ভ্রমণঃ বারোবাজার ঐতিহ্যবাহী গোড়ার মসজিদ ভ্রমণ।
🌿আমি মোঃ আশিকুর রহমান। আমি বাংলাদেশ 🇧🇩 থেকে বলছি। আমার স্টিম আইডির নাম @ayaan001।
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লার রহমতে অনেক ভালো আছি।
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ বাসি
আজকে আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আমার বাংলা ব্লগে এটাই আমার এই বিষয়ের উপর প্রথম পোস্ট। আজ আমি আপনাদের মাঝে একটি ভ্রমণ পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি।
গতকাল অফিসিয়াল কাজে আমরা বারবাজার গিয়েছিলাম গণসংযোগ টপোগ্রাফির উদ্দেশ্যে। বারবাজার পৌঁছানোর পর আমরা আমাদের কার্যক্রম শুরু করে দেয়। আমাদের কার্যক্রম শেষ হতে কয়েক ঘন্টা সময় লাগে। আমাদের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর হঠাৎ আমাদের স্যার জিজ্ঞাসা করল তোমরা কি গোড়ার মসজিদ দেখেছো। আমরা বললাম না স্যার দেখা হয়নি। তখন স্যার বলা ঠিক আছে চলো যাই তোমাদেরকে আজ গোড়ার মসজিদ দর্শন করে নিয়ে আসি। স্যারের এই কথা কথা শুনে খুবই ভালো লাগলো। সাধারণত অফিসিয়াল কাজে এসে এই ধরনের ঘুরাঘুরি করা হয় না।
মসজিদটি অবস্থিত বারবাজারের কাঁচা বাজার থেকে একটু ভিতরে। আমরা আমাদের দ্বিতীয় কল গাড়ি নিয়ে ঐতিহাসিক গোড়ার মসজিদ দেখার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। আমাদের গাড়ি নিয়ে সেখানে পৌছাতে ৫ মিনিটের মত সময় লেগেছে। হেঁটে গেলে এক মিনিট মতো সময় লাগতো। রাস্তা সরু এবং অতিরিক্ত জ্যাম হওয়ার কারণে আমাদের যেতে একটু বেশি সময় লেগেছে।
যাইহোক অবশেষে গাড়ি থেকে নেমে দেখি গেটের সামনে বড় করে লেখা আছে ঐতিহ্যবাহী গোড়ার মসজিদ। গেট দেখে বোঝা গেল আসলে মসজিদটি অনেক পুরাতন এবং সুপরিচিত একটি মসজিদ। কালীগঞ্জে আসার পর অনেকবার এই মসজিদের নাম শুনেছি কিন্তু কখনো যাওয়া হয়নি। এই প্রথম মসজিদ দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগলো।
গেইট পেরিয়েই ডান হাতে একটি পুকুর দেখতে পেলাম। ছোট বড় অনেক মাছ ভেসে বেড়াচ্ছিল। এই পুকুরকে নিয়েও একটা কাহিনী আছে। আসল কাহিনী কি সেটা আমি পরিষ্কার করে বলতে পারব না কিন্তু এখন পর্যন্ত নাকি এই পানিতে কাঁসার কোন জিনিস ফেলে দিলে তা ডুবে না গিয়ে ভেসে থাকে। তবে যতটুকু জানি ওই এলাকায় যদি কোন বিয়ের অনুষ্ঠান হতো এই পুকুর থেকে আপনা আপনি কাসার তৈরি থাল, ক্লাস,বাটি, গামলা ভেসে উঠতো। কিন্তু বিষয়টা কতটুকু সত্য আমি ঠিক বলতে পারবো না।
পুকুরপাড় পেরিয়ে একটু সামন এসে কাঙ্খিত মসজিদ দেখতে পেলাম। মসজিদ দেখার সাথে সাথে মনের ভেতর কেমন একটা প্রশান্তি কাজ করলো।
মসজিদ দেখতে অনেক বড় তা কিন্তু না। মসজিদটি চার গম্বুজ বিশিষ্ট। একটি বড় ও তিনটা ছোট গম্বুজ। মসজিদের মাঝখানে বড় গম্বুজটি অবস্থিত। পুরা গম্বুজটা মিলেই মসজিদের ছাদ। স্থানীয় লোকদের কাছে জানতে পেলাম প্রথম যখন এই মসজিদে তৈরি হয় তখন কোন ছাদ করা হয়েছিল না। পরবর্তীতে এলাকার লোকজনের মাধ্যমে মসজিদের ছাদ দেওয়া হয়েছিলো।
মসজিদের বাইরে থেকে ভেতরের অংশ যতটুকু দেখেছি ভেতরে মাত্র ৬ থেকে ৭ কাতার লোক ধরার জায়গা আছে। ভেতরের অংশটা দেখতে বেশ চমৎকার। আসলে মসজিদ মানেই তো শান্তি জায়গা মসজিদটি দেখে আমার খুবই ভালো লেগেছে। ইচ্ছা আছে একদিন হাতে সময় নিয়ে গোড়া মসজিদটি পুরোপুরিভাবে পরিদর্শন করে আসব। যেহেতু আমাদের হাতের সময় স্বল্পতা ছিল যার কারণে আমরা বেশিক্ষণ সেখানে স্থায়ী হতে পারিনি।
| পোস্টের ধরন | ভ্রমণ |
|---|---|
| পোস্টকারী | মোঃ আশিকুর রহমান |
| লোকেশন | https://w3w.co/believing.feuds.shaving |
| ডিভাইস | redmi note 11 |
| লোকেশন | কালিগঞ্জ |
@tipu curate
Upvoted 👌 (Mana: 3/8) Get profit votes with @tipU :)
আমি অনেকবার এই মসজিদের নাম শুনেছি। হামজা অনেকবার আমাকে এই মসজিদ দেখানোর জন্য নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু যাওয়া হয়নি, তবে মসজিদের ভিতরের টা বেশ সুন্দর। সরাসরি গিয়ে না দেখতে পেলেও আপনার পোষ্টের মাধ্যমে দেখতে পেয়ে বেশ ভালো লাগলো। তবে এই মসজিদটি বেশ নামকরা এবং ঐতিহ্যবাহী একটি মসজিদ।
জ্বি ভাই মসজিদটা অনেক আগেকার আর দেখতেও অনেক সুন্দর। সুযোগ করে একদিন দেখতে গেলেই হবে।