বৃক্ষমেলা-৩ (১০% পে আউট লাজুক খ্যাকের জন্য)🦊🦊🦊
হেলো বন্ধুরা
সবাই কেমন আছেন আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি।আমি @ashik333 বাংলাদেশ থেকে বলছি চলে এলাম নতুন একটি ব্লগ নিয়ে আপনাদের মাঝে আমার আজকের ব্লগে থাকছে বৃক্ষমেলার ৩য় পর্ব তাহলে চলুন শুরু করা যাক।আমার আজকের ব্লগ টা।
বন্ধুরা গত পর্বে আমি শেয়ার করেছিলাম বৃক্ষমেলায় একটি ফায়ার সার্ভিস এর দারুন কিছু বৃক্ষমেলার চিত্র তারা বিভিন্ন ধরনের বনায়ন এই মেলাই উপস্থাপন করেছে আজ দেখাবো অন্যান্য নার্সারি থেকে আসা দোকান গুলো চলুন শুরু করি।পথের শুরুতেই একটি গাছের দোকান দেখা যাবে এখানে বিভিন্ন জাতের ফল গাছ পাওয়া যাবে তবে তাদের কাছে কোনো ফুল গাছ নেই সব শুধু ফল গাছ আমি কয়েকটির দাম ও জিজ্ঞাসা করেছিলাম দাম বেশি না সবার সাধ্যের মধ্যেই দাম গুলো রেখেছে তারা।এভাবে আমি ঘুরে ঘুরে তাদের দোকানের গাছ গুলো দেখছিলাম।
দেখতে দেখতে দোকানের পাশে আরেকটা দোকান সেটাতে আমার চোখ পরে সাদা সাদা ছোট ফুল দেখে আমি কাছে চলে যায় এবং গিয়ে দেখি খুব সুন্দর মিষ্টি গন্ধ এই ফুলটির নাম কি একটা জুই জেনো বললো আমার খেয়াল হচ্ছে না গন্ধের জন্য এটা বিক্ষ্যাত এমনিতে জুই ফুলের গন্ধ খুবই সুন্দর লাগে । আমি অনেক সমই এটার গন্ধ নিচ্ছিলাম আসলে ফুল গাছটা আমার অনেক পছন্দ হয় দাম জিজ্ঞাসা করলাম তেমন একটা বেশি না।বড় গুলো ১৫০ টাকা আর ছোট গুলো মাত্র ৬০ টাকা তো আমি দেখলা যদি দুইটা নেই তাহলে কিছু টা কম রাখতে পারে।
তাই ভেবে আমি বললাম কাকু আমাকে আরো একটি দিন সাথে একটা বকুল ফুলের গাছ দিবেন এটা অনেক দিন ধরে খুজছি পাচ্ছি না।তিনটা গাছ তিনি ১৮০ টাকা চাইলো আমি তাজে ১৫০ টাকা দিয়ে চলে এলাম।দুইটা গাছ ই আমার খুব পছন্দ হয়েছিলো গাছ কেনার পরে এবার ঘুরছি আমি দোকান দোকানে আর ছবি তুলছি সেখানে হাজার হাজার গাছ দাম ছিল গাছ ভেদে একেকটার একেক দাম।একটা কেকটাস ছোট চারা দাম ১২০০ টাকা চাইলো গাছটাতে আবার ফুল ফুটেছে দেখতেও অনেক সুন্দর লাগছিলো।সব মিলিয়ে দারুন ইঞ্জয় করলাম।
| শ্রেনী | বৃক্ষমেলা পোস্ট |
|---|---|
| দেশ | বাংলাদেশ |
| ক্যামেরা | স্যামসাং |
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ধন্যবাদ
বৃক্ষ মেলা থেকে ভ্রমণ করতে গেলে যেন মনটা আনন্দে ভরে যায়। কেন সেখানে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের গাছের সাথে পরিচিত হওয়া চাই খুব সহজেই। বৃক্ষ মেলা ভ্রমন করতে আমারও অনেক ভালো লাগে।