"কিছু মানুষের কাছ থেকে নিজেকে আড়াল করে রাখা দরকার!"

in Incredible India2 years ago
pexels-photo-1835927.jpeg

Image source

সবাইকে আরো নতুন আরেকটা দিনের শুভেচ্ছা, আজকে আমি আপনাদের সাথে যে কথাগুলো শেয়ার করব। আমি আশা করছি সেই কথাগুলো আপনাদের জীবন সাজাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই সবার কাছেই অনুরোধ করবো, একটু সময় নিয়ে আমার লেখাটা পড়ে দেখবেন।

আমি অনেক ভাবেই ভেবে দেখেছি, আমরা বেশিরভাগ সময়ে আমাদের নিজেদেরকে কষ্ট দেয়ার জন্য অন্য একজন মানুষকে সুযোগ করে দেই। হঠাৎ করেই কোন একজন মানুষকে অনেক বেশি বিশ্বাস করি। সেই লোকটা সম্পর্কে কিছু না জেনে না বুঝে, তার উপর অনেক আশা ভরসা করে ফেলি।

হঠাৎ করেই যখন সে মানুষটা আমাদের আশা ভরসা সবকিছু ভেঙে দিয়ে চলে যায়। তখন আমরা ভেতর থেকে খুব বাজেভাবে ভেঙ্গে পড়ি। এরপর আর কাউকে বিশ্বাস করার মত শক্তি আমাদের মধ্যে থাকে না। একা একাই কষ্টে পেতে থাকি একা একাই বসবাস করতে শুরু করি।

একটু চিন্তা করে দেখলাম, কিছু কিছু সময় আমরা নিজেরাই নিজেদেরকে অবহেলা করি। আমরা নিজেরা ভাবতে শুরু করি, সব সময় মনে হয় চুপচাপ থাকলে আমাদের সম্পর্কগুলো টিকে থাকবে।

তাই সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটা আমাদের এবং আমাদের সম্মানের উপর যতটাই আঘাত করুক না কেন? আমরা তখন কিছুই বলি না, চুপচাপ সব অন্যায় সহ্য করে বসে থাকি। আর এভাবেই আমরা নিজেরা নিজেদের চোখে নিজেদেরকে ছোট করে রাখি। নিজের সম্মানটুকু নষ্ট করে হলেও, একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করি।

কিন্তু আমরা মাঝে মাঝে এটাই ভুলে যাই যে, একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য, কম বেশি দুইজন মানুষকে চেষ্টা করতে হয়। কোন একটা জায়গা থেকে একজন হাজারো চেষ্টা করলেও, সেই সম্পর্ক কখনো টিকিয়ে রাখা যায় না। কিন্তু সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেষ্টা কেনই বা করতে হবে। যেখানে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান, ভালোবাসা থাকবে, সেখানে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চিন্তা তো মাথায় আসার কথা না।

যদি কখনো এমন কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যদি কখনো আপনার মনে হয়, ওই মানুষটার সাথে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব না। তখন বুঝে নিতে হবে, আপনার সাথে থাকা মানুষটা হয়তোবা আপনাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করছে না। আর নয়তোবা আপনি তাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করছেন না।

pexels-photo-214576.jpeg

Image source

আপনি যদি আপনার জীবনে এমন কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। তাহলে আজকের লেখাটা আপনার জন্য। আমি আজকে আপনাদের সাথে এমন কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করার চেষ্টা করব। যে পয়েন্ট গুলো পড়ার পরে, আপনি এই সমস্যা গুলো থেকে কিছুটা হলেও বের হয়ে আসতে পারবেন।

দেখুন সর্ব প্রথমেই আপনাকে একটা কাজ করতে হবে। সেটা হচ্ছে আপনার নিজের সময়টাকে, আপনি নিজে মূল্যায়ন করতে হবে। এবার চলুন আমি আপনাকে ছোট্ট একটা উদাহরণ দেই।

ধরুন আপনি একজন মানুষকে, ফেসবুকে অনলাইনে দেখে তাকে একটা এসএমএস করলেন। কিন্তু দেখা গেল যে মানুষটাকে আপনি এসএমএস করেছেন। সে মানুষটা আপনার এসএমএস এর উত্তর দেয়া তো দূরের কথা, সে আপনার এসএমএসটা একবার দেখার প্রয়োজন মনে করেনি। এখান থেকে আপনি কি বুঝতে পেরেছেন, এখান থেকে আমি বুঝতে পেরেছি, সে আপনার সময়ের সঠিক মূল্যায়ন করছে না। এই ধরনের মানুষের কাছ থেকে সব সময় দূরত্ব বজায় রাখুন।

কারণ এ ধরনের মানুষ কখনোই আপনার কথা বা কাজের কোন গুরুত্ব দেবে না। এরপরেও যদি আপনি ওই মানুষটার মেসেজের উত্তর পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন। তাহলে আমি বলব আপনি নিজেই, আপনার সময়ের মূল্যায়ন করতে জানেন না।

আচ্ছা ঠিক আছে আমি ধরে নিলাম, সে মানুষটা হয়তোবা একদিন, দুইদিন, তিনদিন, কিছু একটা কাজে ব্যস্ত ছিলেন ,যার কারণে সে মানুষটা আপনার এসএমএস এর উত্তর দিতে পারছে না। কিন্তু প্রতিনিয়ত যদি সে আপনাকে অবহেলা করে। তাহলে তার সাথে দূরত্ব বাড়িয়ে নেয়ার আগে, আপনাকে অবশ্যই তার সাথে সরাসরি কথা বলে নেয়া ভালো। আপনি যদি আপনার সময়ের মূল্যায়ন করতে না পারেন। তাহলে অন্য যে কেউই হোক না কেন? সে কখনোই আপনার সময়ের মূল্যায়ন করবে না।

আমাদের জীবনে দেখবেন, এমন কিছু মানুষের সাথে আমাদের পরিচয় হয়! যারা কিনা শুধুমাত্র আমাদের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, কিন্তু আমাদেরকে পাল্টা কোন প্রশ্ন করে না। মাঝে মাঝে দেখা যায়, আমরা সেই মানুষটার বিষয়ে জানার জন্য খুব আগ্রহ প্রকাশ করি, কিন্তু একটু লক্ষ্য করে দেখবেন। সে মানুষটা কখনোই আপনার বিষয়ে জানার জন্য, আগ্রহ প্রকাশ করে না।

pexels-photo-601170.jpeg

Image source

এরকম পরিস্থিতিতে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত,নিজেদেরকে খানিকটা সময় থামিয়ে রাখা, চুপচাপ থাকা। একটু চুপচাপ থেকে আমাদেরকে বোঝার চেষ্টা করা উচিত। আমরা যে মানুষটার সাথে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য চেষ্টা করছি। সে মানুষটা আদৌ কি আমাদের সাথে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চায়।

এছাড়াও দেখবেন, আরো এক ধরনের মানুষ আছে। যারা খুব সংক্ষিপ্তভাবে কথা বলে। আমরা তাদেরকে যে ধরনের কথাই বলি না কেন? তারা সবসময় এক কথায় আমাদের প্রত্যেকটা প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেয়।

pexels-photo-853151.jpeg

Image source

মাঝে মাঝে একটু লক্ষ করে দেখবেন, আমরা যে মানুষটাকে অনেক বেশি গুরুত্ব দেই! যে মানুষের সাথে কথা বলতে আমাদের অনেক বেশি ভালো লাগে! সেই মানুষটার সাথে কিন্তু আমরা অনেক বেশি কথা বলি।

এতে করে দেখা যায়, ওই মানুষটার সাথে আমাদের কনভারসেশন অনেক বড় হতে থাকে। ওই মানুষটার সাথে আমাদের সম্পর্ক গভীর হতে থাকে। আমাদের কথা বলার সময় একটু লক্ষ্য রাখা উচিত! আমরা যে মানুষটার সাথে কথা বলছি! সে মানুষটা আদৌ আমাদের সাথে কথা বলতে আগ্রহী কিনা।

এবার চলুন এমন কিছু মানুষের কথা বলি, যারা কিনা সব সময় আমাদেরকে ব্যবহার করে। যখন ওই মানুষটার আমাদের প্রয়োজন হয়, তখনই কিন্তু সেই মানুষটা আমাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে। অনেক বার কল করে অনেকবার মেসেজ করে, খুব টেকনিক্যালভাবে ওই মানুষ গুলো আমাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে, আমরা তাদের অনেক কাছের একজন মানুষ। আমরা খুব ভালো মানুষ, আমাদেরকে ছাড়া তার কোন কাজ সম্পন্ন করা মোটেও সম্ভব নয়।

শুধুমাত্র আপনিই পারেন, তাকে ভালো একটা জায়গায় নিয়ে যেতে। আপনি ছাড়া তাকে কেউ সঠিকভাবে কোন জায়গায় পৌঁছে দিতে পারবে না। আর এভাবেই সেই মানুষগুলো আমাদের কাছ থেকে তার কাজটা করিয়ে নিয়ে, টুক করে কেটে পড়ে। যেটা আমরা কখনো কল্পনাও করি না। ঠিক তার কয়েকদিন পরে এসে আপনার সাথে এমন একটা ভাব নেবে, আপনার মনে হবে, সে আপনাকে কখনো চেনেনা, সে আপনার সাথে কখনো কথাই বলেনি।

আর তাই আমি আপনাদেরকে বলবো, এই ধরনের মানুষ গুলোকে খুব ভালো করে চিনে রাখবেন। এই মানুষ গুলোর কথা কখনো ভুলে যাবেন না। এই মানুষ গুলো আপনার সাথে শেষ সময়টাতে কি করেছে, সেটা সব সময় মনে রাখার চেষ্টা করবেন। যতদূর পারবেন ওই মানুষ কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখার গুলোর চেষ্টা করবেন। ভবিষ্যতে কখনো, এই মানুষ গুলোর সাহায্য করা থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন।

আমার কাছে মনে হয়, এই মানুষ গুলোর চরিত্র বিষাক্ত সাপের মতো। এর কারণটা কি জানেন, ধরুন আপনি একটা বিষাক্ত সাপকে প্রতিদিন দুধ খাওয়ান অনেক আদর করেন। আপনি যখনই তাকে দুধ পান করতে দেবেন সে খুব সুন্দর ভাবে দুধ পান করবে। একদিন আপনি তাকে দুধ না দিয়ে, যখন তাকে একটু আদর করতে যাবেন। তখনই দেখবেন সেই সাপটা আপনাকে ছোবল মেরে বসবে।

কারণ ওই সাপটি এতদিন পর্যন্ত আপনার দেয়া দুধ টুকুই চিনেছে, ঠিক ওই মানুষ গুলো,, নিজের স্বার্থটাকেই খুব ভালো করে চিনে। স্বার্থ শেষ হয়ে গেলে আপনাকে ভুলে যেতে, এক মুহূর্ত চিন্তা করবে না। নিজের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য, আপনাকে বিপদে ফেলে দিতেও এক মুহূর্ত ভাববে না।

এর পরবর্তীতে কিছু মানুষ রয়েছে, যাদের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যারা অনেক বেশি ভাব নিয়ে চলাফেরা করে। এরা ঠিক তখনই আপনার সাথে কথা বলবে, যখন তাদের মুড ভালো থাকবে। আর যখনই তাদের মুড খারাপ থাকবে, তখনই তারা আপনাকে মানসিকভাবে কষ্ট দিবে। আর এই মানুষ গুলোর কারণে আপনি আপনার কাজের প্রতি সঠিকভাবে ফোকাস করতে পারবেন না।

pexels-photo-1709003.jpeg

Image source

আপনি সবকিছুই ভুলে যেতে শুরু করবেন। হঠাৎ করেই কথা বলতে বলতে মানুষের সাথে রেগে যাবেন। আর তাই আমি বলব, এ ধরনের মানুষের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন।

এবার আমি আপনাদের সাথে এমন কিছু ভয়ংকর মানুষদের নিয়ে কথা বলব। যারা আমাদের জীবনে অনেক বেশি ভয়ংকর। যে মানুষ গুলো আপনাকে নিয়ে সবসময় মজা করবে। কিন্তু আপনি যে ভাল কাজ গুলো করছেন। সেগুলোর কথা কখনো কাউকে বলবেনা। আপনার সব ধরনের কাজ নিয়ে সব সময় এরা উপহাস করবে। কিন্তু কখনোই আপনাকে সম্মান করবে না।

এই ধরনের মানুষ গুলো কখনোই আপনাকে সামনে এগিয়ে যেতে দেবে না। যখনি আপনি তাদের থেকে ভালো কিছু করতে শুরু করবেন,, ঠিক তখন এরাই আপনাকে বাধা দেবে। আপনি তাদের থেকে অনেক ভাল একটা জায়গায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। এটা যদি তারা জানতে পারে, তাহলে তারা আগের থেকেও আপনাকে নিয়ে অনেক বেশি হাসাহাসি করবে। আগের থেকেও অনেক বেশি তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে কথা বলা শুরু করবে।

এই ধরনের মানুষ গুলো সব সময় আমাদের সফলতার কথা শুনলেই ভয় পায়। এরা সব সময় এই কারণে ভয় পায়, আপনি তাদের থেকেও অনেক বেশি সাফল্য অর্জন করে ফেলেছেন না তো? আপনি তাদের থেকে অনেক বেশি টাকা উপার্জন করে ফেলেছেন না তো? আপনাকে মানুষ তার থেকেও অনেক বেশি সম্মান করছে না তো? আপনি তার থেকেও অনেক বেশি সুখী জীবনযাপন করছেন না তো?

pexels-photo-1472334.jpeg

Image source

হ্যাঁ এসব কারণেই এরা কখনোই আপনাকে ভালো কথা বলবে না। আপনি যে একটা ভালো কাজ করছেন! সেটাও আপনাকে কখনোই বলবে না! বরঞ্চ আপনাকে নিয়ে মজা করার চেষ্টা করবে! সবার সামনে কিভাবে আপনাকে অপমান করা যায়, সেই প্রতীক্ষায় থাকবে। এই মানুষগুলো সব সময় আপনাকে এটাই বোঝানোর চেষ্টা করবে। আপনি একটা অপদার্থ। আপনাকে দিয়ে কখনোই কিছু হবে না। আপনি কিছু না করে চুপচাপ বসে থাকাই ভালো।

যাতে করে আপনি হতাশ হয়ে যান এবং আপনি যে কাজে হাত দিয়েছেন। সে কাজগুলো কখনোই করতে না পারেন। তাই আপনাদের সবাইকে বলবো। এসব ধরনের মানুষের মুখের কথা গুলোকে কখনোই আপনার মনে প্রবেশ করতে দেবেন না। এই কথা গুলো কে শুনেও না শোনার ভান করে, চুপচাপ ওখান থেকে চলে যাবেন।

হাতির মতো নিজের কাজ এবং নিজের জীবনের প্রতি গুরুত্ব দিন। কারণ একটা হাতির পেছনে যখন কুকুর এসে ঘেউ ঘেউ করে। তখন কিন্তু সে কখনোই পিছনে ফিরে তাকায় না।

আমার অভিমত

আমি আশা করব আমার আজকের এই কথাগুলো, যদি আপনার জীবনে আপনি মেনে চলতে পারেন। তাহলে আপনার জীবনে, আপনাকে কেউ কষ্ট দিতে পারবে না। কথাগুলো যদি আপনার জীবনে একটু হলেও হেল্প করে থাকে, তাহলে অবশ্যই আপনার অভিমত জানাতে ভুলবেন না। সবার সুস্থতা কামনা করে আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আল্লাহ হাফেজ।

Sort:  

Thank you, friend!
I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
image.png
please click it!
image.png
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)

The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.

 2 years ago 

আপনাকে ধন্যবাদ না জানিয়ে পারছি না, আপনি আজ খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। আপু, সত্যি বলতে বিশ্বাস শব্দটা অনেক বেশি সস্তা হয়ে গিয়েছে বর্তমানে। আমরা বিশ্বাস করে একটা মানুষকে অনেক বেশি প্রাধান্য দেওয়ার পর যখন সেই মানুষটা আমাদের বিশ্বাস ভাঙতে একবার ভাবে না, তখন নিজেকে অসহায় মনে হয়। তাই মানুষকে যাচাই বাছাই করেই ভরসা করা উচিত।

আবারও আপনাকে অনেক বেশি ধন্যবাদ সুন্দর পোস্ট উপহার দেওয়ার জন্য।ভালো থাকবেন।।

Posted using SteemPro Mobile

Loading...
 2 years ago 

ভীষণ ভীষণ ভালো লেগেছে পোস্টটি পড়ে ধন্যবাদ আপনাকে,
একদম ঠিক আমাদের জীবনে এমন মানুষ আছে যাদের থেকে নিজেকে দূরে রাখাই ভালো।

পোস্টটা পড়তে গিয়ে আমার বেশ পুরনো দিনের একটা কথা মনে পড়ে গেল,,, ধন্যবাদ আপনাকে।

 2 years ago 

মানুষকে আমার পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ভয়ংকর জীব বলে মনে হয়। মানুষ একই সাথে ভালো আবার একই সাথে খারাপ।
সাপের মত খোলস পাল্টাতে মানুষের এক মিনিটও সময় লাগে না। আর এদের মত অভিনয় অন্য কোন জীব করতে পারে না।

যে কোন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য দুই পক্ষেরই চেষ্টা থাকা উচিত। আমরা অনেক সময় সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য অনেক বেশি ছাড় দেই, তোমাকে নিজের থেকেও তাকাই না। আর এটার সুযোগ নেয় অপর পক্ষে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ।

কখনো কখনো সেই মানুষটা আমাদেরকে মানুষ হিসেবে নূন্যতম সম্মান দেখাতেও দ্বিধাবোধ করে, এমনকি অন্য মানুষের সঙ্গে ছোট করে কিংবা অপমান করে।
এদের কাছ থেকে যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। ধন্যবাদ। সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে লেখার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন সবসময়।

Posted using SteemPro Mobile

 2 years ago 

আপু আপনার লিখনিতে বাস্তবার ছাপ স্পষ্ট হয়েছে। সম্পর্কের মূল হলো বিশ্বাস। তবে বিশ্বাস ভেঙ্গে গেলে সত্যি আর করার কিছুই থাকে না। তবুও মানুষকে বিশ্বাস করতে হয়। কেননা বিশ্বাস না করলে আপনি এই পৃথিবীতে এক মহুর্তের জন্যও টিকে থাকতে পারবেন না। জীবনে চলতে গেলে কাউকে না কাউকে বিশ্বাস করতেই হয়।

আমি আমার স্ত্রীকে অনেক বিশ্বাস করি। সেও আমাকে বিশ্বাস করে। সব মিলিয়ে ভালোই চলছে। আল্লাহর কাছে চাইবো এই বিশ্বাস যেন কখনো অবিশ্বাসে পরিণত না হয়। দোয়া করবেন আমাদের জন্য।

 2 years ago 

আমি জীবনে একটা জিনিস শিখেছি আপনি যাকে যত বেশি গুরুত্ব দিবেন সে আপনাকে তত অবহেলা করতে শুরু করবে।। মানুষ এমন একটা জীব যে সুন্দরভাবে অভিনয় করে মানুষকে কষ্ট দিতে পারে।। আজকে আপনি খুবই চমৎকার একটি বিষয় নিয়ে পোস্ট করেছেন এখানে অনেক কিছু শেখার রয়েছে।।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.085
BTC 60738.44
ETH 1602.69
USDT 1.00
SBD 0.42