RE: আমার প্রতিবেশি, মধুমালা দিদির জীবন কাহিনী
দিদি আপনার পোস্ট পড়তে যেয়ে আমার চোখ দিয়ে পানি পড়তেছিল। একজন মা পাঁচটা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন কিন্তু তার একটা সন্তানরা তার দায়িত্ব নিতে পারছে না। যে ছেলেদের জন্য রক্ত বিক্রি করে চিকিৎসা করেছে আর সেই ছেলেরা তার মায়ের খোঁজ খবর রাখে না।
এরকম সন্তানদের ধিক্কার জানাই যারা তার আপন মায়ের দায়িত্ব নিতে পারে না। দুই বেলা খাবার দেওয়ার ভয় করে। আপনার ছবি দেখেই বোঝা যাচ্ছে তিনি কতটা কষ্টে আছে। একজন মানুষ এমনি এমনি কখনো তার চোখে পানি আসে না! যখন সে কষ্ট সহ্য করতে করতে আর সইতে পারে না! ঠিক তখনই তার চোখ দিয়ে পানি ঝরে।
আপনি তার সব কষ্ট শুনেছেন, এবং তাকে সান্তনা দিয়েছেন সেটি শুনে অনেক ভালো লাগলো। সমাজ এরকম অনেক ছেলে আছে! তারা তার মাকে সহ্য করতে পারে না দায়িত্ব নেয় না। তারা ভুলে যায় যখন সে ছোট ছিল তার মা তার জন্য কত কষ্ট করেছে।
এতো মর্মান্তিক একটি ঘটনা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা কমেন্ট করার জন্য।
সত্যি ঘটনা খুব কষ্ট দায়ক,
আপনার জন্য রইল অনেক অনেক শুভকামনা
আপু আপনি আপনার পোস্টে মধুমালার জীবন কাহিনী খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন ।সত্যিই খুব বেদনাদায়ক ঘটনা। আপনার পোস্টটি পড়ে আমার চোখেও জল চলে এসেছে। প্রতিটা সন্তানের উচিত তার বাবা-মাকে সুখে রাখা ভালো রাখা এবং ম্মান করা। মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের স্বর্গ। বাবা মাকে সন্তুষ্ট রাখলে ঈশ্বর ও সন্তুষ্ট থাকেন। প্রতিটা সন্তানের প্রধান এবং মহান কাজ হচ্ছে তার বাবা-মাকে সম্মান এবং সুখে রাখা। আপু আপনার জন্য শুভকামনা রইল। ভাল থাকবেন।