আমার ছোট বোনের ছেলের কিছু সমস্যা

in Incredible India2 years ago

নমস্কার বন্ধুরা, আশা করি সবাই ভাল আছেন। সবাইকে জানাই শুভ দীপাবলীর অগ্রিম শুভেচ্ছা।

আজ আমি আপনাদের কাছে একটি পরামর্শ নেওয়ার জন্য আমার লেখাটি লিখছি। আমি আগেই বলেছি আমি আর আমার মা বাড়িতে থাকি। কিন্তু আমার ছোট বোনের একটি ছোট মেয়ে হওয়ায় ও ওর ছেলে ও মেয়ে নিয়ে এখন আপাতত এখানেই আছে। কারণ ওর ছেলে কৃষ্ণনগরের একটি স্কুলে পড়ে। ওর বাড়ি থেকে আসা-যাওয়ার অসুবিধা, তাই আপাতত ওরা এখানেই আছে। আমার ছোট বোনের মেয়েটির বয়স ৯ মাস ও ছেলেটির বয়স ৭ বছর।

এখন সমস্যা হল যে আমার ছোট বোনের মেয়েটি হওয়ার পর থেকে ওর ছেলেটি আর পড়াশোনা করতে চায় না এবং খুব দুষ্টুমি করে। মাঝে মাঝে ওর ছোট্ট বোন টিকেও মাড়ে। ওর বোনকে কোন ভালো জিনিস দিলে ও সেই জিনিসটি কেড়ে করে নিয়ে নেয় এবং অভিযোগ করে যে বোনকে কেন কিছু কিনে দেওয়া হয়েছে।

গত দু সপ্তাহ ধরে ওর মধ্যে আরও কিছু পরিবর্তন হয়েছে।ও এতদিন পর্যন্ত শুধু বোনকেই মারছিল কিন্তু এখন বাড়ির বড়দের গায়েও হাত তোলা শুরু করেছে। এছাড়া ও ভীষণ উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছে। বাড়ির জিনিসপত্র ভাঙচুর করছে। আজ তো ও আমার মায়ের গায়ে হাত দিয়েছে।আমরা ওকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছি ও যা চাইছে তাই করছি। যেহেতু আমরাও একটি স্কুলের সঙ্গে যুক্ত তাই বাচ্চার মন কি চায় সেই মতোই আমরা চলার চেষ্টা করছি। কিন্তু তা সত্ত্বেও ওর মধ্যে কোন পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি না। সাময়িক সময়ের জন্য শান্ত থাকলেও মাঝে মাঝেই ও খুবই দুষ্টুমি করছে ।

এই সমস্যার জন্য কি কোন ডাক্তার দেখানো উচিত বা কি করা উচিত আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না। তাই আমি ভাবলাম আমাদের এই স্টিমিট পরিবারে অনেক সদস্য আছেন যাদের বাড়িতেও ছোট বাচ্চা আছে এবং হয়তো আপনারা আমাকে এ বিষয়ে সাহায্য করতে পারবেন। যদি দয়া করে আমাকে এ বিষয়ে কিছু তথ্য দেন তবে আমি আমার বাড়ির বাচ্চাটিকে আবার স্বাভাবিক করে তুলতে পারবো।
ও যে শুধুমাত্র পড়াশোনা করতে চাইছে না তা নয় ।ও আঁকা ,গান ,আবৃত্তি ,কোন কিছুই করতে চাইছে না । যেগুলি ও একসময় খুবই পছন্দ করত। কিন্তু এখন ও শুধুমাত্র ফোন দেখে বা খেলা করে সময় কাটিয়ে দিতে চাইছে ।
এখন ও স্কুলেও যেতে চাইছে না ।কিছু বললে ওর মাকে বলে আমি স্কুলে পড়বো না। সব বিষয়েই ওর যেন আগ্রহটা একেবারেই কমে গিয়েছে। গতকাল আপনারা দেখেছেন আমি ওকে নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলাম যাতে ওর মনটাও ভালো হয়ে যায়। ওর হাতের লেখা বা ওর হাতে আঁকা কিছু ছবি আমি আপনাদের দেখাচ্ছি তার সাথে ওর ও ওর বোনের ছবি ও আপনাদের দেখাচ্ছে।
দয়া করে আপনাদের কাছে আমার একান্ত অনুরোধ এ বিষয়ে আমাকে একটু সাহায্য করুন । আমরা কি করলে ও আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে সে বিষয়ে একটু পরামর্শ দিন। বাচ্চাটিকে নিয়ে আমরা খুবই চিন্তিত আছি।
নমস্কার বন্ধুরা, আশা করি সবাই ভাল আছেন। সবাইকে জানাই শুভ দীপাবলীর অগ্রিম শুভেচ্ছা।

আজ আমি আপনাদের কাছে একটি পরামর্শ নেওয়ার জন্য আমার লেখাটি লিখছি। আমি আগেই বলেছি আমি আর আমার মা বাড়িতে থাকি। কিন্তু আমার ছোট বোনের একটি ছোট মেয়ে হওয়ায় ও ওর ছেলে ও মেয়ে নিয়ে এখন আপাতত এখানেই আছে। কারণ ওর ছেলে কৃষ্ণনগরের একটি স্কুলে পড়ে। ওর বাড়ি থেকে আসা-যাওয়ার অসুবিধা, তাই আপাতত ওরা এখানেই আছে। আমার ছোট বোনের মেয়েটির বয়স ৯ মাস ও ছেলেটির বয়স ৭ বছর।

এখন সমস্যা হল যে আমার ছোট বোনের মেয়েটি হওয়ার পর থেকে ওর ছেলেটি আর পড়াশোনা করতে চায় না এবং খুব দুষ্টুমি করে। মাঝে মাঝে ওর ছোট্ট বোন টিকেও মাড়ে। ওর বোনকে কোন ভালো জিনিস দিলে ও সেই জিনিসটি কেড়ে করে নিয়ে নেয় এবং অভিযোগ করে যে বোনকে কেন কিছু কিনে দেওয়া হয়েছে।

গত দু সপ্তাহ ধরে ওর মধ্যে আরও কিছু পরিবর্তন হয়েছে।ও এতদিন পর্যন্ত শুধু বোনকেই মারছিল কিন্তু এখন বাড়ির বড়দের গায়েও হাত তোলা শুরু করেছে। এছাড়া ও ভীষণ উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছে। বাড়ির জিনিসপত্র ভাঙচুর করছে। আজ তো ও আমার মায়ের গায়ে হাত দিয়েছে।আমরা ওকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছি ও যা চাইছে তাই করছি। যেহেতু আমরাও একটি স্কুলের সঙ্গে যুক্ত তাই বাচ্চার মন কি চায় সেই মতোই আমরা চলার চেষ্টা করছি। কিন্তু তা সত্ত্বেও ওর মধ্যে কোন পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি না। সাময়িক সময়ের জন্য শান্ত থাকলেও মাঝে মাঝেই ও খুবই দুষ্টুমি করছে ।

এই সমস্যার জন্য কি কোন ডাক্তার দেখানো উচিত বা কি করা উচিত আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না। তাই আমি ভাবলাম আমাদের এই স্টিমিট পরিবারে অনেক সদস্য আছেন যাদের বাড়িতেও ছোট বাচ্চা আছে এবং হয়তো আপনারা আমাকে এ বিষয়ে সাহায্য করতে পারবেন। যদি দয়া করে আমাকে এ বিষয়ে কিছু তথ্য দেন তবে আমি আমার বাড়ির বাচ্চাটিকে আবার স্বাভাবিক করে তুলতে পারবো।
ও যে শুধুমাত্র পড়াশোনা করতে চাইছে না তা নয় ।ও আঁকা ,গান ,আবৃত্তি ,কোন কিছুই করতে চাইছে না । যেগুলি ও একসময় খুবই পছন্দ করত। কিন্তু এখন ও শুধুমাত্র ফোন দেখে বা খেলা করে সময় কাটিয়ে দিতে চাইছে ।
এখন ও স্কুলেও যেতে চাইছে না ।কিছু বললে ওর মাকে বলে আমি স্কুলে পড়বো না। সব বিষয়েই ওর যেন আগ্রহটা একেবারেই কমে গিয়েছে। গতকাল আপনারা দেখেছেন আমি ওকে নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলাম যাতে ওর মনটাও ভালো হয়ে যায়। ওর হাতের লেখা বা ওর হাতে আঁকা কিছু ছবি আমি আপনাদের দেখাচ্ছি তার সাথে ওর ও ওর বোনের ছবি ও আপনাদের দেখাচ্ছে।
দয়া করে আপনাদের কাছে আমার একান্ত অনুরোধ এ বিষয়ে আমাকে একটু সাহায্য করুন । আমরা কি করলে ও আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে সে বিষয়ে একটু পরামর্শ দিন। বাচ্চাটিকে নিয়ে আমরা খুবই চিন্তিত

IMG-20241030-WA0013.jpg

IMG-20241030-WA0011.jpg

IMG-20241030-WA0010.jpg

Sort:  
 2 years ago 

তোমার পোস্টটা পুরোটা পড়লাম। তুমি তোমার পোস্টটিতে লিখেছ তোমার এক দিদির ছেলে এবং তার ছোট মেয়েটিও এখন তোমাদের বাড়িতেই থাকে এবং দিদির মেয়ে হওয়ার পর থেকেই তোমার দিদির ছেলে একটু বেশি অন্যমনস্ক হয়ে পড়েছে , পড়াশোনা করতে চাইছে না। এমনকি সে তার নয় মাসের ছোটো বোনকে কিছু দিলে অভিযোগ জানাচ্ছে ও কেড়ে নিচ্ছে এবং ছোট বোনকে মারছে ।শুধু তাই নয় সে এখন বড়োদের গায়েও হাত দিচ্ছে এবং একেবারেই পড়াশোনা করতে চায়ছেনা।

সত্যিই এটা একটা চিন্তার বিষয় তো বটেই। তবে আমার মনে হয় বাচ্চারা একটু বেশি সেনসিটিভ হয় আর তার সাথে তারা অনেক বেশি অ্যাটেনশন চায়। অনেক সময় দেখা যায় দ্বিতীয় সন্তান জন্মানোর পর থেকেই বাড়ির সদস্যরা ছোটো সন্তানের প্রতি একটু বেশি নজর দেয় এবং ছোটো সন্তানকে একটু বেশি ভালোবাসে , সেটা দেখে বড়ো সন্তানের অনেক বেশি হিংসা হয় এবং মনে মনে রাগও করে কারণ এতদিন পর্যন্ত এই সমস্ত ভালোবাসা ,আদর সমস্ত কিছু শুধুমাত্র তার জন্যই বরাদ্দ ছিল। আর এই বিষয়টা বেশি দেখা যায় যখন দুটি বাচ্চার মধ্যে বয়সের ফারাক খুব কম থাকে।

তাই দ্বিতীয় সন্তান জন্মানোর পর বাড়ির অন্যান্য মেম্বারদের অনেক বেশি সচেতন হতে হয় যাতে বড়ো সন্তান নিজেকে অবহেলিত মনে না করে। যখন ছোট সন্তানকে আদর করা হয় তখন মা কিংবা বাড়ির যেগুলো সদস্যের উচিত বড়ো সন্তানটিকেও কাছে ডেকে সমানভাবে আদর করা। আর বাড়ির সকল মেম্বারদের দায়িত্ব অনেকগুন বেড়ে যায় যখন বাড়িতে ছোটো আরেকটি সন্তানের আগমন ঘটে। বাড়ির সদস্যরাই সেই ছোট্ট সন্তানটির সাথে বড় সন্তানকে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

আমার মনে হয় তোমার দিদির ছেলে কোনো ভাবে নিজেকে অবহেলিত মনে করছে। হয়তো মনে করছে সকলে তার বুনুকেই তার চেয়ে বেশি ভালবাসছে। তাই চেষ্টা করো তার এই সমস্ত আচরণে রেগে না গিয়ে তাকে ভালোভাবে বোঝানোর এবং তাকেও সমান ভাবে আদর করার। ছোট বাচ্চাদের ভাবনা চিন্তা বড়দের থেকে যেহেতু অনেকটাই আলাদা হয় তাই ওরা নিজেদের মতো করেই সমস্ত বিষয়কে বোঝার চেষ্টা করে। আমি জানি অবশ্যই তোমরা সকলে তোমার দিদির ছেলেকেও ভালোবাসো। তবে সে হয়তো এটা বুঝতে পারছে না। তাই যতটা ভালোবেসে বুঝিয়ে বলা সম্ভব হয় সেটাই করো।

আমি একান্তই নিজস্ব মতামত জানালাম। আশা করছি আমি কি বলতে চেয়েছি তুমি বুঝতে পেরেছো।


Screenshot_8footer.png

Congratulations!!🎉🎉 Your comment has been upvoted by TEAM 04 (STEEMIT EXPLORERS) using steemcurator06. Continue making creative and quality content on the blog. By @damithudaya

 2 years ago 

Thank you so much

অনেক ধন্যবাদ ।আমি তোমার কথাটা মেনে চলবো।

Loading...


Screenshot_8footer.png

Congratulations!!🎉🎉 Your post has been upvoted by TEAM 04 (STEEMIT EXPLORERS) using steemcurator06. Continue making creative and quality content on the blog. By @damithudaya

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.075
BTC 64482.23
ETH 1686.47
USDT 1.00
SBD 0.42