চাঁদনী রাতের দৃশ্য অঙ্কন || ডিজিটাল আর্ট #121
হে লো আমার বাংলা ব্লগ বাসী। কেমন আছেন সবাই। আশা করি ভালো আছেন। আমিও অনেক ভালো আছি। আবার ও হাজির হলাম একটি পোস্ট নিয়ে। আশা করি সবার ভালো লাগবে।
সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের পোস্ট। কেমন আছেন সবাই। মনে হচ্ছে সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। আজ যা শীত পরেছে তা বলার মতন না। শীতে আমি কাপতেছি। যাই হোক আজকে অনেকদিন পর একটি চাঁদনী রাতের দৃশ্য নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের মাঝে। এছাড়াও অনেকদিন পর প্লাগিন এর কাজ করেছি। আশা করি ভালো লাগবে সবার।
ডিজিটাল আর্ট করতে বেশি কিছু লাগেনা। আমার যা যা লেগেছে-
- কম্পিউটার
- Adobe Photoshop CS6
- ফ্রি কাস্টম ব্রাশ Brusheezy! থেকে। এখান থেকে কপিরাইট ফ্রি কাস্টম ব্রাশ প্রিসেট নামাতে পারবেন)
- অরিনিক প্লাগিন।
প্রথমে আমি ফটোশপ ওপেন করে নিউ ফাইল তৈরি করি যার সাইজ রেশিও ২০০০X১১২৪ পিক্সেল।
প্রথমেই আমি নতুন একটি লেয়ার খুলে নেই। তারপর সেই লেয়ার এ লেসো টুল এর মাধ্যমে মাটির অংশ একে নেই।
এবার লিগাসি ব্রাশ টুল এর মাধ্যমে উক্ত লেয়ারে কিছু ঘাস এঁকে দেই।
এবার সেই ঘাসের সাথে কিছু লতাপাতা যুক্ত করি কাস্টম ব্রাশ টুল এর মাধ্যমে।
এবার কাস্টম ব্রাশ টুল এর মাধ্যমে বিভিন্ন রকম গাছ একে দেই।
এবার ব্যাকগ্রাউন্ড এ গ্র্যাডিয়েন্ট রঙ যুক্ত করি। যেহেতু চাঁদনী রাতের দৃশ্য হবে তাই সে হিসেবে রঙ বাছাই করি।
এবার আমি একটি চাঁদ এঁকে দেই।
এবার অরিনিক প্লাগিন এর মাধ্যমে চাঁদ এর গ্লো তৈরি করি।
আকাশে ছোট বড় অনেক তারা যুক্ত করে দেই।
এবার আমার নাম যুক্ত করে ড্রইং সম্পন্ন করি।
তো এই ছিলো আজকের পোস্ট এ। কেমন হলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। সবাই সাবধানে থাকবেন ভালো থাকবেন।
░▒▓█►─═ ধন্যবাদ ═─◄█▓▒░
আমি রাজু আহমেদ। আমি একজন ডিপ্লোমা ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি থেকে। আমি বাঙ্গালী তাই বাংলা ভাষায় লিখতে ও পড়তে পছন্দ করি। ফোন দিয়ে ছোটখাট ছবি তোলাই আমার সখ। এছাড়াও ঘুরতে অনেক ভালো লাগে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
চাঁদনী রাতের দৃশ্য অঙ্কন দেখতে অসাধারণ হয়েছে। আপনি সব সময়ই চমৎকার চমৎকার ডিজিটাল আর্ট করেন। চাঁদটি দেখতে অনেক সুন্দর লাগতেছে। আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া।
ডিজিটাল আর্ট করতে আমার অনেক ভালো লাগে ভাই। তাই চেস্টা করি সুন্দর ভাবে করতে।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
শীতে সবারই অবস্থা খুবই খারাপ। একেবারে কাঁপতে কাঁপতে শেষ। যাইহোক ভাইয়া শীতের মাঝেও দারুন ভাবে এই ডিজিটাল আর্ট করেছেন দেখে ভালো লাগলো। চাঁদনী রাতের অপরূপ সৌন্দর্য ডিজিটাল আর্টের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। অনেক সুন্দর একটি ডিজিটাল আর্ট শেয়ার করেছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া।
হুম এই শীতে কাঁপতে কাঁপতে অবস্থা খারাপ সবার।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ঢাকাসহ সারা দেশে এখন অনেক শীত পড়েছে। রাতের বেলা অনেক ঠান্ডা লাগে। যাই হোক আপনার এত সুন্দর আর্ট দেখে তো মুগ্ধ হয়ে গেলাম। আপনার এই আর্ট দেখে আমি তো কল্পনায় সেই জগতে চলে গিয়েছি। আপনার এই ডিজিটাল আর্ট এত সুন্দর হয়েছে যা দেখতে একদম বাস্তবের মতো লাগছে। আপনার ডিজিটাল আর্টগুলো আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি আর্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
হুম আপু। খুবই খারাপ অবস্থা শীতের।
চাঁদনী রাতে প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্যের দৃশ্য দেখে সত্যি খুব ভালো লাগলো। আপনি খুব সুন্দর করে
অত্যন্ত চমৎকারভাবে ডিজিটাল আর্টের সাহায্যে চাঁদনী রাতের দৃশ্য অঙ্কন করেছেন। আসলে আপনার দৃশ্যটি খুবই দুর্দান্ত হয়েছে। সুন্দর ভাবে এত সুন্দর আর্ট শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আসলে ভাই চেস্টা করি আর্ট গুলো সুন্দর ভাবে সমাপ্ত করার জন্য।
জ্বী ভাইয়া ইদানিং খুব শীত পড়েছে আর বাহিরে তো বের হওয়া যাচ্ছে না। তার মধ্যেও আপনি সুন্দর একটি ডিজিটাল আর্ট আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। চাঁদনি রাতের দৃশ্য খুবই সুন্দর লাগছে দেখতে। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি ডিজিটাল র্আট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু। সবই আপনাদের দোয়াতে সম্ভব হয়েছে।
ভাইয়া আপনি খুব সুন্দর একটি চাঁদনী রাতের ডিজিটাল আর্ট করেছেন ।চাঁদনী রাত আমার কাছে সব সময় খুব ভালো লাগে ।তাছাড়া আপনার আর্ট টি ও অসাধারণ হয়েছে। গাছের ফাঁকে চাঁদ টি দেখে খুবই সুন্দর লাগছে ।ধন্যবাদ আপনাকে চাঁদনী রাতের ডিজিটাল আর্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন আপু। গাছের ফাকে চাঁদকে আরো যেনো বেশি সুন্দর লাগছে।
সব জায়গাতে অতিরিক্ত ঠান্ডা পড়তেছে। বিশেষ করে গ্রাম অঞ্চলে অনেক বেশি ঠান্ডা। আমাদের এইদিকে সকালবেলা উঠতে অনেক কষ্ট হয়। যাইহোক আপনি অনেক সুন্দর একটি ডিজিটাল আর্ট করেছেন। আমি তো প্রথম দেখে মনে করলাম ফটোগ্রাফি। খুব চমৎকার ভাবে চাঁদনী রাতের পেইন্টিং ডিজিটাল আর্টের মধ্যে তুলে ধরেছেন। চমৎকারভাবে উপস্থাপনা করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এবং আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।
হুম গ্রামের দিকে ভালোই শীত পরে। ওইদিকের তাপমাত্রাও অনেক কম যে।