নাটক রিভিউ :- " স্কুল গ্যাং সিজন ২ " ( পর্ব ২ ) ✅
ABB 26 আগস্ট ✅
বিসমিল্লাহি ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলাইকা ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
আশা করি আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো সুস্থ আছি। আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে নতুন ব্লগ করলাম। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব একটি নাটক রিভিউ। নাটকের নাম হচ্ছে স্কুল গ্যাং সিজন ২ । নাটকটি মূলত পর্ব আকারে করা হয়েছে । বেশি দিন ধরে আমি এই নাটকটি দেখছিলাম। যদি এটা অনেক আগেই বের হয়েছে। তবে যেহেতু এই নাটকটি বেশ কিছুটা পর্ব তৈরি করা হয়েছে, তাই জন্য ভাবলাম আপনাদের মাঝে একটা একটা করে পর্ব শেয়ার করবো। আজকে আমি আপনাদের মাঝে নাটকের ২য় পর্ব টা শেয়ার করবো। আশা করি রিভিউটা পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।
নাটক সম্পর্কে কিছু তথ্য :-
| নাম | স্কুল গ্যাং সিজন ২ |
|---|---|
| কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা | আর্থিক সজীব। |
| অভিনয়ে | শহিদুল আলম সাচ্চু, আব্দুল্লাহ রানা, তামিম খন্দকার, শায়লা সাথী, সিয়াম মৃধা , আরোহী মিম, মিরাজ খান, আদর আহমেদ , নাজিয়া বর্ষা, সাকিব সিদ্দিকি, অনন্যা ইসলাম, শোয়েব শান্ত , রকি খান, ফারুক আল ফারুকী সহ আরো অনেকে। |
| প্রধান সহকারী পরিচালক | মামুন অর রশিদ |
| সম্পাদনা | সাইদুর রহমান সবুজ |
| মিউজিক | বি এইচ পারভেজ |
কাহিনী সারসংক্ষেপ
এই নাটকটার প্রথম পর্ব শেষ আমরা দেখেছিলাম স্কুল ছুটি হওয়ার পর স্কুল গ্যাং এর পাঁচ বন্ধু আরোহীকে শায়েস্তা করার জন্য প্ল্যান করছে। এখন দ্বিতীয় পর্বে দেখা যাক কি হয়। শুরুতেই আমরা দেখি তারা প্ল্যান করে বাড়ির উদ্দেশ্যে পাঁচজন একসাথেই স্কুল থেকে বের হয়। তারপরে আরোহী কে দেখা যায় অনেক বেশি রেগে বসে রয়েছে। আর তার পাশে তার ভাই তামিমও ছিল। তার ভাই তাকে এটাই বুঝাচ্ছিল তাদেরকে পেলে ছাড়বেনা। তারপর সেখানে তার বাবা আসে আর তাদের সাথে কথা বলতে হবে। আরহী যদিও তার বাবাকে কিছু বলে না, কারণ তার ভাই বারণ করেছিল এগুলো সম্পর্কে বাবাকে কিছু না বলার জন্য। তারপর সেখান থেকে তার বাবা চলে যায় আর আরহী তার ভাইকে বলে সে নিজেই মিরাজকে শায়েস্তা করবে। এই কথা বলে রেগে সেখান থেকে চলে যায়।
তারপরে আমরা সাকিবকে দেখতে পাই মিরাজের বাসার সামনে এসে মিরাজকে ডাকতেছে। তারপর মিরাজও আসে সেখানে। কিন্তু মিরাজ ওর সাথে যেতে চায় না। তার নাকি অনেক জ্বর। তারপর সাকিব মিরাজকে বুদ্ধি দেয় আরোহী কে এক পলক দেখে আসার জন্য, তাহলে সবকিছুই ঠিক হয়ে যাবে। আর সাকিব তো মিরাজকে অনেক বেশি পাম দিতে থাকে। আর মিরাজ যখনই কথাটা বলে, তখন তো সাকিব একটু রাগ করে চলে আসে। যেন সে আরহীর সাথে দেখা করতে যায়। সাকিব একা থাকে সাপোর্ট করলেও শান্ত, সাথী, নাজিয়া এরা কোনভাবেই এই বিষয়ে সাপোর্ট করবে না। কিন্তু সাকিব বলেছে এগুলো নাকি সে নিজেই ঠিক করবে। তারপর আমরা শান্ত এবং সাকিবকে দেখতে পাই রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর শান্ত শুধু বারবার এদিক সেদিক দেখছিল মিরাজ কোথায়।
তারপর সাকিবকে মিরাজের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে। এরপর সাকিব মিরাজকে কিছু কথা বলে, তবে ক্লিয়ার ভাবে কিছুই বলে না। এবার আমরা মিরাজকে দেখতে পাই আরোহীদের বাসার নিচে এসে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর আরহী তাকে দেখার সাথে সাথেই তার ভাইয়াকে ডাক দেয়। তখনই মিরাজ দৌড়ে পালায়। আর আরোহীর ভাই এবং তার বন্ধু বাইক নিয়ে তার পিছু করে। মিরাজ পালানোর সময় তামিমদের বাইকের সামনে একটা বড় প্রাইভেটকার এসে দাঁড়ায়। যেটার ভেতর থেকে বের বের হয় সিয়াম। সিয়াম তাদেরকে এরকম মাস্তানি করার জন্য বারণ করে। আসলে সিয়াম এবং তামিম দুজনই ক্লাসমেট ছিল। তবে কোনো এক কারণে তারা এখন অনেক বড় শত্রু। তবে সিয়াম অনেক ভালো। সিয়ামের বাবা যেহেতু এমপি তাই সে এলাকার একটু দেখাশোনাও করে।
আর এই জন্য তামিমকে কাজে বাধা দেয়। তারপর তামিম সেখান থেকে চলে যায়। এরপর সিয়ামও চলে যায়। শান্ত এবং সাকিব যে জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিল, সেখানে মিরাজ দৌড়ে দৌড়ে আসে। আর মিরাজ তাদেরকে সবকিছু খুলে বলে। এদিকে শান্ততো কোনো কিছুই বুঝতে পারেনা। এরপর তারা স্কুলের দিকে রওনা দেয়। তারপর আরহী এবং তার বাবাকে দেখা যায় বসে রয়েছে। আর তখন সেখানে তামিম আসে। আর তখন তার বাবা তামিমকে মিরাজের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। তামিম প্রথমে কিছু বুঝতে পারেনি তার বাবা কি বলতেছে। পরবর্তীতে তার বাবা বলে দেয় আরহী উনাকে সবকিছুই বলেছে। আরহী ওই স্কুলে আর পড়বে না বলাতে তার বাবা তো তাকে বিভিন্ন কথা বলতে থাকে। উল্টো তাকে বলে ওদেরকে শায়েস্তা করার জন্য। ওদেরকে এখানে কেন ভয় পাচ্ছে। রাতের বেলায় মিরাজ, শান্ত আর সাকিবকে দেখা যায় দেয়াল টপকে স্কুলের ভিতরে ঢুকতেছে।
আর তারা স্কুলের ভিতর ঢুকে দেখে অফিস রুমে ফারুক ভাই বসে বসে টিভি দেখতেছে, আর হেড স্যারের চেয়ারে বসে বসে নাচতেছে। তারপর তারা ভিডিও করে, আর তাকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে এ বিষয়টা নিয়ে। তারপর তাকে ব্ল্যাকমেইল করে তাদের ক্লাসের চাবিটা নেয়। আর তারা এই ব্ল্যাকমেলকে হোয়াইটমেন নামে পরিচয় দেয়। তারপর চাবি নিয়ে তারা তাদের ক্লাস রুমে চলে যায়। এরপর তারা ক্লাস রুমে বসে বসে গল্প করছিল। আর তখনই সাকিবের মাথায় বুদ্ধি আসে বোর্ড এ কোন জুটির নাম লিখবে। তার কাছে একটা পার্মানেন্ট মার্কার আছে ওইটা দিয়ে। আর তখনই তারা আলোচনা করতে থাকে কার নাম লিখবে। তখনই শান্ত আদর স্যার আর তাদের ফ্রেন্ড নাজিয়ার নাম লেখার কথা বলে। কিন্তু মিরাজ এবং সাকিব এই বিষয়ে কিছুই বুঝতে পারে না।
তারপর শান্ত তাদেরকে জানায় আদার স্যার মনে মনে নাজিয়াকে পছন্দ করে, উনার আচার-আচরণ দেখলেই বুঝা যায়। আর তখনই তারা ওদের দুজনের নাম লিখে। আর তখনই শান্ত টেবিল বাজিয়ে গান শুরু করে। এভাবে তারা আরো অনেক কিছুই লেখে। আর ফারুক এসে তাদেরকে বলে এবার চলে যেতে। আর সাকিব তাকে বারণ করে দেয় যেন স্কুলের কেউ বিষয়টা জানতে না পারে। আর তারা ফারুককে যখন ব্ল্যাকমেল করছিল তখন ফারুক বলে কালকেও দেখা যাবে তোমাদের অবস্থা কি হয়। আদর স্যার যখন তোমাদেরকে পেদানি দিবে আরহীর সাথে এরকম ব্যবহারের জন্য, তখনই বুঝতে পারবে। আর তারা তো একটু ভয় পেয়ে যায় তখন। আর শান্ত তো তখন সাকিব এবং মিরাজকে জানায় সে নাকি কালকে স্কুলে আসবে না, কোনো একটা অসুস্থতার নাম দিয়ে। কিন্তু সাকিব বলে কালকে না আসলে কি হয়েছে, পরে তো আসতে হবে। তখন তো আরো বেশি মার খেতে হবে। আর তখনই এই পর্বটা শেষ হয়ে যায।
ব্যক্তিগত মতামত
এই পর্বে দেখা যায় মিরাজ আরোহীকে দেখতে গিয়েছিল তার বাসার নিচে। আর আরোহী মিরাজকে দেখার সাথে সাথে নিজের ভাইকে বলে। আর তার ভাই এবং তার বন্ধু মিরাজের পিছু নেয়। কিন্তু তাকে দৌড়ানোর সময় তাদেরকে সিয়াম বাধা দেয়। যে তামিমের অনেক বড় শত্রু। সিয়ামের বাবা এমপি হওয়াতে তার একটু ক্ষমতা রয়েছে। সিয়ামের কারণে মিরাজ ও বেঁচে গিয়েছে। আর এরই মধ্য দিয়ে আরোহী তার বাবাকে সবকিছুই বলে দেয়। আর শেষে দেখেতে পেয়েছি সাকিব, মিরাজ, শান্ত স্কুলে লুকিয়ে লুকিয়ে এসে ফারুকের একটা ভিডিও করে তাকে ব্ল্যাকমেল করে। আর নিজেদের ক্লাস রুমের চাবি নিয়ে সেখানে বোর্ডের মধ্যে আদর স্যার এবং নাজিয়ার নাম লিখে দেয়। এখন পরবর্তী এপিসোডে আমরা দেখতে পাবো এটা দেখলে আদর স্যারের রিঅ্যাকশন টা কিরকম হয়। এখন দেখতে হবে পরবর্তী পর্বে কি হয়। আরোহীর সাথে এরকম ব্যবহারের জন্য আদার স্যার কি তাদেরকে সত্যি মারবে নাকি মারবে না, এটা দেখা যাক। আর আরোহী দ্বিতীয় দিন স্কুলে এসে কি করে এগুলোও দেখতে হবে। অপেক্ষায় থাকুন পরবর্তী পর্বের জন্য।
ব্যক্তিগত রেটিং
৯/১০
নাটকের লিংক
নিজেকে নিয়ে কিছু কথা
আমার নাম নুরুল আলম রকি। আমার steemit I'd narocky71। আমি বাংলাদেশী নাগরিক । বাংলাদেশে বসবাস করি। তার সাথে সাথে আমি বিশ্বনাগরিক। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি। বাংলা ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করি। আমি বাংলা ভাষাকে ভালবাসি। আমি ফটোগ্রাফি করতে ও ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে জল রং দিয়ে পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। যখনই আমার সময় এবং হাতে টাকা থাকে তখন ভ্রমণ করতে বেরিয়ে পড়ি। বিশেষ করে আমি ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করি। আমি অনেক বছর আগ থেকে ফটোগ্রাফি করে থাকি। কিন্তু বিশেষ করে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি বেশি করা হয়। বর্তমানে তার সাথে আর্ট করতে অনেক ভালোবাসি। বর্তমানে আমি বেশি সময় কাটাই আর্ট শিখতে। বর্তমানে আমার স্বপ্ন, আমি একজন ভালো ফটোগ্রাফার, ও একজন ভালো আর্টিস্ট হব। ( ফি আমানিল্লাহ)
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
পর্ব নাটকগুলোর এই এক সমস্যা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় পরবর্তী আকর্ষণ জানার জন্য। ঠিক তেমনি এই নাটকেও টুইস্ট রেখে দিয়েছে। আদর স্যারয়ের রিএকশন জানার জন্য পরবর্তী পর্ব দেখতে হবে। স্টুডেন্টদের নিয়ে বানানো নাটকগুলো দেখতে ভালোই লাগে। নাটকটি পর্ব না হলে দেখা যেত। যাইহোক সুন্দরভাবে রিভিউ উপস্থাপন করেছেন ধন্যবাদ।
আসলেই স্টুডেন্টদের নিয়ে বানানো নাটক গুলো অনেক ভালো লাগে। আদর স্যারের রিয়েকশন জানার জন্য পরবর্তী পর্বের রিভিউ পড়া লাগবে। অপেক্ষায় থাকেন।
স্কুল গ্যাং নাটকটার পর্ব গুলো অনেক সুন্দর। আজকে তুমি আমাদের মাঝে এত সুন্দর করে দ্বিতীয় পর্ব শেয়ার করেছো দেখে অনেক ভালো লাগলো। মিরাজ তো দেখছি একটুর জন্য বেঁচে গিয়েছে। সিয়াম যদি না আসতো তাহলে তো মিরাজকে আরোহীর ভাই ধরে নিয়ে মারতো। শেষে তো দেখলাম সাকিব, শান্ত এবং মিরাজ স্কুলের ক্লাস রুমের বোর্ডে আদর স্যার এবং নাজিয়ার নাম লিখে দিয়েছে। এখন দেখা যাক আদর স্যারের রিয়েকশন কিরকম হয়।
হ্যাঁ এখন দেখা যাক আধার স্যার কি করে। আমি তাড়াতাড়ি চেষ্টা করবো পরবর্তী পর্ব শেয়ার করার জন্য।
আমি সুযোগ পেলেই নাটক দেখি। তবে এই স্কুল গ্যাং নাটকটি এখনও দেখা হয়নি। আপনার রিভিউ পড়ে যা বুঝলাম এখানে সেই আমাদের স্কুলের আগের ঘটনাই, একটি দল স্যারদের পিছনে লেগেই থাকে। আর কিছু স্যার আছে স্টুডেনে্টদের পিছনে লেগে থাকে। দেখা যাক পরের পর্বে আদার স্যার কি করে। ধন্যবাদ।
আপনি ঠিক ধরেছেন একেবারে। এই নাটকটা সময় পেলে দেখার চেষ্টা করবেন। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে স্কুল গ্যাং সিজন-২ নাটকটি রিভিউ করে শেয়ার করেছেন। আপনার শেয়ার করা নাটক দেখতে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। আসলে এমনিতেই অবসর সময় পেলে নাটক দেখতে আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। নাটকের সব থেকে তামিম খন্দকারের অভিনয় আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আমার নিজের কাছেও অবসর সময়ে নাটক দেখতে ভালো লাগে। তামিমের অভিনয় আমার নিজেরও অনেক পছন্দের। ধন্যবাদ সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।
স্কুল গ্যাং নাটক টা আমি দেখেছি।আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে আপনার আজকে নাটক রিভিউ দেখে।এখন আরোহীর বাবা অভিনয় টা আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনি নাটকটি দেখেছেন শুনে খুশি হলাম। আরোহীর বাবার অভিনয় আমার নিজের কাছেও ভালো লাগে।
আপনি খুব সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।স্কুল গ্যাং নাটকটি এখনো দেখা হয়নি।তবে এই ইস্কুল গ্যাং নাটকের কিছু অংশ আমি দেখেছি।যাইহোক আপনার নাটকের রিভিউ পড়ে অনেক ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাই পোস্ট টি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
নাটকটা পুরোপুরি দেখা না হলেও কিছু অংশ দেখেছেন শুনে ভালো লাগলো। অবশ্যই পুরোটা দেখবেন, নাটকটা অনেক সুন্দর।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে খুবই সুন্দর একটি নাটক শেয়ার করেছেন। আসলে এই নাটকগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে। আপনার পোষ্টের মাধ্যমে এই নাটকটি দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া নাটকটি আমাদের মাঝে খুব সুন্দরভাবে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
নাটকটা আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই ভাবলাম আপনাদের মাঝেও ভাগ করে নেওয়া যাক।
আসলে দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক নাটকগুলো অনেক মজার হয়ে থাকে।এমনিতেই বাংলাদেশের নাটক আমার কাছে খুবই ভালো লাগে দেখতে।তার উপরে আমি এই নাটকের কিছু পর্ব দেখেছি,তবে এতটা মনে নেই।তবে মনে হচ্ছে স্যারও একজন ছাত্রীর প্রেমে পড়ে যাবে,সুন্দর রিভিউ করেছেন।ধন্যবাদ ভাইয়া।
আসলেই এরকম নাটক গুলো অনেক মজার হয়। স্যার ছাত্রীর প্রেমে পড়বে এটা ঠিক। আর না হলে আগে থেকেই পছন্দ করে।
ভাইয়া আজ আপনি অনেক সুন্দর একটি নাটক রিভিউ করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার শেয়ার করা নাটকের রিভিউ পড়ে অনেক ভালো লাগলো। স্কুল গ্যাং নাটকের পর্ব গুলো অনেক সুন্দর। নাটকের কিছু পর্ব আমি দেখেছি আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি নাটক রিভিউ শেয়ার করার জন্য।