বিকেল মুহূর্তে আখের রস ও গরম গুড় খাওয়া মুহূর্তের দৃশ্য পটভূমি || ( ১০%লাজুক খ্যাকের জন্য) by ripon40
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@ripon40 বাংলাদেশের নাগরিক
- বিকেল মুহূর্তে আখের রস ও গরম গুড় খাওয়া মুহূর্তের দৃশ্য পটভূমি
- ০৯, জানুয়ারী ,২০২৩
- সোমবার
আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশাকরি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আজ আমি বিকেল মুহূর্তে আখের রস ও গরম গুড় খাওয়া মুহূর্তের দৃশ্য পটভূমি শেয়ার করব । আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
Device : Redmi Note 11
বিকেলে মাঠে গিয়ে আখের গুড় খাওয়া মুহূর্তের দৃশ্য পটভূমি
What's 3 Word Location :https://w3w.co/obscuring.line..
তাহলে চলুন গল্পটি শুরু করি |
|---|
ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করে না এমন লোক খুব কমই খুঁজে পাওয়া যাবে। আমিও খুবই ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করি। ছোটবেলা থেকেই বন্ধুদের সাথে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যেতে খুবই পছন্দ করতাম। আমার কিছু বন্ধু ছিল তারাও ঘুরতে খুবই পছন্দ করে। বন্ধুদের চাওয়া-পাওয়ার সাথে মিল থাকলে তাহলে তো কোন কথাই নেই। যেখানে দুচোখ যায় সেখানেই যেতে মন চায় মন শুধু চায় ছুটাছুটি করতে বিভিন্ন জায়গায় অচেনা দৃশ্য গুলো উপভোগ করতে।
Device : Redmi Note 11
মাঠে প্রবেশ মুহূর্তে
What's 3 Word Location :https://w3w.co/obscuring.line..
বর্তমান কয়েকদিন যাবত প্রচন্ড শীত পরছে বাইরে কোথাও যাওয়াই যাচ্ছে না। এই বছরের সবচেয়ে বেশি শীত পড়েছে বিগত তিনদিন। শীতকাল আমার জন্য একটু কষ্টের কারণ আমার ঠান্ডা আছে সেজন্য সব সময় সতর্কতার সাথে চলাফেরা করার চেষ্টা করি। বিশেষ করে শীতের সময় মোটরসাইকেলে ঘুরাঘুরি করা একদমই বাদ দিয়ে দিয়েছি। আবহাওয়া ভালো থাকলে সূর্যের উপস্থিতিতে বিকেল মুহূর্তে মাঠে গিয়ে কয়েকদিন যাবত দারুণ সময় অতিবাহিত করেছি। সূর্যের তাপ বিকেল মুহূর্তে খুবই ভালো লাগে। সূর্যি মামার উপস্থিতিতে ফাঁকা স্থানে দাঁড়িয়ে থাকার মজাই আলাদা। একটি দিনের সেরা মুহূর্ত হলো বিকেলের মুহূর্তটা। মাঠের মাঝে কয়েকদিন যাবত খুব সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছি বর্তমান সময়ে আমাদের গ্রামে মাঠে মাঠে প্রচুর সরিষা চাষাবাদ করা হয়। সেই দৃশ্য উপভোগ করার পাশাপাশি আপনাদের সাথে শেয়ারও করেছি।
Device : Redmi Note 11
আখের রস এবং গুড় তৈরির দৃশ্য পটভূমি
What's 3 Word Location :https://w3w.co/obscuring.line..
আমরা প্রথমে একটি বাঁশের সাঁকো দিয়ে মাঠের প্রবেশপথে যাত্রা শুরু করে। সারা বছর সেখানে পানি থাকে মাঠে যাতায়াতের জন্য এই ধরনের সাঁকো বানিয়ে রেখেছে কৃষকেরা। অনেকদিন পর এই ধরনের বাঁশের সাগর উঠতে পেরে খুবই ভালো লাগলো ছোটবেলা এই ধরনের সাঁকো পার হওয়ার মুহূর্তে খুবই ভয় পেতাম। এখন ভয় করে না অনেক ভালো লাগে। সাঁকো পার হওয়ার পর চারিদিকে শুধু সরিষা হলুদের সমাহার দ্বারা বেষ্টিত। এই দৃশ্যটি যে কেউ দেখলে তার মন ভালো হয়ে যাবে। এইরকম সুন্দর পরিবেশ সবাই চাই উপভোগ করতে শীতের মৌসুমে এই ধরনের সৌন্দর্য মাঠে মাঠে বেশি দেখা যায়। আমাদের উদ্দেশ্য আখের রস এবং গুড় খাওয়ার সেজন্যই আমরা মাঠের দিকে রওনা দিয়েছি। ১৫ মিনিটের মধ্যেই আমরা আখের রস খাওয়ার জায়গাটিতে পৌঁছে যাই। আখের রস এবং গোড় তৈরির যে প্রক্রিয়া সেই স্থানটিকে বলা হয় খৌলা। ছোটবেলা থেকেই এই জায়গাটিতে আখের রস এবং গুড় তৈরির প্রক্রিয়া দেখে আসচ্ছি। বর্তমানে আখ চাষের পরিমাণ খুবই কম আমাদের অঞ্চলে কলা চাষের আবাদ বেড়ে গিয়েছে। কৃষকের যে ফসল লাভজনক সেটাই বেশি করে থাকে আমাদের এলাকায়।
Device : Redmi Note 11
আখের গরম গুড়
What's 3 Word Location :https://w3w.co/obscuring.line..
আমি তো যেখানে যাই সেখানে ফটোগ্রাফি করে থাকি। যেটা আমার খুবই পছন্দের আখের রস এবং গুড় তৈরির দৃশ্যপটগুলো দেখে নিজেকে ফটোগ্রাফি করার জন্য প্রস্তুত করে নিলাম। খৌলার পরিবেশটা খুবই সুন্দর ছিল চারিপাশে আখ তার মাঝামাঝি স্থানে ফাঁকা জায়গা করে নিয়েছে কৃষকেরা সেখানেই এই গুড় তৈরির প্রক্রিয়া চলমান রেখেছে। আমরা তিনজন বন্ধু সেখানে গিয়েছিলাম চারিপাশের পরিবেশটা উপভোগ করার পাশাপাশি আখের রস দিয়ে গুড় তৈরির প্রক্রিয়ার দৃশ্যপট ভালোভাবে উপভোগ করতে থাকলাম। তার সাথে সাথে সেখানকার সকল দৃশ্যপটের ফটোগ্রাফি ভালোভাবে করে নিয়েছি। যখন গরম গুড় তৈরির প্রক্রিয়া শেষের দিকে এত সুন্দর লাগছে দেখতে সেটা না খেয়ে ফিরে আসা অসম্ভব। আমরা সেখানে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর একটি প্লেটে গরম গুড় ঢেলে নিয়ে খেতে থাকলাম। খাওয়ার মুহূর্তে কি আর ফটোগ্রাফি করার কথা মনে থাকে সে দৃশ্যটি হয়তো তোলা হয়নি কিন্তু গরম গুড় দেখতে খুবই ভালো লাগছিল সেই দৃশ্য ঠিক ভালোভাবে ফটোগ্রাফি করেছি। বিকেল মধ্যে খুব সুন্দর একটি সময় কাটিয়েছি তার পাশাপাশি আখের রস এবং গুড় সবশেষ আখ খেতে খেতে বাড়ির দিকে রওনা দিই। আশা করি আমার কাটানো সুন্দর মুহূর্তের গল্প আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
ধন্যবাদ সবাইকে
আমি মোঃ রিপন মাহমুদ। আমার স্টীমিট একাউন্ট@ripon40। আমি একজন বাঙালি আর আমি বাঙালী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করি। আমি স্টীমিটকে অনেক ভালোবাসি। ভালোবাসি পড়তে, লিখতে, ব্লগিং,ফটোগ্রাফি,মিউজিক,রেসিপি ডাই আমার অনেক পছন্দের। আমি ঘুরতে অনেক ভালোবাসি। আমার সবচেয়ে বড় গুণ হলো কারোর উপর রাগ করলে সহজেই ভুলে যাই।
রস শুনেই মনে হচ্ছিল যে কতদিন খেজুরের রস খাই না। পরে দেখলাম যে আপনি আখের রস খেতে গিয়েছেন। যাদের ঠান্ডার সমস্যা আছে তাদের জন্য শীতকাল খুবই কষ্টকর। শীতকালে এই ঠান্ডার সমস্যা খুবই বেড়ে যায় এবং খুব সাবধানে থাকতে হয়। বন্ধুদের সঙ্গে সবসময় দেখা যায় মনের মিল থাকে এবং বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানো যায়। গরম গরম গুড় খেতে বেশ ভালই লাগে। আপনি বন্ধুদের নিয়ে অনেক সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছেন দেখেই বোঝা যাচ্ছে।
রস খাওয়ার কথা মনে পড়লেই শীতের মৌসুমে খেজুরের রস আখের রস এগুলোর কথাই মনে পড়বে। তাছাড়া ঠাণ্ডার সমস্যাটা আমার খুব ভালোভাবেই লাগে সেজন্য সতর্কতার সাথে অবলম্বন করি।
একটা বিষয় ভালো লাগলো সেটা হচ্ছে আপনি একদম পুরোপুরি প্রস্তুত হয়েই সেখানে গিয়েছিলেন যার জন্যই প্রতিটা ফটোগ্রাফি এত সুন্দরভাবে ক্যাপচার করতে পেরেছেন। তবে সবচেয়ে ভালো লেগেছে গরম আখের গুড়ের ছবিটা, সত্যি বলতে আমার তো খেতে ইচ্ছে করছে দেখে।
যেখানেই যাই ফটোগ্রাফি সেই দৃশ্যগুলো খুব ভালোভাবে ক্যাপচার করার চেষ্টা করি তা না হলে আপনাদের কাছে ভালো লাগবে না কেন।
আহা ভাই ছোট বেলার স্মৃতি তাজা হলো।এরকম সাকো পার হওয়া আসলেই ভয়ের ব্যাপার ভাই।কখন যে ভেঙ্গে পড়ে এই টেনশন ই বেশি।আমাদের এদিকে গুড় বানানোর জায়গা কে গাছ বলে।শহরে থাকায় অনেকদিন এই দৃশ্য দেখি না।আপনার কল্যানে দেখলাম।ধন্যবাদ ভাইয়া ঘোরাঘুরি,সুন্দর দৃশ্য ও ছোটবেলার কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য।
শহর জীবনের ব্যস্ত সময় পার করলে এই দৃশ্যগুলো সত্যি মিস করতে হয়। যেটা আপনি ছোটবেলা অনেক বার আখের রস খেয়েছেন সেই স্মৃতিবিজরিত দিনের কথা মনে পড়ে গেল।
বিকেলের সময়টা অনেক সুন্দর ভাবে পার করেছেন দেখেই বোঝা যাচ্ছে ফটোগ্রাফি গুলা।। গরম গুড় খেতে আমারও মজা লাগে বেশ কয়েকদিন আগে আমিও এরকম খেয়েছি এখন আরো সুন্দর সময় অতিবাহিত করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।।
হ্যাঁ ভাই বিকেলে দারুন সময় পার করেছি আখের রস এবং গরম গুড় খাওয়ার মাধ্যমে সত্যিই অনেক সুন্দর মুহূর্ত ছিল।
ভাইয়া আপনার এই পোস্ট দেখে আমার নানু বাড়ির কথা খুব মনে পড়ে গেল। নানার নিজের আখের জমি ছিল আর এই শীতের সিজন আসলে আখের রস খাওয়ার জন্য চলে যেতাম নানু বাড়ি। আমার কাছেও গরম গরম আখের রস আর গুড় খেতে অনেক ভালো লাগে। আপনি বিকেল বেলা খুব সুন্দর মুহূর্ত পার করেছেন। আপনার সুন্দর মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
যাক তাহলে তো ভালই ছোট্টবেলা নানুর বাড়ি গিয়ে অনেক আখের রস খেয়েছেন আসলে এরকম স্মৃতি কমবেশি সবারই আছে সেই স্মৃতিগুলো খুবই মধুর।
আপনি ঠিকই বলেছেন ঘুরাঘুরি করতে পছন্দ করে না এরকম লোক খুবই কম পাওয়া যাবে। বিশেষ করে আমি একটু বেশি পছন্দ করি ঘোরাঘুরি করতে। তাইতো যখনই সময় পাই তখনই ঘুরতে বেরিয়ে যাই। আপনি তো দেখছি বেশ ভালোই ঘোরাঘুরি করেছেন এবং সেই সাথে আখের রস এবং গুড়ও খেয়েছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে আপনার কাটানো এত সুন্দর একটি মুহূর্ত সবার মাঝে ভাগ করে নেওয়ার জন্য।
হ্যাঁ ঘোরাঘুরি করতে খুবই পছন্দ করি শীতের মৌসুমে মাঠের সুন্দর দৃশ্য আখের রস খাওয়ার অনুভূতিটায় থাকে আলাদা । যেটা প্রতিবছরের এই দিনের জন্য অপেক্ষা করি।
আপনার সবগুলো ফটোগ্রাফিই খুব অসাধারণ হয়েছে। আমার ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালো লাগে। আর আপনার সরিষা মাঠের ফটোগ্রাফি টা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। এত সুন্দর একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
হ্যাঁ ভাই মাঠের মাঝে সরিষা ফুলের এই সৌন্দর্য তার মাঝ দিয়ে পথ রাস্তা। সেই সুন্দর পরিবেশ উপভোগ করতে করতে যাওয়া।
আমাদের গ্রামেও এরকম বাঁশের সাঁকো থাকতো। ছোটবেলায় সবাই স্কুলে যাওয়ার সময় এভাবে বাঁশের সাঁকো উপর দিয়ে পারতাম। সত্যি সেদিনগুলো ছিল খুবই মজার। সেই দিনগুলো এখনো সবার মাঝে স্মৃতি হিসেবে থেকে গেছে। এখন তো এরকম বাঁশের সাঁকো একেবারেই দেখা যায় না। বন্ধুরা মিলে তো দেখছি, বেশ ভালই মজা করেছেন। খুবই ভালো সময় অতিবাহিত করেছেন। আখের রস ও গরম গুড় খাওয়ার মুহূর্তের দৃশ্য বেশ ভালোভাবেই তুলে ধরেছেন কিন্তু না দিয়ে। নিজেরা খেয়ে নিলেন মনে করলেন না আমাদের কথা। ধন্যবাদ।
হ্যাঁ আপু যুগের পরিবর্তনের সবকিছুই পরিবর্তন হয়েছে ।সেজন্য এই ধরনের বাশের সাঁকো খুবই কম দেখা যায়। যাইহোক, এখনো মাঠের প্রবেশ করতে এটি ব্যবহার হয়।
আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া। ভাল আছেন আশাকরি। কাল থেকে যদিও সূর্যি মামার দেখা মিলেছে।তাই শীত কিছুটা কম।আপনি আপনার বন্ধু দের সাথে খুব সুন্দর মূহুর্ত কাটিয়েছেন জেনে ভাল লাগলো। আখের গুড় করা দেখতে পেলাম, খুবই ভাল লাগলো। শীতে খুব সমস্যা হয় যাদের খুব ঠান্ডার সমস্যা আছে।তাই ঘোরাঘুরি ও বেশি করা হয়ে ওঠেনা। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। অনেক অভিনন্দন আপনাকে।
হ্যাঁ আপু গত কয়েকদিন যাবত সূর্য মামার দেখা না গেলেও এখন দেখা যাচ্ছে। সেজন্যই তো বিকেলে খুব সুন্দর মুহূর্ত উপভোগ করেছি যেটা আপনাদের কাছে অনেক ভালো লেগেছে।