আলু দিয়ে বাইম মাছ ভুনা রেসিপি
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভাল আছি।
আলু দিয়ে বাইম মাছ ভুনা রেসিপি
| উপকরণ | পরিমান |
|---|---|
| বাইম মাছ | ৮ পিছ |
| আলু | ২টি |
| পেঁয়াজ কুচি | ৩ টি |
| কাঁচা মরিচ | ৪ টি |
| পেঁয়াজ বাটা | ৩ টেবিল চামচ |
| আদা বাটা | ১ চা চামচ |
| রসুন বাটা | ১ চা চামচ |
| হলুদ গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| লাল মরিচ গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| ধনিয়া গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| জিরা গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| ধনিয়া পাতা | পরিমাণমত |
| লবন | স্বাদমতো |
| তেল | পরিমাণমত |
প্রুস্তুতপ্রণালী
প্রথমে একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে দেই। তেল গরম হলে আলু গুলি দিয়ে দেই ।আলুগুলো বাদামি করে ভাজা হলে একটি বাটিতে উঠিয়ে রাখি।
তারপর ওই তেলের মধ্যে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দেই। পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভাজা হলে সব বাটা মসলা ও লবণ দিয়ে দেই।
তারপর সবগুঁড়ো মসলা দিয়ে ভালোমতো নেড়ে চেড়ে মসলা টা একটু কষিয়ে নেই।
তারপর মাছগুলো দিয়ে ভালোমতো নেড়ে চেড়ে নেই।
তারপর একটু পানি ও আলু দিয়ে আরো কিছুক্ষণ রান্না করি।
তারপর কাঁচা মরিচ দিয়ে আরো কিছুক্ষণ রান্না করে পানি শুকিয়ে মাছগুলো কষিয়ে নেই।
তারপর ঝোলের জন্য বেশি পানি ও ধনিয়া পাতা দিয়ে আরো কিছুক্ষণ রান্না করি।
তারপর জিরা গুঁড়ো দিয়ে আরও বেশ কিছুক্ষণ রান্না করে পানি শুকিয়ে নেই।
পানি শুকিয়ে মাখামাখা হয়ে এলে ব্যাস তৈরি হয়ে গেল আমার আলু দিয়ে বাইম মাছ ভুনা রেসিপি। এখন একটি বাটিতে বেড়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে। আশা করছি আপনাদের কাছে আমার রেসিপিটি ভালো লেগেছে।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি ।আগামীতে আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আমার ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
| ফটোগ্রাফার: | @wahidasuma |
|---|---|
| ডিভাইস: | স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৪০ |
🔚ধন্যবাদ🔚
@wahidasuma
আমি ওয়াহিদা সুমা।আমি 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩।বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য।
আপু আলু দিয়ে বাইম মাছ বেশ মজার করে রান্না করেছেন।এভাবে কখনও রান্না করে খাওয়া হয়নি।আপনি প্রথমে মাছ ভুনা করছেন এরপর আলু দিয়ে রান্না করেছেন দেখতে বেশ মজার হয়েছে বুঝা যাচ্ছে।এভাবে একদিন আলু দিয়ে ভুনা করে রান্না করে খেয়ে দেখতে হবে আশা করি খেতে ভালো লাগবে ধন্যবাদ।
আপু আপনি যেহেতু এভাবে কখনো খান নি তাহলে অবশ্যই একবার খেয়ে দেখবেন ভালো লাগবে।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
শীতের এই সময়ে নতুন আলু দিয়ে এভাবে মাছ রান্না করলে খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। আপনি খুব সুন্দর ভাবে এই রেসিপি তৈরি করেছেন। আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। রেসিপির কালার দেখতে অসাধারণ। ধাপগুলো খুব সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছেন রং। ধন্যবাদ মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আপু খেতে বেশ সুস্বাদু হয়েছিল।আপনিও খেয়ে দেখবেন ভালো লাগবে ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আলু দিয়ে বার মাছ রান্না করলে এর স্বাদ দ্বিগুণ বেড়ে যায়,একদম ঠিক বলেছেন আপনি।
রেসিপিটি খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন আপনি। এমন মাছের রেসিপির ঝোল ঘন বা মাখামাখা হয়ে আসে তখন খেতে বেশ ভালো লাগে।
হ্যাঁ আপু এভাবে মাখা মাখা করে রান্না করলে খেতে খুবই ভালো লাগে।ধন্যবাদ আপনাকে।
আচ্ছা আমরা এটাকে বাইন মাছ বলি। সে বাইম হোক আর বাইন হোক,টেস্ট একই,মাছ একই।তবে আমাদের বাড়িতে এই মাছ রান্না করার সময় আগে ভেজে নেওয়া হয়। ডাইরেক্ট মশলাতে কাঁচা মাছ দিয়ে রান্না কখনো করে খাইনি। তবে বাংলাদেশের মানুষের কমবেশি সকলেরই হাতের রান্না ভালোই হয়।আপনারা যখন এভাবে খান নিশ্চয়ই খেতে ভালোই লাগে।
আপু আমরা এই মাছ টিকে কখনো ভেজে রান্না করি না ,তাহলে এর স্বাদ কমে যায় ।এই ভাবে ভুনা করে রান্না করলে খুবই স্বাদের হয়।ধন্যবাদ আপনাকে।
বাইম মাছ খুবই মজাদার স্বাদের একটি মাছ। আর আপনি বললেন আলু দিয়ে রান্না করলে এর স্বাদ দ্বিগুণ হয়ে যায় সত্যিই দ্বিগুণ হয়ে যায়। আর আপনার বানানো আলু দিয়ে বাইম মাছের ভুনা দেখে মনে হচ্ছে অনেক মজার হয়েছে রান্নাটি। আর প্রতিটি ধাপের ফটোগ্রাফী ও অনেক সুন্দর হয়েছে ধন্যবাদ।
হ্যাঁ খেতে খুবই মজার হয়েছিল।এভাবে কখনো না খেয়ে থাকলে অবশ্যই খেয়ে দেখবেন ।ভালো লাগবে।ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
বাইম মাছ খুবই মজাদার একটি মাছ। কিন্তু এই মাছটা সবসময় পাওয়া যায় না। ছোট বেলায় মা নারকেল দিয়ে বড় বড় বাইম মাছ এর রেসিপি বানাতো খেতে অনেক মজাই ছিল। আপনার রেসিপি দেখে ছোট বেলায় মায়ের হাতের রান্নার কথা মনে পড়ে গেল। আপনি রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে এটা খুবই মজাদার একটি রেসিপি হয়ে। উপস্থাপনা টা হয়ে দারুণ। আলু দিয়ে যে কোন রেসিপি রান্না করলেই সেটা আমার কাছে অনেক মজা লাগে। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া আমার রেসিপি দেখে আপনার মায়ের হাতের রান্নার কথা মনে পড়েছে জেনে বেশ ভালো লাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।