"আমার বাংলা ব্লগ" আজকের ফিচারড আর্টিকেল - রাউন্ড #৬৭১ [ তারিখ : ০৫ - ০৬ - ২০২৫ ]
বিগত ০২ মে ২০২৩ থেকে "আমার বাংলা ব্লগের" একটা নতুন ইনিশিয়েটিভ আজকের ফিচারড আর্টিকেল চালু করা হয়। এই উদ্যোগটি এখনও অব্দি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মেই একদম নতুন ও ইউনিক । কি এই "আজকের ফিচারড আর্টিকেল" ? আসুন জেনে নেওয়া যাক ।
"আমার বাংলা ব্লগ" আজকের ফিচারড আর্টিকেল : আমার বাংলা ব্লগে প্রতিদিন নতুন নতুন আর্টিকেল পাবলিশ করা হয়ে থাকে । অলটাইম এভারেজ ১৭০ জন রাইটার এক্টিভলি আর্টিকেল লিখে চলেছেন প্রতিদিন । এত এত আর্টিকেলের মধ্যে থেকে বেছে নিয়ে প্রত্যহ ফিচারড আর্টিকেল হিসেবে একটি আর্টিকেলকে আলাদা করে পাবলিশ করা হবে আমাদের কমিউনিটির নতুন একটি একাউন্টে । যেহেতু, হুবহু অন্যদের আর্টিকেল স্টিমিটে আলাদা অন্য আর একটি একাউন্টে পাবলিশ করার নিয়ম নেই তাই আমরা ফিচারড আর্টিকেলের কিছু অংশবিশেষ নিয়ে আলোচনামূলক পোস্ট করবো । সেই সাথে থাকবে সেই সকল ফিচারড আর্টিকেলের রাইটারদের নাম, আর্টিকেলের নাম ও আর্টিকেল পোস্টের লিংক । এডিশনালি আমরা ছোট্ট একটা পিডিএফ পাবলিশ করবো প্রত্যেক মাসের প্রথম রবিবারে । এই পিডিএফ -এ থাকবে বিগত এক মাসের সবগুলি ফিচারড আর্টিকেল ।
"আমার বাংলা ব্লগ" আজকের ফিচারড আর্টিকেল রাইটার - @samsunnaharsuity
অথর সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ
অথরের নাম: আমার নাম মোছাঃ সামছুন্ নাহার সুইটি । আমি একজন বাংলাদেশী মুসলিম নাগরিক । আমি আমার মাতৃভাষা বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমার বাড়ি বাংলাদেশের রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। আমি অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ালেখা করি । আমি পড়ালেখা করার পাশাপাশি স্টিমিট প্লাটফর্মে কাজ করার জন্য যুক্ত হয়েছি । আমি গত ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে এই প্লাটফর্মের মধ্যে যুক্ত হই । এই প্লাটফর্মের মধ্যে যুক্ত হতে পেরে নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করি ।আমি ভ্রমণ করতে অনেক বেশি পছন্দ করি।সেই সাথে নতুন নতুন ফটোগ্রাফি করতে ও ইউনিক রেসিপি এবং নতুন নতুন ইউনিক ডাই তৈরি করতে বেশ পছন্দ করি । আর স্টিমিট প্ল্যাটফর্মকে আঁকড়ে ধরে ভবিষ্যতে আরো এগিয়ে যেতে চাই, এটাই আমার লক্ষ্য।
এক নজরে তাঁর বিগত সপ্তাহের পোস্টগুলি :
"আমার বাংলা ব্লগ" আজকের ফিচারড আর্টিকেল :
কচি তালের শাঁসে মিশে থাকা স্মৃতিময় বিকেলের অনুভূতি ।। by @samsunnaharsuity ( date 04.06.2025 )
অথরের পোস্টটা যখন পড়ছিলাম, তখন নিজের অজান্তেই পুরনো দিনের কথাগুলো বারবার মনে পড়ছিল। কেননা এমন শৈশব স্মৃতি আমার নিজেরও আছে। তবে আমার ক্ষেত্রে তা ঘটেছিল দাদু বাড়িতে। ছোটবেলায় আত্মীয়-স্বজন মিলে প্রায়ই তালের শাঁস খেতে যেতাম। তবে সেসব স্মৃতি এখন শুধুমাত্র অতীত।
অনেকটা দিন হলো তালের শাঁস খাওয়া হয় না, অথরের পোস্ট পড়ছিলাম আর মনে মনে যেন তালের শাঁস খাওয়ার শখ কিছুটা বেড়ে গিয়েছিল, এই ইচ্ছে অবশ্য খুব শীঘ্রই মিটিয়ে ফেলবো।
তবে এই বেলায় ছবিগুলো দেখে কিছুটা লোভ লেগে গিয়েছিল এটা নির্দ্বিধায় স্বীকার করছি, অথরের অনুভূতি ও লেখা ছিল একদম প্রাণবন্ত। বেশ ভালই লেগেছে তার অনুভূতি পড়ে। মানুষ কত স্বল্পতে খুশি হয়, সেটাই বারবার ভাবছিলাম। অথরের জন্য শুভেচ্ছা রইল, যত্নসহকারে নিজের অনুভূতি শেয়ার করার জন্য।