নির্ভেজাল শাকসবজি গ্রহণ করুন, অর্থ সাশ্রয় করুন
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে বৃহস্পতিবার ,২৪ অক্টোবর ২০২৪
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করছি আপনারা সবাই সুস্থ ও ভালো আছেন। আমি ও ভালো আছি। প্রতিদিনের মতো আজকে আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় শেয়ার করার জন্য হাজির হয়েছি। বর্তমান সময়ে আপনারা সকলে লক্ষ্য করে দেখেছেন যে দ্রব্যমূল্যের দাম কিভাবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। বিশেষ করে কাঁচা শাকসবজির দাম শুনলেই তো ভয় পেতে শুরু করে প্রত্যেকটি মানুষ। এইতো কিছুদিন আগে টিভিতে দেখছিলাম ঢাকাতে নাকি একটা লাউ বিক্রয় হচ্ছে ৯০ টাকাতে। ১০ থেকে ১৫ টাকার একটা লাউ যদি ৯০ টাকা দিয়ে বিক্রয় করে তাহলে সাধারণ মানুষেরা কিভাবে জীবন যাপন করবে। আমার কাছে মনে হচ্ছে এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ গুলোকে যেন না খেতে পেয়ে মরতে হবে।
সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করেই আজকে আমি একটা পোস্ট শেয়ার করার জন্য হাজির হয়েছি যেখানে আমি এই কাঁচা সবজির বিষয়ে কথা বলার জন্য হাজির হয়েছি। বিশেষ করে যারা গ্রাম অঞ্চলে বসবাস করেন তাদের প্রত্যেকের বাড়ির পাশেই কিছু না কিছু ফাঁকা জায়গা রয়েছে আর যারা শহরে বাস করেন তাদের ছাদে রয়েছে অনেক জায়গা। কিন্তু জায়গা থাকলেই তো হবে না পরিশ্রম করতে হবে। বাড়ির আশেপাশে থাকা এই ধরনের জমিতে যদি আমরা পরিবারের চাহিদা মেটানোর জন্য ফসল উৎপাদন করি তাহলে সেটা আমাদের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ হয়ে উঠবে এই মুহূর্তে। কেননা বর্তমান সময়ে যদি লক্ষ্য করা যাই এক আটি কলমি শাকের দাম ২০ টাকা। তাহলে একবার ভেবে দেখুন কি খেয়ে বাঁচবে আমাদের দেশের মানুষ। পরিবারের চাহিদা মেটানোর জন্য এখন আমাদের সকলেরই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে বাড়ির আশেপাশে থাকা থাকা জায়গা গুলোর সঠিক ব্যবহার করা।
সামনেই শীতকাল আসছে আর এই শীতকালে আমরা সকলেই জানি আমাদের দেশে অনেক ধরনের শাকসবজি পাওয়া যায়। আপনারা যদি এই শীতকালের বিষয়টা মাথায় রেখে ও বাড়ির আশে পাশে থাকা জায়গাতে বিভিন্ন ধরনের শাক সবজির বীজ বপন করেন তাহলেও খুব সহজে আপনাদের পরিবারের চাহিদা পূরণ করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে সারাদিন পরিশ্রম করতে হবে না আপনার অবসর কিছু সময় এখানে ব্যয় করবেন তাহলেই দেখতে পাবেন কাজটা আপনাদের জন্য অনেক সহজ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের বাড়ির আশেপাশে কিছু ফাঁকা জায়গা রয়েছে যেখানে আমরা এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি শুধুমাত্র পরিবারের চাহিদা পূরণ করার জন্য। বাজারে বিক্রয় করে লাভবান হবার মতো কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই। নিজে নিজের পরিবারের চাহিদা পূরণ করতে পারলেই যথেষ্ট মনে করি।
এখন কাঁচা শাকসবজির দাম যেখানে বৃদ্ধি পেয়েছে তা হয়তোবা থামানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু আমরা চাইলেই তো পারি নিজেরা উৎপাদন করে পরিবারের চাহিদা পূরণ করতে। আবার যখন আমরা নিজেরা কোন জিনিস উৎপাদন করব তখন সেখানে কোন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করব না ফলে আমরা নির্ভেজাল শাকসবজি খাবার মত সুযোগ পাবো। সর্বশেষে আমি একটা কথাই বলতে চাই বাজার থেকে না কিনে বাড়ির আশেপাশে থাকা ফাঁকা জায়গা গুলো ব্যবহার করুন এবং শীতকালে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি উৎপাদন করুন। এর ফলে আপনারা একদিকে নির্ভেজাল সবজি খেতে পারবেন অন্যদিকে সবজি কেনার হাত থেকেও বেঁচে যাবেন।
আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
নিজেদের বাড়ির আশেপাশের ফাঁকা জায়গা গুলো কাজে লাগানো খুবই প্রয়োজনীয়। আর নিজেরাই যদি শাকসবজি ফলানো যায় তাহলে টাটকা শাকসবজি যেমন পাওয়া যাবে তেমনি একদম নির্ভেজাল সবজি পাওয়া যাবে। আপু আপনার এই পোস্ট দেখে সত্যি অনেক ভালো লাগলো।
আপু আমরা গ্রামে বসবাস করি তাই খুব সহজেই বিষমুক্ত শাকসবজি তৈরি করতে পারি।
পরিবারের চাহিদা পূরণ করার জন্য এই ধরনের উদ্যোগটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি পরিবারের চাহিদা পূরণ করা যায় তাহলে তাহলে অনেক অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব হয়। একই সাথে নির্ভেজাল এবং টাটকা সবজিও খাওয়া যায়।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন এভাবে শাকসবজি চাষ করলে পরিবারের চাহিদা মেটানো যায় তার সাথে অর্থ সাশ্রয় করা যায়।
খরচা বাঁচাতে এবং অত্যাধিক শাকসবজি বাজার থেকে কেনার থেকে বাঁচতে নিজের ঘরে চাষ করার যে বুদ্ধি আপনি দিলেন তা সত্যিই অভিনব। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বর্তমানে সময় ও জায়গা উভয়েরই বড় অভাব। আসলে মানুষ এখন এত ফাস্ট হয়ে গেছে যে ভাবাই যায় না। সব জিনিসপত্র পারলে অনলাইন থেকে কিনে নেয়। আর সেখানে চাষবাস করা অনেক পরিশ্রমের। তবে আপনার পোস্টটি খুব প্রাসঙ্গিক এবং যথাযথ।
ভাইয়া চেষ্টা করলে সব কিছুই সম্ভব আমাদের জায়গা না থাকলে বাড়ির ছাদেও অনেক সুন্দর ভাবে সবজি চাষ করা যায়।
প্রয়োজনীয় কিছু কথায় সমৃদ্ধ হয়েছে আপনার আজকের পোস্টটি৷
বাড়ির উঠোনে নিজের মত সবজি একটু লাগিয়ে নিলে বাড়ির প্রয়োজনও মেটে এবং খরচাও কম হয়, তার থেকেও বড় কথা বাজারে যে সমস্ত সবজি আসে বেশিরভাগই সার এবং ওষুধ দেয় অর্থাৎ রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা ফসল আমরা কিনে এনে বাড়িতে খাই যা শরীরের পক্ষে একেবারেই উপকারী নয়। তাই বাড়ির উঠোনে বা ছোট্ট বাগান করে সেখানে প্রয়োজনীয় সবজি কিছু চাষ করে নিলে টাটকা খাবার ও খাওয়া যায় এবং অর্থনৈতিক সাশ্রয়ও হয়।
আপু বাড়িতে সবজি চাষ করার এই একটাই তো সুবিধা টাটকা শাক-সবজি খাওয়া যায় তার সাথে পরিবারের চাহিদা ও মেটানো যায়।
বাজারে সবরকম সবজির দাম অনেক বেশি। নিজে সবজি গাছ লাগালে সেগুলো নিশ্চিন্তে খাওয়া যায় এবং এতে করে অর্থ সাশ্রয় হয়। বেশ ভালো লাগলো আপনার আজকের পোস্ট দেখে। গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়োপযোগী একটা পোস্ট শেয়ার করেছেন। আপনার কলমি শাকগুলো বেশ ভালো হয়েছে।
আপু কলমি শাক গুলো অনেকদিন আগে লাগানো তাই ফুল এসে গেছে। এগুলো পরিষ্কার করে আবার নতুন করে লাগাতে হবে।