RE: গতকাল আমার সাথে ঘটে যাওয়া একটি বাজে অভিজ্ঞতা।
এটি আসলে একটা সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। অফিসে যারা আছে তারা যদিও আমাদের টাকায় বেতন পায় তারপরও আমাদের প্রতি তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই কারণ তাদের চাকরিটা সরকারি। সরকারের চাকর মানে হচ্ছে জনগণের চাকর। এই কথাটা ভুলে যায় যখন একটা চেয়ারে বসে। অথচ উচিত ছিল জনগণের সেবা টা সবার আগে সবচেয়ে বেশি করা। প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলো এই সেবার মান ভালো করার জন্যই খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে আর আমাদের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দিনদিন তলিয়ে যাচ্ছে। অথচ একটা সময় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আদর্শ ছিল।
আমি এক বছরের মত একটা সরকারি ব্যাংকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পদে চাকরি করেছি। আমি অনেকদিন দ্বিতীয় কর্মকর্তার কাজ করেছি এবং যে সময়টাতে আমি ছিলাম সেই সময়টাতে মানুষকে ভোগান্তি হতে দেয়নি। এমনও অনেক সময় গেছে তামিল চারটার পরে গিয়ে দুপুরের খাবার খেয়েছি। আমার অফিসের কলিগরা বলতো আপনি এগুলা কি করছেন। আমি মানুষের সেবা দেওয়াটাকে আগে দেখতাম, ঘুস ব্যাংকের অন্য কাউকে দিতে নিষেধ করে বলে দিতাম। তাই ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পরও সে এলাকার মানুষ আমাকে এখনো মনে রেখেছে। এটা হচ্ছে প্রাপ্তি।
আসলে ভাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনেকেরই দাঁড়ানোর ইচ্ছা থাকে কিন্তু সমাজটা আস্তে আস্তে এরকম দিকে যাচ্ছে যে অভিযোগ বা বিচার দেওয়ার কোন লোক পাবেন না আপনি। যদি আপনার কথা শুনে ম্যানেজার কোন পদক্ষেপ নিতেন তাহলে আপনি বিচার দিতে পারতেন কিন্তু তিনি আপনার কথা অনেক ক্ষেত্রে শুনবেন না কারণ ওই কর্মকর্তাকে দিয়ে তার কাজ চালাতে হয়