বেগুন ভর্তা রেসিপি
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন। সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সাথে বেগুন ভর্তা তৈরি করার রেসিপি তৈরি করে দেখালাম।আশা করি সকলের ভাল লাগবে।
শীতকাল মানেই বেগুন পোড়া বা বেগুনের ভর্তা। অনেকেই এই বেগুনের ভর্তা খেতে পছন্দ করে ,আমি কিন্তু ভীষণ রকম ভালোবাসি এই বেগুন ভর্তা খেতে ।কারণ শীতকালে গরম গরম ভাতের সাথে যদি বেগুন ভর্তা থাকে তাহলে মনে হয় আর কিছু লাগেই না। হঠাৎ করে আমার আজকে সকালবেলা বেগুন ভর্তা খেতে ইচ্ছে করছিল ,আর মাকে বলাতেই সঙ্গে সঙ্গে কম সময়ের মধ্যে করেও দিল। কিন্তু আমি আজকে ভাতের সাথে খাইনি, রুটির সাথে খেয়েছি । আমি যেহেতু আজকে প্রথমবার রুটির সাথে বেগুন ভর্তা খেয়েছি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে।বাঙ্গালিদের কাছে বেগুন ভর্তা অতি জনপ্রিয় একটি খাবার।নাম বেগুন হলে কি হবে তাতে রয়েছে অজস্র গুণ।বেগুন ভাজা, বেগুনি তার সাথে সাথে বেগুনের ভর্তাও কিন্তু খুব জনপ্রিয়। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া বাংলাদেশ, ভারত,বিভিন্ন জায়গাতেই এই বেগুন ভর্তা খাওয়া হয়।বেগুনে আছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, হজম শক্তি বাড়াতে,ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে এর জুড়ি মেলা ভার।
চলুন তাহলে শুরু করা যাক রেসিপিটি।
বেগুন ভর্তা তৈরী করার পদ্ধতি:
| উপকরণের নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| ১ বেগুন | ২ টো |
| ২. পিঁয়াজ কুচি | ১ টা |
| ৩. টমেটো কুচি | ১ টা |
| ৪. কাঁচালংকা | ১ টা |
| ৭. ধনেপাতা | পরিমান মত |
| ৮. লবণ | পরিমান মত |
| ৯. সরষের তেল | পরিমান মত |
রন্ধন প্রণালী :
প্রথম ধাপ
•প্রথমে দুটো বেগুন ভালো করে ধুয়ে নিলাম এবং তার মধ্যে সরষের তেল ভালো করে মাখিয়ে নিলাম।
দ্বিতীয় ধাপ
•এরপর তেল মাখানো বেগুনটিকে গ্যাসের মধ্যে দিলাম অল্প আঁচে।
তৃতীয় ধাপ
•এরপর ভালো করে বেগুনটি পুড়ে গেলে নামিয়ে দিলাম।
চতুর্থ ধাপ
•এবার হালকা ঠান্ডা হয়ে এলে হাত দিয়ে আস্তে আস্তে পোড়া অংশটা ছাড়িয়ে নিলাম।
পঞ্চম ধাপ
• এভাবে বেগুন এর পোড়া অংশ ছাড়িয়ে নিলাম।
ষষ্ঠ ধাপ
•এবার অল্প সরষের তেল ,টমেটো ও লঙ্কা কুচি দিয়ে দিলাম।
সপ্তম ধাপ
• এরপর পেঁয়াজ কুচি ও ধনেপাতা কুচিও লবন দিয়ে দিলাম।এবার একসাথে সব মিশিয়ে ভালো করে মেখে নিলাম।
অষ্টম ধাপ
• ব্যাস তৈরি হয়ে গেল বেগুন ভর্তা।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |


আহা,বেগুন ভর্তাটা যে আমার কি পরিমাণ প্রিয় তা জাস্ট বলে বুঝাতেই পারবোনা।শুধু বেগুন ভর্তা খাওয়ার জন্যেই আমি আগে দুটো এলার্জীর ওষুধ খেয়ে নেই।🤪
আপনি ঠিক বলছেন আপু নাম বেগুন হলে কি হবে গুণে ভরপুর।আপনি এতরাতে বেগুন ভর্তা রেসিপি শেয়ার করে তো ঝামেলাই ফেলে দিলেন আমাকে।সকালে যে আমাকে করে খেতে হবে😴😴।বেগুন আজ বাজার থেকে আনিয়েছি কিন্তু আমার আগে আপনি তো খেয়ে নিলেন।যাক আপু রেসিপিটি অসাধারণ ছিল ঝাল ঝাল ধনেপাতা দিয়ে গরম ভাতে আপু।বলতেই জিবে জল।হা হা হা
আপু আপনার বেগুন ভর্তাটি দেখে আমার তো জিভে জল চলে আসছে। আমরা আসলে বেগুন ভর্তা শুকনো মরিচ দিয়ে করে খাই। কিন্তু আপনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে যত শহরের ভাতা তৈরি করলেন। যা দেখে সামলাতে পারছিনা। একটু পাঠিয়ে দেন না আপু। গরম গরম ভাতের সাথে খাব।
আপনার বেগুন ভর্তার ডেকোরেশন দেখেই তো আমি একেবারে পোস্ট দেখতে চলে এলাম। ডেকোরেশনটা একটা বেগুনের মত লাগছে। আসলে ঠিক বলেছেন শীতকালে এরকম ভর্তা খেতে সব থেকে বেশি ভালো লাগে। আপনি প্রথমবার রুটি দিয়ে খেয়েছেন শুনে আরো ভালো লাগলো। আমার কাছে বেগুন ভর্তা আর রুটি কিংবা ভাত দুটো দিয়েই খেতে ভালো লাগে। আর বাঙ্গালীদের এসব খাওয়ার কথা না বললেই নয়।
আমি তো বেগুন ভর্তার রেসিপিটি দেখে একেবারে অবাক হয়ে গেলাম। প্রথমে তো ভেবেছিলাম হয়তো একটি বেগুন বসিয়ে দেখেছেন। পরে পুরো পোস্টটি দেখার পরে বুঝতে পারলাম বেগুন ভর্তা তৈরি করে খুব সুন্দর ডেকোরেশন করেছেন। শীতকালের সময় এরকম ভর্তাগুলো খেতে ভীষণ ভালো লাগে। আমিও কিছুদিন আগে বেগুন ভর্তা তৈরি করেছিলাম। কিন্তু আপনার মত এত ইউনিক ভাবে তৈরি করতে পারলাম না। ভাবতেছি এবার এরকমভাবে একবার তৈরি করে দেখি খেতে কেমন লাগে। আসলে খুব ইউনিক একটি রেসিপি তৈরি করে আমাদের উপহার দিলেন।
দিদি বেগুন ভর্তা খুব পছন্দের একটা খাবারের মধ্যে আমার। আমিও এভাবে পুড়িয়ে ভর্তা করে খেতে পছন্দ করি। আমার ফ্রিজে এখনও একটা পোড়া বেগুন আছে। 😃 অনেক মজার ভর্তা এই বেগুন ভর্তা।😍😍😋
শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য। 🥰🥰🥰
আহা দিদি কি দেখালেন 👌। শীতের সকালে বেগুন ভর্তা আর গরম ভাত, উফ জমে ক্ষীর পুরো। আমার ভীষণ পছন্দের। তবে এই বছর এখনও খাওয়া হয় নি। আজকেই বলবো মাকে। ধনিয়া পাতা দিয়ে খেতে যা লাগে 👌। মুখ সুরসুর করছে পুরো। খুব মিষ্টি একটা আয়োজন ছিল একদম।
সত্যি দিদি মানুষে বলে যার নেই কোন গুণ তার নাম বেগুন, কিন্তু তা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। আসলে বেগুনে রয়েছে অনেক পুষ্টি গুণে ভরপুর। আসলে দিদি বেগুন এভাবে পুরিয়ে ভর্তা করলে অনেক মজা। আর আপনি দেখছি সাথে টমেটো ও ধনের পাতা দিয়েছেন, তাহলে স্বাদ দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। আপনার মতো বেগুন ভর্তা হলো দু প্লেট ভাত খাওয়া যায় - হা হা হা। ধন্যবাদ আপনাকে।
দিদি, বেগুন পোড়া ভর্তা, আমার কাছেও খুব খুব খুব ভালো লাগে। শীতকাল আসলেই মাঝে মাঝে আমার বাড়িতেও এই রেসিপি তৈরি করা হয়। পোরা বেগুন ভর্তাতে ধনিয়া পাতা সহ রেসিপি খেয়েছি, কিন্তু কখনো টমেটো যোগ করিনি। তাই আপনার বেগুন পোড়া ভর্তাটি একদম নতুনত্বে ভরপুর। তাই স্বাদটাও ভিন্ন হবে বলে মনে হচ্ছে। দিদি, আপনার পরিবেশনের প্লেটে বেগুন ভর্তা যেভাবে সাজিয়ে রেখেছেন দেখে খুবই লোভ যাচ্ছে। লোভনীয় এই রেসিপির প্রতিটি ধাপ, আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ওয়াও এত উপকরণ দিয়ে বেগুন ভর্তা দিদি খেতে নিশ্চয় অনেক মজা হয়েছিল।এভাবে পুড়িয়ে বেগুন ভর্তা করলে খেতে খুব মজাদার হয়।তার সাথে আবার টমেটো,ধনিয়া পাতা।জিভে জল এসে যাওয়ার মতো রেসিপি শেয়ার করেছেন দিদি।ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।