""রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন""
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। কেমন আছেন বন্ধুরা আশা করি ভাল আছেন সুস্থ আছেন।
ছোটবেলা থেকেই একটি কথা শুনে এসেছি কথাটি হল রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।
আমাদের আপন জানার বিভিন্ন কারণে আমাদের সাথে অভিমান করে থাকে রাগ করে থাকেন সম্পর্কের মধ্যে এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয় তবে সাধারণ কিংবা মাত্রায় আরও বেশি রাগ বা অভিনয় কখনোই সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভালো নয় পালন করা উচিত সম্পর্ক জিনিসটার উপর ভালোভাবে সম্মান করা উচিত।
এই পৃথিবীতে অনেক মানুষই রেগে ঝগড়া করে সম্পর্ক ছিন্ন করে থাকেন তাই রাগ রাখতে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে । গুরুজনের কাছে থেকে শুনেছি রাগ বের হয়ে গেলে মানুষ নাকি হালকা হয়ে যায় অথচ আমি মনে করি মানুষ রেগে গেলে তার মাথা বা তার কন্ট্রোল থাকে না সে কি করবে বা করে তার কোন হেদায়েত জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়ে।
Link:
রাগ করার সময় বরং রাগের সঙ্গে মাথায় অনেক চাপ পড়তে পারে এমনকি হাট অ্যাটাক করার সম্ভাবনা থাকে। চোখের মত রোগ গুলো আপনার শরীরে প্রবেশ পথ পেয়ে যেতে পারে।
রেগে গেলে অনেক মানুষই অনেক কিছুই করা বাতিল করে দেয় তার মধ্যে আমি প্রচন্ড রাগ উঠলে খাবার দাবার খুব খারাপ আচরণ হয়ে ওঠে নিজেকে খুব কন্ট্রোল করার মুশকিল হয়ে যায়।
স্বাস্থ্যকে যদি আমরা সবসময় সুখের মূল বলি। তবে রাখতে বলতে হবে অসুখের মূল। রাগি মানুষকে সাধারন আবেগ সঙ্গে মেলানো যাবে না কারণ রাগ শুধু সম্পর্কেই হয় ক্ষতি করে না বরং রাগ থেকে মানুষ খুন করার মত ঘটনা ঘটে কাজে রাগের সময় মাথা ঠিক রাখতে না পারায় কোন ভাবেই মন ভালো হওয়ার লক্ষণ নয় বরং এটা আপনাকে সঙ্গীর কাছে ও নিরাপদ করে তুলে।
একটা সম্পর্কের প্রাণ হলো যোগাযোগ রাগের মাথায় খারাপ আচরণ করাই মানেই হলো এই যোগাযোগের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া ফলাফল সম্পর্কে সমস্যা শুরু হয় যোগাযোগও আরো কমতে থাকে সেই সঙ্গে রাগের মাথায় বারবার খারাপ আচরণ করতে থাকায় ফলে এটা সম্পর্কের বিশ্বাসেরও ঘাটতি শুরু হয়।
Link:
যে মানুষ মুহূর্তের রাগে অন্যের মানুষের হয়ে যেতে পারে যা তার আচরণ করতে পারে তাকে কিভাবে যথেষ্ট বিশ্বাস বা বর্ষা করা সম্ভব অবিশ্বাস্যের শুরু হয় যে রাগ থেকেই হয় সে অবিশ্বাস শেষ হয়ে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের মধ্যে দিয়ে বেশিরভাগ শারীরিক নির্যাতন ঘটে ।
পেছনে কারণ হলো অথচ একজন ভালো মানের মানুষ পক্ষে কি কাউকে নির্যাতন করা সম্ভব তাহলে এরা রাগী মানুষ মন কিভাবে ভালো হলো আশা করি রাগের প্রতি থাকা আপনার সব অনুরাগ এতক্ষণে চলে গেছে কিন্তু আমার কাছে প্রশ্ন: একটি মানুষের রাগ উঠলে কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে?
Link:
আমার কাছে এর মোটামুটি একটি উত্তর আছে: ব্যায়াম ও মানুষদের সাথে হাসিমুখে কথা বললে খারাপ কথাগুলো তার মাথায় না নিলে তাহলে সে কি রাগ কন্ট্রোল করতে পারবে তবে কতক্ষণ।
মানুষের রাগ থাকবে আবেগ থাকবে ভালোলাগা থাকবে খারাপ লাগা থাকবে আবেগের প্রকাশ করা থাকবে মানুষের চাওয়া পাওয়া থাকবে লুকজনদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে তবে সে আবেগ প্রকাশের সমাধান হওয়া অন্তত জরুরী একটা ব্যাপার। তাই সর্বশেষেও মানুষ হিসেবে মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করাটা সবথেকে উত্তম ও সর্বোপরি ভালো একটি কাজ।
আজকের পোস্টে পরিণতই সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সাবধানে থাকবেন
রাগ মানুষের অনেক ক্ষতি করে থাকে, এজন্য রাগকে কন্ট্রোল করা শিখতে হবে, রাগান্বিত অবস্থায় কোনো সিদ্ধান্ত নিলে সেটা সবসময় ভুল হয়, রাগ আসবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু সেই রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, যে রাগকে নিয়ন্ত্রণ করে ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে পারে সেই প্রকৃত সফল হয়। ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন রাগী অবস্থায় কোন সিদ্ধান্ত নিলেন সেটা ভুল হবেই রাগগুলো কমিয়ে ঠান্ডা মাথায় যদি আপনি সিদ্ধান্ত নেন তাহলে একটা ভালো সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না হলে পিছনের সময়ের জন্য আফসোস করতে থাকবেন।
রাগ মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু।
রাগের সময় কোন কিছু ঠিক ঠাক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয় না। মাঝেমধ্যে রাগের কারণে সুসম্পন্ন হওয়া কাজগুলো পিছিয়ে যায় অথবা নষ্ট হয়ে যায়।
কথাগুলো একেবারেই সত্যি। রাগ একটি খুবই স্বাভাবিক মানবিক অনুভূতি। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আমরা সবাই কম বেশি রাগ হই। কিন্তু যখন রাগ অতিরিক্ত হয়ে যায় তখন তা আমাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। রাগ একটি স্বাভাবিক অনুভূতি। কিন্তু যখন রাগ অতিরিক্ত হয়ে যায় তখন তা আমাদের জীবনকে নষ্ট করে দিতে পারে।
আমরা কখনোই রেগে যাব না। যখন আমাদের রাগ বেশি হবে তখন আমরা ধৈর্য ধারণ করব। যে ব্যক্তির আগের মুহূর্তে ধৈর্য ধারণ করতে পারবে সেই জীবনের সফলতা অর্জন করতে পারবে। তবে আপনার লেখাটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে । আপনার অসংখ্য ধন্যবাদ।
রাগ মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। ছোটখাটো সাধারণ কথাই বলি কারো সাথে ঝগড়া লাগলে বা আমার সাথে রাগারাগি করলে খাওয়া দাওয়া অথবা বাড়িতে আসা বন্ধ করে দেয় কিন্তু ক্ষতিটা শুধু সন্তানের হয় মা-বাবার হয় না। কেননা তার সারাদিন না খাওয়া রেস্ট না নেওয়া নিজের শরীরের ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে। সেজন্য কথায় আছে রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন রেগে যান কিন্তু নিজে কন্ট্রোলের মধ্যে রাখেন।
ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর একটি কমেন্ট করার জন্য 🌹
রাগ নিয়ে আপনার যে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ, তা সত্যিই চিন্তার যোগ্য। আমরা অনেক সময় রাগের বশে এমন কিছু করে ফেলি, যা পরে আমাদেরকে অনুতপ্ত করে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে রাগকে নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ রাগ শুধু নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, সম্পর্কের ভীতও নষ্ট করে দেয়।আবেগ তো থাকবেই, তবে সেই আবেগের নিয়ন্ত্রণে থাকা এবং তা অন্যদের ক্ষতি না করা, এটিই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।