বাইম মাছের দোপেঁয়াজা রেসিপি
হ্যালো স্টিমিট বন্ধুরা
মাছে ভাতে বাঙালি। আমাদের দেশের নদী নালা গুলি তে অনেক ধরনের মাছ পাওয়া যায়। আমাদের দেশে দুই ধরনের মাছ পাওয়া যায়।
১.মিঠা পানির মাছ
২.সামদ্রিক মাছ
বাইম মাছ মিঠা পানির মাছ।এটি খুব সহজেই
আমাদের নদী নালা খাল বিল গুলো তে পাওয়া যায়। আমার পছন্দের তালিকায় থাকা মাছ গুলির
মধ্যে এটি একটি।
আমি আজ শেয়ার করব ।বাইম মাছের দোপেঁয়াজা রেসিপি টি।
সে সব উপকরণ গুলো দিয়ে আমি রান্না করেছি।তা
আমি উপকরনের নাম ও সঠিক পরিমাপ নিচে
চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করছি।
| নং | উপকরন | পরিমাণ |
|---|---|---|
| ১ | বাইম মাছ | ২/১কেজি |
| ২ | তেল | ২/১কাপ |
| ৩ | পিঁয়াজ কোচি | ১কাপ |
| ৪ | টমেটো | ২টা |
| ৫ | কাঁচা মরিচ | ৪/৫টা |
| ৬ | ধনিয়া পাতা | ১মোটো |
| ৭ | হলুদ,মরিচ ও ধনিয়া গুড়া | পরিমাণ মত |
| ৮ | পানি | পরিমাণ মত |
| ৯ | লবণ | পরিমাণ মত |
প্রস্তূতপ্রনালীঃ
প্রথমে মাছ গুলো ভালো মত উপড়ের চামড়া গুলি ছিলে নিতে হবে। তারপর ধোয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।
এখন চুলায় পাত্র বসিয়ে গরম হয়ে গেলে দিতে হবে, আগে থেকে মেপে রাখা সোয়াবিন তেল।এরপর গরম তেলে দিয়ে দিতে হবে পিঁয়াজ কুচি। পিঁয়াজ গুলি বাদামী হয়ে আসার পর অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে,দিতে হবে তাতে গরম তেলে গুঁড়া মসলা গুলি পুড়ে না যায়। তারপর এর মধ্যে একে একে দিয়ে দিতে হবে হলুদ, মরিচ ও ধনিয়া গুড়া।সব মসলা ভালো মত কষিয়ে এর পর দিয়ে দিতে হবে পানি ঝরিয়ে রাখা বাইম মাছ গুলি। এই রেসিপির মূল উপকরন বাইম মাছ,সাথে পরিমাণ মত লবণ।
মাছ গুলো ভালো মত সিদ্ধ হওয়ার জন্য দিতে হবে এক কাপ পরিমান পানি। বেশি পানির প্রয়োজন নেই,কারন বাইম মাছের দোপেঁয়াজা মাখা মাখা ঝুল থাকলে ,খেতে অসাধারন লাগে।মাছ গুলো সিদ্ধ হয়ে গেলে দিয়ে দিতে হবে কেটে রাখা টমেটো 🍅 টুকরো গুলো।
টমেটো একটু টক জাতীয় সবজি তাই মাছ সিদ্ধ হ ওয়ার পর দিয়েই ভালো।তা না হলে মাছ গুলো একটু (ঝিংরে)বা একটু শক্ত হয়ে যায়। সবশেষে ঢেকে রান্না করতে হবে ২০মিঃ মত।
মাছের গায়ের ঝুল যখন লেগে যাবে তখন চুলা বন্ধ করে দিয়ে দিতে হবে কুচি ধনেপাতা। ধনেপাতা কুচি দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ পাত্রের ঢাকনা না খুলা ই ভালো,তাতে ধনেপাতার গন্ধটা পরো তরকারির মধ্যে ভালো মত লাগে।
লবণ হয়েছে কিনা তা দেখে নিতে হবে। নামানোর আগে।
এখন সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশনের পালা।
কথায় আছে না,আগে দর্শন দারি,তারপর গুন বিচারি।
আমি পরিবেশনের জন্য নিয়েছি একটি মাঝারি সাইজের চিতনা বাটি । তারপর ঢেলে দিয়েছি রান্না করা বাইম মাছের দোপেঁয়াজা।পরে বাসায় থাকা একটি টমেটো 🍅 খোসা ছাড়িয়ে নিয়েছি
গোলাপ ফুল বানানো জন্য।
আর একটি পিঁয়াজ গোল গোল করে কেটে নিয়ে রিং এর মতো
বের করে উপরে জড়িয়ে দিয়েছি।দেখার সৌন্দর্যের জন্য।পাশে লেবুর খোসা কে পাতার মত করে কেটে গোলাপ এর পাশে বসিয়ে দিয়েছি।
দোপেঁয়াজা শুধু পিঁয়াজ কুচি দিয়ে ও করা যায়। আমি টমেটো দিয়েছি এর স্বাদ বাড়ানোর জন্য।না দিলেও কোন সমস্যা নেই।
বিদায়
@sairazerin
Bangladesh
বাইম মাছ খেতেও অনেক সুস্বাদু আর বাইম মাছের শুটকিও খেতে অনেক সুস্বাদু ৷ সাধারনত বাইম মাছ অনেক পিছল খুব সহজে এদের ধরা যায় না ৷ এরা কাদার নিচে থাকে সবসময় ৷ কাদার ভিতর ঢুকে গেলে এদের বের করা তেমন সহজ হয় না ৷ আর আপনার বাইম মাছের রেসিপি টাও অনেক সুন্দর হয়েছে ৷
ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷
@yoyopk ভাইয়া আপনি ঠিক বলেছেন। বাইম মাছ ধরা খুব কষ্ট সাধ্য ব্যাপার। কিন্তূ বাইম শুঁটকি ও বাইম মাছ খেতে অসাধারন লাগে। ভাইয়া আপনার জন্য শুভকামনা রইল। ভালো থাকবেন।
বাইম মাছ আমি নিজে অনেক বেশি পছন্দ করি। আজকে আপনি টমেটো কাঁচা মরিচ পেঁয়াজ দিয়ে যেভাবে বাইম মাছ রান্না করেছেন। দেখেই লোভ লেগে গেল।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে,, বাইম রেসিপি আমাদের সাথে এত সুন্দর ভাবে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। ভাল থাকবেন। অবশ্যই চেষ্টা করব এভাবেই,,, বাইম মাছ রান্না করে খাওয়ার জন্য।
@rubina203 আপু আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্ট টি সময় ও ধৈর্য্য নিয়ে পড়ে এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য। ভালো থাকবেন আপু।
আপনি যেটাকে বাইম মাছ বলেছেন আমাদের এলাকায় লোকালি এটাকে গচি মাছ বলে। এই মাছ ধরাটা অনেক কঠিন। কারণ এর গা অনেক পিচ্ছিল। তবে আপনার রান্নার রেসিপিটা দারুণ ছিল। দেখেই মনে হচ্ছে অনেক মজা হয়েছে। ধন্যবাদ এত সুন্দর রেসিপি শেয়ার করবার জন্যে।
@mukitsalafi ভাইয়া আসলেই বাইম ধরা কঠিন কাজ।কিন্তূ এর অসাধারণ।হ্যা রেসিপি টি
অনেক মজা হয়েছিল। সবাই খুব তৃপ্তি সহকারে খেয়েছ।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন ভাইয়া।
আজকে আপনি বাইম মাছের রেসিপি পোস্ট করেছেন, এবং সকল উপকরণ গুলো খুব সুন্দর ভাবে বলে দিয়েছে।
আজকে আপনি বাইম মাছ টমেটো পিয়াজ দিয়ে রান্না করেছেন এবং আপনার রান্নার কালারটি অনেক সুন্দর হয়েছে।
আপনাকে ধন্যবাদ জানাই এত সুন্দর একটি রেসিপি পোস্ট করার জন্য।
বাইম মাছে আমার অনেক প্রিয় একটি মাস। আমরা জানি যেবাইম মাছ মিঠা পানির মাছ।এটি খুব সহজেই
আমাদের নদী নালা খাল বিল গুলো তে পাওয়া যায়। বাইম মাছের দোপেঁয়াজা রেসিপি ভালোভাবে বুঝতে মানা করছেন লেখাটি পড়ার পর বুঝলাম আমরাও খুব সহজে এই রেসিপিটি তৈরি করতে পারব। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দুর্দান্ত একটি রেসিপি পোস্ট উপস্থাপনা করছেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল ভালো থাকবেন।
@mdsahin111ভাইয়া আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। খুব ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য কি দেখে। ভালো থাকবেন সবসময়।
বাইম মাছ খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। তবে আপনি যে বাইম মাছের দোপেঁয়াজা করেছেন সেটা দেখতে অনেকটাই লোভনীয় হয়েছে। আশা করি খেতেও অনেক বেশি সুস্বাদু হবে।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ভালো থাকবেন।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। পোস্ট টি তে এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য। আপনাদের সাপোর্ট আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা যোগায়। ভালো থাকবেন আপু।
লোভনীয় একটি রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন দেখে মনে হলো এখনই আপনার বাসায় চলে আসি যাই হোক বাইম মাছ আমাদের কম বেশি অনেক মানুষের পছন্দের একটি মাছ এবং এই মাছ খেতে অনেক ভালো লাগে। খুব সুন্দর করে সাজিয়ে রেসিপিটি আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করার জন্য ধন্যবাদ।