পুরাতন অ্যালবাম থেকে কিছু ফটোগ্রাফি।।
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
সময়ের সাথে বদলে যায় সব। আমার ইচ্ছা আমাদের অনূভুতি আমাদের সব পরিকল্পনা। একটা দীর্ঘ সময় পরে যদি অতীতে ফিরে দেখা যায় কী ছিল আমার পরিকল্পনা এবং এখন কী করছি আমি। কেমন ছিল আমার অনূভুতি এবং এখন কেমন কী চলছে। তাহলে সবকিছুই পুরোপুরি এলোমেলো হয়ে যাবে। আমাদের জীবনের গল্পটা অনেক টা এইরকমই পুরোপুরি ভিন্ন। এইরকমই আজ আবার পেছনে ফিরে যাব। আজ আবার আপনাদের সাথে আমার পুরাতন অ্যালবাম এর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করে নেব।
- এক সন্ধ্যায় আমাদের গড়াই নদীর পাড়ে বসেছিলাম। ঐদিন আমার মনটা কিছুটা খারাপ ছিল। সন্ধ্যার সময় সূর্যের আলো যখন প্রায় শেষ ঐসময় নদীর পাশে এই অপরুপ সৌন্দর্য অবলোকন করেছিলাম আমি। ঐসময় আমি এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম। কী চমৎকার কী সুন্দর দৃশ্য।
- তখন ঢাকায় এসেছিলাম নতুন। রামপুরা থাকার সুবাদে প্রতিদিনই বিকেলের শেষভাগে চলে যেতাম হাতিরঝিলে। মোটামুটি সন্ধ্যা টা কাটিয়ে ফিরতাম। একদিন সন্ধ্যার পরে হাতিরঝিলে থেকে এই ফটোগ্রাফি টা আমি ধারণ করেছিলাম। চারিদিকে আল ঝলমলে শহর এবং মাঝে অন্ধকারাচ্ছন্ন একটা জলরাশি
- বিকেলের দিকে হাতিরঝিলের পাশে রামপুরা গুলশান রোডে প্রাইভেট গাড়ির ভীড় জমে থাকে। অবস্থা টা এমন আপনি রাস্তা পার হতে গেলে অনেক টা সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। এই ফটোগ্রাফি টা আমি করেছিলাম এইরকমই এক বিকেলে। অধিকাংশ অফিসের মেইন শাখা গুলশান। সেজন্য অফিস ছুটির সময়ে একটা জটিল পরিবেশ তৈরি হয়ে যায় ওখানে।
- শহরের ছেলেদের জন্য একটা বড় সমস্যা হলো খেলার মাঠ। এই ঢাকা বদ্ধ শহরে খেলার মাঠ নেই বললেই চলে। যাএাবাড়িতে এই মাঠটা অবস্থিত। খুব একটা বড় না এবং চারিদিক প্রাচীল দিয়ে ঘেরা। সকাল থেকে রাত পযর্ন্ত এই খেলার মাঠে ছেলেদের ভীড় লেগেই থাকে। এক সন্ধ্যায় এই ফটোগ্রাফি টা আমি করেছিলাম।
- এই ফটোগ্রাফি টা বিকেলের শেষ ভাগে হাতিরঝিলের উপরের ব্রীজ থেকে ধারণ করা। সাধারণ এই সময়ে অনেকেই এখানে হাঁটতে আসে। আমিও হাঁটতে যেতাম। একটু উন্মুক্ত পরিবেশ পাওয়াই বেশ লাগত আমার। বেশ সুন্দর একটা পরিবেশ।
- বইমেলা বরাবরই আমার কাছে আগ্রহের একটা জায়গা। তবে আগে যাওয়ার মতো সুযোগ হতো না বললেই চলে। গতবছর বইমেলায় গিয়েছিলাম আমার চাচাতো ভাইয়ের সাথে। বইমেলায় গিয়ে বাইরে থেকে এই ফটোগ্রাফি ধারণ করেছিলাম আমি।
- এই ফটোগ্রাফি টা করা পলাশীর মোড় থেকে। একটু পরিষ্কার ভাবে বললে বুয়েটের সামনে থেকে আর কী। আমি এবং আমার চাচাতো ভাই লালবাগ কেল্লার দিকে যাচ্ছিলাম একটা রেস্টুরেন্টে। রিক্সায় বসে থাকার অবস্থায় এই ফটোগ্রাফি টা আমি করেছিলাম। দুই পাশে গাছের ছায়ায় সুন্দর লাগছিল রাস্তাটা। ।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Daily task
https://x.com/Emon423/status/1926932097828016318?t=5lWajnyRAnW2W5SaAcPnjg&s=19
আপনার পুরাতন অ্যালবামের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুবই ভালো লেগেছে। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি একেকটা স্মৃতিচারণ।
আপনার তোলা প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফিই বেশ সুন্দর লাগছে দেখতে। প্রাকৃতিক ফটোগ্রাফি গুলো আমার বেশ ভালো লাগে দেখতে। আপনার তোলা ফটোগ্রাফির মধ্যে আমার বিশেষ করে গড়াই নদীর পাড়ের ফটোগ্রাফিটি বেশ মন ছুয়ে গেছে। ভীষণ ভালো লাগে এমন দৃশ্য দেখতে। ধন্যবাদ এত সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
বাহ্ আপনার পুরাতন এ্যালবাম থেকে আপনি দারুন দারুন কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।আপনার তোলা প্রতিটা ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে ভাইয়া।ফটোগ্রাফির পাশাপাশি বেশ সুন্দর বর্ণনা উপস্থাপনা করছেন।ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
জীবন মানেই এলোমেলো ভাইয়া।যাইহোক প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি বেশ সুন্দর ছিল।বিশেষ করে নদীর পাড়ের দৃশ্যগুলি বেশি ভালো লেগেছে আমার কাছে।ধন্যবাদ আপনাকে।