশ দারুন দক্ষতায় সম্পন্ন করেছেন। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে উপস্থাপনা করেছেন। আপনার এই রেসিপিটি দেখে শিখতে পারলাম। শুভেচ্ছা রইল।
আমার রেসিপি তৈরি দেখে আপনি শিখতে পেরেছেন জেনে খুবই ভালো লাগলো ভাইয়া।
আপু ঠিক বলেছেন ইফতারিতে ভাজাপোড়া খাওয়া উচিত নয় তারপরও না খেয়ে থাকা যায় না। ভাজাপোড়া খাবার না হলে যেন চলেই না। আমি তো মনে করেছিলাম আলুর চপ তৈরি করে হয়তো টাইটেলে ভুল করে বেগুনের চপ লিখেছেন। কিন্তু পরে আপনার প্রস্তুত প্রণালী দেখে বুঝতে পারলাম সত্যি বেগুনের চপ তৈরি করেছেন। আমরা সবসময় লম্বা করে তৈরি করি আর আপনার কাছে আজ একটু ভিন্ন ভাবে দেখে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আপু সবসময় আমরা তো বেগুনের চপ লম্বা লম্বা করে তৈরি করি তাই আজকে একটু অন্যরকম করে তৈরি করলাম।
আসলে ভাজাপোড়া খেলে গ্যাসের সমস্যা হয় সেটা আমরা সবাই জানি কিন্তু তারপরেও অনেকেই নিজেকে সামলাতে পারিনা। বেগুনি খেতে আমার কাছে বেশ ভালই লাগে আশা করি আপনার বানানো বেগুনিটা খেতে বেশ সুস্বাদু হয়েছিল। যাইহোক ধন্যবাদ আপনাকে ইফতারির জন্য বানানো বেগুনির রেসিপি টা আমাদের মাঝে ধাপে ধাপে শেয়ার করার জন্য।
সারাদিন রোজায় থাকার পর এগুলো সামনে দেখে আর নিজেকে সামলে রাখা যায় না ভাইয়া।
ইফতারে ভাজা পোড়া খেলে গ্যাসের সমস্যা হয় সত্যি কিন্তুু ইফতারে ভাজাপোড়া ছারা চলেই না।বেগুনের চপ ভীষণ সুস্বাদু একটি খাবার। আমার তো ভীষণ প্রিয়।আপনি চমৎকার করে বেগুনের চপ রেসিপিটি শেয়ার করেছেন।ধাপে ধাপে চপ তৈরি পদ্ধতি চমৎকার ভাবে তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনাকেও ধন্যবাদ আপু।
ইফতারে এ ধরনের ফাস্টফুড খেতে খুবই ভালো লাগে। বেগুনের চপ তৈরি সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন যা দেখে যে কেউ শিখে নিতে পারবে। আমাদের বাড়িতেও প্রায় দিন বেগুনের চপ তৈরি হয় যা ইফতারে আমার কাছে বেশ মজাদার একটি খাবার। আপনার তৈরি বেগুনের চপ রেসিপি দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে। আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ফাস্টফুড ছাড়াই ইফতার জমে না মনে হয় । ধন্যবাদ ভাইয়া।
পবিত্র মাহে রমজান মাসে সবাই বিভিন্ন ধরনের ভাজিপুরী খাবার খেতে পছন্দ করে। আপনি বাড়িতে বেগুনের দারুন চপ রেসিপি তৈরি করেছেন। যেটা প্রত্যেকটা বাড়িতে এভাবে তৈরি করে ইফতার করে থাকে। আপনার বেগুনের রেসিপি তৈরি অনেক সুন্দর ছিল। যেটা আমাদের সাথে খুব সুন্দর ভাবে রেসিপি তৈরি করে শেয়ার করবেন ভালো লাগলো।
রমজান মাসে প্রতিটি বাড়িতেই এরকম ইফতার তৈরি হয় ভাইয়া।