পাটিসাপটা পিঠা তৈরির রেসিপি।
আসসালামু আলাইকুম।
সবাইকে শীতের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। আশা করি সবাই অনেকে ভালোই আছেন। শীতকাল আপনাদের সবার কেমন কাটছে? আমার কাছে শীতকাল কেমন একটা পছন্দ না। তবে শুধু শীতকালের পিঠা খাওয়ার আমেজ টাই আমার কাছে ভালো লাগে।
কমিউনিটিতে প্রায় অনেক পিঠার রেসিপি দেখতে দেখতে আজকে আমিও একটি পিঠার রেসিপি নিয়ে হাজির হলাম। তবে বলে রাখি এই পিঠাটা আমি আরো প্রায় সপ্তাহখানেক আগেই বানিয়েছিলাম আর আজকে আপনাদের মাঝে ফটোগ্রাফি সহ পিঠা পিঠা তৈরির সম্পূর্ণ রেসিপি নিয়ে হাজির হলাম। 😀অর্থাৎ চোখ লাগিয়ে লাভ হবে না। 😀😀ও আচ্ছা আমি আজকে আপনাদের সাথে পাটিসাপটা পিঠার রেসিপি শেয়ার করব। শীতকালে পাটিসাপটা পিঠা আমার কাছে অনেক অনেক ভালো লাগে বিশেষ করে খেজুরের গুড়ের ও দুধের সরের ক্ষীরসা দিয়ে তৈরি পুর দিয়ে পাটিসাপটা পিঠা খেতে অসাধারণ লাগে।।
পাটিসাপটা পিঠা বানাতে তেমন কোনো ঝামেলা নেই, শুধু মাত্র অল্প কিছু উপকরণ দিয়েই পিঠা তৈরি করা যায়। তাহলে চলুন শুরু করি আমার তৈরি পাটিসাপটা পিঠার রেসিপি।
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| গরুর দুধ | দুই কেজি |
| গুড়া দুধ | ১০০গ্রাম |
| দুধের সর | হাফ কাপ |
| খেজুর গুড় | দুই কাপ |
| চালের গুড়া | দুই কাপ |
| সুজি | দুই টেবিল চামচ |
| ময়দা | হাফ কাপ |
প্রস্তুত প্রনালী |
|---|
প্রথম ধাপ |
|---|
প্রথমে একটা পাত্রে দুই কাপ চালের গুড়া এবং পরিমাণ মতো মায়দা ও সুজি দিয়ে মিশিয়ে নিবো এবং সাথে স্বাদ মতো লবণ দিয়ে মিশিয়ে নিবো। শুকনা উপকরণ মিশানো হয়ে গেলে পরিমাণ মতো পানি এবং খেজুরের ঝোলা গুড়া দিয়ে পিঠার গোলা তৈরি করে নিবো।
দ্বিতীয় ধাপ |
|---|
একটি পাত্রে দুই লিটার দুধ জ্বাল করে ঘন করে নিবো। দুধ শুকিয়ে একটু ঘন হয়ে এলে তাতে এক প্যাকেট গুড়া দুধ এবং হাফ কাপ দুধের স্বর মিশিয়ে নিবো এবং জ্বাল করে প্রায় হাফ কেজি করে নিবো।
এবং একটি পাত্রে পাঁচ টেবিল চামচ চালের গুড়ো পরিমাণ মতো পানির সাথে মিলিয়ে ঘন একটি গোলা তৈরি করে নিব ক্ষীরসা তৈরির জন্য।
দুধ ভালো মতো জ্বাল করা হয়ে গেলে তাতে ঘন করে গুলে রাখা দুই কাপ খেজুরের গুড় দিয়ে দিতে হবে।দুধের সাথে গুড় ভালোমতো গলে মিলিয়ে গেলে তাতে গুলে রাখা চালের গুঁড়ো দিয়ে দিতে হবে । এই পর্যায়ে অনবরত নেড়ে নিতে হবে । এবং ভালো একটি বাইন্ডিং হয়ে এলে ক্ষীরসা তৈরি হয়ে যাবে।
তৃতীয় ধাপ |
|---|
চুলায় একটি তাওয়া বসিয়ে ভালোমতো গরম করে নিতে হবে। এবং পাত্র টি তেল দিয়ে ভালোভাবে মুছে নিতে হবে। এরপর চুলার আচ মাঝারি করে দিতে হবে।
এবার পরিমাণ মতো চালের গোলা দিয়ে চারিদিকে ঘুরিয়ে গোল করে নিতে হবে ।
এবং পাটিসাপটার রুটি টা সেদ্ধ হয়ে এলে একপাশে গুড়ের তৈরি খিরসা দিয়ে দিতে হবে এবং সুন্দর মত ফোল্ড করে নিতে হবে। এরপর পিঠাটির ২ পাস হাল্কা করে শেখে নামিয়ে নিতে হবে।৷ব্যাস এভাবেই বানিয়ে নিতে হবে সব পিঠা গুলো।
এই পিঠার স্বাদের কথা কি আর বললো খেতে অসাধারণ লাগে।একাবর এভাবে বানিয়ে দেখবেন,আশা করি অবশ্যই ভালো লাগবে। আজ এখানেই শেষ করছি,সবাই ভালো থাকবেন।
আমি আপনার পিঠা বানানোর রেসিপিটাআ পড়লাম। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখেছেন যে, কীভাবে পাটিসাপটা পিঠা তৈরি করতে হয়। আপনার লেখা পড়লে যেই কেউ মনে হয় এই পিঠা বানাতে পারবে। তার কারণ আপনি এতই সুন্দর করে ছবি এবং লেখার মধ্যেই উপস্থাপন করেছেন। আর এই পিঠা গুলো দেখে খেতে ইচ্ছে করছে আমার।
কেউ যদি আমার পোস্ট পড়ে পাটিসাপটা সহজে বানাতে পারে তাহলে আমারও অনেক ভালো লাগবে।
মনে মনে খেয়ে নিয়েন ভাই।😀
💯⚜2️⃣0️⃣2️⃣4️⃣ This is a manual curation from the @tipu Curation Project.
Also your post was promoted on 🧵"X"🧵 by the account josluds
@tipu curate
Upvoted 👌 (Mana: 3/7) Get profit votes with @tipU :)
পাটিসাপটা পিঠাটা কমবেশি সবাই পছন্দ করে আর বানানো বেশ সহজ।চমৎকার ভাবে আপনি এই রেসেপিটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমার মতো পিঠা বানানোতে অলস মানুষরা উ্ৎসাহিত হবে এতে।
শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
আমার কাছেও পাটিসাপটা সব থেকে সহজ মনে হয়,যে কেউ অনেক সহজেই এই পিঠা তৈরি করতে পারবে।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আমার পোস্টটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য।
এভাবে পিঠা বানিয়ে আমাদেরকে লোক দেওয়া কোন কি মানে হয়। 🤤🤤 না পারছি খাইতে না পারছি স্পর্শ করতে। দুধের খির বানিয়ে তারপর পাটিসাপটা পিঠার ভিতর ঢুকিয়ে এত সুন্দর ভাবে আপনি পিঠাগুলো বানিয়েছেন এবং তার পাশাপাশি উপস্থাপনা করছেন তার কোন তুলনাই হয় না।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ পাটিসাপটা পিঠার রেসিপি আমাদের কাছে উপস্থাপনা করার জন্য।
মনে মনে স্পর্শ করে খেয়ে নেন ভাইয়া অনেক মজা হয়েছিল খেতে।😀
এই পাটিসাপটা পিঠা আমার অনেক পছন্দের তাই চেষ্টা করি,একটু বেশিই সুস্বাদু করে পিঠাটি তৈরি করতে।
সত্যি কথা বলতে ফ্লেক্সিলোড দিয়ে যদি কোন পাঠানোর ব্যবস্থা থাকত তাহলে আরো ভালো হতো। মনে মনে অনুভব করে আমাদের খেতে হতো না সরাসরি খেতে পারতাম অসংখ্য ধন্যবাদ কমেন্টে রিপ্লাই দেওয়ার জন্য।
এইভাবে এত সুন্দর করে পাটি সাপটা পিঠা বানিয়ে আমাদের লোভ🤤 লাগানো করা কিন্তু আপনার উচিত হয়নি। আপনি খুব সুন্দর করে পাটিসাপটা রেসিপিটি আমাদের সামনে ধাপে ধাপে তুলে ধরেছেন। থ্যাংক ইউ খুব চমৎকার একটা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করলে।
মাঝে মাঝে একটু লোভ লাগাতে হয় আপু।। আর আমিও চেষ্টা করেছি সহজ ভাবে রেসিপি টি বর্ণনা করতে যেন আপনারা অনেক সহজেই এটি তৈরি করতে পারেন।
পাটিশাপ্টা অসম্ভব সুন্দর ও মজার একটি পিঠা। বিশেষ করে খেজুর রসের গুড় দিয়ে যদি এর ক্ষীরসা বানানো হয়।
আপনি সুন্দর ভাবে আজকে পাটিশাপটা পিঠা বানিয়ে দেখালেন। আশা করি সবাই আপনার পদ্ধতি ফলো করে এই শীতে মজাদার পাটিশাপ্টা বানিয়ে খেতে পারবে।
দুধের সর এবং খেজুরের গুড় ব্যবহার করলে ক্ষীরসার স্বাদ অনেক গুন বেড়ে যায়,তাই খেতেও অনেক সুস্বাদু হয়।
এইতো আমার প্রিয় জিনিসের রেসিপি চলে এসেছে। সব পিঠার মধ্যে আমার পাটিসাপটা খেতে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। এটা ভাল কাজ করেছেন, সপ্তাহখানেক আগে পিঠা বানিয়ে এখন সেই রেসিপি শেয়ার করছেন। আর নজর লাগার ভয় থাকবে না।
আমারও পাটিসাপটা অনেক পছন্দের পিঠা।এই শীতে পাটিসাপটা ই আমার সব থেকে বেশি বানানো হয়।
পাটিসাপটা পিঠা আমার অনেক পছন্দ । তবে যদি কেউ বানিয়ে দেয় তাহলে খেতে অনেক বেশি ভালো লাগে ,।
কারণ আমি এই পিঠাটা বানাতে খুব ভয় পাই।তবে এটা বানানো যে এত সহজ সেটা আমি জানতাম না।
সত্যি ভিতরের পুর টা যা হয়েছে না দেখতে একদম, লোভ লেগে যাওয়ার মত। ইদানিং শুধু পোস্ট পড়ে পিঠার দেখছি বেশ ভালো লাগছে এবং নতুন নতুন কিছু শিখতেও পারছি।
আপনার রেসিপিটা দেখে বাসায় ট্রাই করব দেখা যাক কি হয় ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি আজকে আমাদের মাঝে পাটিসাপটা পিঠা তৈরির রেসিপি শেয়ার করেছেন ৷ আসলে আমি এখনো অনেক ধরনের পিঠা খাইনি আর কবে খেতে পারবো জানি না তবে আজকে আপনার পাটিসাপটা পিঠার রেসিপি দেখে মন ভরে গেলো ৷
ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ৷