একটি সুখের সংসার তছনছ। ( পর্ব ১ )
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি বাস্তব ঘটনা শেয়ার করব। আমার স্বামীর পাশের বাড়ির একটি লোকের ঘটনা, আমি আমার স্বামীর মুখ থেকে ঘটনাটি শুনলাম। একটি সুখী পরিবার। পরিবারের লোকটির নাম ছিল করিম। তাহার পরিবারে করিম সাহেব এবং তার স্ত্রী ও একটি ছেলে। তাদের সংসার খুব সুখের এবং করিম সাহেবও অনেক ভালো লোক। করিম সাহেব অনেক বছর ধরে ওমান থাকেতেন। এবং আমার হাজবেন্ডের সাথে ওখানে ওমান থাকতেন। করিম সাহেবের স্ত্রীর বাবার দুইটি পরিবার। করিম সাহেবের স্ত্রীর আরেকটি বোন বড় ফ্যামিলির ।এবং ছোট ফ্যামিলির তিনটি ছেলেও একটি মেয়ে।
করিম সাহেব বিদেশ থেকে অনেক টাকা দেশে পাঠান তার স্ত্রীর কাছে। ফ্যামিলিতে তার স্ত্রী ও তার একটিমাত্র সন্তান, তাদের তেমন টাকা খরচ হয় না। এবং করিম সাহেবের অনেক চাষের অনেক জমি আছে। সেগুলো অন্য লোক দিয়ে চাষ করিয়ে তাদের সংসার খুব ভালই চলে। করিম সাহেবদের টাকাগুলো বিদেশ থেকে পাঠিয়েদেন তা বিভিন্ন কাজে তার স্ত্রী লাগিয়ে রাখতেন। এদিকে তার স্ত্রীর সৎ ভাই গুলো তাদেরকে খুব হিংসা করতেন। করিম সাহেব যখন বাড়িতে আসলেন, তাদের বাড়ির একটি লোক তাকে বলতে লাগলো তার ছেলেকে ওমান নেওয়ার জন্য। করিম সাহেব তাকে বলতে লাগলো আপনারা অন্য জায়গা থেকে দেখে ভিসা নিয়েন আমি ভিসার ব্যবসা করিনা।
এরপরও তাকে বলতে লাগলো ভালো আরভাব দেখে একটি ভিসা দেওয়ার জন্য। তারপর এভাবে সব সময় তাকে বলতে থাকতেন। কিছু মাস পর করিম সাহেব ওমান চলে গেলেন। এবং তার মোবাইল নাম্বারে সব সময় কল করে বলবেন তার ছেলের জন্য একটা ভালো ভিসা দেওয়ার জন্য। এরপর করিম সাহেব তার ছেলের জন্য তার আরবাব এর একটি ভিসা দিলেন। ওমানে কপিলকে আরবাব বলে থাকে। তারপর তাদের বাড়ির লোকটি ওমান গেলেন। এবং কিছু টাকা দিলো আর কিছু টাকা বিদেশ যাওয়ার পর দেবেন। তাদের বাড়ির ছেলেটি ওমান গিয়ে করিম সাহেবের সাথে সব সময় ঝগড়া করে থাকেন। কারণ ছেলেটি ওমান গিয়ে কাজ করতে চায়না। সে সারাদিনটা ঘুমিয়ে থাকে।
এই কথাগুলো করিম সাহেব তাদের বাড়ির লোকটির বাবার কাছে বললেন। এই নিয়ে দুই ফ্যামিলির মধ্যে অনেক ঝগড়াঝাটি চালু হয়ে গেল। এভাবে ছেলেটি ওমানের দুটি বছর কাটিয়ে দিলেন। দুই বছর পর যখন তার ওমানের পতাকা যেটি ছিল তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেল। এখন করিম সাহেব কে বলতে লাগল তার পতাকা লাগিয়ে দেওয়ার জন্য। করিম সাহেব তাকে বলতে লাগলেন বিদেশ আসার সময় যে টাকাগুলো দেওয়ার কথা ছিল সেই টাকাগুলো তুমি আমাকে দাও নাই এবং তোমার বাবাও দেয় নাই। আমার এতগুলো টাকা তোমরা দিতেছ না এখন আমি যদি আবার তোমাদেরকে টাকা দিই তা তোমরা আমার টাকাগুলো দেবেনা। ছেলেটি ফোন করে দেশে তার বাবাকে উল্টাপাল্টা কথা বলতে লাগলো।
এরপর ছেলেটি তার বাবাকে বলতে লাগলো করিম সাহেব তার আরবাবকে বলতে লাগলো তাকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য। এদিকে ছেলের বাবা এবং ভাই গুলো করিম সাহেবের স্ত্রীর সাথে সব সময় ঝগড়া করতে থাকে। একসময় সকালবেলা এসে করিম সাহেবের স্ত্রীকে গালিগালাজ করতে লাগলো এবং তার গায়ে হাত তুললেন। করিম সাহেবের ছেলেটি ঘরে ঘুমিয়ে রইল ওই সময়। এবং তার ছেলে আওয়াজ শুনে ঘুম থেকে বাইর হল। করিম সাহেবের ছেলের নাম হচ্ছে আরিফ। আরিফের বয়স তখন 14 থেকে 15 বছর হবে। এরপর আরিফ তাদেরকে জিজ্ঞেস করতে লাগল এবং তার সাথেও ঝগড়া করতে লাগলো ওই লোকগুলো। ( চলবে)
আমার নাম আকলিমা আক্তার মুনিয়া। আর আমার ইউজার নাম @bdwomen। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। বাংলা ভাষা হল আমাদের মাতৃভাষা আর আমি মাতৃভাষা বলতে পারি বলেই অনেক গর্বিত। আমি বিভিন্ন ধরনের ছবি এবং পেইন্টিং আঁকতে খুবই পছন্দ করি। আমি প্রায় সময় বিভিন্ন ধরনের পেইন্টিং এঁকে থাকি। আবার রঙিন পেপার এবং বিভিন্ন রকমের জিনিস দিয়ে নানা ধরনের কারুকাজ তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। আবার নিজের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ছবি তুলতে খুবই ভালো লাগে। আমি চেষ্টা করি সব ধরনের জিনিস কখনো না কখনো একবার করে করার জন্য। আবার বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া মাথায় আসলে সেগুলো ও করার চেষ্টা করি।
একটি সুখের সংসার তছনছ গল্পটি প্রথম পর্ব অনেক সুন্দর ভাবে আপনি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আশা করি বাকি পর্বগুলো এর চেয়ে আরো সুন্দর করবেন।
আশায় থাকবেন সামনের পর্বের জন্য। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্য জন্য।
করিম সাহেবের জন্য অনেক বেশি খারাপ লাগলো। যাদের জন্য সাহায্য করলো তারাই এখন তাদের ক্ষতি করতে বসলো। টাকা পাওয়া সত্ত্বেও টাকা দেয়নি এমনকি উল্টো তাদের পরিবারের এসে মারধর করতেছে। বিষয়গুলো সত্যিই অনেক খারাপ লাগলো পড়ে। কিন্তু করিম সাহেবের ছেলে আসার পর তার সাথে কি হলো? এটা জানার খুবই ইচ্ছে? পরবর্তী পর্ব দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
সত্যি উপকার করলে যে উপকার হয় তার প্রমাণ করিম সাহেব। লোকটির ছেলেকে বিদেশ লেন সেটি তার বড় অপরাধ। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
একটি সুখের সংসার তছনছ হওয়ার গল্পটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। তবে করিম সাহেবের জন্য একটু খারাপ লেগেছে। যে সে যাদের কে সাহায্য করেছে তারাই তার ক্ষতি করল। ঝগড়ার মাঝখানে করিম সাহেবের ছেলে আসার পর কি ঘটলো তা জানার অপেক্ষায় রইলাম।
সন্তানের সামনে মায়ের সাথে বা বাবার সাথে কেউ ঝগড়া করলে সন্তান তো সামনে আসবে। অপেক্ষার থাকবেন সামনের পরের জন্য। মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বর্তমান সময়ে কেউ যদি কারো উপকার করে তাহলে তার প্রতিদান হয়তো এভাবেই দিয়ে থাকে। আর তাইতো করিম সাহেব ছেলেটির এত উপকার করল অথচ বিনিময়ে তারা শুধু ঝগড়াঝাঁটি আবার গায়েও হাত দিয়েছিল। এই ব্যাপারগুলা আমার কাছে মোটেই ভালো লাগেনি। করিম সাহেবের জন্য আমার খুবই খারাপ লেগেছে। যাইহোক আপু একটি সুখের সংসার তছনছ কিভাবে হয়ে গেল তা জানার জন্য অধীর আগ্রহে পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম। ধন্যবাদ
সত্যি করিম সাহেব ছেলেটিকে বিদেশ নিলেন বিনিময়ে সেই অনেক ঝগড়াঝাটি করলেন এবং তার ওয়াইফের গায়ে হাত তুললেন। সামনের পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকবে ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
আপু এই দুনিয়াতে যারা মানুষের জন্য কিছু করতে চাইবে তারাই বিপদে পড়ে। করিম সাহেব হয়তো অনেক রিকুয়েষ্ট করার পরে একটা ভিসা দিয়েছে। কিন্তু ভিসা দেওয়ার পর তার টাকা ও ঠিক মতো দিলেন না আবার বিদেশে গিয়ে করিম সাহেবের সাথে ঝগড়াঝাটি করতো। এখন এই শিক্ষা পেয়ে করিম সাহেব কি জীবনে আর কার ও উপকার করবে বলেন? ধন্যবাদ আপু, পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
ছেলেটির বাবা করিম সাহেব কে অনেক রিকোয়েস্ট করলেন। বিনিময়ে ছেলেটি বিদেশে গিয়ে করিম সাহেবের সাথে অনেক ঝগড়াঝাটি করলেন। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
কোন মানুষের উপকার করলে তার প্রতিদান এভাবে দিতে হয় তা করিম সাহেবকে দেখলে বোঝা যায়। সত্যি দুই বছরে সে করিম সাহেবের ভিসার টাকা দিতে পারলেন না সে কিভাবে পরে তার টাকা দেবেন। আশা থাকবেন পরের পর্বের জন্য ।ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
আপু গল্পটি পড়ে মনে হচ্ছে যে লাস্টের দিকটা অনেক জঘন্য হবে।এবং মানুষের উপকার করতে গেলে না নিজের উপর বিপদ চলে আসে।আসলে ওরা চাইনি করিম সাহেবের সংসারটা সুখের কাটুক।পরে পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
একটি প্রবাদ আছে উপকার করলে অপকার হয় । তবে পরের পর্বে অপেক্ষা থাকবে। আপনার মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আপু আপনার পোস্ট পড়ে খুব ভালো লেগেছে। তবে আপনার পোস্টে বানানে প্রচুর ভুল রয়েছে পড়ার সময় লাইন গুলো এলোমেলো লাগে। যাই হোক যখন কেউ সুখে শান্তিতে থাকে তখন আশেপাশের মানুষ তা সহ্য করতে পারেনা। তাই তারা সেই সংসার ভেঙে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে অশান্তি শুরু করে। আপনার এই গল্পে করিম সাহেবের সংসারের অবস্থাও ঠিক তেমনি হয়েছে। আপু গল্পের বাকি অংশ জানার অপেক্ষায় রইলাম।
ধন্যবাদ আপনাকে খুব সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ।এবং ভুলগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
গল্পটি পড়ে খুব ভালো লাগলো। এমনটাই হয় যাদের জন্য ভালো কিছু করা হয় একসময় তারাই কষ্ট দিয়ে বসে। যা মেনে নেওয়া কষ্টকর।
সত্যি দুনিয়াতে উপকার করলে তাকে পরে অনেক কষ্ট করতে হয়। ধন্যবাদ অনেক সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
যদিও বিষয়টা এখনও পরিস্কার হয় নি এই পর্বে, তবে আশা রাখছি পরের পর্বে বুঝতে পারব। কিন্তু পরিবারে যদি প্রতিনিয়ত এমন ঝগড়া চলতে থাকে তবে উঠতি ছেলেমেয়েদের মধ্যে খুব বাজে প্রভআব পরে। তিদের ভুল পথ বেছে নেওয়ার জন্য এই পরিবারগুলোই দায়ী থাকে।
ধন্যবাদ আপনাকে খুব সুন্দর মন্তব্য করার জন্য। আশা করি পরে পর্বে সম্পূর্ণ জানতে পারবেন।