RE: আবোল-তাবোল জীবনের গল্প [ মানুষ ও মনুষ্যত্ব ]
আপনি ঠিক বলেছেন ভাইয়া আমরা আমাদের নিজেদের বিবেককে সামনে দাঁড়াতে ভয় পাই নিজেদের আর তোকে চিনতে চাই না। আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন যতদিন না হচ্ছে ততদিন আমরা জাতিগতভাবে হোক বা আমার ব্যক্তিগত ভাবে হোক কখনো উন্নতি করতে পারব না। আপনার আবোল তাবোল গল্পটি পড়ে খুব ভালো লাগলো সত্যিই সামনে আমাদের সবথেকে বড় উৎসব কিন্তু এই উৎসবে আনন্দে আত্মহারা হয়ে থাকে কেউ বা সে আনন্দ শুধু চেয়ে চেয়ে দেখে। আমাদের সমাজে এখনো যে পরিমাণ বৈষম্য রয়ে গেছে তা কখনোই কাম্য না অন্তত যাদের ন্যূনতম মনুষ্য আছে তারা তাদের কথা ভাববে। অথচ আমাদের এই উৎসবের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে ধনী-গরিব সবাই এক কাতারে আশা। আফসোসের বিষয় হল উৎসব থেকে পালন করা হয় কিন্তু এর মহত্ত্ব পালন করা হয় না।
| একটা কথা বলি ভাইয়া গতকাল আমার এক বন্ধু পোস্ট করেছে সে টিউশন করায় , স্টুডেন্টের মা এসে বলতেছে স্যার আপনাকে এই মাসের টাকাটা দিতে পারলাম না কারণ এই মাসে আমাদের প্রায় দুই লাখ টাকার মতো ঈদের খরচ হয়ে গেছে আপনি কিছু মনে করেন না সামনে মাসে দিবে। আপনি জাস্ট একবার ভাবেন বিষয়টা। |
|---|
এই হচ্ছে আমাদের সমাজের অবস্থা। আমার কখনোই মানবতার কথা ভাবি না গরিব অসহায় দুঃখের কথা ভাবি না আমরা সবাই সবসময় আত্মচিন্তা আত্মস্বার্থ নিয়ে মগ্ন থাকি । কোথায় আমার লাভ হবে কোথায় আমার সাধ্য আছে আমরা শুধু সেখানেই ধর্ণা ধরি । কিন্তু আমরা কখনই বুঝতে চাইনা আত্মতৃপ্তি আত্ম প্রশান্তি কখনো টাকা পয়সা দিয়ে কেনা যায় না যে আপনি একজন গরিবের 10 টাকা দিয়ে পাবেন। আসলে ভাইয়া এগুলো কখনো সমাজ বা সরকার শিক্ষা দিতে পারেনা যদি মন থেকে আত্মোপলব্ধি না আসে তার মনুষ্যত্ব জাগ্রত না হয়। বৈষম্য নিয়ে আপনার কবিতাটি পড়ে খুব ভালো লাগলো সত্যি আমরা মানুষ হিসেবে বাঁচতে চাই কোন ভেদাভেদ দেখতে চাই না।
এই হলো নির্মমতা, নিষ্ঠুর বাস্তবতা! বিবেক বলতে কিছুই নেই, মানবিকতার চরম বিপর্যয় এখানে। কি বলবো সত্যি আমি নির্বাক, ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। মানুষ দিন দিন কতটা নিচে নামছে, হায়রে মানুষ!