RE: ছোটো গল্প #২ – মদনবাবুর কিপ্টেমি
আসলে আমরা এই ধরনের মানুষগুলোকে একটু আড় চোখে দেখে থাকি। এবং মনে মনে চিন্তা করি হয়তোবা তারা একটু কিপ্টামি স্বভাবের। কিন্তু আমরা যদি একটু ভালোভাবে দেখি তাহলে আমরা বুঝতে পারবো। তারা আসলে অতিরিক্ত খরচ করতে চায় না। সেই টাকাটা ভালো কাজে এবং নিজেদের দুঃসময় ব্যবহার করতে চায়।
প্রথমত আমি আপনার গল্পটা যখন পড়ছিলাম তখন নিজে নিজেই হাসছিলাম। আর ভাবছিলাম একটা মানুষ কিভাবে এত কিপ্টামি করে থাকে
কিন্তু পরবর্তীতে যখন উনার মেয়ে এবং মেয়ের জামাই বাসায় আসলো এরপর ওনার গোমড়া মুখো চরিত্রটা দেখে আরো বেশি খারাপ লাগলো। কেননা মেয়ে জামাই আসলে সব সময় শ্বশুর-শাশুড়ি অনেক বেশি খুশি হয়ে থাকে। কিন্তু উনার অনেক বেশি টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে, এটা ভেবে উনি মন খারাপ করে বসে আছেন।
পরবর্তীতে যখন উনি খাম খুলে জানতে পারলেন, উনাদের দুইজনের জন্য ইউরোপ ভ্রমণ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে উনার জামাই সেটা নিজেই এরেঞ্জ করেছে। ওটা জানতে পেরে উনি অনেক বেশি খুশি হয়েছেন। এবং নিজের মেয়ে এবং জামাইকে কাছে পাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। আসলে শেষ বয়সে বাবা-মা যদি তাদের মেয়ে কিংবা ছেলের কাছ থেকে এরকম একটা গিফট পেয়ে থাকে। তাহলে আমার কাছে মনে হয় অনেক বেশি মূল্যবান। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটা গল্প আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। ভালো থাকবেন।
মিতব্যায়ী হওয়া ভালো কিন্তু মদনবাবুর মত হাড়কিপটে হওয়া কখনোই ভালো নয়। তাও ভালো যে গল্পের শেষে এসে উনি নিজের ভুল বুঝতে পারেন এবং মেয়ে ও জামাইয়ের কাছে মনে মনে ক্ষমা চান। আমার গল্প পড়ে আপনার মূল্যবান মতামত প্রকাশ করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।