বাধাকপি দিয়ে মসুর ডাল এর রেসিপি
হ্যাল্লো বন্ধুরা
প্রিয় আমার বাংলা ব্লগবাসী, সবাইকে আমার নমষ্কার /আদাব। কেমন আছেন আপনারা সবাই? আশা করছি আপনারা সকলে বেশ ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আমিও মহান সৃষ্টিকর্তার আশির্বাদে পরিবারসহ বেশ ভালোই আছি। আজ আবারো আপনাদের সামনে হাজির হলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। পোষ্টের ভিন্নতা আনার জন্য চেষ্টা করছি একেক দিন একেক ধরনের পোস্ট করার জন্য। আজ অবশ্য একটি মজাদার রেসিপি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি । আমি কিছুটা ঘরোয়া, কম তেল-মসলার খাবার গুলোই পছন্দ করে থাকি। আজকের খাবারটিও ঠিক তেমন ই। একদম কম তেল- মসলায় মজাদার এবং পুষ্টিকর একটি রেসিপি। আশা করবো আজকের পোষ্ট টি আপনাদের ভালো লাগবে। তো আর কথা না বাড়িয়ে চলুন সরাসরি রান্নায় চলে যাই।তার আগে এক নজরে রান্নার উপকরণ গুলোও দেখে নেই....
| উপকরণ সমূহঃ | পরিমাণ: |
|---|---|
| মসুর ডাল | ১.৫ কাপ |
| বাধাকপি | ১/৪ অংশ |
| লবণ | পরিমাণ মতো |
| সয়াবিন তেল | সামান্য |
| কাচামরিচ | ৫/৬ টা |
| পেয়াজ | মাঝারি ১ টি |
| রসুন | ৭/৮ কোয়া |
| শুকনা মরিচ | ১ টা |
| হলুদ গুড়া | সামান্য |
| জিরা গুড়া | সামান্য |
| ধনিয়াপাতা | সামান্য |
রন্ধনপ্রণালীঃ
ধাপ-১ :
প্রথমে আমি মসুর ডাল গুলো ভালো করে ধুয়ে নিয়ে একটি হাড়িতে করে পানি, লবণ এবং কাচামরিচ দিয়ে সেদ্ধ হতে দিবো।
ধাপ-২ :
ডাল সেদ্ধ হতে হতে বাধাকপি টা কেটে নিয়েছি। ডাল ভালো করে সেদ্ধ হয়ে এলে সেই বাধাকপি গুলো যোগ করে সেদ্ধ করে নিলাম।
ধাপ-৩ :
এবারে কড়াই এ তেল দিয়ে প্রথমে একটি শুকনা মরিচ ভেঙে ভেজে নিয়েছি। তারপর পেয়াজ-রসুন কুচি তেলে দিয়ে ভালো করে ভেজে লাল লাল করে বেরেস্তার মতো করে নিয়েছি।
ধাপ-৪ :
এবার তেলে বাধাকপি সহ সেদ্ধ করা ডাল দিয়ে দিয়েছি। ডালের মাঝে কিন্তু আমি আগেই হলুদ গুড়া এবং জিরার গুড়াও যোগ করে দিয়েছিলাম।
ধাপ-৫ :
এবার কুচি করা ধনিয়াপাতা যোগ করে আরেকটু জ্বাল দিয়ে নামিয়ে নিয়েছি।
পরিবেশনঃ
এতক্ষণ সময় নিয়ে আমার পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাকে 🌼 ধন্যবাদ 🌼
আমি- তিথী রানী বকসী, স্টিমিট আইডি @tithyrani। জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। শিক্ষাগত যোগ্যতা : একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। বিবাহিতা এবং বর্তমানে রাজধানী ঢাকায় বসবাস করছি।২০২৩ সালের জুন মাসের ১৯ তারিখে স্টিমিটে জয়েন করেছি। OR
ভ্রমণ করা, বাগান করা, গান শোনা, বই পড়া, কবিতাবৃত্তি করা আমার শখ। পাশাপাশি প্রতিদিন চেষ্টা করি নতুন নতুন কিছু না কিছু শিখতে, ভাবতে। যেখানেই কোন কিছু শেখার সুযোগ পাই, আমি সে সুযোগ লুফে নিতে চাই৷ সর্বদা চেষ্টা থাকে নিজেকে ধাপে ধাপে উন্নত করার।
বাঁধাকপি দিয়ে মুসুর ডালের দারুন একটা রেসিপি তৈরি করা হয়েছে। যেটা খুবই সুন্দর একটি রেসিপি। আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। এই ধরনের রেসিপি গুলো খেতে খুবই সুস্বাদু হয়। এত সুন্দর রেসিপি তৈরি করে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ রিপন ভাই।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপু আপনি অনেক সুন্দর করে বাধাকপি আর মুসুর ডাল দিয়ে ভিন্ন ধরনের রেসিপি বানিয়েছেন। এটি দেখতে অনেক লোভনীয় হয়েছে। ধন্যবাদ দিদি আপনাকে এত সুন্দর পোস্ট করার জন্য।
আমিও তরকারিতে বেশি তেল ও মসলা হলে খেতে পারি না। তবে রান্না করার সময় আন্দাজ করতে পারি না বেশি দিয়ে ফেলি হিহিহি। আমিও মুসুরির ডাল পাতাকপি দিয়ে রান্না করি। গরম ভাতের সাথে বেশ ভালো লাগে। সাথে যদি ঝাল মরিচ হয় তাহলে খেতে আরো ভালো লাগে। আজ আপনার রেসিপিটি দেখেও বোঝা যাচ্ছে অনেক স্বাদ হয়েছিল। এমন রেসিপি হলে ভাতের সাথে আর কিছু প্রয়োজন হয় না।
এটা ঠিক যে এমন রেসিপি হলে আরাম করে ভাত খাওয়া হয়। আপনিও এই রেসিপি টি করেন জেনে ভালো লাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
আমি আবার তেল মশলা কম হলে খেতে পারি না। যদিও সেটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয় এটা জেনেও নিজেকে পরিবর্তন করতে পারি না। যাই হোক আপনার রেসিপি দেখেই বুঝা যাচ্ছে সব কিছু কম দিয়ে খুবই মজাদার রেসিপি তৈরি করেছেন। বাঁধাকপি দিয়ে কখনও এভাবে মসুর ডাল রান্না করা হয়নি। সবসময় এক ধরনের খাবার খেতে ভালো লাগে না আর সেজন্য আমিও চেষ্টা করি রেসিপির মধ্যেও নতুনত্ব নিয়ে আসতে। নতুন ও ইউনিক খাবার খেতে যেমন ভালো লাগে তেমনি দেখতেও ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপু মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
জি আপু। সব সময় একই রকম ভাবে একই পদ খেতে ভালো লাগে না। তাই তো মাঝে মধ্যে একটু এদিক সেদিক করেই ভিন্নতা আনতে হয়।
ঘরোয়া পদ্ধতিতে কম তেল মশলার রান্নাগুলো যেমন স্বাস্থ্যকর হয় আর একটু ধৈর্য ধরে কম আছে রান্না করলে সুস্বাদু হয়। আপনার রান্নার পদ্ধতি দেখে তো ভালই লাগছে এবং এই ধরনের রান্না গুলো আমিও করে থাকি। অতিরিক্ত তেল ঝাল মশলা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক বলে নিয়মিত খাওয়া ঠিক নয়। খুব সুন্দর রান্না করেছেন আপনি।
অতিরিক্ত তেল- মসলা শরীরের জন্য ক্ষতিকর জেনেও আমরা মুখের স্বাদে তো খেয়েই থাকিই। তবে এভাবে কম তেল-মসলার রান্নাগুলোর স্বাদ ও খুব পিওর হয় আমি খেয়াল করে দেখেছি। আপনার সুন্দর মতামতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিদি।
শীতকালে বাধা কপি ব্যবহার করে যে কোন ধরনের রেসিপি তৈরি করলে অনেক বেশি মজাদার হয়। আপনি দেখছি আজকে খুবই সুন্দর করে বাধাকপি দিয়ে মসুর ডাল এর রেসিপি তৈরি করেছেন। আপনার তৈরি করা রেসিপি টি দেখে মনে হচ্ছে বেশ মজাদার হয়েছিল। আপনি প্রতিটি উপকরণ একদম সমান ভাবে মিশ্রণ করে রেসিপি টি সম্পন্ন করেছেন।
আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ রিয়াদ ভাই।
বাঁধাকপির এই রেসিপি টা আমার খুবই পছন্দ। বাঁধাকপি যখন আনা হয় তখন অর্ধেকটা ভাজি করে বাকি অর্ধেকটা এভাবে রান্না করে ফেলি। আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। তার সাথে ঝাল ঝাল একটু মরিচ ভর্তা হলে তো আরো জমে যায়। খুব মজার বিষয় হল এটা খুব সহজেই তৈরি করা যায়।
জি আপু। খুব সহজেই তৈরি করা যায়, খেতেও মজা আবার পুষ্টিকর ও। 😁
আপনার মতোই আমিও তেল মসলা যে রেসিপিগুলোতে কম হয় ওগুলোই বেশি পছন্দ করি। কেনোনা তাতে স্বাস্থ্যঝুঁকি কম থাকে। যাইহোক গরম ভাতের সাথে খাওয়া মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করেছেন আজ। ধনিয়া পাতা, মসুর ডাল এবং বাঁধাকপি দিয়ে মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করেছেন। দারুন হয়েছে আপনার রেসিপিটি। তাই আশা করছি আগামীতেও আপনার থেকে এরকম লোভনীয় রেসিপি গুলি আরো দেখতে পারবো।
জি ভাই। স্বাস্থ্যকর, পুষ্টিকর আবার খেতেও মজা। এমন খাবারগুলোই আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় যুক্ত করা উচিত।
আইডিয়াটি আমার কাছে ভালো লেগেছে, একদম নতুন কিছু মনে হয়েছে। স্বাদ নেয়ার সুযোগ নিবো একদিন হি হি হি। অনেক ধন্যবাদ
অবশ্যই ভাই। একদম সিম্পল রান্না হলে কী হবে, স্বাদের দিক থেকে কিন্তু কারোর থেকে কম যায় না! আশা করছি ভালো লাগবে আপনার। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।