"আমার বাংলা ব্লগ" প্রতিযোগিতা-৫৬ || ঘরোয়া পদ্ধতিতে সুস্বাদু ফলের জুস তৈরি

in আমার বাংলা ব্লগ2 years ago

আজ - মঙ্গলবার

০৩ বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১৬ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

IMG_20240414_175411_159.jpg


আসসালামু আলাইকুম



আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে আপনাকে স্বাগতম




হ্যালো বন্ধুরা,

আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক অনেক ভালো রয়েছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো রয়েছি। 'আমার বাংলা ব্লগ'এর সকল ভাইবোন বন্ধুদেরকে আমার পক্ষ থেকে সালাম এবং অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি 'আমার বাংলা ব্লগ' কর্তৃক আয়োজিত ফলের জুস তৈরিতে। আজকে আমি আপনাদের মাঝে ৯ রকমের ফলের রস দিয়ে সুন্দর জুস তৈরি করে দেখাবো। আর এই জুস তৈরি করব একদম ঘরোয়া পদ্ধতিতে। যেখানে ব্লেন্ডার মেশিন ছাড়াই নিজ হাতে তৈরি করে দেখাবো। আর এর জন্য ব্যবহারিত প্রয়োজনীয় জিনিস থেকে শুরু করে জুস তৈরির পিছনে সবকিছু সুন্দরভাবে উপস্থাপন করব ব্লগটা দারুন ভাবে সাজানোর জন্য, আশা করি কেউ বিরক্তি ফিল করবেন না। তাহলে চলুন শুরু করি।


রেসিপি তৈরিতে ব্যবহারিত প্রয়োজনীয় উপকরণ সমূহ:


ক্রমিক নম্বর
উপকরণ
১.একটি চামচ
২.একটি ছুরি
৩.একটি প্লেট
৪.একটি টি-পট
৫.একটি গামলা
৬.দুটি কাপ
৭.একটি ছাকনি
৮.একটি পিরিচ


IMG_20240415_104226_005.jpg



জুস তৈরিতে ব্যবহৃত ফল সংরক্ষণ



প্রথমে গাছ পাকা বেল সংরক্ষণ করেছি আমাদের বেল গাছ থেকে। বেল পাড়ার আশা করে গাছের নিচে গিয়ে লক্ষ্য করেছি একটি পাকা বেল পড়ে আছে। এরপর ডাব গাছে উঠে দো-মালা ডাব সংরক্ষণ। তারপর আমড়া গাছের কাছে গিয়ে পাকা আমড়া সংরক্ষণ। আর বাকি ফলগুলো বাড়িতে ছিল।


IMG_20240414_154642_088.jpgIMG_20240414_154758_384.jpgIMG_20240414_160219_584.jpg


জুস তৈরিতে ব্যবহৃত ফল সমূহ:


ক্রমিক নম্বর
উপাদান
পরিমান
১.দো-মালা ডাব১ টি
২.পাকা বেল১ টি
৩.পাকা আমড়াএক টি
৪.আপেল১ টি
৫.আঙ্গুর১৮ টি
৬.কমলালেবু১ টি
৭.শসাএক টি
৮.পাকা কলাএকটি
৯.খির খাজুর৪ টি


IMG_20240414_162408_828.jpgIMG_20240414_164927_667.jpg


কার্যপ্রণালীর ধাপসমূহ:


ধাপ :-১

ঘরোয়া পদ্ধতিতে জুস তৈরি করতে প্রথমে দো-মালা ডাব কেটে একটি কাপের পানি সংরক্ষণ করলাম এবং ডাবটি ফাটিয়ে নিলাম। ডাবের মধ্যে থাকা শাস চামচের মাধ্যমে সংরক্ষণ করলাম।


IMG_20240414_160748_178.jpgIMG_20240414_161526_657.jpg


ধাপ :-২


এবার পাকা বেল ফাটানো হলো। এরপর চামচের সহযোগিতায় বেলের মধ্য থেকে আটি এবং আঠা বাদে দানাদার অংশ আলাদা করে নিলাম।


IMG_20240414_155121_177.jpgIMG_20240414_155311_610.jpgIMG_20240414_155533_695.jpg


ধাপ :-৩

প্রধান কাজ শুরুতেই ডাভ সাবান দিয়ে হাত ভালো করে ধুয়ে এলাম। এবার একটি বড় পাত্রের মধ্যে ডাবের পানি ঢেলে দিলাম। এরপর ডাবের পানিতে পাকা বেলের সংরক্ষিত অংশগুলো দিয়ে হাতের মাধ্যমে মিক্সচার করতে থাকলাম।


IMG_20240414_162615_966.jpg


ধাপ :-৪

এবার ডাবের পানি ও বেলের মিশ্রণের মধ্যে পাকা কলাটা দিয়ে মিক্সচার করলাম।


IMG_20240414_162753_633.jpg


ধাপ :-৫

এবার ছুরি দিয়ে আমড়া টি ফালি ফালি করে কেটে কাঙ্খিত পাত্রের মধ্যে দিয়ে দিলাম।


IMG_20240414_163044_800.jpgIMG_20240414_163331_792.jpgIMG_20240414_163359_639.jpg


ধাপ :-৬

একইভাবে শসা ছুরি দিয়ে ছুলে নিলাম। এরপর কুচি কুচি করে কাটলাম। তারপর জুস বানানোর কাঙ্খিত পাত্রের মধ্যে দিলাম। এরপর হাত দিয়ে সব উপাদানের সাথে মিক্সচার করার চেষ্টা করলাম।


IMG_20240414_163529_700.jpgIMG_20240414_163757_421.jpgIMG_20240414_163815_085.jpg


ধাপ :-৭

ডাবের শাস বেশ নরম ছিল। তাই শাসগুলো ছুরির মাধ্যমে কুচি কুচি করে কেটে নিলাম এবং জুস তৈরির পাত্রের মধ্যে নিয়ে হাত দিয়ে ভালোভাবে মিশ্রণ করতে থাকলাম।


IMG_20240414_163932_469.jpgIMG_20240414_164210_520.jpgIMG_20240414_164228_325.jpg


ধাপ :-৮

এবার প্রতিটা আঙ্গুর ফল চার ফালি করে কাটলাম। এরপর ফালি গুলো জুসের পাত্রের মধ্যে দিয়ে দিলাম। এরপর সমস্ত উপাদানের সাথে হাত দিয়ে মিক্সচার করার চেষ্টা করলাম।


IMG_20240414_164401_917.jpgIMG_20240414_164639_682.jpgIMG_20240414_164703_075.jpg


ধাপ :-৯

এবার চারটা ক্ষীর খেজুরের বিচি ফেলে দিয়ে জুস তৈরির পাত্রের মধ্যে খেজুর ভিজিয়ে দিলাম নরম হওয়ার জন্য। এরপর আপেল কেটে ফালি ফালি করে কেটে পাত্রের মধ্যে দিয়ে দিলাম। এবং সর্বশেষে জুস এর সুন্দর ঘ্রাণ আর সুস্বাদু রূপ ধারণ করার জন্য একটি কমলা লেবু খোসা ছাড়িয়ে একটা একটা কুয়া ছাড়িয়ে পাত্রের মধ্যে রাখলাম। এরপর খুব সাবধানতার সাথে কমলালেবুর খোসা আর বিচি বের করে ফেলে দিলাম। সেই সাথে কমলালেবুর রস মিশ্রণ হয়ে গেল পাত্রের সমস্ত ফলের উপাদানের সাথে।


IMG_20240414_165050_075.jpgIMG_20240414_165109_186.jpg
IMG_20240414_165318_867.jpgIMG_20240414_165527_199.jpgIMG_20240414_165542_206.jpg
IMG_20240414_170224_544.jpgIMG_20240414_170311_295.jpg


ধাপ :-১০

এবার সমস্ত ফল গুলো গামলার মধ্যে হাতের সহযোগিতায় ভালোভাবে চিপে রস বের করতে থাকলাম। আর এভাবে অনেকক্ষণ হাতের সাহায্যে চিপতে থাকলাম। চাইলে ব্লেন্ডার মেশিন ব্যবহার করতে পারতাম কিন্তু ঘরোয়া পদ্ধতি হাতের মাধ্যমে করা উচিত। এতে ফলের মধ্যে থাকা আসল রস যতটুক পাওয়া যাবে। এতেই সুস্বাদু জুস হবে।


IMG_20240414_170615_651.jpg


ধাপ :-১১

এবার কাচের গ্লাসের উপর ছাঁকনি রাখলাম। ছাকনির উপর ফলের রসগুলো দিতে হবে এবং ছেকে নিতে হবে।


IMG_20240414_171310_132.jpgIMG_20240414_171432_372.jpg


ধাপ :-১২

আর ঠিক এভাবেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে একটু একটু করে গামলার মধ্য থেকে ফলের রস ছাঁকনিতে নিতে থাকলাম এবং আঙ্গুলের সহযোগিতায় নেড়ে নেড়ে ফলের রস বের করতে থাকলাম এবং আসল রস গ্লাসের মধ্যে পড়তে থাকলো। আর ছাঁকনির মধ্যে থাকা ফলের টুকরা গুলো আলাদা পাত্রে সরিয়ে রাখলাম। এভাবে আধা ঘন্টা ধরে আমি আমার ঘরোয়া পদ্ধতিতে কাজ চালিয়ে গেলাম। এদিকে হাতের আঙ্গুল গুলো বেশ ব্যাথা হয়ে আসলো। তবুও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ বলে কথা। আর এভাবে একটি পর্যায়ে আমার ফলের রস আলাদা করা সম্পূর্ণ হলো।


IMG_20240414_171639_478.jpgIMG_20240414_172444_412.jpgIMG_20240414_172916_262.jpg


শেষ ধাপ:

এরপর ছাঁকনি দিয়ে আবারো দুইটা গ্লাসের মধ্যে ফলের রসগুলো ভালো করে ছেঁকে নিলাম। আর এভাবেই সম্পূর্ণ হলো আমার নয় প্রকার ফলের জুস তৈরি করা। এরপর মাধবীলতা ফুল দিয়ে খুব সুন্দর করে ডেকোরেশন করলাম।


IMG_20240414_175124_899.jpg



received_305654148004402.webp
zr7XQBzuvvkjgjjPxunUtP5k84gxgWc4mR8PqdBj5rx8AtXSSugGPwSy7JKyM3rgX4k3arRVPC2wT66DqiAYg2UuYrHpE94NCJsYEnjKP7Erbg.png


এরপর এই জুস আমি আমার বড় ভাই @bidyut01 এর নিকট পরিবেশন করেছিলাম। সে জুস খাওয়ার পর এতটা প্রশংসা করেছিল। তা আপনাদের বলে বোঝাতে পারবো না। এতে বুঝতে পারলাম আমার এই ফলের জুস সত্যিই অনেক সুস্বাদু হয়েছে। কারণ সে যখন প্রশংসা করেছে এতে আমি নিশ্চিত। কারণ ভালো না লাগলে সে কখনোই সম্পূর্ণ পান করত না। আর এভাবেই আমার ফলের জুস তৈরির কার্যক্রম সম্পন্ন হল।
আশা করি,আমার এই পোস্টটি পড়ে আপনি অনেক বিষয় সম্পর্কে জানতে বুঝতে ও শিখতে পেরেছেন। পোস্টটি উপস্থাপনা কেমন ছিল এবং এ বিষয়ে আপনার অনুভূতি কেমন আমাকে জানাতে ভুলবেন না। আপনার জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইলো।


পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

received_434859771523295.gif


পুনরায় কথা হবে পরবর্তী কোন নতুন কনটেস্টে, ততক্ষণ ভালো থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।

TZjG7hXReeVoAvXt2X6pMxYAb3q65xMju8wryWxKrsghkLbdtHEKTgRBCYd7pi9pJd6nDf4ZPaJpEx3WAqvFVny2ozAtrhFXaDMnAMUAqtLhNESRQveVFZ7XHcED6WEQD48QkCkVTAvNg6.png

Sort:  
 2 years ago 

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো।বিভিন্ন ধরনের ফল দিয়ে আপনি অনেক সুস্বাদু ভাবে জুস তৈরি করেছেন। পরিবেশন টাও দেখতে বেশ ভালো লাগছে। কচি ডাবের পানি ও নারিকেল দেওয়ার কারণে খেতে হয়তবা অনেক বেশি সুস্বাদু হয়েছিল। তৈরি করার প্রতিটি ধাপ অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।

 2 years ago 

চেষ্টা করেছিলাম

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

 2 years ago 

আপনি ৯ রকম ফল দিয়ে জুস তৈরি করেছেন দেখে ভালো লাগলো। বেশ কিছু ফল বাড়িতে ছিল আর বাকিগুলো নিজেদের গাছ থেকে সংগ্রহ করেছেন। নিজেদের গাছের কোন কিছু খাওয়ার মজাটাই আলাদা। আপনার ফলের জুস দেখে খুবই লোভনীয় লাগছে। খেতে নিশ্চয় সুস্বাদু হয়েছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভকামনা রইল আপনার জন্য।

 2 years ago 

ভাই ঘরোয়া পদ্ধতিতে আপনি তো খুব সুস্বাদু ফলের জুস তৈরি করেছেন। গরমের এই দিনে আমাদের শরীরের জন্য জুস কিংবা শরবত খুবই উপকারী। আর সেই জুস কিংবা শরবত যদি তৈরি করা যায় একদম ঘরোয়া পদ্ধতিতে তাহলে তা খুবই স্বাস্থ্যসম্মত হয়। ভাই আপনি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য, মজার শরবত রেসিপি তৈরি করেছেন, এবং আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন এ জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

 2 years ago 

একদম ঠিক বলেছেন

 2 years ago 

বাহ অনেক প্রকারের ফল দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সুস্বাদু ফলের জুস তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। যেহেতো জুসটাতে অনেক প্রকারের ফল পড়েছে তাই তাতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন হবে। ধন্যবাদ।

 2 years ago 

হ্যাঁ এখানে অনেক ফলের কারণে ভিটামিন টা বেশি ছিল

 2 years ago 

আমার বাংলা ব্লগে ৫৬ তম প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগছে। খুবই মজাদার সুস্বাদু ফলের জুস রেসিপি তৈরি করেছেন। এই গরমের সময় ফলে জুস খেতে খুবই ভালো লাগবে, আর শরীরের জন্য অনেক উপকার।

 2 years ago 

গরমের আরাম ফলের জুস

 2 years ago 

আপনার এই ফলের জুস আমার অনেক বেশি ভালো লাগলো ও ইউনিক লাগল। নয় রকমের ফলের রস দিয়ে আপনি ফলের জুস বানিয়েছেন। বেশ দারুন ভাবে প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে উপস্থাপনা করেছেন। প্রত্যেকটা ধাপ বেশ সুন্দর করে তুলে ধরেছেন। আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইল।

 2 years ago 

চেষ্টা করেছিলাম ধাপগুলো সাজাতে

 2 years ago 

আপনি তো দেখছি আজকে অনেকগুলো ফলের সমন্বয়ে এই শরবতটা তৈরি করেছেন। ৯ রকমের ফল দিয়ে এই শরবত তৈরি করেছেন ভাবতেই ভালো লাগতেছে। আপনার সর্বদা টা দেখে মনে হচ্ছে অনেক বেশি মজা করছিল এটা কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি ভালো হবে এমনিতেই ফল আমাদের শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারী আর যদি একসাথে এতগুলো ফলের রস দিয়ে শরবত তৈরি করা হয় তাহলে তো আরো ভালো লাগবে। এই শরবতের মধ্যে যদি কয়েকটা বরফের টুকরো দেওয়া হয়, তাহলে খেতে অনেক বেশি ভালো লাগবে। বিশেষ করে দুপুরবেলায় খেতে ভালো লাগবে। কারণ এখন অনেক বেশি গরম পড়তেছে।

 2 years ago (edited)

ভাই আমি পানি ব্যবহার করি নাই। শুধু ফলের রস, আর ডাবের পানি। মিষ্টি ব্যবহার করি নাই।

 2 years ago 

সত্যি ফলের জুস অসাধারণ সুস্বাদু হয়েছিল। তোমার তৈরি ফলের জুসের স্বাদ ছিল সম্পূর্ণ অমৃত। ফলের জুস তৈরি করার প্রক্রিয়াটি সত্যিই অসাধারণ ছিল। তাই আমি আগে থেকেই অনুমান করতে পেরেছিলাম যে ফলের জুস অসাধারণ সুস্বাদু হবে, ঠিক তাই হলো। অসাধারণ তৃপ্তি পেয়েছি তোমার তৈরি ফলের জুস পান করে। অসংখ্য ধন্যবাদ তোমাকে।

 2 years ago 

জুস খাওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ

 2 years ago 

ভাইয়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনি প্রতিযোগিতার জন্য খুবই ইউনিক একটি শরবতে রেসিপি শেয়ার করেছেন। এভাবে নয় পদের ফল দিয়ে কখনো শরবত তৈরি করে খাওয়া হয়নি। আপনার শরবত দেখে খুব খেতে ইচ্ছে করছে। এখন যে পরিমাণ গরম পড়েছে এর মধ্যে এমন এক গ্লাস ঠান্ডা শরবত হলে শরীর একদম ঠান্ডা হয়ে যাবে। আপনার উপস্থাপনা খুব সুন্দর হয়েছে। ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ ইউনিক শরবতের রেসিপি শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।

 2 years ago 

হ্যাঁ এইমাত্র শরবতগুলো খুবই উপকারী

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.097
BTC 64542.43
ETH 1914.32
USDT 1.00
SBD 0.39