কক্সবাজার ভ্রমণ [পর্ব:-২০] ~ " বাসা থেকে দূরে কোথায় ঘুরাঘুরি "
আমার বাংলা ব্লগ
আসসালামু আলাইকুম
আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সকলে খুব ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
প্রতিদিনের মতো আজকেও আমি আপনাদের সামনে আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমি আপনাদের সাথে একটি ভ্রমণ বিষয়ক পোস্ট শেয়ার করবো। এর আগে আমি আপনাদের সাথে এই ভ্রমণের অন্য পর্ব শেয়ার করেছিলাম এবং আজকে এর আরো একটি পর্ব শেয়ার করতে যাচ্ছি। এই ভ্রমণের সবগুলো পর্ব খুব ভালোভাবে গুছিয়ে আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
এই ভ্রমণের পর্ব একেবারে প্রথম থেকে শুরু করতে যাচ্ছি৷ আপনারা হয়তো অনেকেই ইতিমধ্যে জেনে গিয়েছেন যে আমি কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়েছিলাম৷ সেখানে খুব সুন্দর কিছু সময় অতিবাহিত করেছিলাম৷ হয়তো @bristy1 আপু ও @nevlu123 ভাইয়া ওনাদের মাধ্যমে আমাকে ওনাদের পোস্টে অনেকেই দেখেছেন। তাই আজকে আমি আমার নিজের এই পোস্টের বিশ তম পর্ব শুরু করতে যাচ্ছি৷ আমি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পর্বগুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করব৷ আশা করি আপনাদের অনেক বেশি পরিমাণে ভালো লাগবে৷ চেষ্টা করব প্রতিনিয়ত খুব সুন্দরভাবে সবকিছু ফুটিয়ে তোলার এবং খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি আপনাদের মাঝে শেয়ার করে সবকিছু দেখানোর।
আজকে আবার আপনাদের মাঝে একটি ভ্রমণের পোস্ট নিয়ে চলে আসলাম৷ আজকে যে পোস্টটি আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করব সেটি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। গত পর্বে আমি দেখিয়েছিলাম যে আমরা সকলে মিলে শামশুন্নাহার আপুর সাথে বিখ্যাত রাজা চা খেয়েছিলাম৷ সে মুহূর্ত আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি৷ আজকে যে এই মুহূর্ত শেয়ার করব সেটি আরো সুন্দর হবে বলে মনে হয়৷ এটি একেবারে ভিন্ন ধরনের একটি মুহূর্ত৷ আমরা আমাদের হোটেল থেকে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করার জন্য বের হলাম সেটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করব৷ আমরা যেদিন হোটেলে এসেছিলাম সেদিনই আমরা একটি সিএনজি নিয়ে এসেছিলাম এবং সেখানে সে সিএনজি ড্রাইভারকে আমরা পরদিন সকল জায়গায় ঘুরার জন্য ডেকে নিলাম৷ উনি চলে আসলেন৷ চলে আসার পরে আমরা সকলে মিলে তৈরি হয়ে গেলাম আমাদের গন্তব্যস্থলে যাওয়ার জন্য৷ এরপর আমরা গাড়িতে উঠে গেলাম এবং আমাদের গন্তব্যস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আমাদের বাসা থেকে রওনা করে দিলাম৷ আমরা প্রথমে একেবারে দূরের স্থানে যাওয়ার কথা ছিল এবং সেখান থেকে ধীরে ধীরে সামনের দিকে আসব৷ তাই আমরা প্রথমে একেবারে সামনের দিকে এগোতে এগোতে অনেক দূর পর্যন্ত চলে গেলাম৷ সেখানেও যে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত রয়েছে সেটি দেখা যাচ্ছিল৷ আমরা যতদূর রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম সেখানে শুধু বিচের সৌন্দর্যই দেখা যাচ্ছিল৷ সামনের দিকে যত এগিয়ে যাচ্ছিলাম ততই যেন এর সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাচ্ছিল। কোনভাবেই যেন এই বিচ যেন শেষই হচ্ছিল না৷ তাই আমরা শুধু সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকলাম৷
সামনের দিকে যেতে যেতে আমরা অনেক কিছুই দেখে নিলাম এবং অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গা সেখানে ছিল যা দেখে মুগ্ধ হওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকে না৷ এরপর আমরা অনেকটা সামনে যাওয়ার পরে দেখতে পাই আমাদের শ্রদ্ধেয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি দিয়ে খুব সুন্দর একটি নৌ বাহিনীর সংরক্ষিত এলাকা রয়েছে ৷ সেখানে খুব সুন্দর কিছু জিনিস দেখা যায়৷ একইসাথে আমরা আরো সামনের দিকে এগিয়ে আরো সুন্দর সুন্দর কিছু জিনিস দেখতে পাই । যতই আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাই সেখানে খুব সুন্দর কিছু বিল্ডিং ছিল এবং সেই বিল্ডিং গুলো বেশ অসাধারণ দেখা যাচ্ছে৷ এরপর আমরা আরো সামনের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে আরো অনেক কিছুই দেখি যার আপনারা এই ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছেন৷ আমি চেষ্টা করেছি যত সম্ভব সব কিছু ফটোগ্রাফির মাধ্যমে শেয়ার করার৷ আশা করি সবগুলো ফটোগ্রাফি আপনারা ভালোভাবে দেখে নিলেই সবকিছু ভালোভাবে বুঝতে পারবেন৷ এরপর আমরা আরো একটু সামনে এগিয়ে গেলাম৷ সেখানে আরো কিছু বিষয় আমাদের নজর কাড়লো৷ এরপর আমরা আমাদের মূল গন্তব্য স্থানে পৌঁছে গেলাম এবং সেখানে পৌঁছানোর পরে আমরা বিচের দিকে হাঁটা শুরু করে দিলাম৷ সেখানে বিচের মধ্যে যে বালি ছিল সেগুলো একটু অন্য রকমের ছিল৷
এরপর আমরা আরও সামনের দিকে এগিয়ে দেখি যে সেখানে তেমন একটা মানুষ নেই৷ খুবই অল্প পরিমাণে মানুষ সেখানে রয়েছে এবং আমরা যতই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকি ততই অনেক ভালো লাগা কাজ করছিল৷ সেখানে খুব সুন্দরভাবেই সময় অতিবাহিত করতে পারছিলাম৷ যখন আমরা সেখানে সময় অতিবাহিত করছিলাম তা বেশ অসাধারণ ছিল৷ সেখানে সময় অতিবাহিত করার মজাই আলাদা৷ যখন আমরা সেখানে সামনের দিকের জায়গা গুলো দেখছিলাম তা দেখে মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছিলাম। সেই জায়গাগুলো এতটাই সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছিল যা বলে বোঝানো যাবে না৷ এতো সুন্দর একটি জায়গা দেখে মুগ্ধ হওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকে না৷ আমি যতই সেখানে যেতে থাকি ততই এটি দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই৷ সামনের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে অনেক কিছুই দেখতে পাই৷ সবকিছু খুব সুন্দরভাবে এখানে তারা আমাদের মাঝে ফুটিয়ে তুলেছে৷ আসলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা আর কি বলবো তা প্রকৃতি এমনিতে অনেক সুন্দর৷ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কথা তো আর কি বলব৷ সেটি এমনিতে অনেক অসাধারণ৷ এরপর আমরা সেখানে কিছু পাথর দেখতে পাই এবং সে পাথরগুলো খুব সুন্দর ছিল৷ সেখানে দাঁড়িয়ে আমরা কিছু ফটোগ্রাফি করে নেই৷ পরবর্তীতে আমরা আরো কয়েকটি সুন্দর জায়গায় যাওয়ার মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করব৷ আজকে এই পর্যন্ত।
পোস্টের বিবরণ
| ক্যাটাগরি | ভ্রমণ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @bijoy1 |
| ডিভাইস | Samsung Galaxy M34 5g |
| তারিখ | ০১.০৯.২০২৪ |
| লোকেশন | ফেনী,বাংলাদেশ |
আজকে এই পর্যন্তই। আশাকরি আপনাদের সবার কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লেগেছে। ভালো লাগলে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। নিজের যত্ন নিবেন। আপনাদের প্রতি আমার গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রইল। ইনশা আল্লাহ দেখা হবে নতুন একটি পোস্টে।
পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ ও ভালোবাসা রইল।
আমি কে?
🤍🖤আমি বাংলাদেশ থেকে আবদুল্লাহ আল সাইমুন। আমার ডাক নাম বিজয়। আমি একজন ছাত্র। আমি ফেনী জেলায় বসবাস করি। আমি এই প্ল্যাটফর্মের নিয়মিত ব্যবহারকারী। আমি এই প্ল্যাটফর্মে আমার কাজগুলো সবার সাথে শেয়ার করতে পছন্দ করি। আমি আশা করি ভবিষ্যতে এই স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবো। আমি ঘুরতে পছন্দ করি। তার পাশাপাশি বাইক চালানো, ফটোগ্রাফি করা, বই পড়া, নতুন নতুন কাজ করা ইত্যাদি আমার অনেক ভালো লাগে। আমার স্টিমিট আইডির নাম @bijoy1 এবং আমার একই নামের একটি ডিসকর্ড অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সর্বশেষ একটাই কথা,বাঙালী হিসেবে আমি গর্বিত। তাই আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে সবসময় আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে ইচ্ছুক।❤️🌹
https://x.com/bijoy1__2024_SB/status/1830080719127003196?t=Bk9gODnH2YvmmajWsbecSw&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনার প্রতি ভালোবাসা সব সময় আমাকে এভাবে সাপোর্ট করে যাওয়ার জন্য।
কক্সবাজার ভ্রমণে দৃশ্যগুলো দেখতে পেয়ে অনেক ভালো লাগলো। আপনারা সবাই মিলে অনেক আনন্দময় মুহূর্ত উপভোগ করেছেন। আর কক্সবাজারে এই ভ্রমণের মুহূর্তগুলো সত্যিই অসাধারণ হয়ে থাকে। জায়গা গুলো অনেক সুন্দর আর ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে পেয়ে তাই ভালো লাগলো।
অনেক অনেক ধন্যবাদ সবসময় সুন্দর সুন্দর মন্তব্য শেয়ার করে পাশে থাকার জন্য।
আপনার কক্সবাজার ভ্রমণের ব্যাখ্যা এবং ছবি ভীষণ ভালো লাগলো।। এই বছরেই আমি কক্সবাজার ঘুরে এসেছি। অসাধারণ সেই জায়গার অভিজ্ঞতা। আপনি ছবিগুলি যেভাবে কোলাজ করে উপস্থাপন করেছেন তা সত্যিই ভীষণ মনোগ্রাহী হয়েছে।। সুন্দর একটি পোস্ট ভ্রমণের ব্যাখ্যা সমেত আমাদের মাঝে উপস্থাপন করলেন ভাই।
এই বছরের কোন সময়ে এসেছেন তা জানতে পারলে খুশি হতাম।
ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি মন্তব্য শেয়ার করে আপনার মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য।
আমি মার্চে গেছিলাম ভাই।
ওও আচ্ছা ভালো৷ আমরা গিয়েছিলাম ফেব্রুয়ারিতে৷ তা নাহলে তো আপনার সাথে দেখা হতো৷
আসলে ভাইয়া কক্সবাজার ভ্রমণে গেলে একটু সময় নিয়ে সব গুলো স্পট ঘুরে আসলেই ভালো হয়। দারুন সব ফটোগ্রাফি করে আমাদের মাঝে অনুভূতি উপস্থাপন করেছেন। আপনার লোকেশন অপশনটা ভুল আছে। ঠিক করে নিবেন। ধন্যবাদ।