জেনারেলের রাইটিং :- পাশের মানুষ যখন বেইমান হয়।
আমি @tuhin002, আমি আমার বাংলা ব্লগের সকল সদস্যগনকে আমার পক্ষ থেকে জানায় সালাম," আসসালামু আলাইকুম" সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহুর অশেষ রহমতে ভাল আছি। আজকে আমি আলোচনা করবো একটি গল্প , আর এই গল্পের নাম পাশের মানুষ যখন বেইমান হয়।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। তাই শুরু করছি আমার আজকের ব্লগ...
আমি আজকে আপনাদের মাঝে একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আপনারা হয়তোবা কিছুটা বুঝতে পেরেছেন আজকের পোস্টের টাইটেলটা পড়ে। হয়তো অনেকেই ধারণা করছেন ভালোবাসার মানুষ হয়তোবা বেইমানি বা প্রতারণা করেছে, সে সম্পর্কে নিচে লেখা হয়েছে। আসলে কিন্তু সেটা না। বর্তমানে আমরা এমন একটা সময়ে বসবাস করছি, যে সময়টাতে মানুষ চেনা অনেক কঠিন। একজন নারী পুরুষের সাথে সম্পর্ক থাকলে কোন কারনে সেই সম্পর্ক ভেঙে গেলেই যে বেইমানি করা হয়ে থাকে বিষটা এমন না। বেইমান শব্দটা অনেক জায়গায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন ধরেন আপনার কাছ থেকে আমি কোন একটা দুঃসময় আপনার কাছ থেকে উপকার পেয়েছি। সেই উপকারের প্রতিদান হিসেবে আমি কোন একটা সময় তাকে বিপদে ফেলেছি এটাও একটা বেইমানি করা। হিন্দিতে বলা হয় গাদ্দার। আসলে আজকে এই সম্পর্ক লেখার আমার একটাই উদ্দেশ্য আমাদের সমাজে পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে। কিভাবে নিজেদের মানুষ গুলো শিশুদের মধ্যে বেইমানি করে চলেছে।
প্রতিটা মানুষ সমাজের মধ্যে আবদ্ধ এবং সমাজে বসবাস করে থাকে। আর এই মানুষগুলো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপে সমাজে দেখা যায়। সমাজে কোন ব্যক্তি বিপদে পড়ে আছে, সেই বিপদের সময় আপনি পাশে দাঁড়াবেন। হয়তোবা সেই বিপদ থেকে তাকে রক্ষাও করলেন। কোন একটা দিন ওই ব্যক্তি আপনাকে অন্যের কাছে তিরস্কার করবে। আপনার বদনাম করবে। বর্তমানে আমাদের সমাজে এমন লোক অনেক আছে। সমাজটা এমন একটা জায়গায় পৌঁছে গেছে যে, মানুষ কেউ কারো ভালো দেখতে পারে না। কেউ যদি ভালো থাকে যেকোনো ভাবে আপনার পরিবার পরিবারের মানুষের ভিতরে বিচ্ছেদ তৈরি করবে। বাস্তব একটা ঘটনা বলি, একটা পরিবারের একজন ছেলে বিয়ে করেছে। ছেলেটা যে মেয়েটাকে বিয়ে করেছে মেয়েটা যথেষ্ট ভালো। তার কথাবার্তা তার আচরণ সবকিছুতেই অনেক ভালো। যে কেন মানুষ দেখেই তাকে অনেক সুনাম করেছে। নিজেদের মধ্যে কিছু মানুষ থাকে যারা অন্যের সুনাম বা অন্যের ভালো দেখতে পারে না। ঠিক তেমনি তাদের পরিবারের একজন রয়েছে তার মেয়ে কোন কাজ করে না শুধু খায় আর ঘুমায়। সেই মহিলার মনের ভিতরে হিংসা কাজ করে। সে মনে মনে ভাবতে থাকে আমার পরিবারের মধ্যেই থেকে তাকে এত সুনাম করে আর আমার মেয়ে তো কোন কিছুই পারে না। তার মধ্যে রাগের সৃষ্টি হয়, সে ছক আঁকতে থাকে যেকোনো ভাবে তাদের সম্পর্ক নষ্ট করতে হবে এই মানসিকতা এসে সামনের দিকে এগোতে থাকে। ভালোবেসে তাদের সাথে বেশি বেশি মিশতে থাকে। তাদের গভীরে সবকিছু জানতে থাকে। কোন কথা বললে তাদের ভিতরে দ্বন্দ্ববাদ বেশি বিষয়টি সে পরিষ্কার হওয়ার পর থেকেই শুরু করে দেয় তাদের তার নোংরাম। যে পরিবারে মানুষগুলো এত ভাল ছিল সেই পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে দেয়। দেখেন ইচ্ছা করলে এই মানুষটা কিন্তু তার নিজের মেয়েকে ওই মেয়েকে দেখে তার মতো গড়তে পারতো। কিন্তু সেটা না করে কিভাবে তাদের সংসারে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করতে হয় সেটা নিয়ে সেই ব্যস্ত। অবশেষে পাশের মানুষ বলেই কিন্তু এটা করতে পেরেছে। এর জন্যই বলে বাইরে শত্রু থেকে ভিতরে শত্রু মারাত্মক।
আমার দেখা এমন মানুষ আছে নিজের সন্তান এবং নিজের ব্যর্থতা কে ঢাকতে গিয়ে, যে পরিবারে মানুষগুলো নিজের সন্তান নিজের স্ত্রী সন্তানের বৌদি নিয়ে ভালো থাকে ওই সমস্ত পরিবারের মধ্যে একদল সুন্দর মিষ্টিভাষী মানুষ থাকে যারা ওইসব পরিবারের মধ্যে মিশে যায়। কথায় বলে না সুস্ব হয়ে ঢুকেছি ফল হয়ে বেরোবো। ওই সব মানুষগুলো দুমুখী সাপ। যারা অন্যের ভালো সহ্য করতে পারে না। পরিবারের কিছু ভিন্ন মানুষ থাকে। যাদের নিজস্ব বুদ্ধি জ্ঞান থাকে না যারা অন্যের কথায় চলে। ওই মানুষগুলো বোঝেনা যে সে তাকে ক্ষতি করতে পারে বা ক্ষতি করতে চলেছে। আপনার অবশ্যই মানবেন বর্তমান সমাজে ছেলে ও মেয়েরাও ভয়ে বাবা মায়ের কথা অবাধ্য হয়ে অন্য মানুষের কথা শুনে। যখন সমাজের ওই সমস্ত বিষদাতালা মানুষগুলো একটা পরিবারকে ধ্বংস করে দেওয়ার প্রচেষ্টা করে বা যে ফাঁদ পেতে রাখে ওই ফাঁদে পা দেয় কিছু নির্বুদ্ধি মানুষ। কাছের মানুষগুলো সবচেয়ে বেশি এই ধরনের কাজগুলো করে থাকে। আপনার কাছে মনে হবে হয়তোবা আপনার ভালোর জন্যই বলছে। কিন্তু আপনি বুঝতে পারবেন না কোন একটা রাগ হয়তোবা করার উপর তোলার চেষ্টা করছে। আপনার সাথে হাসি তামাশার মধ্যে কথা বলবে ভালোভাবে মিশবে আবার দেখা যাচ্ছে পরক্ষণে আপনার বিশাল ক্ষতি করবে। আর এই ক্ষতিগুলো অবশ্যই পাশের মানুষের দাঁড়াও বেশি হয়ে থাকে। কারণ তারা আপনার সম্পর্কে সবকিছু অবগত থাকে। উনার সম্পর্কে যারাই অবগত থাকবে তারাই আপনাকে বেশি ক্ষতি করার সুযোগ পাবে।
বর্তমান সমাজে আমি এমন মানুষ দেখেছি যারা নিজে ভালো থাকে না অন্য কেউ ভালো থাকতে দেয় না। তাদের কাজ সব সময় চুলকানি। কিভাবে মানুষের ক্ষতি করবো একজনের কথা আরেকজনের কাছে তালি মারবো। অর্থাৎ তাদের কাজই থাকে তালাতালি করা। আর এই কাজগুলো বেশি করে থাকে আপনার পাশের মানুষ যারা আপনার সম্পর্কে সচেতন বা জানে সবকিছু। আমি সময় যেমন মানুষ দেখেছি যারা নিজেদের মধ্যে নিজেদের সম্পর্ক ভাঙার জন্য সত্যকে মিথ্যা মিথ্যাকে সত্য বলে। দেখেন বড় ভাবে শুধু উদাহরণ দেয়া যায় তাহলে নবাব সিরাজউদ্দৌলার আপন খালা ছিল ঘসেটি বেগম। তিনি কিন্তু নিজের লোক অথচ তিনি ইংরেজদের হাত ধরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে বেইমানি করেছিল। বর্তমান সমাজে এমন নারী আছে যেসব নারীগুলো নিজের সুখের জন্য অন্যের সংসার ভাঙতে একটু দ্বিধাবোধ করে না। দেখেন আপনার মেয়ে কোন কাজ পারে না, অন্যের ছেলে বউ যদি কাজ পারে আর এই প্রশংসা যদি অন্য মানুষগুলো করে এমন মানুষ আছে যারা এই প্রশংসাগুলো সহ্য করতে পারে না। পরক্ষণে তারা হিংসায় জলে। বাস্তব বলছি নিজের এই ব্যর্থতাকে ঢাকার জন্য আমি এমন মেয়ে মানুষ দেখেছি নিজের মেয়ে তো কিছুই পারে না আবার অন্যের মেয়েরা যদি কিছু পারে তাদেরকে কিভাবে লাঞ্ছিত করতে হয় তাদের কিভাবে সুখকে নষ্ট করতে হয় সব সময় তারা এই নিয়েই ব্যস্ত থাকে এবং এটা অবশ্যই নিজেদের মানুষ বেশি করে থাকে।
সৃষ্টি কুলের মধ্যে বিভিন্ন সৃষ্টি থাকে। কেউ মানুষের সুখ দুঃখ ভাগা হয়ে করে নেয়ার জন্য পাশে থাকে। আবার কেউ পাশে থাকে তার ভেতরে কথাগুলো শুনে তাকে বিপদে ফেলার জন্য। তবে বর্তমান সময়ে ভালো মানুষের অনেক অভাব রয়েছে। আর মানুষের মধ্যে ফেতনা ফ্যাসাদ তৈরি করার মানুষগুলো এখন যেন একটু বেশি। আর আপনার আমার সাথে একমত হবেন এই গুলো বেশি করে থাকে নিজেদের মানুষের মধ্যে কিছু দু- মুখী নীতি বিশিষ্ট মানুষ। যারা মুখে মিষ্টি ভাষায় কথা বলে কিন্তু অন্তরে শুধু বিষ থাকে। সত্যি বলতে এমন মানুষ সব সময় আমার চোখের সামনে ঘুরে। আমি দেখি আর মনে মনে হাসি হায় মানুষ! মুখ দেখে মনে হয় যে কতটা নিরীহ এবং মানুষের জন্য কত তার দরদ। কিন্তু সে প্রতি মুহূর্তে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তালাতালি করে আসে। সমাজে এই সমস্ত মানুষগুলো নিজেদের মধ্যে মিশবে এবং নিজেদের ক্ষতি করে চলবে। আর পাশে থাকার মানুষগুলো যদি ক্ষতি করে তাহলে আপনি কখনোই ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে পারবেন না।
| ভূল ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় নিয়ে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। |
|---|
আজ এই পর্যন্ত। সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
| ডিভাইস | poco M2 |
|---|---|
| লোকেশন | মেহেরপুর |
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি আবুল বাশার খায়রুল আলম তুহিন। আমার জন্ম ১১ এপ্রিল ১৯৯৫ সালে। আমার বাসা মেহেরপুর জেলা,গাংনী থানা, জুগীর গোফা গ্রাম। আমি বিবাহিত। বর্তমানে আমার একটা পুত্র সন্তান আছে। আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি রাজশাহী নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ থেকে। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি। এই ব্লগে কাজ করার মাধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়। আমি ছবি আঁকতে,গান গাইতে,কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। আর আমি স্টিমেটে জয়েন করেছি (২৭ - ০৬ - ২০২২) সালে। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আসলে ভাই বেইমান কাছের মানুষগুলো হয়। বেইমান কখনো দূরের মানুষগুলো হয় না। আর এই বেইমানরা আমাদের জীবনের সবচাইতে ভয়ংকর কারণ এরা উপরে মিল দিয়ে থাকবে আর ভেতরে ভেতরে আসলে এরকম মানুষ অনেক রয়েছে, যারা অন্যের উপকার দেখলেই নিজেকে সামলাতে পারে না। নিজে উপকার ও উঠবে সেই চিন্তা না করে তাকে কিভাবে নামানো যায় এটাই যেন তার মধ্যে পরিকল্পনা থাকে।
আপনার কমেন্ট পড়ে একটু হেসে পড়লাম ভাই। আপনি ঠিক বলেছেন এরা মিলেমিশে থাকবে আবার ভেতরে ভেতরে ক্ষতি করবে। আর এই সমস্ত মানুষকে চেনা অনেক কঠিন। কারণ এদের মুখে মধু অন্তরে বিষ। বর্তমান সমাজে মানুষের পরিকল্পনা শয়তানি পরিকল্পনা।
https://twitter.com/ABashar45/status/1769529466005409967?t=Rpww7wauEHeR68nu3yk1vw&s=19
বাইরের শত্রুর থেকে ঘরের শত্রু অনেক ভয়ংকর ,কথাটা শুনতে অবাক লাগলেও এটাই চরম সত্য।আসলেই কিছু কিছু এমন মানুষ আছেন যারা,নিজের দোষ ঢেকে রাখে,নিজের সন্তানদের দোষ ঢেকে রেখে,অন্যের মাঝে মিশে,কিভাবে অন্যের সুখ কে দুঃখে পরিণত করা যায় এটাই চিন্তা ভাবনা থাকে সব সময়।আর এরকম থাকলে পরিবারে একটি শান্তি ময় পরিবার ও অশান্তির বেড়াজালে আটকে পরে।যাইহোক ভাইয়া আপনি দারুন একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।ধন্যবাদ।
বর্তমান সময়ে কোন মানুষ অন্য কারো সুখ দেখতে পারে না ভাই। কেউ যদি ভালো থাকে পাশের মানুষগুলো চেষ্টা করে কিভাবে তাকে খারাপ রাখা যায়। এটা মানুষের জন্মগত অভ্যাস না এটা মানুষের বর্তমান চরিত্র। তবে সব মানুষ থেকে দূরে সরে থাকা যায় না। আপনি না চাইলেও এর আপনার পাশে ঘুরে বেড়াবে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
এ আর নতুন কি ভাই। আপনি যে ঘটনা লিখেছেন এই ঘটনার স্বয়ং প্রমান আমি নিজেই।আমি এই রকম গাদ্দারদের কাছে ভিকটিমও বলা যায়। আমাদের আশেপাশে এবং কি পরিবারে এই ধরনের লোকের অভাব নেই। বর্তমানে ভালো মানুষের সংখ্যা খুবই কম। আর কুৎসিত মনের মানুষের অভাব নেই।যাইহোক নিজেকে সেইফ রাখা প্রয়োজনে এইসব লোকজন থেকে।ধন্যবাদ ভাই মনের কথা তুলে ধরার জন্য ভালো থাকবেন ।
আপনি সত্যি বলেছেন ভাই এরকম দুই মুখ বিশিষ্ট মানুষের অভাব নেই বর্তমান সমাজে। আপনি কিভাবে এদের থেকে বেঁচে থাকবেন। আপনি তাদের সাথে চলবেন না তারা আপনার পাশে এসে বসবে।এরা নিজেরাও ভালো থাকতে জানে না অন্যদেরকেও ভালো রাখতে চাই না। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
জি ভাই ঠিক বলেছেন।
আসলে ভাই সত্যিকারের কথা হচ্ছে বেইমানি করলে পাশের মানুষগুলোই আগে করে।
কেননা পাশের মানুষ কিন্তু আমার মধ্যে থাকা সব বিষয়ে জানে বোঝে।
এজন্য নিজের দুর্বলতা নিজের মধ্যে থাকা জড়তা করলো অন্য কারো সাথে কখনোই শেয়ার করা উচিত নয়।
অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা লিখেছেন পড়ে খুবই ভালো লাগলো।
এটা আপনি ঠিক বলেছেন ভাই কখনোই নিজের দুর্বলতা অন্যের কাছে প্রকাশ করা উচিত না। কোন একটা সময় এরা সুযোগ নেবে এবং আপনাকে অপমান অপদস্থ করবে। আর সমাজে এই ধরনের মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আপনাকে ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
জীবনে সব থেকে বেশি ঘৃণা করি এই বেইমানদের। অনেক বার ভুগতে হয়েছে। উপকার এর প্রতিদান তো দেবেই না,উলটো বদনাম করে বেড়ায়৷ এমন মানুষদের জন্য মানব জাতির উপর থেকেই বিশ্বাস উঠে যাচ্ছে।অনেক ভাল লিখেছেন ভাইয়া,অনেক ভাল লাগল আপনার পোস্ট টি পড়ে। ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টটির জন্য।
ভাই না লিখে কি করবো বলেন জীবনটা বিষন্ন হয়ে উঠেছে। সমাজে এই ধরনের মানুষের সংখ্যা এত বেশি এদের থেকে বেঁচে থাকা অনেক কঠিন। বেশিরভাগ মানুষ এখন দুমুখী নিতি বিশিষ্ট। ভালো মানুষের দুনিয়ায় জায়গাটা অনেক কমে গেছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আসলে ভাই আমাদের জীবনে চলার পথে অনেক মানুষ রয়েছে। যারা আমাদের উন্নত দেখতে পারে না। আমরা কেউ উন্নত করলেই পিছন থেকে তাকে কিভাবে ডাবানো যায় সেই চিন্তা ভাবনা করে থাকে। আর এই বেইমানি করে থাকে কাছের মানুষগুলোই, কারণ কাছের মানুষগুলোই নিজের সম্পর্কে সকল কিছু তথ্য জানে। যার কারণে তারা সহ্য হয় না এবং সে বেইমানি করে তাকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করে।
পাশের বাড়ির একজন উন্নতি লাভ করবে এটা কেন হবে? এই যে একটা ব্যাপার এখন বর্তমান মানুষের মধ্যে ঢুকে গেছে। মানুষের মধ্যে হিংসা বিদ্বেষ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই সমস্ত কারণে মানুষ পাশে আসে পরবর্তীতে তাদের সাথে বেইমানি করে। আর এদের পরিকল্পনা সবসময় মারাত্মক। ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
সমাজে প্রতিটা মানুষের মধ্যে বেইমানি চলতেই আছে। আপনি ঠিক কথা বলেছেন, বেইমানি অনেক ধরনের হয়ে থাকে। আপনি নিজের জীবন নষ্ট করে অন্যকে সাহায্য করলে সেই ব্যক্তি আপনাকে এক সময় চিনবে না। আমি নিজে প্রমাণিত। প্রতিটা মানুষ নিজ নিজ স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত। মানুষ খুব সহজে আমাদের ভিতরে মিশবে তারপর গোপন কথাগুলো নিয়ে বেইমানি করবে। এটা ঠিক মুখে মিষ্টি ভাষায় কথা বলে যে মানুষগুলো অন্তরে বিষ থাকে। সব মানুষ না কিন্তু প্রায় মানুষ। আশপাশের মানুষগুলো ক্ষতি করলে কখনোই সে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচা যায় না। কারণ প্রিয় মানুষকে তো আর আঘাত করা যায় না। বেশ সুন্দর আলোচনা করেছেন।
ভালো মানুষের কাল শেষ। সমাজে এই সব মানুষ গুলোকে চিনতে না পারলে ভালো মানুষ গুলো সব সময় বিপদে পড়বে।খারাপ মানুষের মিষ্টিমুখে শুধু বিষ থাকে।
এখন তো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বেইমানটা অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। আসলে আমরা যদি কাউকে সাহায্য করি আমাদের বিপদে দেখা যায় সে মানুষটা আমাদের সাথে বেইমানি করছে। আমাদের কাছের মানুষগুলোই সব থেকে বেশি বেইমানি করে আমাদের সাথে। আসলে কিছু কিছু মানুষ অনেক বেশি বেইমান হয়। আর একটা মানুষের কষ্ট তো সব থেকে বেশি তখনই লাগে, যখন তার কাছের মানুষগুলোই তার সাথে বেইমানি করে। আর তারা যদি আমাদেরকে কষ্ট দেয়, সেটা মেনে নেওয়া ও অনেক বেশি কষ্টকর হয়ে যায় আমাদের জন্য এটা ঠিক কথা।
প্রত্যেকটা জিনিসের কোয়ালিটি রয়েছে। আর এই কোয়ালিটি কারুর বেশি কারোর কম। আপনি যেখানে যাবেন সেখানে এই ধরনের মানুষগুলো পাবেন। যত নিয়ম-কানুনের বেড়াজালের মধ্যেই থাকেন না কেন তার মধ্য থেকেই এই সব মানুষগুলো পাওয়া যাবে। আর এরা বাঘের না হিংস্র। সুযোগ পাইলেই আপনাকে কামড়ে দিবে। মানুষের থেকে হিংস্র আর কোন কিছু নেই। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।