সূর্যাস্তের এর দৃশ্য অঙ্কন || ডিজিটাল আর্ট #115
হে লো আমার বাংলা ব্লগ বাসী। কেমন আছেন সবাই। আশা করি ভালো আছেন। আমিও অনেক ভালো আছি। আবার ও হাজির হলাম একটি পোস্ট নিয়ে। আশা করি সবার ভালো লাগবে।
সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের পোস্ট। কেমন আছেন সবাই। মনে হচ্ছে সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। তবে ঠান্ডাটা যেনো লেগেই আছে। এই পুরো শীত আমার একই অবস্থা থাকবে। যাক আজ আবার নতুন একটি ডিজিটাল আর্ট নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের মাঝে। আপনারা জানেন যে ডিজিটাল আর্ট করতে আমার ভালো লাগে। আমি হাতে আঁকা আর্ট এ খুব একটা পারদর্শী না। তবে চেস্টা করি ডিজিটাল আর্ট গুলো সুন্দর ভাবে করতে।
ডিজিটাল আর্ট করতে বেশি কিছু লাগেনা। আমার যা যা লেগেছে-
- কম্পিউটার
- Adobe Photoshop CS6
- ফ্রি কাস্টম ব্রাশ Brusheezy! থেকে। এখান থেকে কপিরাইট ফ্রি কাস্টম ব্রাশ প্রিসেট নামাতে পারবেন)
প্রথমে আমি ফটোশপ ওপেন করে নিউ ফাইল তৈরি করি যার সাইজ রেশিও ২০০০X১১২৪ পিক্সেল।
প্রথমেই আমি নতুন একটি লেয়ার খুলে নেই। তারপর সেই লেয়ার এ লেসো টুল এর মাধ্যমে সামনের দিকের মাটির একটু অংশ এঁকে দেই।
এবার র্যাকটেঙ্গুলার মারকিউ টুল দিয়ে একটি বড় যায়গা নিয়ে আয়ত আঁকি। তারপর সেটির ভিতর গ্র্যাডিয়েন্ট রঙ যুক্ত করি। এটি হবে আমার আর্ট এর পানির অংশ।
এবার পুরো ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড এ একই কাজ করি। মানে আরো একটি গ্র্যাডিয়েন্ট রঙ যুক্ত করি। এক্ষেত্রে একটু উজ্জ্বল রঙ ব্যবহার করি।
এবার একটি সূর্য আঁকি। যেহেতু সূর্যাস্তর ছবি তাই এটিকে অর্ধ বানাই। এক্ষেত্রে সেই লেয়ার টি সামনের পানির লেয়ার এর নিচে রাখি। তাই নিচের অর্ধেক দেখা যায়না।
এবার সূর্যের উজ্জ্বল রশ্মি তৈরি করি। ডুবার সময় যে চারিদিকে আলো ছড়িয়ে যায় এমনটা আরকি।
এবার কাস্টম ব্রাশ টুল ব্যবহার করে প্রথম আঁকা সেই লেয়ার এ কিছু ঘাস ও ছোট ছোট গাছ এঁকে দেই।
এবার কাস্টম ব্রাশ টুল ব্যবহার করে নতুন একটি লেয়ার এ কিছু গাছ যুক্ত করি। গাছ গুলো আর্ট এর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে দেয়।
এবার আবারো কাস্টম ব্রাশ টুল ব্যবহার করে কিছু মেঘ এঁকে দেই আকাশে। যদিও এখন বুঝা যাচ্ছেনা। তবে কালার কারেকশন করলেই সহজে বুঝা যাবে।
এবার কালার কারেকশন করি। তারপর আমার নাম যুক্ত করে ড্রইং সম্পন্ন করি।
তো এই ছিলো আজকের পোস্ট এ। কেমন হলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। সবাই সাবধানে থাকবেন ভালো থাকবেন।
░▒▓█►─═ ধন্যবাদ ═─◄█▓▒░
আমি রাজু আহমেদ। আমি একজন ডিপ্লোমা ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি থেকে। আমি বাঙ্গালী তাই বাংলা ভাষায় লিখতে ও পড়তে পছন্দ করি। ফোন দিয়ে ছোটখাট ছবি তোলাই আমার সখ। এছাড়াও ঘুরতে অনেক ভালো লাগে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আমারো পুর শীতে ঠান্ডা লেগেই থাকে, তবে বেশি হচ্ছে কাশি আর গলা বসে থাকা। আপনি অসাধারণ একটি সূর্যাস্তের ডিজিটাল আর্ট করেছেন। আপনার ডিজিটাল আর্ট টি খুবই সুন্দর দেখাচ্ছে। অনেকদিন পর মনে হল ডিজিটাল আর্ট দেখেছি।
আমার শুধু ঠান্ডাই লেগে থাকে। গলা অবশ্য বসেনা। তবে হাঁচি দিতে দিতে জীবন শেষ।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
ডিজিটাল আর্ট এর মাধ্যমে সুন্দর একটা আর্ট উপহার দিয়েছেন ভাইয়া। কালার কম্বিনেশন টা চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত।সূর্যাস্তের এমন দৃশ্য বাস্তবে দেখলে কতোই না ভালো লাগে। আকাশের মেঘ টা দেখতে বেশ সুন্দর দেখাচ্ছে। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে সুন্দর একটা ভিজিটাল আর্ট আমাদের সকলের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আসলে একটা আর্টিক সৌন্দর্য নির্ভর করে কালার কম্বিনেশন উপর। তাই চেস্টা সুন্দর করে তৈরি করার।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
চমৎকার একটি সূর্যাস্তের ডিজিটাল শেয়ার করেছেন আপনি। আর্টটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। ডিজিটাল আর্ট গুলো আমার কাছে বরাবরই খুবই ভালো লাগে। কালার কম্বিনেশন চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি।। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আমি স্বপ্ন দিয়ে চেষ্টা করি ডিজিটাল আর্ট গুলো ফুটিয়ে তোলার জন্য। সবই আপনাদের দোয়ায়।
ডিজিটাল আর্ট গুলো ভালই লাগে। সূর্যাস্তের দৃশ্যটা দারুন লাগছে। যদিও আমি ডিজিটাল আর্ট করতে জানিনা। তবে আপনার ডিজিটাল আর্ট এর ধাপ গুলো দেখে মনে হচ্ছে এতটা সহজ নয়। আমার আমাদের মাঝে এত সুন্দর একটি সূর্য অস্তের ডিজিটাল আর্ট উপহার দেওয়ার জন্য শুভেচ্ছা রইল।
আমিও জানতাম না, করতে করতে হয়ে গেছে আর কি।
আমিতো এখনো ঠান্ডার কোনো আভাস এই পেলাম না,রুমে আসলে মনে হয় এখনো গরম।রাতে দিব্যি ফ্যান ছেড়ে ঘুমাই হাহা।
আর আজকের আর্ট টা কিন্তু দারুন ছিল।দেখে বোঝার উপায় নেই এটা ডিজিটাল আর্ট,অনেকটা ফটোগ্রাফি এর মত মনে হচ্ছে।
বলেন কি? আপনাদের ওদিকে ভালোই গরম দেখা যায়। আমাদের ঢাকায় তো, মানে আমরা যে এলাকায় থাকি সেখানে আপনার গত ১ সপ্তাহে ফ্যান ছাড়ছি কিনা মনে হয় না, মানে রাতের বেলায় আর কি।
হেহে কি যে বলেন ভাই। সবই তো আপনাদের দোয়াতে সম্ভব হয়েছে। নাহলে কি আমি পারতাম।
শীতকাল আসলে অনেকের কাছে এই সমস্যা হয়। ঠান্ডাটা নিয়মিত লেগে থাকে।ডিজিটাল আর্ট গুলো বরাবরের মধ্যে আমার বেশ ভালো লাগে।আপনি ডিজিটাল আর্টের মাধ্যমে সূর্যাস্তের প্রাকৃতিক দৃশ্য অংকন করেছেন।দেখতে বেশ সুন্দর হয়েছে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
হুম আপু। তবও শীত আমার কাছে অনেক ভালো লাগে।