নাটক রিভিউ-অনন্যা|
আসসালামু আলাইকুম/নমস্কার
আমি@monira999। আমি একজন বাংলাদেশী। আজকে আমি "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটিতে একটি নাটক রিভিউ শেয়ার করতে যাচ্ছি। যদিও এখন খুব একটা নাটক দেখা হয় না। তবে সময় পেলে নাটক দেখার চেষ্টা করি। আর আজকে যেই নাটক রিভিউটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব সেই নাটকটি বেশ কিছুদিন আগেই দেখা হয়েছিল। আর আজকে আবারো নতুন করে কিছু অংশ দেখে আপনাদের মাঝে রিভিউ করতে চলে এলাম। সত্যি কথা বলতে এই নাটকটি দেখে মনে হচ্ছিল যেন এ যেন আমাদের সমাজের প্রত্যেকটা মায়ের গল্প ছিল। আশা করছি এই নাটক রিভিউ সবার ভালো লাগবে।
| নাম | অনন্যা |
|---|---|
| পরিচালনা | মোঃ মোস্তফা কামাল রাজ |
| গল্প | জাহান সুলতান ও জাকারিয়া নেওয়াজ |
| অভিনয়ে | মেহেজাবিন চৌধুরী, ডলি জহুর ও আরো অনেকে |
| দৈর্ঘ্য | ৫২ মিনিট |
| মুক্তির তারিখ | ১৬ই ডিসেম্বর ২০২৩ |
| ধরন | ড্রামা |
| ভাষা | বাংলা |
| দেশ | বাংলাদেশ |
চরিত্রেঃ
- মেহেজাবিন চৌধুরী(অনন্যা)
নাটকের শুরুতে দেখতে পাই একটি সুখী পরিবারের প্রতিচ্ছবি। একটি মেয়ে নতুন মা হয়েছে। আর তার মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ হয়েছে। তাই তো সকাল থেকে তাকে অফিস করতে হবে। ছোট বাচ্চাকে বাসায় রেখে অফিসে যাবে এজন্য তার খুবই চিন্তা হচ্ছে। এরপর সব কিছু সামলে অফিসে যাওয়ার চেষ্টা করে সে। কিন্তু অফিসের যাওয়ার পরেই শুরু হয়ে যায় অনেক টেনশন। কাজের মেয়ে আর শাশুড়ি মায়ের কাছে তার সন্তানকে রেখে গিয়েছিল অনন্যা। কিন্তু অনন্যা পরে বুঝতে পারে তার শাশুড়ি মা অনেকটাই বিরক্ত হয়ে যাচ্ছেন। একদিকে সন্তানের টেনশন অন্যদিকে অফিসে কাজের চাপ। সব মিলিয়ে অনন্যা একেবারে নাজেহাল হয়ে পড়ে।
অনন্যা অনেক চিন্তার মধ্যে পড়ে যায়। কি করবে বুঝতে পারে না। তবুও নিজের কাজ সামলানোর চেষ্টা করে। একদিকে অফিসের কাজগুলো সামলানোর চেষ্টা করে অন্যদিকে সন্তানকে সামলানোর চেষ্টা করে। হঠাৎ করে বাসা থেকে যখন ফোন আসে তখন অনন্যা ফোন রিসিভ করতে পারে না। কারণ সে কাজের মধ্যে ছিলো। এরপর তার শাশুড়ি মা জানায় বাচ্চার ভীষণ জ্বর। অন্যদিকে অনন্যা তার স্বামীকে ফোন করে বাচ্চাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য। সে ব্যস্ততা দেখায়। মনে হয় যেন সব দায়িত্ব একা অনন্যার। কি আর করার অফিসের কাজের চাপ আর অন্যদিকে বাচ্চার অসুস্থতা সব মিলেমিশে সবকিছু সামলানোর চেষ্টা করেছে সে।
সারাদিন অফিস করে এসেও বাসায় অফিসের অনেক কাজ করতে হয় অনন্যাকে। অন্যদিকে বাচ্চাকেউ সামলাতে হয়। সবমিলিয়ে যেন অনন্যা একটুও অবসর পাচ্ছিল না। তবু সবটা সহ্য করে যাচ্ছিল। কারণ তাকে কিছু করতেই হবে। অনন্যা বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। আর বাবা-মার পাশে থাকা তার দায়িত্ব। তাইতো সে চাকরিটা করতে চেয়েছিল। একদিকে অফিস অন্যদিকে বাচ্চা সামলানো তার কাছে অনেক মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নিজের ক্লান্ত শরীর নিয়ে একটু বিশ্রাম করার সময় ছিল না তার। বাসায় এসেও সন্তানকে সময় দেওয়ার পাশাপাশি নিজের কাজ করে যাচ্ছিল। অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছিল রাত দিন।
অফিস থেকে ক্লান্ত শরীরে যখন বাসায় ফিরে অনন্যা তখনো শুনতে হয় অনেক কথা। স্বামী অফিস থেকে আসার সাথে সাথেই তার সব কথা না মানলেও অনেক কথা শুনতে হয়। অন্যদিকে শাশুড়ির কথা শুনতে হয় আসলে একটা মানুষ সব দিক সামলানোর পর নিজের জন্য কতটুকু সময় পায় সেটা কেউ বুঝতে চায় না। অনন্যা নিজের কাজ নিজের মতো করে করে যাচ্ছিল। এবার অনন্যার কিছুটা মন খারাপ হয়ে যায়। কারণ সে এত প্রেসার নিতে পারছিল না। আসলে বাসার সবাই যদি তাকে সাহায্য করত তাহলে হয়তো তার এতটা সমস্যা হতো না। একদিকে তার হাজবেন্ড তাকে কোন সাহায্য করছিল না অন্যদিকে একটু সমস্যা হলেই শাশুড়ি মা কথা শুনাচ্ছিল। সব মিলিয়ে অনন্যা বেশ মন খারাপের মাঝেই সময় কাটাচ্ছিল।
এবার অনন্যা বাধ্য হয়ে তার সন্তানকে নিয়ে অফিসে যাওয়া শুরু করে। অন্যদিকে অফিস কলিগরাও তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে। সে কারো সহযোগিতা সেখানে পায়না। এরপর বস তাকে ডেকে পাঠায় এবং বলে সে যেন আর তার বাচ্চাকে নিয়ে অফিসে না আসে। সবাই বাচ্চার জন্য বিরক্ত হয়। এবার অনন্যা তার অফিসের বসকে বলে আলাদা একটি যদি রুম থাকতো তাহলে চাকরিজীবী মায়েরা বাচ্চাদের নিয়ে একটু সময় কাটাতে পারতো। আর বাচ্চাদের যত্ন নিতে পারত। কিন্তু অনন্যার বস এই বিষয়টা বুঝতে চাইছিলেন না। এবার অন্যান্য বলল যে অফিসে আমার বাচ্চার জায়গা নেই সেখানে আমি চাকরি করতে চাই না। এরপর অনন্যা রিজাইন দিয়ে সেখান থেকে চলে আসে।
চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর বুঝতে পারে তার জীবনটা আরো বেশি কঠিন হয়ে পড়েছে। একদিকে অসুস্থ মা অন্যদিকে নিজের সংসার সব মিলিয়ে অনন্যা আরও বেশি বেসামাল হয়ে পড়ে। তার স্বামীর কাছ থেকেও তাকে টাকা চেয়ে নিতে হয়। অনন্যা বুঝতে পারে নিজের উপার্জন ছাড়া জীবনটা অনেক কঠিন। অন্যদিকে তার কাজের মেয়েকেউ পারমিশন দেয় সে যেন তার বাচ্চাকে নিয়ে কাজ করতে আসে। একদিন অনন্যার ভীষণ শরীর খারাপ হয়। তাই সে রান্না করতে পারেনা। অন্যদিকে তার শাশুড়ি মা এসে তাকে অনেক কথা শোনায়। আর তার স্বামী এসেও তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে। এরপর অনন্যা তার স্বামীকে বুঝিয়ে বলে সে বাবার বাড়ি চলে যেতে চায়। আর বাবু বড় হলে সেখানে ফিরে আসতে চায়। তার স্বামীও তাকে ভুল বুঝে আর খারাপ ব্যবহার করে।
এবার অনন্যা আবারো নতুন উদ্যমে কাজ করার শুরু করে। অফিসে অফিসে গিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরে। কিন্তু কোন কাজ হয়নি। এরপর অবশেষে অনন্যার প্রস্তাব একজনের খুবই ভালো লাগে। অনন্যা নিজের প্রস্তাব অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করে। অনন্যা একটি ডে কেয়ার সেন্টার খুলতে চায়। যাতে করে কর্মজীবী বাবা মারা তাদের সন্তানকে সেখানে রাখতে পারে। আর নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারে। অনন্যার এই আইডিয়াটা সবার অনেক পছন্দ হয়। এরপর অনন্যা ধীরে ধীরে একটি ডে কেয়ার সেন্টার থেকে অনেকগুলো ডে কেয়ার সেন্টার তৈরি করে ফেলে। আর সে একজন সফল মানুষ হিসেবে সবার কাছে পরিচিত লাভ করে। অনন্যা নিজের পরিশ্রমে নিজের সফলতা ছিনিয়ে আনে। আর সবাইকে তাক লাগিয়ে দেয়। অনন্যার সাক্ষাৎকার টিভিতে দেখা এবং তাকে পুরস্কৃত করা হয়।
একজন মা কতটা পরিশ্রম করে সবকিছু সামলায় সেই প্রতিচ্ছবি এখানে তুলে ধরা হয়েছে। আসলে আমরা অনেক সময় ভাবি মেয়েরা ঘরে বসে থাকে। তাদের কোন কাজ নেই। এমনকি অনেকে মনে করে বাচ্চা সামলানো খুবই সহজ। আসলে একজন মেয়েকে কতটা পরিশ্রম করতে হয় সেটা শুধু সে নিজেই জানে। আর যদি হয় চাকরিজীবী মা তাহলে তো সবকিছু সামলানো তার জন্য অনেক কঠিন হয়ে যায়। নিজের কাজের জায়গা, সংসার, বাচ্চা সবকিছু সামলানোর পর একজন মানুষের টিকে থাকা যেন একটি যুদ্ধের মত। নাটকটিতে এত সুন্দর করে এই সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে দেখে অনেক ভালো লেগেছে। সব মিলিয়ে নাটকটি আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে।
আমি মনিরা মুন্নী। আমার স্টিমিট আইডি নাম @monira999 । আমি ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স ও মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। গল্প লিখতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। মাঝে মাঝে পেইন্টিং করতে ভালো লাগে। অবসর সময়ে বাগান করতে অনেক ভালো লাগে। পাখি পালন করা আমার আরও একটি শখের কাজ। ২০২১ সালের জুলাই মাসে আমি স্টিমিট ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করি। আমার এই ব্লগিং ক্যারিয়ারে আমার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো আমি "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির একজন সদস্য।
এই নাটকটা আমিও দেখেছি, বেশ ভালো লেগেছে,এমনকি আমি নিজেও রিভিউ দিয়েছি নাটকের। আসলে কর্মজীবী কিছু কিছু মেয়েদের এমনি অবস্থা হয় তাই তো এক মন টানে চাকরির জন্য আরেক মন শায় দেয় না ছেলেমেয়েদের জন্য।ভালো লাগলো।ধন্যবাদ
এই নাটকটি আপনি দেখেছেন ও রিভিউ শেয়ার করেছিলেন জেনে ভালো লাগলো আপু। যদিও আপনার শেয়ার করা রিভিউটি দেখা হয়নি। তবে নাটকটি আমার কাছে সত্যিই ভালো লেগেছিল।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আসলে মেয়েদের কাজ বা ছেলেদের কাজ দুটার ভিন্নতা রয়েছে। বাড়িতে মায়ের যে কাজগুলো আছে সেগুলো কম নয় সেটা আমিও অনুধাবন করি । ছোট ছোট কাজগুলো করতে করতে অনেক সময় চলে যায় । যেগুলো শেষ হয় না তারই বাস্তবতা এই নাটকের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়। যেটা আপনি নিজে করেন সেখানে আর কিছু বলার নেই। ভালো লাগলো খুব সুন্দর করে নাটক রিভিউ দিয়েছেন।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া ছেলেদের কাজ আর মেয়েদের কাজ দুটোই আলাদা রকমের। তবে মাঝে মাঝে যদি সবাই সংসারের কাজগুলো ভাগাভাগি করে করে তাহলে অনেক সুবিধা হয়। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
নাটকটি আমি অনেক আগেই দেখেছি। আমি আপনার সাথে সম্পূর্ণ একমত। এ যেন বর্তমান যুগের প্রতিটি মায়ের কষ্টের প্রতিচ্ছবি। একজন সদ্য মাকে আশেপাশের সকলের সহযোগিতা পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করা উচিত। অথচ কর্মজীবীর মা যখন তার মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ করে অফিসে জয়েন করে তখন অনেক কলিগই ভাবেন ছুটি কাটিয়ে এসেছে, তাই তার উপর এক্সট্রা প্রেসার দেয়, যেটা একেবারেই অনুচিত। আসলেই মা হওয়া একটি ২৪ ঘন্টার বিনা বেতনের চাকরি । সব মিলিয়ে আপনার নাটক রিভিউটি অনেক সুন্দর হয়েছে আপু
এই নাটকটি বর্তমান সময়ের প্রতিচ্ছবি। আর একজন কর্মজীবী মায়ের কষ্টের কথা এখানে তুলে ধরা হয়েছে। আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে আপু। মন্তব্য প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
নাটক টি আমিও অনেকদিন আগে দেখেছিলাম। ঠিকই বলেছেন এই নাটকের মধ্যে আমাদের সমাজের প্রত্যেকটা মায়ের গল্প ফুটে উঠেছে। এই নাটকের প্রত্যেকটা দৃশ্য দেখে মনে হচ্ছিল যেন বাস্তব দৃশ্য দেখছি। প্রতিটা মেয়ের জীবনের একদম বাস্তব জিনিস গুলোই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। আপনার এই রিভিউ টি পড়ে খুবই ভালো লাগলো।
এই নাটকটি আপনি দেখেছেন জেনে ভালো লাগলো। সত্যিই এই নাটকের মাধ্যমে একজন মায়ের সংগ্রামী জীবনের গল্প তুলে ধরা হয়েছে।
আপনি সুন্দর একটা নাটকের রিভিউ আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আমি এই অনন্যা নাটক টি কিছু অংশ ইউটিউবে দেখছি দেখে খুবই ভালো লাগছিল কিন্তু পুরো নাটক টি দেখা হয় নাই। যাইহোক আপনার পুরো নাটকের রিভিউ পড়ে খুবই ভালো লাগলো। আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
আপনি যেহেতু এই নাটকের কিছু অংশ দেখেছিলেন তাই সময় পেলে পুরোটা দেখতে পারেন ভাইয়া। আশা করছি অনেক ভালো লাগবে। ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু আপনার করা অনন্যা নামের নাটক টি পরে মা দের প্রতি আরো সম্মান বেড়ে গেলো আপু।একটা মে কিভাবে যে এত সমস্যা একাই সমাধান করে একটি নতুন জীবন শুরু করতে পারে তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো অনন্যা।বৈবাহিক জীবনে তার সংসার ,সন্তান, অফিসের কাজ সহ সব মিলে একাই সামলানো অনেক কঠিন হয়ে যাচ্ছিল।তবে সবার সাহায্য পেলে খুব ভালোভাবেই সব সামলে নিতে পারতো।সব কিছু শেষ হয়ে যাওয়ার পর ও সে ডে কেয়ার খুলে আবার ও স্বাবলম্বী হতে পেরেছে এটা সত্যি একটা সংগ্রামী সময় ছিল তার জন্যে।আপনার করা নাটকের ভিউ টি আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে আপু।ধন্যবাদ এরকম দারুন একটি নাটকের রিভিউ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্যে।
মা দের প্রতি আমরা সবাই অনেক সম্মান জানাই। কারণ তারা সবকিছু সামলে নিজের কাজ করে। এই নাটকটি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে ভাইয়া। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
খুব সুন্দর একটি নাটক আপনি রিভিউ করেছেন আপু। আসলে মেয়ে মানুষের জীবনটাই এমন একদিকে সংসার অন্যদিকে সন্তান কোনটাই ছাড়তে পারে না। অনন্যা এ নাটকটি রিভিউ
পড়ে বুঝতে পারলাম জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে অনেক বাধা পার হওয়ার পর সাফল্যের
শীর্ষে পৌছাতে হয়। খুব সুন্দর একটি নাটক রিভিউ করেছেন আপু অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ঠিক বলেছেন আপু একজন মেয়ে সবকিছু সামলে নিজের সন্তান পালন করে। অনেক কষ্ট করে তাকে সবকিছু ম্যানেজ করতে হয়। আর এই নাটকটি অনেক ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
অনন্যা নাটকটি আমি দেখেছি আমার কাছে খুবই ভালো লাগে নাটকটি। সবথেকে বেশি খারাপ লাগে যখন অফিসের বস অনন্যা কে তার বাচ্চা নিয়ে অফিসে আসতে বারণ করে। এতে অনন্যা চাকরিটি ছেড়ে দেয়। আর সব থেকে ভালো লাগে যখন অনন্যা আবার নতুন একটি চাকরি পায়। আপু আপনার নাটক রিভিউ পড়ে বেশ ভালো লাগলো। এরকম সুন্দর একটি নাটক আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
এই নাটকটি আপনি দেখেছেন জেনে ভালো লাগলো। সত্যি আপু এই নাটকটি দারুন ছিল। আমার কাছেও বেশ ভালো লেগেছে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
মায়ের পরিশ্রমের প্রতিচ্ছবি অনেক সুন্দর করেই এই নাটকের মধ্যে তুলে ধরা হয়েছে। অফিস, সংসার, বাচ্চা সবকিছুকেই একহাতে সামলানো অনেক মুশকিল হয়। কিভাবে নিজের জীবন যুদ্ধে সে জয়ী হয়েছে এটা তুলে ধরেছে। মানুষের জীবন সত্যি খুব কঠিন। আর এই জীবনে সব কিছু সামলিয়ে ওঠাটা একটা যুদ্ধের মত। বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি দেখলাম এটার মধ্যে। সত্যি আমার কাছে অসম্ভব ভালো লেগেছে আজকের এই নাটকটার সম্পূর্ণ রিভিউ। ধন্যবাদ পুরোটা সুন্দর করে শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া এখানে একজন পরিশ্রমী মায়ের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা হয়েছে। অফিস সংসার বাচ্চা সবকিছু সামলানো একটি মায়ের কাছে অনেকটা যুদ্ধের মতই। ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্যের জন্য।