বাংলার অপরূপ রূপের ফটোগ্রাফি।।ফেব্রুয়ারী ,২০২২।।
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন?আশা করি ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি শুরু করছি।আজকে আমি একটি ফোটোগ্রাফি পোস্ট করতে চলেছি।গ্রাম বাংলার অপূর্ব রূপ ফুটিয়ে তুলতে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।গ্রামের রূপের বর্ণনা সুন্দর ও সাবলীন ভাবে করতে পারে কেবল মাত্র একজন কবি।কবি তার শব্দের জাদু দিয়ে গ্রামের রূপকে অনবদ্য ভাবে ফুটিয়ে তোলে।
আমরা কবি নই এবং শব্দের প্রতি আমাদের দখলের সীমাবদ্ধতা প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য্যকে ফুটিয়ে তুলতে ব্যর্থ হয়।তারপর ও মানুষের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকে।আমার এই পোস্ট টি ও তারই একটি উদাহরণ।আমি মোবাইল ফটোগ্রাফির মাধ্যমে বাংলার একান্ত নিজস্ব রূপ কে টেনে এনেছি।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
বাংলার অনন্য বৈশিষ্ট্য এর মধ্যে রয়েছে জালের মতো ছড়িয়ে থাকা নদ ও নদী।এক সময় এই নদী গুলোকে সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ জলপথ হিসেবে বিবেচনা করা হত।আজকাল নদীপথ এতটা ব্যবহারিত না হলেও এর সৌন্দর্য্যের কোনো খামতি হয়নি।এখনো নদীপথে ভ্রমন যেমন আনন্দদায়ক তেমনি নস্টালজিক।দুটি ভূখণ্ডের মধ্যে কোনো নদী থাকলে সেখানে পারাপারের একমাত্র মাধ্যম হয় ফেরি।লঞ্চ ও নৌকো এই পারাপারের দুটি মাধ্যম।আজ ও নদী পথে ভ্রমণ খুবই আনন্দদায়ক ও মন-মুগ্ধকর।
গ্রামের মাঠে ঘটে গৃহপালিত পশু গরুকে সচারচর দেখা যায়।এই ভাবেই মুক্ত ভাবেই গরু গুলো চরিয়ে বেড়ায়।এরাও প্রকৃতির সন্তান হয়ে সামগ্রিক প্রাকৃতিক রূপ কে আরো সুন্দর করে তোলে।রাস্তায় আমি দেখা পেয়েছিলাম এই গরু দুটির ।মনের আনন্দে ঘাস খেয়ে বেড়াচ্ছিল।
শীতকাল শেষ এখন।মাঠের ফসল ও উঠে গেছে কৃষকের ঘরে।নতুন ফসল মানেই কৃষকের ঘরে নতুন আলোর আবির্ভাব।নতুন স্বপ্ন আর উৎসব এই দিনগুলি তে সব অভাব অভিযোগ বিলীন হয়ে যায়।এমনি একজন কৃষককে দেখলাম ধানের মাঠ থেকে খড় নিয়ে বাড়ি ফিরছে।
মোবাইল ফটোগ্রাফি
বর্ধমান ,পশ্চিমবঙ্গ ,ভারত
প্রকৃতির রূপ

250 SP 500 SP 1000 SP 2000 SP 5000 SP

Beauty of Creativity.
Beauty in your mind.
Take it out and let it go.
Creativity and Hard working.
Discord

বাংলার অপরূপ রূপের ফটোগ্রাফি।।দেখে দু নয়ন জুড়িয়ে গেল।আপনার প্রতিটি ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর হয়েছে কিন্তু প্রথমেই যে ফটোগ্রাফি টি সেটি আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে।বাংলার অপরূপ রূপের দৃশ্য গুলো খুবই চমৎকার ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন আপনার ফটোগ্রাফিতে।এত চমৎকার ফটোগ্রাফি আমাদেরকে উপহার দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।♥♥
সত্যি দাদা বাংলার অপরূপ সৌন্দর্য্যের ফটোগ্রাফি দেখে মন জুড়িয়ে গেলো। প্রাকৃতিক এই সৌন্দর্যগুলো আমাদের বাঙালিদের হৃদয়ে গেঁথে আছে। খড়ের বোঝা মাতায় চলন্ত কৃষকের ছবি আমার কাছে বেশি ভালো লাগছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ দাদা অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
পূর্ণ সহমত পোষণ করছি আপনার ভাবনার সাথে দাদা। সত্যি এ এক ভিন্ন রকমের অনুভূতি কাজ করে নদীতে কিংবা নৌকায় ভ্রমনের সময়। এখনো চেয়ে থাকতে ভালো লাগে নদীর অপরূপ দৃশ্যগুলোর প্রতি। দারুণ ফটোগ্রাফি করেছেন।
আসলে গ্রাম বাংলার সব কিছুতেই অপরূপ এর ছোঁয়া থাকে।যে ছোঁয়ার জন্যে আমরা সবসময় ছুটে যাই গ্রামীণ সৌন্দর্যের মাঝে।ছবি আর লেখা দুটোই অসাধারণ।
@tipu curate
Upvoted 👌 (Mana: 3/7) Get profit votes with @tipU :)
দাদা আপনার ফটোগ্রাফি গুলো সত্যিই অসাধারণ হয়েছে। গ্রাম বাংলার অপরুপ সৌন্দর্য কে আপনি আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। যেটি আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে ।আর প্রতিটি ফটোগ্রাফির পাশাপাশি আপনার লেখনীও দারুন ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার তোলা ফটো গুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম । আপনি অনেক সুন্দর ফটোগ্রাফি কিন্তু আপনার মুঠোফোনের মাধ্যমে আবদ্ধ করেছে । ফটোগ্রাফি ছিল পাশাপাশি বর্ণনা গুলো অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন ।
আপনার জন্য শুভকামনা রইল
আজকে আপনি বাংলা অপরুপ সম্পর্কে পোস্টটি করেছেন অনেক সুন্দর হয়েছে। প্রতিটি ফটোগ্রাফি অনেক ভালো ছিলো। ফটো গুলোই জানান দিচ্ছে গ্রাম বাংলা কতো সুন্দর প্রকৃতির দিক দিয়ে। উপস্থাপনা অসাধারণ ছিলো। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
নদী আর গ্রাম ছাড়া যেন বাংলাকে কখনো কল্পনাই করা যায় না। আর এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে কবি লিখেছেন কবিতা ,শিল্পী গেয়েছে গান। সত্যি কি অপূর্ব সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে আমাদের এই গ্রাম বাংলায়। দাদা আপনার লেখা এবং ছবি গুলো মনের এক কোণে জায়গা করে নিয়েছে। আমার বাবা কাজের সূত্রে মাঝেমধ্যেই বর্ধমান যাতায়াত করেন। সেখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ নিয়ে নানান কথা বাড়িতে এসে গল্প করেন। আজকে আপনার এই পোস্টটা দেখছিলাম আর মনে হচ্ছিল বাবার বলা সেই কথাগুলো।
দাদা কেন যে আপনি এ ধরনের ফটোগ্রাফিক পোস্টগুলো শেয়ার করেন। মাত্র 4/5 টি ছবি দেখলে কি আর মন ভরে। গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন বলে শেষ করা যায় না তেমনি দেখেও তৃপ্তি মেটে না। বিশেষ করে নদী আর খোলা মাঠ দুটোই আমার ভীষণ পছন্দের। অনেক ভালো লাগলো ছবিগুলো।