বাবার সাথে বৈশাখী মেলার যাওয়ার স্মৃতিময় গল্প// পর্ব-২
আসসালামুআলাইকুম/আদাব
আমাদের প্রত্যেকেরই জীবনে বাবার সাথে হাজারো গল্প রয়েছে। আসলে বাবার সাথে কাটানো মুহূর্তগুলোর কথা মনে করতে পেরে খুবই ভালো লাগে। ছোটবেলা বাবার কাছে কত বায়না করতাম। সেই দিনগুলো যেন স্মৃতির পাতায় জমা হয়ে রয়েছে। আর বাবার সাথে আমি বৈশাখী মেলাতে অনেক আনন্দময় মুহূর্ত উপভোগ করেছি এবং বৈশাখী মেলাতে গিয়ে বিভিন্ন রকমের খেলনা কিনে ছিলাম। স্মৃতির পাতায় সেই দিনগুলো যেন আমার এখনো ভাসে। তাই আপনাদের মাঝে স্মৃতির পাতায় বৈশাখী মেলাতে ভ্রমণ করতে যাওয়ার এই গল্পটি শেয়ার করতেছিলাম। আজকে সেই গল্পের দ্বিতীয় পর্ব আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি। আশা করছি আমার বৈশাখী মেলার গল্পের দ্বিতীয় পর্ব পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।
বাবার সাথে বৈশাখী মেলাতে এসে আমি অনেক মজা করেছিলাম। বিশেষ করে আমি একটি ঘুড়ি কিনেছিলাম। আর এই ঘুড়িটি আমার কাছে অনেক বেশি পছন্দ হয়েছিল। যার কারণে এই ঘুড়িটি কেনার পরে আমার অনেক বেশি ভালো লেগেছে। তারপরে বাবা বলল নাগর দোলায় উঠতে, আমি নাগরদোলায় সেবার প্রথম উঠলাম। আর বাবার সাথে। আসলে আমি ভেবেছিলাম নাগরদোলায় উঠে অনেক মজা করব এবং অনেক ভালো লাগবে। সকলেই নাগরদোলায় উঠেছিল তাদের নাগর দোলায় ওঠার মুহূর্তগুলো দেখতে পেয়ে আমারও খুব ইচ্ছা করতেছিল। যার কারণে আমি বাবার সাথে নাগরদোলায় উঠলাম। আর নাগরদোলা যখন চলতে শুরু করল তখন আমার বুকের ভিতর ধাক্কা লাগলো।
নাগরদোলায় ওঠার পর যখন নাগরতলা উপরের দিকে ওঠে, তখন খুবই ভালো লাগে। কিন্তু যখন নিচে নামে তখন মনে হয় আমি পড়ে যাচ্ছি এবং বুকের ভিতর কিরকম যেন একটা অনুভূতি হয়। তো আমি ভয় পেয়ে কান্না শুরু করে দিয়েছিলাম। বাবা আমাকে জড়িয়ে ধরল বললো আমি তো আছি, কোন চিন্তা নেই, তুমি পড়ে যাবা না। তারপরেও আমার অনেক বেশি ভয় লাগতেছিল। আসলে প্রথমবার নাগর দোলায় উঠলে এরকমই লাগে সকলের কাছে আমি এটা জানতে পেরেছি। আসলে নাগরদোলায় যে প্রথম উঠবে তার কাছে অবশ্যই ভয় লাগবেই।
নাগরদোলা থেকে নামলাম, নামার পরে আমি কিছুক্ষণ বসে থাকলাম। কারণ আমার অনেক বেশি ভয় হয়েছিল। তবে ধীরে ধীরে যখন নাগরদোলা শেষের দিকে, তখন আনন্দের সাথে মুহূর্তটুকু উপভোগ করেছি। তারপরে সেখান থেকে বাবা বলল যে বৈশাখী মেলার আরো ভিতরে অনেক সুন্দর সুন্দর মুহূর্ত রয়েছে। আমি বাবার সাথে বৈশাখী মেলার ভিতরে ঢুকলাম এবং ভিতরে ঢুকিয়ে দেখতে পেলাম পান্তা ভাত খাওয়ার একটা সুন্দর ব্যবস্থা। ইলিশ মাছ দিয়ে সকলেই পান্তা খাচ্ছে। আর এই পান্তা খাবার যেন বৈশাখ মেলাতেই দেখতে পাওয়া যায়। আমি প্রথম বাবার সাথে পান্তা ভাত আর ইলিশ খেয়েছিলাম। আমার অনেক বেশি ভালো লেগেছিল। কারণ তারা খুবই সুন্দরভাবে যত্ন সহকারে আমাদের খাইয়ে ছিলো।
https://twitter.com/AhmedAlif135308/status/1842264187239866833?t=YEoAFE8noSTBGcMQdCDJkA&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
অনেক ভালো লাগলো আপনার গল্প পড়ে। আসলে ছোটবেলায় আমি বেশ অনেকবার নাগর দোলনায় উঠেছি। নাগরদোলা উপরে যখন ওঠে তখন উপরের থেকে অনেক কিছু দেখা যায়। আর নিচে যখন নেমে আসে তখন দড়িগুলো চেপে ধরতাম ভয়ে। যাইহোক ঠিক তেমনি অনুভূতি আজকে আপনি প্রকাশ করেছেন। আসলে সেই ছোটবেলার অনেক অভিজ্ঞতা মনে পড়ল।
ছোটবেলায় আমিও বাবার সাথে অনেক জায়গায় ভ্রমনে যেতাম। বিশেষ করে হাটে এবং মেলাতে বাবার সাথে আমিও যেতাম। আপনি ও বাবার সাথে বৈশাখী মেলাতে গিয়ে অনেক মজা করেছেন। বিশেষ করে নাগর দোলায় ওঠার পরে আসলেই অনেক ভয় লাগে। যাই হোক তারপরে আপনারা সার্কাস দেখতে যাবেন সেই সার্কাস দেখার পরবর্তী অংশ পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।