পুরাতন অ্যালবাম থেকে কিছু ফটোগ্রাফি!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
অতীত কে কখনও ভুলে যাওয়া যায় না। ভোলা যায় না ফেলে আসা সেই চিরচেনা সময় কে। আজীবন সেগুলো আমাদের স্মৃতিতে থেকে যায়। ক্ষণে ক্ষণে মনে পড়ে। কখনও কখনও একটা সামান্য ছবি মনে করিয়ে দেয় অনেক কথা। একটা ছবির পেছনে অনেক কথা লুকিয়ে থাকে। পুরাতন অ্যালবামে গেলে এইরকম অসংখ্য ছবি সামনে ভেসে আসে। আজ এইরকমই কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করে নেব। আশাকরি আপনাদের বেশ ভালো লাগবে।
- অনেক সময় নদীর বালুচর এভাবে দেখতে পাওয়া যায়। বালুর একটা ঢেউ খেলে যায় যেখানে। তবে এটা বালুচর না। আকাশ ঐরকম একটা অবস্থা ধারণ করেছে। আকাশকে দেখে মনে হচ্ছিল এ যেন কোন ভয়ংকর স্রোতের নদীর বালুচর। এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করা ২০২১ সালে।
- ২০২১ সালের শীতের সময়ের কথা। তখন ধান আবাদের মৌসুম চলছে। আমাদের গ্রামের মাঠে সবাই ধান আবাদ করতে ব্যস্ত। আমি ঐসময় মাঠে গিয়ে দৃশ্যগুলো দেখছিলাম। ঐসময় আমি এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম। যেখানে একজন আরেকজনের মাথায় ধানের চারা তুলে দিচ্ছে।
- ২০২০ সালে আমি ভোটার হয়। তবে তারপর থেকে কখনও ভোট দেওয়ার সুযোগ হয়নি। কিন্তু ২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ এর নির্বাচনে সুযোগ হয় ভোট দেওয়ার। গ্রাম এলাকায় ভোট মানে যেন একটা উৎসব। এই ফটোগ্রাফি টা আমি ভোট দিতে গিয়ে তুলেছিলাম। দেখে বেশ দারুণ লাগছিল দৃশ্য টা।
- একটা সময় প্রতিদিন রাতে ব্যাডমিন্টন খেলতাম। শীতের রাতে সবার সাথে ব্যাডমিন্টন খেলার অনূভুতি টাই ছিল আলাদা। দেড় দুই ঘন্টা ব্যাডমিন্টন খেলার পরে রাতে বেশ ভালো ঘুম হতো। এখন সেই ফেলে আসি সময় টা বেশ মিস করি। আবার কখনও সেইরকম দিন ফিরে পাব কীনা জানি না।
- ছোটবেলা থেকেই গ্রামে মানুষ। মাঠের কাজ কখনও না করলেও এগুলো আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। বিশেষ করে কীভাবে ধান চারা রোপণ করা হয়। কীভাবে ধান কাটা হয় কীভাবে সেই ধান মাড়াই করা হয়। এটা হলো সেই ধান মাড়াই করার দৃশ্য। এই ফটোগ্রাফি টা আমি ২০২১ সালে ধারণ করেছিলাম।
- এটা হলো পোড়াদহ জংশন। কুষ্টিয়া জেলার মধ্যে সবচাইতে বড় এবং একমাএ জংশন হলো এটা। এই ফটোগ্রাফি টা প্রায় ৪-৫ বছর আগে ধারণ করেছিলাম আমি। বেশ অনেক টা জায়গা নিয়ে এই জংশনটা বিস্তৃত।প্রত্যেকটা প্লাটফর্ম বেশ বড়।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।
Daily task
https://x.com/Emon423/status/1946112577144315961?t=mIvFEktAnzeWRmQ0YRrDZQ&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
এরকম স্মৃতিগুলো হৃদয়ে একেবারে থেকে যাওয়ার মত। আপনার শেয়ার করা প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফির মধ্যেই যেন পুরনো দিনে ঘটে যাওয়া কিছু সুন্দর মুহূর্তের ছবি ফুটে উঠেছে। ভীষণ ভালো লাগলো আপনার আজকের ফটোগ্রাফি পোস্টটি।
আপনার ফটোগ্রাফি গুলো ভীষণ সুন্দর হয় এবং আমার ভীষণ ভালো লাগে দেখতে। এমন সুন্দর গ্রামের প্রাকৃতিক দৃশ্য যা আমার সব সময় মন কেড়ে নেয়। এমন সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপনি দেখছি আজকে খুবই সুন্দর করে বেশ কয়েকটি এলোমেলো ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার শেয়ার করা প্রতিটি ফটোগ্রাফি আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। বিশেষ করে আপনার শরীর খারাপ প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি গুলো একটু বেশি ভালো লেগেছে।
ওয়াও আজকে আপনি আমাদের মাঝে আপনার চমৎকার পুরনো কয়েকটি ফটোগ্ৰাফি শেয়ার করেছেন। আপনার বর্তমানের ফটোগ্রাফি গুলো যেমন সুন্দর তেমনি পুরনো ফটোগ্রাফি গুলো দারুন সুন্দর। এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্ৰাফি আমাদের মাঝে ভাগ করে নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনি কিন্তু পুরাতন অ্যালবাম থেকে সব সময় চমৎকার ফটোগ্রাফি করেন। আজকে আপনি বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনার এক একটা ফটোগ্রাফি সত্যি অসাধারণ হয়েছে। বিশেষ করে আকাশের ফটোগ্রাফি আমার কাছে বেশি ভালো লাগলো। ফটোগ্রাফি গুলো সুন্দর বর্ণনা দিয়ে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।